নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • লিটমাইসোলজিক
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল

আপনি এখানে

সংস্কারবাদীদের সিংহাসন লাভ ।


••••• ২০০৭ এর শুরুতে প্রায় গৃহযুদ্ধের সামনে থাকা একটি দেশে সেনাবাহিনীকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর ক্ষমতা গ্রহনের পর দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলেই হঠাত উদ্ভব হয় “সংস্কারবাদির”. যারা কাজ করেছিল এবং চেয়েছিল যে রাজনৈতিক দলগুলিতে যেন একনায়িকাতন্ত্র আর না থাকে । দুটি রাজনৈতিক দলের নেতারাই তখন সাধারন ও সংস্কারবাদী এই দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায় একনায়িকাদের কারাবন্দির কারনে । কারাবন্দি থাকাকালীন নিজের মুসলমানির পরীক্ষায় এগিয়ে ছিলো বর্তমান হেড অব দা কালসাপ ও ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠি ওলামা লীগ/হেফাজতের মহিলা আমির মোসাম্মত শেখ হাসিনা ।

••••• ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে নি তাই বিএনপির সংস্কারবাদিরা আম আর ছালা দুটোই হারিয়েছে । তবে কোনঠাসা অবস্থায় থাকার পরও আওয়ামি মুসলিম লীগের সংস্কারবাদিরা “রাজনীতিতে বেঁচে থাকার মতন অক্সিজেন” পেয়ে যাচ্ছিলেন ক্ষমতায় নিজের সমর্থিত দল থাকার কারনেই , যদিও এদের দলীয় পদ থেকে অবনমন করা হয়েছিল ।

••••• ওবায়দুল কাদের, আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু, আব্দুল জলিল, শেখ সেলিম এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত , এরাই হলেন সেই সময়ের আওয়ামি মুসলিম লীগের সংস্কারবাদী যারা একনায়িকাতন্ত্রের শেষ চেয়েছিলেন দলীয় গঠনতন্ত্রে সংস্কারের মাধ্যমে । এই ৭ জনের মধ্যে তিন জন বর্তমানে জীবিত নেই । তবে এদেরকে বেঁচে থাকার সময়ও এমন অসম্মানের মুখোমুখি করা হয়েছে যে স্বাভাবিক থাকাটাও এদের কাছে তখন অস্বাভাবিক । যদিও সবচেয়ে বড় কোপটা গেছে মালাউন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের উপর দিয়েই ।

••••• ২০০৯ এ আওয়ামি মুসলিম লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে সংস্কারবাদিদের জায়গা হয় নি মন্ত্রিসভায় তবে মিডিয়াতে দিনের পর দিন চৌকষ ও মন ভোলানো সিনেমেটিক বক্তৃতা দিয়ে একটা সময় ঠিকই মন্ত্রিত্ব কব্জা করে নেয় নোয়াখাইল্যা হিজড়া ওবায়দুল কাদের । পরে ধীরে ধীরে মন্ত্রিত্ব পায় তোফায়েল, আমু এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত । তোফায়েল তো মিডিয়াতে যখন তখন কান্নাকাটিই করতো যদি একটি মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রিত্ব পায় কোনমতে !!

••••• যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অধীনে থাকতো যে রেলবিভাগ ঐ রেলকেই আলাদা মন্ত্রনালয় হিসেবে দাঁড় করিয়ে এর প্রথম মন্ত্রির দায়িত্ব সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দেয়া হয় । কথাবার্তায় চৌকস এবং চিকন বুদ্ধির লোক , নোয়াখাইল্যা রয়াল ডিস্টিকের বাসিন্দা ও বিশিষ্ট হিজড়া ওবায়দুল কাদের এটা মেনে নিতে পারে নি প্রকাশ্যে । তাই হয়তো রাতের বেলায় দাবার চাল এবং এক চালেই সুরঞ্জিতের কুপোকাত ।

••••• হ্যাঁ, সুরঞ্জিত বাদে অন্য সংস্কারবাদিরা মুসলিম বলেই তারা এখনো সিংহাসনে । নাটের গুরু হিজড়া ওবায়দুলও মস্ত বড় পদে । আওয়ামি মুসলিম লীগের একনায়িকাতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সংস্কারবাদি ওবায়দুল এখন ব্যস্ত বাংলাদেশের সংস্কার নিয়ে । আগা কাটা মুসলমান ওবায়দুলের কাছে এই বাংলাদেশ , বাংলা ভাষা আর ভালো লাগে না । মোহাম্মদ ওবায়দুল কাদের আর তার একনায়িকা চায় যে করেই হোক বাংলাদেশকে যেন সংস্কারের মাধ্যমে সাচ্চা মুসলমানের দেশ হিসেবে দাঁড় করানো যায় এবং এটা সম্ভব কেবলমাত্র ইসলামের পথে চললে, মদিনা সনদের পথে চললে , সৌদির গ্র্যান্ড মুফতির উপদেশ মতন চললে ।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ক্ষয়িষ্ণু বাঙালি.
ক্ষয়িষ্ণু বাঙালি. এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 2 weeks ago
Joined: শনিবার, জানুয়ারী 7, 2017 - 9:35অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর