নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আবীর নীল
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

পিলখানা ট্রাজেডি থেকে আসন্ন নিরাপত্তা চুক্তি


২০০৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারী, দেশপ্রেমিক সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে স্বাধীন বাংলাদেশের কফিন রচনা করেছিল ভারত। জনগণ তখন "বিডিআর বিদ্রোহ" নামক টেবলেট খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েছিল। কফিন রচনার পটভুমি সৃষ্টিকারী দালাল মিডিয়াগুলো ছিল এ টেবলেট বিতরণের দায়িত্বে।
তার আট বছর পর সেই কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিতে আবারো সেনাবাহিনীর দিকে কালো হাত বাড়িয়েছে ভারত। দালালদের রাণী শেখ হাসিনা এই মাসেই ভারত সফরে যাবার কথা ছিল। সেই সফরে ভারতের হাতে দেশটাকে পুরোপুরি তুলে দেবার জন্য যে সকল গোলামী চুক্তি করার কথা রয়েছে, তন্মধ্যে অন্যতম হলো নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি।
এই চুক্তির শর্তঅনুযায়ী ভারত ও বাংলেদেশের সেনাবাহিনীর মাঝে একটা দ্বিপাক্ষিক বুঝা পড়া হবে। এই বুঝা পড়ার মধ্যে একটা হলো, বাংলাদেশের ভিতরে যে কোন সময় যে কোন অপারেশন চালাবে ভারত ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে ঘটিত যৌথবাহিনী। এই অভিযান গুলো হবে জঙ্গী দমনের অজুহাতে। (দীর্ঘ দিন থেকে যে জঙ্গী জঙ্গী খেলা হচ্ছে তা ছিল কেবল এমন অভিযানের প্রেক্ষাপট তৈরি করার জন্য)।
সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হলো, এই যৌথবাহিনীর কমান্ড থাকবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে। মানে তারাই ঠিক করবে কারা জঙ্গী, কোথায় ও কখন অভিযান চালাতে হবে, কাদেরকে শেষ করে দিতে হবে ইত্যাদি। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী থাকবে তাদের কমান্ডের গোলাম।
এমন একটি গোলামীর জিঞ্জির আমাদের সেনাবাহিনীর গলায় কোন বাধা ছাড়াই যাতে সহজেই পরিয়ে দেয়া যায়, সেজন্যই ২০০৯ এর ২৫ ফেব্রুয়ারি হাসিনা ও মঈন গং এর জ্ঞাতসারে ও পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশপ্রেমিক ও চৌকশ সেনাকর্মকর্তাদের অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে প্রথমে বিডিআরে নিয়োগ দেয়া হয়, পরে পিলখানায় একত্রিত করে 'র' এর দীর্ঘদিনের চেষ্টা ও হিউজ ইনভেস্টের প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করে সেনাবাহিনীকে ভারতের হাতে জিম্মি করার একটি ধাপ অতিক্রম করা হয়। বিডিআরকে বিজিবি নাম দিয়ে অনেকটা বিড়ালবাহীনিতে পরিণত করে দেয়া হয়।
সেনাবাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্ট এমন আত্মঘাতি চুক্তি হতে যাচ্ছে জেনেও সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মুখে কুলুপ এটে বসে আছে। বিশেষ করে আমাদের মিডিয়াগুলো খুব ভাল করেই জানে কি কি হতে যাচ্ছে হাসিনার আসন্ন ভারত সফরে। সব জেনেও জাতিকে অন্ধকারে রাখার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছে মতি-আনাম-মোজাম্মেল-ফরিদ-মাহফুজের মিডিয়া (পড়ুন মাফিয়া) গং।
বাংলাদেশ পরাজিত হলে ওদের কষ্ট হয়না। দেশের স্বাধীনতা রক্ষার চেয়ে তাদের কাছে 'র' প্রদত্ত দিল্লিকা লাড্ডু অনেক সুস্বাদু। এই লাড্ডু খেয়ে খেয়ে গোলাম হয়ে জিহবা হা করে বসে আছে ওদের ইশারার দিকে। ওরা যা বলবে, যত টুকু অনুমতি দেবে কেবল ততটুকু প্রচার করবে। এর বাইরে এক শব্দও না। আর এমন করবেই না বা কেন? যে দেশের প্রধান ব্যাক্তি (যেভাবেই প্রধান হোক) নিজে ১৬ কোটি মানুষের ভাগ্যকে পাশার গুটি বানিয়ে খেলতে পছন্দ করেন, সে দেশের মিডিয়া জনগণকে ঘুম পাড়ানো মাশিপিশির গান শুনানোর বদলে " মাররে লাথি, ভাঙরে তালা, যতসব বন্দীশালা"র গান শুনাবে নাকি??
যাই হোক, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ভারতীয় বাহীনির একটি এডিশনাল বাহিনী বানানোর এ চুক্তি অদৃশ্য কারণে কিছুটা পিছয়ে গেছে। মানে শেখ হাসিনার 'নাকে খত' দেয়ার এই ভারত সফর এই মাসের বদলে এপ্রিলে হবে বলে জানা গেছে। বলা হচ্ছে দু'দেশের "কারিগর" মহা ব্যস্ত থাকায় পিছিয়ে গেছে সফর। এই ফাঁকে দেশের সেনাবাহিনীর ভিতরে প্রয়োজনীয় রদবদল ও ঘষামাজার কাজ সেরে নেয়া হচ্ছে।
২০০৯ থেকে ২০১৭। কোথা থেকে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে আজকের বাংলাদেশ? আমরা কি বুঝতে পারছি????

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

উদয় খান
উদয় খান এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 20, 2014 - 12:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর