নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কিন্তু
  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

৫২, ৭১ এবং নয়া পাকিস্তানের জন্ম


নামটা মনে নেই। কোথাও এক জায়গায় পড়েছিলাম, 'একুশ কোন মাস নয়, কোন দিন নয়, কোন বছর নয় - একটি চেতনার নাম'। আদতেও তাই। মাসটা মার্চ থেকে জানুয়ারি, দিনটা ৩১টা সংখ্যার মধ্যে যে কোন একটা আর বছরটা সামনে পেছনে দুই-এক ঘর হেরফের হলেও কোন সমস্যা ছিলো না। কারণ, এখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবের মধ্যবিন্দু হলো অনুভূতি। আর স্বপ্নটা হলো নিজের মতো চলার বা এক্ষেত্রে বলার স্বাধীনতা।

প্রভুত্বের চে' নিজ স্বয়িকতায় বাঙালির যে বেশি আগ্রহ তার প্রথম প্রমান একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশ তাই গর্বের এবং অহংকারের। তবে, গর্ব আর অহংকারের পাশাপাশি ভাষা আন্দোলন নিয়ে কিছু ফোক ফ্যান্টাসিও আমাদের মাঝে ঢুকে গেছে। যেমন, আমরা সবসময় বুক ফুলিয়ে বলি আমরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য লড়াই করেছি। বাস্তবে প্রায় একই সময়ে, অর্থাৎ, ৪০ দশকের শেষ দিকে ভারতের মানভূম-পুরুলিয়া অঞ্চলে ভাষার দাবীতে বিদ্রোহ করেন সেখানকার জনগণ। ভারতের আসাম রাজ্যে অসমীয়াকে একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করলে ১৯৬১ সালে ১১ জন ভাষা সৈনিক শহীদ হন। এমনকি বাঙালিদের রাষ্ট্রভাষার দাবীতে একাত্মতা প্রকাশ করে নিজ নিজ ভাষাকেও অন্তর্ভূক্তির দাবী জানায় সিন্ধু ও বেলুচিস্তানের মানুষেরা। বেলুচদের এই লড়াই চলছে আজো


আসামে সত্যাগ্রহীদের উপর লাঠিচার্জ, বরাক ভাষা আন্দোলন

পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেবার আত্মবিশ্বাসটা বোধ হয় ৫২ থেকেই এসেছে। পাকিস্তানের সাথে ভৌগোলিক দুরত্ব আর ভারতের সহায়তা - দু'টো মিলে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে মাত্র ৯ মাসে। ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, ২ লাখ নারী ধর্ষিতা হয়েছেন (ধর্ষণের সমার্থক হিসেবে সম্ভ্রম হারানো শব্দটি আমি ব্যবহারের বিপক্ষে। ধর্ষণের মতো নোংড়া একটি অপরাধের সাথে ভিকটিমের মান-সম্মান বা সম্ভ্রম জড়িত থাকতে পারে না)। তারপরো কেবল ৯ মাসের টাইমফ্রেমে সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ায়, সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা বা যুদ্ধের মর্ম কতটুকু বুঝতে পারবে, এ নিয়ে সন্দেহ ছিলো কর্নেল তাহেরসহ অনেকেরই।

কর্নেল তাহেররা ভয় পাচ্ছিলেন, ভবিষ্যতে কখনো কোন সময় হয়তো মানুষ স্বাধীনতার মূল্য বুঝতে পারবে না। বাস্তবে, সেই 'কোন একটি' সময়ের জন্য তাঁদেরকে খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি। পাকিস্তান থেকে বেড়িয়ে আলাদা রাষ্ট্র নয় বরং পাকিস্তানের একটি এক্সটেনশন হিসেবেই নিজেকে পরিচয় দিতে আগ্রহী হয়ে ওঠে বাংলাদেশ।

৭২'র সংবিধানের নাম শুনলেই আমরা যে ধর্মনিরপেক্ষতা আর স্যোশালিজমের মুগ্ধতা প্রকাশ করি, তার বাস্তবতাটা ভিন্ন। প্রকৃতপক্ষে, স্বাধীন বাংলাদেশ, পূর্বসূরী পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নির্যাতনের লিগেসি বহন করা শুরু করেছে প্রথম সংবিধান থেকেই। যে ভাষার জন্য একদিন তারা যুদ্ধ করেছে, সে ভাষাকে কেন্দ্র করেই তারা শুরু করে নতুন এক সাম্প্রদায়িকতা। বেমালুম ভুলে যায় বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কথা। অত্যাচারী কেতাবী ঢংয়ে জানায়, ‘বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাঙালি বলিয়া পরিচিত হইবেন'। - (বাংলাদেশের প্রথম গৃহীত সংবিধান অনুচ্ছেদ ৩)। যদিও পরবর্তীতে সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ড. কামাল হোসেন, ঘটনাটিকে একটি ভুল বলে স্বীকার করেছেন, তবু চলতি সংবিধানও কিন্তু খুব একটা ভিন্ন কিছু বলে না। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানের ৬ এর ২ ধারা মতে, 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন'।

সংবিধান গৃহীত হওয়ার পরপরই মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্ব একটি গোষ্ঠী এই সাম্প্রদায়িকতার বিরোধীতা করেন। সংখ্যালঘুদের দাবী আজও শোনা হয় না, বঙ্গবন্ধুর সময়েও হত না। মানবেন্দ্র লারমা এবং আরো দু'একজন গণপরিষদ সদস্য গৃহীত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি। তাঁদের দাবীর গুরুত্ব না দিয়ে বরং ৭৩এ রাঙামাটির এক জনসভায় শেখ মুজিব সবাইকে বাঙালি হয়ে যাবার আহবান জানান। বস্তুত তাঁর এই দাবীর সাথে হালের জঙ্গীদের Convert to Islam or Die! জাতীয় হুমকিগুলোর মধ্যে কোন পার্থক্য আমি দেখতে পাই না। কেউ ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের স্বপ্ন দেখে, কেউ আবার ভাষাগত বা নৃতাত্বিক। নাম ভিন্ন, উদ্দেশ্য এক।

কথিত আছে, ৭১ পরবর্তী ভাষা কেন্দ্রিক উগ্র জাতীয়তাবাদের বলী হয় সিলেটি ভাষার আদি লিপি সিলেটি নাগরী। যদিও এটি প্রমানে কোন শক্ত সোর্স পাওয়া যায় না, তারপরো বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত মোহাম্মদ সাদিকের সিলেটি নাগরী: ফকিরি ধারার ফসল বইতে লিপিটির বিলোপের কারণ হিসেবে পাওয়া যায়, ৪৭ পরবর্তী ধর্মান্ধতার ক্রম বৃদ্ধি এবং স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বই পড়া সংস্কৃতির অবসান। গবেষকদের আশঙ্কা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না পেলে হয়তো একদিন চিরতরে হারিয়ে যাবে লিপিটি

ভাষাগত উগ্রবাদ ছাড়াও, বঙ্গবন্ধু সরকারের মন-মননে ধর্ম নিরপেক্ষতা হারিয়ে যেতে খুব একটা বেশি সময় নেয়নি। স্বাধীনতার পর থেকেই নিজেদের সাচ্চা মুসলমান প্রমানে সচেষ্ট ছিলো মুজিব সরকার। ১৯৭৩ এ বাংলাদেশ যোগ দেয় জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে। আর ১ বছর না কাটতেই অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক কোঅপারেশন বা ওআইসি'র সদস্যপদ প্রাপ্তি এবং ইসলামিক দেশগুলোর স্বীকৃতি পেতে মরিয়া শেখ মুজিব, ড. কামাল হোসেন এবং আরো ক'জন প্রতিনিধি নিয়ে লাহোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৭৪'এর ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় পাকিস্তান। [ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ রিলেশনস, পি. সুকুমারন নায়ার পৃ.৬২] একই সাথে ঘোষণা আসে ইরান আর তুরষ্ক থেকেও।

৩০ লাখ প্রাণ আর ২ লাখ ধর্ষণের দায় কাঁধে নিয়ে ১৯৭৪ সালের জুলাই মাসে ভুট্টো যখন বাংলাদেশে আসেন, তখন তাকে সাদরে বরণ করে নেওয়া হয়। রাস্তার দু'পাশে লাগানো হয় বাংলাদেশ-পাকিস্তান মৈত্রী জিন্দাবাদ গোত্রের সব ব্যানার। অফিশিয়াল ট্রিপে তিনি চলে আসেন টি-শার্ট আর গলফ ক্যাপে। বাংলাদেশ তার জন্য গুরুত্বের কিছু ছিলো না, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়ের কাঙাল হয়ে আমরা সেদিন সমস্বরে বলে উঠি, ভুট্টো জিন্দাবাদ। [ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ রিলেশনস, পি. সুকুমারন নায়ার পৃ.৬৩]


ক্যামেরাবন্দী মুজিব ও ভুট্টো (ছবিটি ভিন্ন সময়ে তোলা)

১৯৭৭ সালে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ওআইসি'র পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। যদিও অফিশিয়ালী বাংলাদেশ ১৯৭৪ থেকেই জোটটির সদস্য। ৭৭'এ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন স্বৈরাচারী শাসক এবং পাকিস্তানের চর হিসেবে পরিচিত একনায়ক জিয়াউর রহমান। সদস্যপদের যে হুজুগ চলছিলো, তার সুযোগ নিয়ে তিনি সংবিধানকে আরো ইসলামীকরণ করতে থাকেন। সংবিধানের শুরুতে শুধু বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম-ই না, 'মুসলিম' দেশগুলোর সাথে বিশেষ সম্পর্কের জুজুও (২৫ এর ২ ধারা) জুড়ে দেন তিনি। জাতিগত সাম্প্রদায়িকতার নৃতাত্ত্বিক অবস্থান থেকে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এগুতে থাকে ধর্মীয় অবস্থানের দিকে।

৭৫ পরবর্তী ধর্মান্ধতার ইতিহাস কাউকে আর নতুন করে বলার কিছু নেই। শুধু অবাঙালি নয়, নামকাওয়াস্তে কিছু ধারা রেখে ধীরে ধীরে ইসলামিক সংবিধান প্রণয়ন এবং সেই ভাবধারায় অমুসলিম শোষণ প্রক্রিয়ায় দেশ চালায় শাসকেরা। জিয়া পরবর্তী আরেক স্বৈর শাসক এরশাদ ৮৮তে নিয়ে আসেন রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এরশাদের পর আবারো ক্ষমতায় বিএনপি। বাবরী মসজিদ ঘটনার জেরে বাংলাদেশে প্রায় ৪০ হাজার অমুসলিমের ঘর-বাড়ি ধ্বংস, ৩ হাজার ৬শ' মন্দিরে ভাংচুর এবং ২ হাজার ৬শ' নারীকে ধর্ষণ করা হয়।

৯৬ থেকে ২০০১, অর্থাৎ আওয়ামীলীগের দ্বীতিয় বারের ক্ষমতার সময়টা তারপরো কিছুটা সংখ্যালঘু বান্ধব ছিলো। ৯৭'এর ডিসেম্বরে সরকার পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে চুক্তি স্বাক্ষর করে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত চুক্তির ৭২টি শর্তের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে ৪৮টি। ২০১০ সালে অবশ্য চুক্তির অন্যতম শর্ত আঞ্চলিক পরিষদকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট। তবে, অস্বীকার করার উপায় নেই এসময়ে সরকার অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইনের মতো গুরুত্ত্বপূর্ণ কিছু আইন-ও পাশ করে।

জামায়াত-বিএনপি'র একের পর এক সাম্প্রদায়িক অত্যাচার এবং স্বৈর শাসকদের আরেক দফা শোষণের পর ২০০৮ এ আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসা ছিলো নতুন দিনের গানের মতো। সাথে ছিলো অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আশা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠিকই হয়েছে, কিন্তু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ আজও শুধুই কল্পনা। বাংলাদেশের মুসলমানিত্ব প্রমান করতে বঙ্গবন্ধু একদিন যোগ দিয়েছিলেন, একান্ত মুসলিম দেশগুলোর জোটে। আর ক্ষমতায় থাকতে, তাঁর রাজনৈতিক দল আজ হাত মিলিয়েছে ইসলামিক মিলিট্যান্ট দলগুলোর সাথে। ছাপাচ্ছে ইসলামী আদর্শে উজ্জীবীত পাঠ্যপুস্তক আর সন্নীবেশ করছে শরীয়া ঘরানার সব আইন। সংকোচ বোধ করছে না, 'অসাম্প্রদায়িক' বাংলাদেশে মদিনা সনদ চালুর স্বপ্নের কথা বলতে।


সাঁওতাল পল্লীতে আগুন লাগাচ্ছে পুলিশ

ধর্মীয় অযুহাতে বাংলাদেশের একটি বড় অংশ ৭১ এ পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো। দুঃখজনক ভাবে ৯ মাসের যুদ্ধে আমাদের ভোল পাল্টালেও মন পাল্টায়নি। রক্তে এখনো পাকিস্তানের বীজ। কখনো দেশ থেকে সংখ্যালঘু তাড়ানোর দাবী, কখনো আবার হাজার লাশের বিনিময়ে হলেও অখণ্ড বাংলাদেশের অঙ্গীকার। অমুসলিমরা কখনোই প্রথম শ্রেণির নাগরিক নয়। নয়া পাকিস্তান সে সুযোগ তাঁদের দেয়নি। বরং অনেকাংশেই চেষ্টা করেছে সাম্প্রদায়িকতায় কি ভাবে ঐ পাকিস্তানকেও ছাড়িয়ে যাওয়া যায় তা প্রমান করতে। আদিবাসীদের অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রের পক্ষে তাই পাকিস্তানসহ ১৪৩টি সদস্য দেশ সমর্থন জানালেও ভোটদানে বিরত থাকে বাংলাদেশ

শুনেছিলাম একুশ মানে স্বাধীনতা, ভাতৃত্ব, গণতন্ত্র, অধিকার। কিন্তু বাংলাদেশকে সজ্ঞায়িত করতে গেলে তো বারে বারে চলে আসে বঙ্গবন্ধুর বাকশাল, জিয়া-এরশাদের স্বৈরাচার আর শেখ হাসিনার অনৈতিকভাবে ক্ষমতায় থাকার ইতিহাস। চলে আসে সংখ্যাগুরুর ধর্মানুভূতির নামে শোষণের নয়া নয়া পন্থা আবিষ্কার। তবে হ্যাঁ, এই অনুভূতি অধিকার শুধু মুসলমানদের জন্যই প্রযোজ্য।

বাংলাদেশের সবচে' বড় পরিচয় নাসিরনগর, রসরাজ, রামু, লহ্মী রাণী, শ্যামল কান্তি আর প্রতিদিন ঘটতে থাকা শত সহস্র ঘটনা। বাংলাদেশের সবচে' বড় পরিচয় সাহিত্যকে পুলিশি নজরদারির অধীনে আনা। বাংলাদেশের সবচে' বড় পরিচয় অভিজিৎ, ওয়াসিকুর, অনন্ত বিজয়, নীলয় নীলদের রক্ত। আজ বাংলাদেশের সবচে' পরিচয়, একুশে বা একাত্তরের চেতনা নয়, বরং ইসলামী চেতনা। যে চেতনায় চা

নামটা মনে নেই। কোথাও এক জায়গায় পড়েছিলাম, 'একুশ কোন মাস নয়, কোন দিন নয়, কোন বছর নয় - একটি চেতনার নাম'। চেতনাটুকু বাদ দিলে একুশ কিন্তু আর যে কোন দিনের মতোই একটি দিন। বড়জোড় হাগ ডে, কিস ডে, রোজ ডে'র মতো ভারিক্কি নামওয়ালা একটা দিবস। যে দিবসে সরকারী ছুটির আলস্যে দুপুর ১২টায় আড়মোড়া ভেঙে আরামসে কামড় দে'য়া যায় ভ্যানিলা ক্রিম রোলে।

Comments

মো.ইমানুর রহমান এর ছবি
 

ভালো তো ৷

ইমানুর

 
ধ্রুব তারা এর ছবি
 

কী ভালো?

 
মূর্খ এর ছবি
 

<blockquote>ভারতের আসাম রাজ্যে অসমীয়াকে একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা করার দাবীতে ১৯৬১ সালে ১১ জন ভাষা সৈনিক শহীদ হন</blockquote>

এটা ঠিক না। আপনারই দেওয়া লিঙ্কে দ্বিতীয় বাক্য -
<blockquote>অসম রাজ্যের অন্যতম সরকারী ভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেয়ার দাবিতে বাঙালি অধ্যুষিত বরাক উপত্যকায় তুমুল আন্দোলন গড়ে উঠে</blockquote>

 
ধ্রুব তারা এর ছবি
 

দাবীর বিরুদ্ধে লেখতে গিয়ে দাবীতে লেখেছি। ধণ্যবাদ। ঠিক করে দিয়েছি

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ধ্রুব তারা
ধ্রুব তারা এর ছবি
Offline
Last seen: 10 months 2 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2013 - 9:31অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর