নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার

আপনি এখানে

কওমী সনদের শর্ত ও স্বীকৃতিঃ পর্যালোচনা - ৩


কওমী সনদের স্বীকৃতি কি দাবী না কৌশল?
সরকারের কাছে থেকে কোন প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ-সুবিধা আদায় করতে হলে আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় তা অর্জন করতে হয়। অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়! কমবেশী ছাড় দিতে হয়। তাতেও সবসময় দাবী আদায় সম্ভব হয়’ এমনটা না। আমাদের দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় এটাই স্বাভাবিক!

প্রথম পর্বের লিংক> https://www.istishon.com/?q=node/24250
দ্বিতীয় পর্বের লিংক> https://www.istishon.com/?q=node/24259
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কওমী মাদ্রাসার কোন সরকারী স্বীকৃতি নেই, সেটা নিয়ে তাদের আগ্রহ-উৎসাহ নেই, যতটা আগ্রহ হাইকোটের মূর্তি ভাঙ্গা নিয়ে! সরকারই তাদের সনদের স্বীকৃতি দিতে উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এ জন্য তাদের কোন দাবী উত্থাপন করতে হয় নি! মিছিল, সমাবেশ, হরতাল করতে হয় নি। বলা যায় সরকার যেচেই তাদের স্বীকৃতি দিতে চাচ্ছে! কিন্তু কওমীর হেফাজতি অংশের জটিল ও নেতিবাচক শর্তে তা আটকে আছে!

এরা শুধু সরকারের কাছ থেকে এর স্বীকৃতি চায়, কিন্তু কওমীর যে কোন বিষয়ে তাদের খবরদারী, নজরদারী, পরামর্শ, সুপারিশ, উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহন করবে না। এমন কি সরকারকে তারা কোন তথ্য দিতেও তারা বাধ্য থাকবে না। সরকারের মন্ত্রী-আমলারা নমনীয় হয়ে তাদের সাথে নানা পর্যায়ে বৈঠক-যোগাযোগ করেও সামান্য সুবিধা করতে পারছে না।

সরকার ও কওমীর বিভিন্ন পক্ষ আসলে এই স্বীকৃতির মধ্যে দিয়ে কি অর্জন করতে চায়? এ প্রশ্নের সহজ উত্তর এক কথায় পাওয়া মুশকিল! সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে পরিষ্কার কোন রুপরেখা নেই। বিষয়টা উভয়ের জন্যই আপাত কৌশলগত সুবিধা ও সূদুরপ্রসারী ধর্মীয় রাজনীতির নানা মাত্রিক স্বার্থের সমীকরণ!

সরকারের কওমী সনদের স্বীকৃতির কারণ-সমীকরণ
• প্রাতিষ্ঠানিকতার বাইরে, সরকার-প্রশাসনের অজ্ঞাতে গড়ে ওঠা এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে আপাতত কিছুটা শৃংখলা ও জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার প্রচেষ্টা
• ধর্মীয় রক্ষনশীল এই মাদ্রাসার বিপুল শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অবিভাবকদের একটি বিশাল ংশের সমর্থন ও সহানুভূতি পাওয়া।
• তাদের এই স্বীকৃতিকে একটি বিরাট রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখানো এবং এই কর্মের কৃতিত্ব নেয়া এবং নির্বাচনী এজেন্ডায় এই কৃতিত্ব যুক্ত করা
• বিএনপি’র ভাবাদর্শগত এই মিত্রকে কোনঠাসা করা, হেফাজতকে বিএনপিকে থেকে বিচ্ছিন্ন ও চাপে রাখার কৌশল। বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই (ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক শক্তি হলেও) প্রকৃত ইসলাম প্রেমিক
• বিএনপি’র শক্তিশালী ও ঘনিষ্ট মিত্র জামাতকে চাপে রাখতে হেফাজতের পৃষ্টপোষকতা এবং জামাতের চেয়ে হেফাজতকে অধিক নিরাপদ ও নীরিহ মনে করা
• কওমী সনদের স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে দলটির যে ইসলাম বিরোধী অপবাদ/প্রচার আছে তার দ্বায় থেকে নিজেদের মুক্ত করা
• কওমী সনদের স্বীকৃতির কাজটি বিএনপি নয়, তাদের হাতেই হয়েছে সেটার কৃতিত্ব নিশ্চিত করা।
• বিরোধী দল বিএনপি-জামাতকে নানা কর্ম-কৌশলে দূর্বল করা গেছে। এর বাইরে কথিত অরাজনৈতিক শক্তি হেফাজতই এখন ক্ষমতাসীনদের জন্য হুমকি, বিধায় তাদেরকে আস্থায়-নিয়ন্ত্রনে রাখার কৌশল

কওমী সনদের স্বীকৃতি হেফাজতের সন্ধি- অভিসন্ধি
• যুগ যুগ ধরে স্বীকৃতিহীন, মর্যাদাহীন শিক্ষার গ্লানি থেকে বিপুল ছাত্রছাত্রীদের মুক্ত করা। যাতে রাষ্ট্র ও সমাজে তারা সম্মান ও মর্যাদা লাভ করে।
• ভবিষ্যতে তারা বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-ইনস্টিটিউশনে পড়ালেখার সুযোগের কথা বিবেচনা করতে পারবে।
• দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রভাবশালী শিক্ষার ধারা হিসেবে, নিজেদের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পেল। তারপর শক্তিশালী একটি চাপসৃষ্টিকারী পক্ষ হিসেবে কাজ করবে!
• প্রাতিষ্ঠানিকতার বাইরে এতদিন সাধারণ শিক্ষার ধারার ছাত্রসমাজ ছিলই প্রাতিষ্ঠানিকতাকে চ্যালেঞ্জ করার। সমাজের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে যারা ভূমিকা রেখেছে-রাখছে। এখন স্বীকৃতির সুবাদে দেশে আরেকটি পক্ষ হাজির হবে, তবে সেটা হবে সমাজের প্রতিক্রিয়াশীল পক্ষ!
• সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন চাকুরীর সুযোগ ও কোঠার দাবী করতে পারবে
• চাকুরী-কর্মের বিভিন্ন সুযোগে কৌশলে সামারিক-বেসামরিক প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান-সংস্থায় প্রবেশ করে তাদের ভবিষৎ এজেন্ডা, রক্ষনশীল ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পক্ষে কাজ করবে!

নেত্বত্ব-কর্তৃত্বকে হুমকিতে রেখে সনদের স্বীকৃতি নয়
কওমী সনদের স্বীকৃতি চান উনারা কিন্তু নেত্বত্ব-কর্তৃত্বকে হুমকি রেখে কওমীর সনদের স্বীকৃতি নিয়ে তাদের তেমন গরজ নেই। যদি তাদের মত করে, তাদের শর্তে স্বীকৃতি পাওয়া যায়, তাহলে আপত্তি নেই! কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানের উপর এতটুকু নজরদারী হবে সেটা তারা মানবে না। যার উত্তাপে তাদের এত হম্বিতম্বি, সেটা যদি আমলাতন্ত্র-সরকারের নজরদারীতে আসে, তাহলে তাদের কর্তৃত্ব-নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্থ হবে! যে কারণে তারা সরকারকে উল্টো শর্ত দিয়েছে স্বীকৃতির জন্য! সাধারণত যারা কোনকিছু দাবী করে, তারাই যে কোন ভাবে সমঝোতামূখী হয়। উল্টো শর্ত দেয়ার সংস্কৃতি বাংলাদেশের দাবী আদায়ের ইতিহাসে নেই! তাহলে সরকার তাদের শর্তে সনদের স্বীকৃতি না দিলে, কি? সরকার স্বীকৃতি দিতে চেয়েছে বলে- শর্ত দিয়েছেন! কোন যুক্তি ও নীতিতে এ দাবী বজায় রাখবেন? সেটা নিয়ে কোন কথা নেই! পাঠক, এবার বুঝতে পারছেন, তাদের গরজের মাত্রা, গুরুত্ব ও আন্তরিকতা!?

সনদের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে হেফাজতের এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, “আমাদের লোক চেয়ারম্যান, আমাদের লোক সচিব, আমরা পরীক্ষা নেব, আমরাই সব করব। এসব ঠিক রেখে স্বীকৃতি দিলে আমরা নেব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আমরা লিখিত আকারে আমাদের প্রস্তাবনা দেব।” কতটা যুক্তি-বুদ্ধি ও বিবেকহীন কোন মানুষ এমন কথা বলতে পারে ভাবা যায়! তারা যে নুন্যতম যুক্তিবোধ ও কান্ডজ্ঞানে চর্চা করে না এমন আচরনই তার প্রমান করে! নিজেরাই সবকিছু করবেন, তাহলে সরকারের আর দরকার কি? তাদের চাকুরী-প্রতিষ্ঠা নিজেরাই ঠিক করে দিন, তাহলে অন্যের মূখাপেক্ষী হতে হবে না!

কওমী মাদ্রাসা হচ্ছে তাদের কাছে মহামূল্যবান গুপ্তধন! সেখানে কারো নজর যাক্ সেটা তারা চায় না। সেখানে কেউ হাত দিক, সেটা তারা মেনে নেবে না। সেটা তারা প্রকাশ্যেই বলছে। যে গুপ্তধনের নিয়ন্ত্রন-উত্তাপ তাদের কণ্ঠের জোর, দেহের শক্তি, পরিধির মাত্রাকে অপ্রতিরোধ্য করছে! সেটা কোন ভাবে হাতছাড়া হবে সেটা তারা কোন ভাবেই মেনে নেবে না। সেখানে নিরুঙ্কুষ নিয়ন্ত্রন বজায় রেখেই অন্য বিষয় বিবেচনায় আসবে। এই মাদ্রাসাগুলোই হচ্ছে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব, নিয়ন্ত্রনহীন আচরণ ও ঐদ্ধত্য প্রদর্শনের উৎস।

কওমী মাদ্রাসার রাজনৈতিক সংযোগ
বাংলাদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর বেশির ভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয় কওমি মাদ্রাসাগুলো থেকে। ধর্মভিত্তিক সর্ববৃহৎ সংগঠন হেফাজতে ইসলামও পরিচালিত হয় চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মাদ্রাসা থেকে। সংগঠনের মহানগর, জেলা ও উপজেলা শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ওই সব এলাকার মাদ্রাসাগুলো থেকে। যে যত বেশী ও বড় মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রক, সে ততো বড় নেতা। যে নেতার মাদ্রাসায় যত বেশি ছাত্র, তিনি ততো ক্ষমতাবান ও প্রভাবশালী এবং তার তর্জন-গর্জনের পরিমান ততো বেশী!

এ ধারার দলগুলোর অন্যতম ইসলামী ঐক্যজোটের জোটভুক্ত সাতটি দল, খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস (ইসহাক), খেলাফতে ইসলাম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতাকর্মী সবাই কওমি মাদ্রাসার। এদের কার্যক্রমও পরিচালিত হয় কওমি মাদ্রাসাগুলো থেকে। দলীয় কার্যালয়ও মাদ্রাসা ভবনে। ইসলামী ঐক্যজোটের কার্যালয় লালবাগ জামেয়া আরাবিয়া কোরানিয়া মাদ্রাসায়। দলটির শীর্ষ নেতাদের সবাই এ মাদ্রাসার শিক্ষক। খেলাফত আন্দোলনের কার্যালয় কামরাঙ্গীরচরের জামেয়া নূরানী মাদ্রাসায়। এ দলটির নেতারাও এই মাদ্রাসার শিক্ষক। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দলীয় কর্মী। বাংলাদেশে খেলাফত মজলিসের পল্টনে একটি দুই কামরার কার্যালয় থাকলেও মোহাম্মদপুরের জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে দলের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। খেলাফতে ইসলামের কার্যক্রম পরিচালিত হয় লালবাগ মাদ্রাসা থেকে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পরিচালিত হয় ফরিদাবাদের মাদ্রাসা থেকে। এসব দলের জেলা কার্যালয়ও ওই সব জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থিত। যেমন ময়মনসিংহের জমিয়া ইসলামী মাদ্রাসা ব্যবহৃত হয় ইসলামী ঐক্যজোটের কার্যালয় হিসেবে।

যে কাজটি সেনা শাসকরা করতে পারেনি, সেটা করছে আওয়ামী লীগ
বিএনপি-জামাত, জাতীয় পার্টির সরকার যে কাজ করতে পারেনি, সে কাজটি হতে যাচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষ (?) ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দাবীদার সরকারের হাত দিয়ে। শিক্ষানীতিতে মাদ্রাসা ও কওমী মাদ্রাসার অধ্যায়ে তার আধুনিকায়নের কথা বলা হয়েছে। সেটা না করে সাধারণ শিক্ষার মাদ্রাসাআয়ন করছেন! ক্ষমতাসীনরা কেন অতি উৎসাহে এই কাজ করছে? কেন তাদের এই ধর্মান্ধ শক্তির কাছে আত্মসমর্পন? আওয়ামী লীগ কি এই কাঠমোল্লাদের তার ক্ষমতার জন্য চ্যালেঞ্জ মনে করছে? এদেরকে আস্থায় নিয়ে বিএনপি-জামাত জোটকে কোনঠাসা ও নির্মূলের কৌশল অবলম্বন করছে? সেটাতো অধিক বিপদজনক খেলা। সাপকে যতই দুধ-কলা খাওয়ানো হোক না কেন তার পেটে বিষই উৎপন্ন হবে!

নতুন স্লোগান শুনছি আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্র! এমন গণতন্ত্রের দরকার নেই, যেখানে উন্নয়ন পিছিয়ে যায়। সে নকসায় দলতন্ত্র দীর্ঘস্থায়ী করতে, সীমিত গণতন্ত্র ও মৌলিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করছেন! সে উন্নয়ন কি কিছু লোকের লুটপাট ও ধর্মান্ধদের আকাঙ্খা পুরণ ও সামাজিকীকরণের নাম? প্রধান বিরোধীদল বিএনপি যে মাত্রায় ঐদ্ধত্য দেখানোর সাহস পায় নি, সেটা করছে এই কওমী-হেফাজতিরা! ধর্মানুভূতির নামে কারণে-অকারণে তারা দেশ অচল করার হুমকি দিচ্ছে। কোথায় পায় তারা এত সাহস? তাদেরকে কোন সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় না এনে, মর্যাদা দেয়ার মানে তাদের ধর্মান্ধতা, জঙ্গীত্ব ও ঐদ্ধত্যের স্বীকৃতি দেয়া! যা হবে শাসকদল ও বাঙালির জন্য আরেকটি আত্বঘ্যাতি সিন্ধান্ত!
--------------------------------------------
ড. মঞ্জুরে খোদা, খন্ডকালীন প্রক্টর ও গবেষক, ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা
--------------------------------------------------------

আগামী পর্বে থাকবে শিক্ষা, কওমীর শিক্ষাকাঠামো, মানবসম্পদের উপর আলোচনা

বিভাগ: 

Comments

গোলাম সারওয়ার এর ছবি
 

টরিক ভাই, খুব ভালো লিখেছেন, গোছানো এবং গভীর রাজনৈতিক বিশ্লেষন।খুব জরুরী একটা প্রসঙ্গ।

আগের পর্ব গুলোর লিংক দিয়ে দিতে পারেন, লেখাটির শুরুতে। তাহলে যে সকল পাঠক আগের পর্বগুলো মিস করেছেন তারা এই সুযোগে পড়ে নিতে পারবেন।

 
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
 

ওহ্‌ পলাশ, কতদিন পর আপনাকে শুনছি! আমি আপনার লেখাটা (ইসলাম “বিদ্বেষ” আর আমাদের হেফাজতি বাঙ্গালী মুল্যবোধ) বেশ কয়েকবার পড়েছি.. অনেককে লিংকটা শেয়ার করেছি। খুব অকাট্য ও প্রাণবন্ত আলোচনা ধন্যবাদ। আমি মুগ্ধ...‍!

মতামতের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আমি লিংকগুলো দিয়ে দিচ্ছি। ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

ড. মঞ্জুরে খোদা

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুরে খোদা টরিক
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 4, 2016 - 11:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর