নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর

আপনি এখানে

ঈশ্বর - আল্লাহ্‌ - ভগবান ও ধর্মের অযৌক্তিকতা এবং কাণ্ডজ্ঞান প্রসঙ্গ !



(কসমোলজিস্ট লরেন্স ক্রস, বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও, ধর্মের ভন্ডামী নিয়ে সচেতনতার বিষয়ে তিনি কাণ্ডজ্ঞান বা কমনসেন্সকেই সবচাইতে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন।)

প্রয়াত লেখক অভিজিৎ রায় ও রায়হান আবির যৌথভাবে একটি পুস্তক লিখেছেন তা্র নাম “অবিশ্বাসের দর্শন”। পুস্তকটির নামের সাথে “দর্শন” শব্দটি থাকলেও বইটির বড় অংশ জুড়ে আসলে বর্ণনা করা হয়েছে, ব্যাখ্যা করা হয়েছে অবিশ্বাসের বিজ্ঞানকে। কেনও এটা করা হয়েছে সে বিষয়ে লেখকদ্বয় বইয়ের শুরুতেই ভুমিকায় খুব পরিস্কার ব্যাখ্যা করেছেন। লেখকদ্বয় বেশ পরিস্কার ভাবেই বলেছেন তাঁরা মনে করেন নাস্তিকতা ও ঈশ্বরের অসম্ভব্যতা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রথাগত দর্শনের ভুমিকা কমে এসেছে। ঈশ্বর বিষয়ক গবেষণা, আলোচনার যায়গায় প্রথাগত দর্শনকে হঠিয়ে তার যায়গা দখল করেছে বিজ্ঞান ।

কোনও সন্দেহ নেই, বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতি ঈশ্বরের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কে প্রায় শুন্যের কাছাকাছি নিয়ে গেছে। কসমোলজিস্ট অধ্যাপক লরেন্স ক্রস বিষয়টিকে এভাবে বলেছেন – বিজ্ঞান আসলে প্রতিদিনই ঈশ্বরকে হত্যা করছে, বিজ্ঞান শুধু একজন ঈসশর-আল্লাহ-ভগবানের নয়, বরং ইতিহাসে হাজারো ঈশ্বর - আল্লাহ্‌ - ভগবানের কবর খুঁড়ে চলেছে। এ প্রসঙ্গে ইউটিউবে তাঁর একটি বিতর্ক সিরিজ আছে দারুন আগ্রহসঞ্চারী। (আগ্রহীরা এখানে দেখে নিতে পারেন একটি পর্ব - এখানে )। আগ্রহ উদ্দীপক হচ্ছে, বিজ্ঞান প্রতিদিন ঈশ্বরকে হত্যা করছে এই বক্তব্যটিও এক ধরনের দার্শনিক বক্তব্য। কেননা, এর পালটা প্রশ্ন যদি করা হয়, ঈশ্বর যদি নাইই থাকেন তাহলে তাঁকে হত্যা করা যায় কিভাবে? প্রকৃত অর্থে, বিজ্ঞান হত্যা করছে মানুষের ঈশ্বরবোধকে, মানুষের ঈশ্বর চেতনাকে। বিজ্ঞান হাজার হাজার ঈশ্বরের উপস্থিতিকে ধ্বংস করেছে কেবল একটি কাজ করে, সেটি হচ্ছে প্রকৃতিকে ব্যাখ্যা করে। সূর্য দেবতার তাই মরন ঘটেছে যখন বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করতে পেরেছে সূর্য আসলে পৃথিবীর দূরতম একটি জ্যোতিষ্ক ব্যতীত আর কিছুই নয়। বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করেছে আকাশ একটি শুন্যস্থান, তার কোনও স্তম্ভ দরকার নেই দাড়িয়ে থাকার জন্যে, আর তার উপরে কোনও ঢাউস তখত বা বাদশাহী সিংহাসন নেই, তাই আল্লাহ্‌ আর তাঁর কথিত "দোস্ত" মুহাম্মদের বিবরণে যে আরশ এর বর্ণনা আমরা পাই, তা বাস্তবত অনুপস্থিত, নেহাতই কৌতুককর।

ঈশ্বর – আল্লাহ্‌ - ভগবান বিষয়ক ভন্ডামীর অবসানে দর্শন ও বিজ্ঞানের ভুমিকা প্রসঙ্গে, আমি অভিজিৎ রায় ও রায়হান আবিরের সাথে দ্বিমত পোষণ করি। ঈশ্বরের অসম্ভবতা প্রমানের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও দর্শনের দৃষ্টিভঙ্গিকে বা বিশ্লেষনের ধরণটি আমি সম্পূর্ণ আলাদা বলেই মনে করি এবং মনে করি তারা একে অপরকে খারিজ করেনা (Not mutually exclusive), তারা একে অপরের ভুমিকা কে রিডিউস করেনা বরং তারা একে অপরের পরিপুরক। "অবিশ্বাসের দর্শন" পুস্তকটি সম্ভবত বাংলা ভাষায় লেখা সেরা পুস্তকগুলোর একটি। কিন্তু পুস্তকটির দৃষ্টিভঙ্গি দারুনভাবে বিজ্ঞানের চোখে ঈশ্বর প্রশ্নটি দেখা। আন্তর্জাতিক নব্য নাস্তিকদের মাঝে ঈশ্বর অবিশ্বাস বিষয়ক লেখালেখির ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও দর্শনের দৃষ্টিভঙ্গির এক ধরনের মিশ্রন আমরা দেখেছি। কোনও কোনও লেখক তাঁদের একাডেমিক অবস্থানের কারনেই প্রশ্নটিকে কখনও বিজ্ঞান দিয়ে আবার কখনও দর্শন দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। নাস্তিকতাকে ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে খ্রিস্টোফার হিচেন্স এবং ড্যানিয়েল ড্যানেট বেশ খানিকটা দর্শন ঘেঁষা লেখক অপর পক্ষে স্যাম হ্যারিস বা ভিক্টর স্ট্যাঙ্গর ঈশ্বর প্রকল্প ব্যাখ্যা করেছেন অধিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আর বিবর্তনীয় জীব বিজ্ঞানী অধ্যাপক রিচারড ডকিন্স চমৎকার ভাবে বিজ্ঞান ও দর্শনকে মিশিয়েছেন ঈশ্বর ও ধর্ম বিষয়ের ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে। আমাদের দেশের প্রথম প্রজন্মের নাস্তিকতাবাদী লেখালেখির একটা বড়ো অংশই দার্শনিক। আরজ আলী মাতব্বর, হুমায়ূন আজাদ বা আহমদ শরীফের লেখা তাই উত্তর খোঁজার চাইতে প্রশ্ন তুলতে প্ররোচিত করে আমাদের। উত্তর খোজা বা উত্তর পাওয়াটি জরুরী, কিন্তু তার আগে প্রশ্নটি তোলা দরকার। প্রশ্ন তোলাটা - প্রশ্ন করাটা প্রাথমিক। দর্শন আমাদের কাণ্ডজ্ঞানকে খোঁচা দেয় নানান প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে আর বিজ্ঞান দেয় পদ্ধতি সেই সকল প্রশ্নকে পরীক্ষা - নিরীক্ষার। সেই অর্থে দর্শনের যেখানে শেষবিন্দু বিজ্ঞানের শুরু হয়তো সেখান থেকেই।

ঈশ্বর-আল্লাহ্‌ - ভগবান আছে কি নেই সেই প্রশ্নের আগের প্রশ্ন হতে পারে, ঈশ্বরের - আল্লাহ্‌ - ভগবানের কি আদৌ প্রয়োজন আছে?

আমার ছয় বছরের কন্যার জীবনে এখনও ঈশ্বরের-আল্লাহ্‌ - ভগবানের কোনও অস্তিত্ব নেই। কেনও নেই? এই প্রশ্নটি দার্শনিক প্রশ্ন, এই প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্যে পদার্থ বিজ্ঞানের দারস্থ না হলেও চলে, খুব সামান্য পরিমান যুক্তি, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং কাণ্ডজ্ঞান ব্যবহার করেই এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া যেতে পারে। এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে নাস্তিক বাবা মা এবং আপাত নিরীশ্বরবাদী সমাজ ও পরিপার্শ্ব তার মাথায় এখনও ঈশ্বরচেতনা ঢোকায়নি। ঈশ্বর বা আল্লাহ ধারনাটির মুখোমুখি তাঁকে এখনও হতে হয়নি। আমার কন্যার মাথায় “আল্লাহ্‌” বলে কিছু নেই, সুতরাং আল্লাহর “দোস্ত” বিষয়টিও তাঁর কাছে সমান ভিনগ্রহের ধারণা। তবে হ্যাঁ, আগ্রহউদ্দীপক সত্যি হচ্ছে, “মুহাম্মদ” নামটির সাথে সে পরিচিত, কারণ তাঁর বাবার নামের প্রথম অংশটিতে এই অদ্ভুত আরবী শব্দটি আছে। কিন্তু আমার কন্যার বয়সী মেয়েরা ঢাকায় আরবী নাম গ্রহন করেছে তাঁদের বাবা-মার কাছ থেকে। ছয় সাত বছরের মেয়েরা হিজাব পরতে শুরু করেছে, কেউ কেউ আবার রমজান মাসে রোজাও রাখতে শুরু করেছে। সেই সকল বাবা – মা আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি সহ পোস্ট করছেন – “মাশাল্লাহ! আজ আয়েশা রোজা রেখেছে” ! সুতরাং আয়েশা ধার্মিক হয়ে উঠছে তাঁর শিশু বয়েস থেকেই। আয়েশার জীবনে আল্লাহ্‌ হয়ে উঠছেন সকল কিছুর নিয়ন্তা আর “মুহাম্মদ” হয়ে উঠছেন তাঁর আদর্শতম পুরুষ। এই সামাজিক প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করার জন্যে বিজ্ঞানের প্রয়োজন নেই। যখন বলছি প্রয়োজন নেই, তাঁর মানে এই নয় যে বিজ্ঞান এখানে নিরর্থক বা বিজ্ঞান এই সামাজিক প্রক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করতে পারেনা। বরং এই ব্যাখ্যাটি দিচ্ছি, ভগবান – ঈশ্বর – আল্লাহ্‌ এই টাইপের কথিত ধর্মীয় বোধগুলোকে বেকায়দায় ফেলার জন্যে কিভাবে দর্শনের প্রাথমিক প্রশ্নগুলো কাজে দিতে পারে, তা বলার জন্যে। আমাদের প্রতিদিনের যে যাপিত জীবন, সেখানে ঈশ্বর – আল্লাহ্‌ - ভগবানের কি কোনও প্রয়োজন আছে? আমার কন্যার জীবনে তার কোনও প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশে তারই বয়সী একজন কাজিনের জীবনে আল্লাহ্‌ - মুহাম্মদের অস্তিত্ব আছে, বেশ জোরেসোরেই আছে। কেনও? কিভাবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সাত আসমানের উপরে নেই। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দুনিয়াতেই আছে। রাজশাহীতে, সাতক্ষীরায় কিম্বা কুমিল্লাতে আছে। আকাশে নেই। কেননা যে আল্লাহ্‌ সাতক্ষীরায় আছেন, সেই আল্লাহ্‌ ব্রাসেলসএ নেই। যে আল্লাহ্‌ দোহাতে আছেন সেই আল্লাহ্‌ প্যারিসে কিম্বা স্টকহোম এ নেই। অর্থাৎ - শিশুকাল থেকে যে ঈশ্বর – আল্লাহ্‌ - ভগবান এর সাথে পরিচিত হতে হয়, একটি শিষুর কাছে তিনিই হন দুনিয়ার মালিক। শিশুকালে যদি শিশুরা ঈশ্বর - আল্লাহর সাথে পরিচিত না হয়ে থাকে, তাঁরা ঈশ্বর ধারণা ছাড়াই তাঁদের জীবন গড়ে ওঠে। ইউরোপের নতুন প্রজন্মের কিশোর - তরুণদের জীবনে তাই যীশু বা গড এর অস্তিত্ব কেবলই এক ঐতিহাসিক মিথ্যা গল্প, আর কিছুই নয়। মুসলমান পরিবারে জন্ম নেয়া শিশুকেও যদি আল্লাহ্‌ - মুহাম্মদের গালগল্পগুলো শিশু বয়সেই ঢুকিয়ে না দেয়া হয়, তাহলে সেই সকল শিশুরাও হয়ে উঠবে আল্লাহ্‌ - মুহাম্মদের থেকে স্বনির্ভর। বড় হওয়ার মধ্যে দিয়ে তাঁরা নিজেরাই জেনে নেবে "আল্লাহ্‌" নামের অস্তিত্বহীন ধারণাটির অর্থহীনতা।

আমার কন্যার দুনিয়ার মালিক সে নিজে, সেটাই সে জেনেছে তার চারপাশ থেকে।জীবন চলার জন্যে এখনও ওর কোনও গ্রন্থের দরকার হয়নি। না বাইবেল না কুরআন না গীতা। সে জানে, আঠারো বছর পর্যন্ত সব কিছু হবে মা – বাবার বিবেচনাবোধ অনুযায়ী আর তার পরের দুনিয়াটি কেবলই তা নিজের, একার, স্বাধীন। সেখানে কোনও ঈশ্বর নেই – আল্লাহ্‌ নেই – ভগবান নেই, মুহাম্মদ নেই। আমার কন্যা এখনও পদার্থ বিজ্ঞান পড়তে শুরু করেনি, ঈশ্বর - আল্লাহ্‌ -ভগবান কে তুড়ি মেরে উড়ানোর জন্যে ওর পদার্থবিজ্ঞান পড়ার দরকার হবেনা। আমার কন্যা আবু হুরাইরা বা ইবনে কাথির বা জনাব বুখারির বয়ান পড়তে শুরু করেনি। হয়তো কোনও দিনও এই সকল পুস্তক পাঠের প্রয়োজনই হবেনা তার, কারণ এই সকল পুস্তক ছাড়াই ঈশ্বর - আল্লাহ্‌ - ভগবানকে খারিজ করবার কাণ্ডজ্ঞান টা গড়ে উঠছে এখন থেকেই।

ঈশ্বর - আল্লাহ্‌ - ভগবানের চিরন্তন ঠকবাজিকে ঠ্যাকানোর জন্যে কাণ্ডজ্ঞানটাই জরুরী, সবার আগে। যাদের ভেতরে কাণ্ডজ্ঞান নেই, তার চর্চা নেই, তাদেরকে বিজ্ঞান দিয়ে জাগিয়ে তোলাটা কঠিন। কান্ডজ্ঞান বা কমন সেন্সই মানুষ কে জিজ্ঞাসু করে তোলে আর বিজ্ঞান সেই সকল জিজ্ঞাসার উত্তর দেয়। দর্শনের আদি প্রশ্নগুলোই মানুষের কাণ্ডজ্ঞান কে ধারালো করে। কান্ডজ্ঞানকে ধারাল্লো করার ক্ষেত্রে প্রশ্ন তোলার কোনও বিকল্প নেই।

পৃথিবীর সকল চিন্তা, মতামত, ধারণা, মূল্যবোধ, রাজনীতি সমালোচনার অধীন। সাহিত্য, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, কোনও কিছুই সমালোচনার বাইরে নয়। ঈশ্বর, ধর্ম, ধার্মিক প্রতিষ্ঠান , আদম – হাওয়া, যীশু - মুহাম্মদ –কৃষ্ণ এরা সকলেই সমালোচনার অধীন।


সমালোচনা আর প্রশ্ন তোলার জন্যে কাণ্ডজ্ঞান দরকার। আসুন কান্ডজ্ঞানকে ধারালো করি।

Comments

মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
 

১. বিষয়ের সূত্রপাত আমার কাছে ভীষন আগ্রহোদ্দীপক মনে হয়েছে
২. আলোচনার ধরনে-ধারাবাহিকতায় চমৎকার সাবলিকতা আছে
৩. অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বিতর্ক তুলে এনেছেন, যে ধরণের আলোচনা বাংলায় আমার চোখে পরেনি..
৪. আমার আপাত বিবেচনা ধর্ম-ঈশ্বরের অস্তিত্ব বিষয়ক আলোচনায় বিজ্ঞান-দর্শনের অধিক এই আলোচনা কার্যকর হবে.., আমাদের দেশের শিক্ষা, সচেতনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর অনুযায়ী..।
৫. অভিজিৎ ও রায়হানের আলোচনার পাশাপশি এই আলোচনাকে অধিক জনপ্রিয় করা জরুরী, সহজ ও জীবন ঘনিষ্ট বিবেচনায়.. ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এমন একটি চমৎকার ধারা/আলোচনা তুলে ধরার জন্যা।

ড. মঞ্জুরে খোদা

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম সারওয়ার
গোলাম সারওয়ার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 ঘন্টা 57 min ago
Joined: শনিবার, মার্চ 23, 2013 - 4:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর