নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জলের গান
  • নুর নবী দুলাল
  • আকাশ সিদ্দিকী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

শূন্য ও অসীম


১. শূন্য ও অসীম

শূন্যতো শূন্য নয়,
সেতো পূর্ন!
ইতিতে-নেতিতে পূর্ন!
অসীমতো অসীম নয়,
সেতো শূন্য।
শূন্যতো শূন্য নয়,
সেতো দ্বিভাজিত
বিপরীতে পূর্ন!
সেইতো অসীম
সেইতো জগত
অনন্ত সংখ্যক দ্বিভাজিত শূন্য!

আমরা যাকে শূন্য বলি সেতো শূন্য নয়, সেতো পূর্ন, সেতো পজিটিভ-নেগটিভে পূর্ন। অসীমতো কিছুনা সেতো শূন্যেরই রূপভেদ। সুপ্ত শূন্যের বিকাশমান রূপই অসীম। শূন্য যখন অসীম রূপে মুক্তি পায় তখন তাই জগত। অনন্ত সংখ্যক শূন্যের মুক্তিতে অনন্ত সংখ্যক মহাবিশ্ব_আর উহাই মাল্টিভার্স বা মহাজগত।

২.শূন্যকে জানুনঃ

জগতকে জানা মানে শূন্যকে জানা।

জগতের কোন বিষয়, কোন কিছু কিংবা কোন সত্তাকে জানত বা বুঝতে চাইলে তার বিপরীতকেও জানতে হয়।
আপনি সুখ কি তা জানতে পারবেননা যদি দুঃখকে না জানেন। আপনি ভালো কি জানতে পারেননা যদি মন্দকে না জানেন।

ইলেকট্রনকে পরিপূর্ন ভাবে জানতে চাইলে আপনাকে এন্টি ইলেকট্রনকে(পজিট্রন)ও জানতে হবে কিংবা বিপরীত চার্জযুক্ত প্রোটনকে জানতে হবে।

+১কে জানতে চাইলে -১কেও জানতে হবে। পজিটিভকে জানতে চাইলে নেগেটিভকেও জানতে হবে।
ম্যাটারকে জানতে চাইলে এন্টি ম্যাটারকেও জানা দরকার। শুভকে জানতে চাইলে অশুভকেও জানা দরকার।

অর্থাৎ যাহাই ভালোভাবে জানতে চান তার বিপরীতকেও ভালোভাবে জানতে হবে।

জগতের প্রতিটি সত্তার বিপরীত সত্তারও অস্তিস্ত বিদ্যমান এবং প্রতিটি সত্তার অসংখ্য সদৃশ সত্তার অস্তিত্ব বিদ্যমান। ইলেক্ট্রনে বিপরীতে পজিট্রন, প্রোটনের বিপরীতে এন্টিপ্রোটন, নিউটনের বিপরীতে এন্টিনিউটন বিদ্যমান। ম্যাটারের বিপরীতে এন্টিমেটার বিদ্যমান
।মহাবিশ্বের বিপরীতে প্রতিমহাবিশ্ব বিদ্যমান। ব্লাকহোলের অস্তিত্ব আছে বলেই হোয়াইটহোলের অস্তিত্ব বিদ্যমান।

দুইটি পরস্পর বিপরীত সত্তাকে একই সঙ্গে জানা মানা প্রকৃত সত্যকে জানা।
অতএব, কোন কিছুকে জানতে চাইলে তার বিপরীতকেও জানার চেষ্টা করুন।
কোন সত্তাকে স্পষ্ট করে জানতে চাইলে উহার বিপরীত সত্তা, উহার সদৃশ সত্তা এবং সত্তাসমূহের মিথোষ্ক্রিয়াকে জানুন।
মহাবিশ্বের মোট শক্তি, মোট চার্জ, মোট স্পিন সবই শূন্য।

দুই বিপরীতকে জানার মাঝে যে সত্যটি বেরিয়ে আসে তাহলো শূন্যকে জানা।

একে একে এক হয়, আবার একে একে দুইও হয়। বিষয়টি গুননে ও যোগে। আবার, দুইএ দুইএ চার হয় যোগে ও গুননে উভয় ক্ষেত্রে।

৩. সুপ্রিম প্রোগ্রামার

শূন্যে শূন্যে শূন্য হয়, শূন্যে অসীমে জগত হয়_ যখন শূন্য ও অসীম উভয়ই অবাস্তব ও অজাগতিক। কারন শূন্য-অসীমে কার্য-কারন থাকেনা।

শূন্য-অসীম উভয়ই জাগতিক যখন উহাতে প্রোগ্রাম চালিত হয়; আর তখনই কার্য-কারন শুরু হয়_পদর্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো ক্রিয়াশীল হয়_মানবীয় যুক্তিবাদ ও বিজ্ঞান কার্যকর হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো শূন্য-অসীমে কেন প্রোগ্রাম চালিত হয়? এ প্রোগ্রামের প্রোগ্রামার কে? এর মূলে কি কোন সুপ্রিম প্রোগ্রামার আছে? এর নেতিবাচক কিংবা ইতিবাচক উভয় জবাবই হবে ধর্মতাত্ত্বিক কিংবা দার্শনিক ; এর কোন বৈজ্ঞানিক জবাব নেই, আছে কি?

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আবু মমিন
আবু মমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 2 weeks ago
Joined: সোমবার, মে 2, 2016 - 3:00পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর