নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নাসিম হোসেন
  • মিঠুন সি দাস
  • সংবাদ পর্যবেক্ষক

নতুন যাত্রী

  • নওসাদ
  • ফুয়াদ হাসান
  • নাসিম হোসেন
  • নেকো
  • সোহম কর
  • অজিতেশ মণ্ডল
  • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
  • অ্যালেক্স
  • মিশু মিলন
  • আগন্তুক মিত্র

আপনি এখানে

যেই সাহিত্য জাগায় না, সেই সাহিত্যের প্রয়োজন নেই আমার


প্রাতিষ্টানিক শিক্ষার পাঠ চুকিয়েছি ছোট বেলায়। এদেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রাতিষ্টানিক শিক্ষা বলতে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত। আমার তারো একধাপ নিচে। বলা যায় আর্থিকাভাবে পড়তে পারিনি। জীবিকার তাগিতে কর্মজীবন বেছে নিতে হয়েছিল। পরিবার থেকে ঠেলে পাঠিয়েছিল হাতের কাজ শিখতে। ঐ কাজ শিখা অবস্থায় দীর্ঘ পাঁচ বছর বই থেকে যোজন যোজন দুরে ছিলাম। কাজ যখন শিখা হয়েছে, নিজে যখন স্বাধীন, তখন আবার বইয়ের দিকে ঝুকে (নিজের কাজ ও অর্থের বারোটা বাজিয়ে) পড়েছিলাম। প্রথম বই মেলায় গিয়ে বই কিনি জীবনানন্দের কবিতা সমগ্র। বইয়ের কবিতাগুলো যখন পড়ি কিছুই বুঝিনা! হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি... ধুর হাজার বছর ধরে একটা মানুষ বাঁচে নাকি? বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই আমি পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যায়না আর.... কবি বাংলার বাইরে না গেলে পৃথিবীর যে আরো কতো সুন্দর রুপ আছে তা খুঁজে পাবেন কি করে? জীবনানন্দকে বুঝতে অনেক সময় লেগেছিল। এমনকি বাংলা অভিধান থেকে শব্দ খুঁজে খুঁজে বের করে পড়তাম। তাঁর পতিতা কবিতাটি পড়ে কেঁদে ছিলাম। আবার আসিব ফিরে... কবিতাটি শেষের দিকে পড়লে কান্না চলে আসত। তিনি শঙ্খছিল শালিকের বেশে নাকি আসবেন। এরপর একবন্ধু থেকে নিয়ে আসলাম রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ। আরে এই তো দেখি খুব মজা। এতো সুন্দর গুছানো শব্দ মালা! এতো চমৎকার চমৎকার শব্দ! পোস্ট মাস্টার, হৈমন্তি, শুভা, শাস্তি, করুনা... অনেক নাম মনে পড়ছে না। সব গল্পই গ্রামের বাড়ি টানা পাঁচদিন পড়ে শেষ করেছিলাম। এরপর শরৎ রচনাসমগ্র, ১ ২। গৃহদাহ, চরিত্রহীন, চন্দ্রনাথ, বড়দিদি, শ্রীকান্ত...নামগুলো মনে পড়ছে না। শরতের এরপর গল্প সমগ্র। রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস সমগ্র। শেষের কবিতার অমিত-লাবন্যের প্রেমটা বেশ আধুনিক মনে হয়েছিল। সুকান্ত সমগ্র। নজরুলের কিছু
কবিতা, সৈদয় উয়ালিউল্লার- লালসালু, বিভুতি ভুষনের পথের পাঁচালি। ফাল্গুনির- সাপ মোচন। সুচিত্রার- কাছের মানুষ। তাছাড়া সুনীলের সেই সময়, প্রথম আলো, পুর্ব পশ্চিম, মনোভুমি... নাম মনে পড়ছেনা। সমরেশের সাতকাহন, গর্ভধারিণী, কালবেলা, কালপুরুষ, উত্তরাধিকার, হিরের উপর সোনার ফুল... শীর্ষেন্দুর, পার্থিব, চক্র, দুরবীন। বুদ্ধদেব গুহ'র মাধুকরী। মীর মোশারফের বিষাদ সিন্ধু। বঙ্কিমের দুর্গেশনন্দিনী। মাইকেলে মেঘনাদ বদ কাব্য। সম্ভবত মাইকেলই বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর এনেছিলেন। শামসুর রহমানের কবিতা, হেলাল হাফিজ, রুদ্রের কবিতা, বেলাল, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুনের কবিতা। এই কবিতাগুলোর নামই মনে পড়ে না...

সম্ভবত এক সালের দিকে কথা। একা একা ডিসি হিলে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছু মানুষ তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে আলোচনা করছেন। আমি থমকে দাঁড়ালাম। তসলিমার লজ্জা উপন্যাস নাকি কোনো সাহিত্যই না! তসলিমা নিম্মমানের লেখক, তসলিমা এই, তসলিমা সেই! এরপর ভাবলাম কে এই তসলিমা? এরপরে একজনের কাছে শুনেছি লজ্জা উপন্যাস নাকি তাঁর সেরা উপন্যাস। একদিন আন্দরকিল্লায় গিয়ে তাঁর লজ্জা বই অনেক খুঁজেছি, পায়নি। এরপর জলসার নপুর মার্কেট গিয়ে তাঁর লজ্জা বই কিনে আনি। আমি ঢুকে যায় সুরঞ্জয়ের পরিবারের মধ্যে। যে বাংলাদেশকে ভালবাসত, যার মধ্যে হিন্দু মুসলিমের কোনো ভেদাভেদ ছিলনা। ভারতের এক বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনায়, এদেশের মুসলিমগুলো একেকটা জানোয়ার হয়ে উঠেছিল! সারাদেশের হিন্দুদের মন্দির উপাসনালয় জ্বালিয়ে দিয়েছিল। তাদের বাড়িঘর লুটপাট করেছিল। একজন অসাম্প্রদায়িক সুরঞ্জয় তার প্রতিবেশি মুসলিমদের আচরন দেখে গ্লানি আর ক্ষোভ থেকে কিভাবে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা পুষে ছিলেন, তসলিমা কলমের তুলিতে তারই চিত্র অঙ্কণ করেছেন। বইটা পড়ে অনেক কেঁদেছিলাম। তখন বুঝতেই পারছিলাম না, এই বাস্তব সত্য ঘটনা দিয়ে ও তাহলে উপন্যাস লেখা যায়? এরপর তসলিমার মেয়েবেলা, দ্বিখণ্ডিত, ক, শোধ, ফেরা, নির্বাচিত কলাম, নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে.. এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না। অনেক বই পড়লাম। একদিন মনে প্রশ্ন জাগল, তসলিমা নাসরিনের রচনা সাহিত্য নয় কেন? কেন তাঁর লেখা সাহিত্যের সারিতে রাখা যাবে না? তবে কি তাঁর লেখা ধারন করার ক্ষমতা বিশাল সাহিত্য ভান্ডারের নেই?

এই কেমন বিবেচনাবোধ আপনাদের? রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, জীবনানন্দ দাশ, বিভুতি ভুষন সহ আরো অনেক লেখকের লেখার মান সাহিত্যিক হলে তসলিমার রচনা কেন সাহিত্যিক নয়? সাহিত্য কি আজীবন রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, সুনীল, সমরেশ শীর্ষেন্দু স্টাইলে থাকবে? সাহিত্যের কি বিবর্তন নেই? আগে লায়লি-মজনু, মেঘনাথবদ কাব্য, আলালের ঘরের দুলাল, দুর্গেশনন্দিনী, রবি ঠাকুরের গল্পগুচ্ছ, শরৎের উপন্যাস, জীবনানন্দের কাব্যের নতুনত্ব, বিভুতির পথের পাঁচালিকে আমরা সাহিত্যের সেরা সৃষ্টি হিসেবে জানি। তাই বলে তসলিমা কি পেছনে গিয়ে এঁদের মতো লিখবেন? এঁদের মতো লিখলেই কি সাহিত্য হবে?

যে তসলিমা ২০ বছর আগে "আমার মেয়েবেলা" লিখে প্রচণ্ড সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, এর আগে কে এমন সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে একটু শুনি? মনের মাধুরী মিশিয়ে অনিমেষ-মাধবীলতার প্রেমের গল্প লেখা যায়, কিন্তু এগুলো সমাজ পরিবর্তনের কোনো প্রেরনা যোগায় না। দীপা জয়িতা চরিত্রগুলো এখন লতুপুতু মনে হয়। সুদুর প্রসারী কল্পনা মিশিয়ে কোনো বিদেশিনীর গল্প বলা যায়, কিন্তু "নির্বাচিত কলাম"এর মতো ভুমিকা রাখতে পারেনা। যে লেখায় প্রত্যাঘাত আসে না, সেটা কোনো লেখা নাকি? যে সাহিত্য মানুষের ঘুমন্ত চৈতন্যকে জাগায় না, সেই সাহিত্য আমি প্রয়োজন মনে করিনা। যে লেখা লিখলে মানুষ ঘুমায়, জাগে না, সেটা আবার লেখা? যে আলোর লেখা লিখলে আঁধারের জীবগুলো প্রচন্ড ক্রোধে চেঁচিয়ে উঠবে, সেটাই তো লেখা।

সাহিত্য! সাহিত্য! সাহিত্য! বলে মুখে অনেক ফেনা তুলা হয়েছে, আর নয়! আর চেঁচিয়ে নিজেকে আত্নদাম্ভিক আর মুর্খ পরিচয় দেবেন না। সাহিত্যের মান নির্ধারন করার আপনি কে? আমি কে? সাহিত্য তার যখন যে নিয়ম দরকার সেই নিয়মেই চলবে। এখানে সাহিত্যের কেউ ধারক বাহক হবার প্রয়োজন নেই। ১৩০ বছর আগে থেকে রবীন্দ্রনাথ তাঁর সময় ও প্রেক্ষাপটকে নিয়েই লিখেছেন। তসলিমা নাসরিন এখন তাঁর প্রেক্ষাপট নিয়ে লিখবে এটাই স্বাভাবিক। হুমায়ন আজাদের "পাক সার জমিন সাদ বাদ" কি সাহিত্য নয়? এটা তখন কি প্রাসঙ্গিক ছিল না? আমি তো বর্তমান ফেইবুকের অনেক বন্ধুর লেখাকে সাহিত্য বলে স্বীকার করি। তো?

--প্রাতিষ্টানিক শিক্ষায় যদি শিক্ষিতের মান নির্ণয় করা হয়, তাহলে বলব আমি খুব অশিক্ষিত। আর স্বশিক্ষা দিয়ে যদি শিক্ষার মান নির্ধারন করা হয় তাহলে বলব, আমি শুধু শিক্ষিত না, অনেক স্বশিক্ষিত। সেই স্বিকৃতি আমি নিজেকে অনেক আগেই দিয়েছি। তবুও বলছি, এই লেখা দুঃসাহস করে লিখেছি। এই লেখা সমালোচনাযোগ্য, এই লেখায় ভুল থাকতে পারে। তা ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ থাকবো। ধন্যবাদ.....

মন্তব্যসমূহ

আরণ্যক রাখাল এর ছবি
 

ভ্রাতা, আপনার লেখাটা সত্যিকার অর্থেই খারাপ লেগেছে।
সাহিত্যের খুব বেশি কিছু জানি না আমি। আপনি ২০০১ সালে লজ্জা পড়েছেন, তখন আমার সাহিত্য বোঝার বয়সই হয়নি।
যাক, এসব কথা।
আমি যখন পথের পাঁচালি পড়ছিলাম, ছিলাম একটা ঘোরের মধ্যে। আজ কয়েকবছর পর এখনও অপু-দূর্গা-সর্বজয়াকে চোখের সামনে দেখতে পাই। দেখতে পাই খুব ছোট্ট একটা চরিত্র পটুকেও। অপরাজিত বাঙ্গালির চিরায়ত যুবকের প্রতিচ্ছবি। আরণ্যক এমন এক রচনা, যার তুলনা অতীতেও নেই, বর্তমানেও নেই।
এখন তসলিমায় আসি। তার লজ্জা পড়েছি। সাথে নির্বাচিত কলাম হতে শুরু করে কিছুদিন আগের সেক্সবয় পর্যন্ত। ফেসবুকে তাকে ফলো করি নিয়মিত। তার বিভিন্ন লেখা যেসব প্রকাশিত হয় পত্রপত্রিকায়, তাও পড়ি।
তার লেখার মাধ্যমে তিনি ধর্মকে যেভাবে ধাক্কা দিয়েছেন, সেটা নির্দ্বিধায় বিশাল সাহসের কাজ।
কিন্তু আমার প্রশ্নও একই। এসবের সাহিত্যমূল্য কোথায়!
আজ তিনি যেসবের জন্য আন্দোলন করছেন- মুক্তমত প্রকাশ, ধর্মের শিকল থেকে মুক্তি, নির্যাতনমুক্ত গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র- এসব একদিন আমরা অর্জন করতে পারবো। আমি প্রচন্ড আশাবাদী। এসব অর্জন করা হয়ে গেলেই কিন্তু আর তার লেখাগুলোর কোন মূল্য থাকছে না। কারণ এখন ব্যাখ্যা করছি।
আজ থেকে ১২০ বছর আগের কথা চিন্তা করুন। ধরুন আমি একটা উপন্যাস সে সময় লিখেছি। যেখানে নায়ক একজন বিধাবাকে ভালবেসে বিয়ে করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সদ্য বিবাহিত দম্পতির উপর ভেঙ্গে পড়বে সমাজ। তাদের নামে কুকথা রটিয়ে বেড়াবে মানুষ। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন. হয়ে যাবে, প্রতিবেশি সাহায্য করবে না। কাজ পাবে না। যদি সেসময় ছিল বিধিবা বিবাহ আইনত স্বীকৃত।
নায়ক নায়িকা সংগ্রাম করল অনেক, তারা তবুও তাদের সংকল্প থেকে আদর্শ থেকে দূরে গেল না। পরষ্পরকে ছেড়ে গেল না।
এটাই উপন্যাসের প্লট।
এই উপন্যাসটা ১৯ শতকের মানুষ নিশ্চয়ই প্রচন্ড আগ্রহ, উত্তেজনা নিয়ে পড়বে। একটা নতুনের স্বাদ পাবে তারা।
ঠিক একই উপন্যাস আপনাকে পড়তে দিলে কেমন লাগবে? পাবেন সেই রোমাঞ্চ? এখন বিধবা বিবাহ কেন, অন্যের বউকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করওলে কেউ মাথা ঘামায় না। এযুগের পাঠকের কাছে সে উপন্যাসের কোন ভ্যালু থাকছে কী?
কিন্তু সেই উপন্যাসটা যে মূল্যহীন তা কিন্তু নয়, তেমন উপন্যাস যদি সত্য়িই লেখা হতো- তবে তা করতে পারতো অনেক মানুষকে আলোকিত। কিন্তু ফুরিয়ে আসতো সেই দীপের আলো একসময়।
এবারে আসি পথের পাঁচালি, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ-তে।
আজ থেকে শতবছর পরেও এদের রচনা পড়ে ঠিক ততোটাই আলোকিত হবে যতটা হয়েছে শতবছর আগে, হচ্ছে আজ। শতবছর পরেও কেউ প্রেমে পড়বে, কেউ শৈশবে একটা পাখির পিছনে ছুটবে, কেউ গান গাইবে। এসব তাই অম্লান।
তসলিমার লেখা সেই বিধবা বিবাহের উপন্যাসের মত। একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।
আর যাদের নাম নিয়েছেন উপরে তারা চিরায়ত।
আজ দেশে হিন্দুনিধন বন্ধ হোক, কাল সবাই লজ্জাকে ভুলে যাবে। কিন্তু আজ থেকে একশবছর পরেও হাজার বছর ধরে মানুষ পড়বে।
আসলে সাহিত্যের কাজ সমাজ পরিবর্তন নয়। মানুষের মনের ভিতরটা দেখানো। যে অনুভুতিগুল জমা হয়ে আছে, তার প্রকাশ।সেগুলোকে যে বিধ্বংসী হতেই হবে- এর কোন মানে নেই।
আবার তসলিমা কিন্তু একাই এমন লেখা লিখছে না। অরুন্ধুতি রায়ের লেখা চুরির কথা নিজেও স্বীকার করেছিলেন তিনি। প্রতিবাদি লেখার ক্ষেত্রে অনেকেই তসলিমার চাইতে ভাল লেখে। ইভেন সুসুপ্ত পাঠকের লেখা তসলিমার যেকোন লেখার চাইতে বেটার।
পারবেন দেখাতে, বিভূতি কারো রচনা চুরি করে লিখেছে?
আমার নিজের কাছেও মনে হয়, তার লেখা পড়ে কী হবে! তিনি যেসব কথা বলেন, বারবার বলেন- তা আমি জানি, আমি মানি, আমি বিশ্বাস করি। মনে হয়, নতুন করে পড়ে আর কী লাভ! বারবার। চর্বিতচর্বন।
কিন্তু বনলতা সেন আমি হাজারবার বোধহয় পড়েছি। আম্র মুখস্ত আছে, তাও পড়ি। রবি ঠাকুরের গান কয়েক হাজারবার শোনার পরও শুনতে ইচ্ছে করে।
এখন আপনি বলুন, তসলিমাকে এদের স্থান দিব কিনা।
আপনি নিজেও বলেছেন, আমরা কেউ না, সাহিত্যে কার কোনটা স্থান বলে দেয়ার। তেমনি, কেউ যদি চিল্লিয়ে চিল্লিয়েও যদি বলে, তসলিমা বিশাল সাহিত্যিক তা মানবে না কেউ। সেটা স্থানও পাবে না।
তবে, তার বই নিষিদ্ধ করা, তাকে দেশ থেকে বের করে দেয়া- এসব বাংলাদেশ সরকারের মূর্খতা। গলাটিপে কোন আন্দোলনকে মেরে ফেলা যায় না।

তুমি প্রতিদিন ভাঙ্গার কথাই বলো
আমি ঈদানিং শান্ত নগরবাসী-
তুমি খুব করে সুতোটা ছিড়ে ফেলো
আমি ঘরকুনো, জানলা নিভিয়ে বসি।

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

অপ্রিয় কথা
অপ্রিয় কথা এর ছবি
Offline
Last seen: 5 ঘন্টা 51 min ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 23, 2016 - 8:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর