নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • নুর নবী দুলাল
  • পৃথু স্যন্যাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার

আপনি এখানে

কওমী মাদ্রাসা সনদের শর্ত ও স্বীকৃতিঃ পর্যালোচনা - ২


কওমীর স্বীকৃতি ও হেফাজতের চিঠি
কওমি সনদের স্বীকৃতির লক্ষ্যে ৫টি শর্তের সাথে আল্লামা শফী প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রসঙ্গে শিক্ষার্থীদের অনেকগুলো মানবিয় গুনাবলী, চরিত্র, বৈশিষ্টের কথা উল্লেখ করেন। যে বিশেষণের মাধ্যমে তিনি এই শিক্ষার গুরুত্ব, তাৎপর্য ও মাহাত্ব উল্লেখ করেছেন। একটি সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টা বুঝতে চেষ্টা করব তার এই বক্তব্য কতটা সঠিক ও গ্রহনযোগ্য!

চিঠির অংশ বিশেষ, “ধৈর্য্য, সহনশীলতা, দেশপ্রেম, বাবা-মায়ের আনুগত্য ও গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, পারিবারিক ও সামজিক মূল্যবোধের প্রশিক্ষণ, মানবসেবা, সুশৃঙ্খল জাতি গঠনে আদর্শিক ও নৈতিক শিক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে তোলাই হচ্ছে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাধারার মূল সৌন্দর্য। শিক্ষা-দীক্ষার এক অপূর্ব সমন্বয় পরিলক্ষিত হয় কওমি শিক্ষাব্যবস্থায়। সে কারণে আমরা চাই, আমাদের এসব স্বকীয়তা যেন কোনও ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে বিন্দুমাত্রও নষ্ট না হয়।’ দেশের কোটি কোটি মুসলমান অভিভাবক তাদের সন্তানদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৈতিকতা বজায় রাখার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘আমরা এ বিষয়টিতে আপনার ব্যক্তিগত তদারকি ও হস্তক্ষেপ চাই।”

এই পত্রের প্রত্যেকটি শব্দ নিয়ে একেকটি রচনা লেখা সম্ভব! যে নীতিকথা গুলো এখানে উল্লেখ করা হয়েছে সে সব শব্দের মানে, চর্চা ও বিশ্বাস হেফাজতের কাছে এবং উদারগণতন্ত্রে বিশ্বাসীদের কাছে এক নয়! যখন কোন দর্শন-বিষয় কেবল বিশ্বাস নির্ভর হয়, তখন তার সাথে স্বীকৃত জ্ঞানের পার্থক্য হয় বিপরীতমূখী। যেমন জীবজগত ও প্রকৃতি সৃষ্টির ধারণা একজন গোড়া ধার্মিকের কাছে এক, এবং জ্ঞানবিজ্ঞানে আস্থাশীল একজন মানুষের কাছে আরেক! তারপরও কিছু বিষয় থাকে তা সার্বজনীন ও অভিন্ন হবার কথা! যেমন দেশপ্রেম, মানবতা, সহনশীলতা, মূল্যবোধ, মানবসেবা, সুশৃংখল জাতি, নৈতিক শিক্ষা, আদর্শবোধ প্রভৃতি। দেখা যাক হেফজতের দাবী ও বাস্তবতা কি বলে?

দেশপ্রেম কি? যে কোন দুঃসময়ে/ক্রান্তিকালে দেশ ও মানুষের পাশে নিঃশঙ্ক চিত্তে ও নিঃস্বার্থ ভাবে তার পাশে দাড়িয়ে, তাঁকে জীবনপন দিয়ে রক্ষা করা, গড়ে তোলা, ভূমিকা রাখার নামই দেশপ্রেম। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সময়পর্বে এরা কি দেশপ্রেমের এমন কোন নজীর দেখতে পারবে, যেটা এই মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের দ্বারা সংগঠিত হয়েছে! যেমন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, জাতীয় স্বার্থের পক্ষে কোন একটি সংগ্রামে তাদের ভূমিকা ছিল, বলতে পারেন? বরং সবসময় তারা জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিভিন্ন নীতি ও কর্মের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে এবং দেশকে পিছিয়ে দিয়েছি। যেমন, নারী উন্নয়ন নীতি, একমূখী শিক্ষানীতি ইত্যাদি।

২০১৩ তে তারুণ্যের স্বতস্ফুর্ত আহ্বানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশকে এরা ইসলাম বিরোধী ও বিধর্মীদের সমাবেশ বলে উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিল! যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার কৌশল অবলম্বন করল! চলমান প্রকৃতি-পরিবেশ-সুন্দরবন বাঁচানোর সংগ্রামেও তারা নেই! গ্যাসের দাম বাড়লে মানুষের দূর্ভোগ বাড়ে সেটা নিয়ে কোন কথা নেই। তারা আছে হাইকোর্টের মূর্তি নিয়ে যা না ভাঙ্গলে ইসলাম গেল, ইসলাম গেল বলে চিৎকার করছে!

বাংলাদেশের ইতিহাসে তার কি এমন কোন মানবতা, মানবসেবা, সমাজসেবার নজীর দেখতে পারবে, যেটা এই মাদ্রাসার ছাত্রদের দ্বারা-উদ্যোগে সংগঠিত হয়েছে? দূর্যোগ-দূর্ঘটনা-বিপর্যয় বাংলাদেশের নিত্য সঙ্গী। ঝড়-বন্যা, জ্বলোচ্ছাস বা যে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে তারা ঝাপিয়ে পরেছে এমন উদাহরণ কি আছে? সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বিপর্যয় ও দূর্ঘটনায় পরিস্থিতিতে তাদের সেবা জাতি পয়েছে বলতে পারেন কি? তাজরিন, রানাপ্লাজা, শীতবস্ত্র বিতরণ বা অন্য কোন ঘটনায়..? তাহলে কি ভাবে মেনে নেই, তারা সমাজ ও মানবসেবার শিক্ষা পাচ্ছে, যার দ্বারা জাতি অনেক উপকৃত হচ্ছে!

কওমী মাদ্রাসার ছাত্রদের দ্বারা বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার একটি নজীর দেখতে চাই, যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট হবার কালে তারা তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছে। সেটা না করলেও এই মাদ্রাসার ছাত্ররা দেশের কোথাও সংখ্যালঘুদের উপর হামলা-নির্যাতন-ভাঙ্গচুর-লুটপাট-ধর্ষনের বিরুদ্ধে অন্তত প্রতিবাদ করেছে, বিক্ষোভ করেছে, এমন নজীর?! দেশের কোথাও কোন এলাকায় সংখ্যালঘু ও আদীবাসিদের সম্পত্তি ও জীবনমান রক্ষায় পাহাড়া দিয়েছে, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে! কয়েক মাস আগে সাঁওতালরা যখন প্রচন্ড ঠান্ডায় খোলা আকাশের নীচে দুধের শিশুসহ শতশত পরিবার নিরাপত্তাহীন রাত কাটাল, তাদের দেখলাম না তো! তাহলে কোথায় কিভাবে তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি গড়ে তুলছে, বলতে পারেন?

চলমান দুটি ঘটনার উল্লেখ করছি। এক. মাদ্রাসা নিয়ে কেউ কিছু বললে, খবর আছে, তার চোখ তুলে নেযা হবে (হেফাজত মহাসচিব, কওমী মাদ্রাসার নেতা, বাবু নগরী)! দুই. দুই সপ্তাহের মধ্যে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে “ন্যায়ের প্রতিক মূর্তি” না সরালে তৌহিদী জনতাই তা অপসারণ করবে (হেফাজত)! পাঠক বুঝতে পারছেন, কেমন তাদের ধৈর্য ও সহনশীলতার নজীর! এবং প্রতিনিয়ত তাদের এমন ধৈর্য ও সহনশীলতার আচরণ, প্রকাশ ও চর্চা দেখে চলছি! একটু সুড়সুড়ি ও অনুভূতির কিছু পেলেই তারা তাৎক্ষনিক বলে ফেলে, লাশ পরবে, অচল হবে, ভাঙ্গচুর হবে, কতল হবে ইত্যাদি! হুমকি-ধামকি ছাড়া তাদের কোন কথা নেই! তাদের কথায়, বক্তৃতায় কোন নমনীয়তা নেই। তাদের আচরণে কোন বিনয়-ভদ্রতা নেই। তারা কেবলি ঘৃণা ও হিংসা ছড়ায়! কোন নির্জিব মূর্তি না ভাঙ্গা পর্যন্ত তাদের ঘুম ও ইসলামের শান্তি হারাম! যেখানে একটি মূর্তি ভাঙ্গতে একজনই যথেষ্ট তারা আসবে হাজার-হাজার নেকি আদায় করতে, পরকালের টিকিট নিতে! তারপরও বলতে হবে তাদের ধৈর্য ও সহনশীলতা জাতির জন্য অনুকরণীয় ও শিক্ষনীয়?

সামাজিক মূল্যবোধ..? বাঙালির যে মূল্যবোধকে তারা অস্বীকার করে! যে মূল্যবোধ আমরা পেয়েছি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আবহমান বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রক্রিয়ায়- ধারায়। মাদ্রাসায় কখনো জাতীয় সঙ্গীত বলানো, বাজনো, শোনানো হয় না! একুশ উদযাপন করা হয় না! বর্ষবরণ-মেলা-পার্বণকে বিজাতীয় মনে করা হয়! বিজয়-স্বাধীনতা-গাণ-কবিতা-শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি ইত্যাদি বাঙালি মূল্যবোধের চর্চাকে ইসলামী বিরোধী মনে করা হয়। নারী-পুরুষ সমানাধিকার স্বীকার করা হয় না! সহশিক্ষা সমর্থিত না। মুক্তবুদ্ধির চর্চা-চিন্তাকে পাপ মনে করা হয়! এগুলোর কোনটিই আপনাদের কথিত মূল্যবোধের সমর্থিত ও সঙ্গতিপূর্ন না? তাহলে সমাজ ও পরিবারে কি মূল্যবোধ গড়ে উঠছে যা জাতির জন্য নতুন? তবে স্বীকার করতে হয় হিজাব-বোরকা-দাড়ি-টুপী-নামাজি লোকের সংখ্য অনেক বেরেছে, একই সাথে বেরেছে খুন-ধর্ষন, লুটপাট, রাহাজানি, বেঈমানী-মোনাফেকী-দেশপ্রেমহীনতা! তাহলে কোথায় সামাজিক মূল্যবোধের গুনগত পরিবর্তন..?

তাদের দাবী সুশৃংখল জাতি গঠনে ভূমিকা রাখছে! খুব জানতে ইচ্ছা করছে সুশৃংখল জাতির সংজ্ঞা বলতে কি বুঝায়? উনারা কি শব্দগুলো বুঝে বলেছেন, না’কি শুনতে ভাল শোন যায় বিধায় বলেছেন। বাঙালি সর্বদা মনে করে নীতিকথা বলার ও প্রচারের বিষয় তা চর্চার অংশ না! সুশৃংখল জাতির কথা বাদ, মুসলমানদের বিভাজন নিয়েও কিছু বলছি না, কওমী মাদ্রাসারই যে ধারাগুলো আছে তাদেরইতো কারো সাথে কারো মিল নেই! সেখানে কিভাবে তারা সুশৃংখল জাতি গঠনে ভূমিকা রাখছে, বোধগম্য না!

• ২০১৩’র ৫মে, ঢাকায় এই মাদ্রাসা ছাত্রদের তান্ডবের কথা মনে পরে কি? পুলিশ হত্যা, গাছপালা, স্থাপনা, ফুটপাত, রাস্তা, দোকানপাট ভাঙ্গচুর, ধর্মীয় পুস্তকসহ গাড়ীতে অগ্নিসংযোগ কোন কিছুই রক্ষা পায়নি। এয়ারপোর্টের পোর্টাল, মতিঝিলের বলাকা ভাঙ্গচুর, আগুন জ্বলবে, কয়েকজন বা শত শত না লাখ লাখ লাশ পরবে তারমানে ‘লাখ লাখ লাশের যোগানের মজুদ ভান্ডার’ তাদের কাছে আছে! বুঝতে কি পারছেন দেশবাসী তাদের ঐদ্ধত্বের কারণ?

যে শিক্ষা মানুষকে-বিবেককে শৃংখলিত করে তা কিভাবে জাতিকে সুশৃংখল করবে? কোন একটি অংশে যদি এর দৃষ্টান্ত দেখা যেত তাহলে না হয় কিছুটা সমর্থিত হতো। মাদ্রাসার অভ্যন্তরে এতিম ছেলেমেয়েদের দারিদ্রের সুযোগ, ডান্ডা ও পরকালের ভয় দেখিয়ে শৃংখলিত করাকে যদি বলা হয় সুশৃংখল- তা বড়ই নির্মম বিষয়!

নৈতিক শিক্ষা কথা বলা হয়েছে। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং কট্টর ধর্মীয় শিক্ষার একজনের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বিষয় কি এক? যে শিক্ষায় বাল্যবিবাহ ও একাধিক বিবাহ ধর্মীয় ও সমর্থিত হয় আধুনিক শিক্ষা তার বিপরীতি! গণতান্ত্রিক সমাজ ও ধর্মভিত্তিক সমাজের নৈতিক মানদন্ড এক হয় না, সম্ভব না! একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মানুষের নীতিবোধ তৈরী হয়, চর্চা হয় যুক্তি-বিজ্ঞান-অধিকার দ্বারা। বিধায় যুক্তি-বিজ্ঞান ও ধর্মের নৈতিক স্তর-মান-বোধ এক নয়, পরষ্পর বিরোধী ও সাংঘর্ষিক! যারা সভ্যতা, আধুনিকতা, গণতন্ত্র, মুক্তিচিন্তার চর্চাকে বিধর্মী ও বিজাতীয়দের বিষয় মনে করে, তাদের কাছ থেকে কি নৈতিক শিক্ষা নেবে জাতি? তারা মনে করে বিজ্ঞানের বই পড়া পাপ-অন্যায় এবং মানুষের পরিচয় ও ভালমন্দ নির্ধারিত হয় ধর্মে, কর্মে নয়। এমন ভাবনা যদি হয় নৈতিকতার মানদন্ড তাহলে, বিশৃংখলা কাকে বলে?

গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বলা হয়েছে। অথচ কবি সুফিয়া কামাল, কবি শামসুর রাহমান, কবীর চৌধুরী, আহম্মদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ, জাফর ইকবালসহ সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের সভা-সমাবেশ-মিছিলে বিভিন্ন ভাবে অপমান করা হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে, চুড়ান্ত অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়েছে! হুমায়ুন আজাদ খুন করা হয়েছে। দেশের বয়স্ক প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের বিধর্মী বলে কটূক্তি করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত বিষ ছড়ানো হচ্ছে! জাতির বিবেক বলে খ্যাত এসব গুরুজনদের প্রতিনিয়ত অশ্রদ্ধা-অসম্মান করছে তারপরও বলতে হবে, তারা গুরুজনদের খুব ভক্তি করে এবং তাদের প্রতি ভিষন শ্রদ্ধাশীল!

একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে সরকার দ্বায়বদ্ধ থাকে সংবিধার রক্ষার এবং রাষ্ট্রের যে কোন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠান তা মানতে বাধ্য! ধর্মের অজুহাতে সেটা না মানার কোন সুযোগ নেই। কেবল ধর্মীয় কারণে কোন প্রতিষ্ঠানের আইন-নীতি ভিন্ন হতে পারে না। যদি কওমী মাদ্রাসার শিক্ষাকে একটি স্বতন্ত্র শিক্ষার ধারা বিবেচনা করা হয়, তাহলে বলতে হবে, এটি একটি অসাংবিধানিক ধারা। সংবিধানে এই ধরণের কোন শিক্ষার কথা স্বীকার করা হয় নি। কারণ সংবিধানে স্বীকৃত শিক্ষার ধারাকে একমূখী বলা হয়েছে। বিধায় সরকার যদি সংবিধানের প্রতি দ্বায়বদ্ধ থাকে তাহলে এই ধারা কোন কার্যকর পরিবর্তন না এনে একে স্বীকৃতি দেয়া মানে সংবিধানের স্পষ্ট লংঘন করা!

প্রথম পর্বের লিংক> https://www.istishon.com/?q=node%2F24250
-------------------------------------------
ড. মঞ্জুরে খোদা, খন্ডকালীন প্রক্টর ও গবেষক, সুলেখ বিজনেস স্কুল, ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা
--------------------------------------------------------------
তৃতীয় পর্বে থাকবে সরকার ও কওমী পক্ষ কি অর্জন করতে চায় এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তার বিশ্লেষণ-

বিভাগ: 

Comments

নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

দুইটা পর্বই অসাধারণ বিশ্লেষন করেছেন। কওমী মাদ্রাসা আমাদের একদল ভিক্ষুক প্রজন্ম তৈরি করছে। যাদের দ্বারা দেশ ও জাতির কোন উপকার হবে বলে আমি বিশ্বাস করিনা। এরা সমাজের বোঝা হয়ে উঠবে। এই ধরনের বিশ্লেষনধর্মী লেখা আরো বেশি বেশি লেখা উচিত আমাদের।

 
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
 

অনেক ধন্যবাদ দুলাল ভাই, এই বিষয় নিয়ে অধিক কাজ করার ইচ্ছা আছে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তথ্যের ব্যাপক সংকট। এরা বাইরে কোন তথ্য সরবরাহ করে না। যে যার মত তথ্য সংগ্রহ করে লেখালেখি করছে। বেনবেইস যে সামান্য তথ্য দেয়, বাস্তব তথ্য তার ধারেকাছেও না! কেবল বলছি পরিস্থিত খুব ভয়াবহ। এরা যে বলে লাখ লাখ লাশ পরবে.. বাস্তবে এদের এই লাশের যোগান বা কাঁচামাল আছে। এই কওমী এদের গুপ্তধন সেখানে কারো নজর যাক সেটা এরা চায় না! তাদের এজেন্ডা এখন একটা এলোমেলো পরিস্থিতি চায়..! এই পর্বে বিষয়টি আনতে চেষ্টা করব।

ড. মঞ্জুরে খোদা

 
শ এর ছবি
 

দেশপ্রেম আবার কি? ফালতু যতসব আবেগ আর মানুষের কল্পিত মানচিত্র !

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুরে খোদা টরিক
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 4, 2016 - 11:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর