নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জীহান রানা
  • নুর নবী দুলাল
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • মোগ্গালানা মাইকেল

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

নবী মুহাম্মদ ও শয়তানের বানী, ২য় পর্ব


প্রথম পর্বে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ চিনতে পারেন নি , হেরা গুহায় তার সাথে ফেরেস্তা নাকি শয়তান দেখা করেছিল। সেটা বলেছিলেন ওরাকা ইবনে নওফেল কিন্তু সেটাও ভুল ছিল কারন তার বক্তব্য ছিল মুসা নবীর সাথে নাকি সেই ফিরিস্তা দেখা করত , কিন্তু তৌরাত কিতাবে কোথাও বলা নেই মুসা নবীর সাথে কোন ফিরিস্তা দেখা করত , বরং স্বয়ং ঈশরই মুসা নবীর সাথে সরাসরি কথা বলত। এ পর্বে দেখা যাক , শয়তান সরাসরি মুহাম্মদকে তার বানী দিয়েছিল কি না।

মুহাম্মদের জীবনি "সিরাত রাসুল আল্লাহ" সর্বপ্রথম লেখেন ইবনে ইসহাক। মুহাম্মদ মারা যাওয়ার ১০০ বছরের মধ্যেই ইবনে ইসহাক মুহাম্মদের জীবনি লেখেন। আর তার জন্মস্থান ছিল মদিনা। পক্ষান্তরে মুহাম্মদ মারা যাওয়ার ২০০/২৫০ বছর পর লেখা হয় সহিহ হাদিস যাদের মধ্যে একজন বাদে বাকী কারও জন্মস্থান আরব নয় বরং ছিল পারস্যে। সুতরাং কার দেয়া তথ্য সঠিক ও যথার্থ এ থেকেই পাঠকরা বুঝতে পারবেন।

সিরাত রাসুল আল্লাহ - তে ইবনে ইসহাক লিখেছেন ---

যখন মুহাম্মদ দেখলেন মক্কাবাসীরা তাকে কোনভাবেই গ্রহন করল না , তখন নবী আল্লাহর কাছ থেকে এমন একটা বানী আশা করছিলেন যা তার ও মক্কাবাসীদের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করবে। তখনই তার কাছে নাজিল হলো ---

"নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়। তোমাদের সংগী পথভ্রষ্ট হননি এবং বিপথগামীও হননি।(সুরা নাজম- ৫৩: ১,২,---) ------"-

এভাবে বলতে বলতে যখন তিনি এ পর্যন্ত পৌছলেন---

"তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওযযা সম্পর্কে। এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে?(সুরা নাজম- ৫৩: ১৯-২০) "-

তখন শয়তান তার মূখে এই বানী রেখে দিল

-" এরা হলো উচ্চে উড্ডয়নরত সারস পাখি যারা আল্লাহ ও মানুষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী"।

যখন কুরাইশরা এ কথা শুনল তখন তারা আনন্দিত হলো এবং তারা বলল , যা মুহাম্মদ বলেছে তা আল্লাহর কাছ থেকেই এসেছে , অত:পর তিনি আল্লাহর কাছে সিজদা দিতে লাগলেন , সেই সাথে উপস্থিৎ মুসলমান ও পৌত্তলিকরাও তার সাথে সিজদা দিতে লাগল। শুধু মাত্র আর ওয়ালিদ আল মুগিরা নামের এক সাহাবী সিজদা দিল না , বরং সে হাতে মাটি নিল , তা ছড়িয়ে দিল। তারপর কুরাইশরা বাইরে এসে প্রচার করল যে মুহাম্মদ তাদের দেব দেবীর কথা বলেছে এবং বলেছে এসব দেব দেবীর মধ্যস্থতায়ই তাদের প্রার্থনা আল্লাহর কাছে পৌছোয়।

এই খবর দ্রুতই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল , আর তখন আবিনিসিয়াতে যেসব মুসলমানরা হিজরত করেছিল , তারা ফিরতে শুরু করল। তখন জিব্রাইল মুহাম্মদের কাছে এসে বলল - এ তুমি কি করেছ মুহাম্মদ ? তুমি এমন কিছু তাদের কাছে আল্লাহর নামে বলেছ যা আমি তোমার কাছে পৌছিয়ে দেই নি। তখন মুহাম্মদ দু:খে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। আর তখনই আল্লাহ উক্ত " এরা হলো উচ্চে উড্ডয়নরত সারস পাখি যারা আল্লাহ ও মানুষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী"। এর পরিবর্তে নাজিল করল -

পুত্র-সন্তান কি তোমাদের জন্যে এবং কন্যা-সন্তান আল্লাহর জন্য?
এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন।
এগুলো কতগুলো নাম বৈ নয়, যা তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব-পুরুষদের রেখেছ। এর সমর্থনে আল্লাহ কোন দলীল নাযিল করেননি। তারা অনুমান এবং প্রবৃত্তিরই অনুসরণ করে। অথচ তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে পথ নির্দেশ এসেছে। (সুরা নাজম- ৫৩: ২১-২৩)

সূত্র : (Source: Ibn Ishaq, The Life of Muhammad: A Translation of Ishaq's Sirat Rasul Allah, Translated by A. Guillaume, Oxford University Press, Oxford, England, (Re-issued in Karachi, Pakistan, 1967, 13th impression, 1998) 1955, p. 165-166. https://archive.org/details/TheLifeOfMohammedGuillaume)

উপরের একই কথা বলা আাছে ইসলামের বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আল তাবারীতে যা দেখা যাবে এখানে -

Page- 107-108, History of Al Tabari, Volume-6, Web: http://kalamullah.com/tabari.html

উক্ত ঘটনা যে সত্য তার প্রমান আছে সহিহ হাদিসেও , যেমন নিচের হাদিসগুলো --

কুরআন তিলওয়াতে সিজদা :: সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ১৯ :: হাদিস ১৭৭(ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হাদিস নং - ১০১০
মুসাদ্দার (র.)… ইব্ন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) সূরা ওয়ান্-নাজ্‌ম তিলাওয়াতের পর সিজ্‌দা করেন এবং তাঁর সঙ্গে সমস্ত মুসলিম, মুশরিক, জ্বিন ও ইনসান সবাই সিজ্‌দা করেছিল।

উক্ত হাদিস বলছে , মুহাম্মদ সুরা নাজম তিলাওয়াতের পর সিজদা করেন আর তার সাথে মুসলিমরা তো বটেই , মুশরিকরা অর্থাৎ কুরাইশরাও সিজদা করেছে। মুশরিকরা তো ইসলাম গ্রহন করে নি , তাহলে তারা মুহাম্মদের সাথে সিজদা করে কেমনে ? উত্তরটা কিন্তু সোজা। সেটা হলো - যেহেতু সুরা নাজমের ১৯ থেকে ২১ আয়াতদের দ্বারা মুহাম্মদ কুরাইশদের দেব দেবীকে স্বীকৃতি দিয়েছে ,তাই সবাই উৎফুল্ল হয়ে মুহাম্মদের সাথে সিজদা দিয়েছে। এ সম্পর্কিত আরও কিছু হাদিস নিচে---

কুরআন তিলওয়াতে সিজদা ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ১৯ :: হাদিস ১৭৩(ইফাবা হাদিস- ১০০৬)
মুহাম্মদ ইব্ন বাশ্‌শার (র.)… আবদুল্লাহ্ (ইবন মাসউদ) (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) মক্কায় সূরা আন্-নাজম তিলওয়াত করেন। এরপর তিনি সিজ্দা করেন এবং একজন বৃদ্ধ লোক ছাড়া তাঁর সঙ্গে সবাই সিজ্দা করেন। বৃদ্ধ লোকটি এক মুঠো কংকর বা মাটি হাতে নিয়ে কপাল পর্যন্ত উঠিয়ে বলল, আমার জন্য এ যথেষ্ট। আমি পরবীর্ত যামানায় দেখেছি যে, সে কাফির অবস্থায় নিহত হয়েছে।

কুরআন তিলওয়াতে সিজদা ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ১৯ :: হাদিস ১৭৬(ইফাবা হাদিস- ১০০৯)
হাফ্স ইব্ন উমর (র.)… আবদুল্লাহ্ (ইব্ন মাসউদ) (রা.) থেকে বর্ণিত যে, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) সূরা আন্ নাজ্‌ম তিলাওয়াত করেন, এরপর সিজ্‌দা করেন। তখন উপস্থিত লোকদের এমন কউ বাকী ছিল না, যে তাঁর সঙ্গে সিজ্দা করেনি। কিন্তু এক ব্যক্তি এক মুঠো কংকার বা মাটি হাতে নিয়ে কপাল পর্যন্ত তুলে বলল, এটাই আমার জন্য যথেষ্ট। (আবদুল্লাহ্ (রা.) বলেন) পরে আমি এ ব্যক্তিকে দেখেছি যে, সে কাফির অবস্থায় নিহত হয়েছে।

ইবনে ইসহাকের সিরাত রাসুলুল্লাহ, আল তাবারি , সহিহ হাদিস - ইসলামের সকল রকম নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকেই শয়তানের আয়াত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেল। এবং এটাও নিশ্চিত হওয়া গেল যে কোরানের মধ্যে এখনও শয়তানের আয়াত বিদ্যমান - যেমন সুরা নাজমের ১৯ থেকে ২১ নং আয়াত ছিল শয়তানের আয়াত , পরে আল্লাহ ২১ নং আয়াতকে বাতিল করে দিয়ে পরিবর্তে ভিন্ন আয়াত প্রেরন করেছে। কিন্তু ১৯ ও ২০ নং আয়াত হুবহু একই আকারে কোরানে রয়ে গেছে , যার অর্থ কোরানের মধ্যে এখনও শয়তানের আয়াত বিদ্যমান।

ইবনে ইসহাক ও আল তাবারির উক্ত সূত্রেই বলা আছে যে , মুহাম্মদ এতটাই দু:খে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন যে তাকে অবশেষে শান্তনা দেয়ার জন্যে আল্লাহকে নিচের আয়াতও নাজিল করতে হয় ----

সুরা হাজ্জ- ২২:৫২:আমি আপনার পূর্বে যে সমস্ত রাসূল ও নবী প্রেরণ করেছি, তারা যখনই কিছু কল্পনা করেছে, তখনই শয়তান তাদের কল্পনায় কিছু মিশ্রণ করে দিয়েছে। অতঃপর আল্লাহ দূর করে দেন শয়তান যা মিশ্রণ করে। এরপর আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহকে সু-প্রতিষ্ঠিত করেন এবং আল্লাহ জ্ঞানময়, প্রজ্ঞাময়।
৫৩:এ কারণে যে, শয়তান যা মিশ্রণ করে, তিনি তা পরীক্ষাস্বরূপ করে দেন, তাদের জন্যে, যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং যারা পাষাণহৃদয়। গোনাহগাররা দূরবর্তী বিরোধিতায় লিপ্ত আছে

কিন্তু এখানে কয়েকটি মারাত্মক সমস্যা আছে। সেগুলো হলো --

প্রথমত: তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাবে আমরা দেখি যে , পূর্বের নবীদের কাছে আসা ঈশ্বরের বানীর মধ্যে শয়তান কখনই তার বানী ঢুকাতে পারে নি। সেসব কিতাবে এর কোন উল্লেখ নেই। অর্থাৎ কোরান এখানে সম্পূর্ন ভিত্তিহীন বক্তব্য দিচ্ছে।

দ্বিতীয়ত: সূরা নাজিলের সময় ক্রম অনুযায়ী, সুরা নাজম হলো ২৩তম সূরা , আর সুরা হাজ্জ হলো ১০৩তম সুরা। যদিও বর্তমান কোরানে সুরা নাজম ৫৩তম আর সুরা হাজ্জ ২২তম, কারন সুরা নাজিলের সময়ক্রম অনুযায়ী বর্তমান কোরানে সুরা সাজান নেই। নাজিলের সময়ক্রম অনুযায়ী সুরার ক্রমিক নম্বর জানা যাবে এখানে - http://www.qran.org/q-chrono.htm । ২৩ নম্বর সুরায় মুহাম্মদ শয়তানের বানী প্রচার ক'রে , দারুন ভারাক্রান্ত হলেন , বলা বাহুল্য এটা তার মক্কার জীবনের মাঝামাঝি সময়ে নাজিলকৃত সুরা। অত:পর তিনি বেশ কয়বছর পর হিজরত করে মদিনায় যান ,তারপরে ৮৭ তম সূরা বাকারা হলো মদিনায় নাজিলকৃত প্রথম সুরা। তারও বহু পরে ১০৩তম সূরা হাজ্জ নাজিল হয়। ততদিনে মুহাম্মদ মদিনায় একটা বড় বড় সেনাবাহিনী গঠন করে , মদিনা তো বটেই আশপাশের অনেক জায়গাতেই তার রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন। এমন অবস্থায় তো তার দু:খ ভারাক্রান্ত থাকার কথাই না। অথচ তখন সুরা হাজ্জ ২২: ৫২-৫৩ নং আয়াত দ্বারা আল্লাহ তাকে সান্তনা দিচ্ছে। বিষয়টা বেশ অদ্ভুত , অবাস্তব বলে মনে হচ্ছে।

বরং এটাই যৌক্তিক যে উক্ত ২২: ৫২-৫৩ নং আয়াত নাজিল হতে হবে , সুরা নাজমের ১৯-২১ নং আয়াত নাজিলের পর পরই, কারন মুহাম্মদ তখনই শয়তানের আয়াত প্রচারের কারনে দারুনভাবে দু:খ ভারাক্রান্ত ছিলেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে , শয়তানের আয়াত সৃষ্টির বহু বছর পর প্রায় ৭/৮ বছর পর (আনুমানিক) গিয়ে সান্তনামূলক আয়াত নাজিল হচ্ছে। তাহলে বিষয়টা বেশ রহস্যপূর্ন মনে হচ্ছে , এটাই মনে হচ্ছে যে , শয়তানের আয়াতের আসল ঘটনা লুকানোর জন্যেই কোরান সংকলনকারীরা সান্তনামূলক আয়াত ( সুরা হাজ্জ ২২: ৫২-৫৩) গুলোকে ইচ্ছা করেই সুরা নাজম নাজিলের বহু বছর পরে নাজিল হওয়া সুরা হাজ্জের মধ্যে ঢুকিয়েছে। কিন্তু এত কলাকৌশল করেও সত্যকে লুকান যায় নি। অবশেষে সত্য বেরিয়ে এসেছে।

এখন প্রশ্ন হলো - (১) আমরা কিভাবে নিশ্চিত হবো যে , হেরা গুহায় জিব্রাইল ফিরিস্তাই মুহাম্মদের কাছে আসছিল ? মুহাম্মদ তো তাকে চিনতে পারেন নি আর জিব্রাইল নিজেও তার পরিচয় দেয় নি। তাহলে সে যে জিব্রাইল না হয়ে শয়তান না , তার নিশ্চয়তা কি ?

(২) শয়তান যদি জিব্রাইলের বেশ ধরে মুহাম্মদের কাছে তার বানী দিয়ে যেতে পারে , আর সর্বময় ক্ষমতাশালী আল্লাহ যদি তখন সেটা ঠেকাতে না পারে , বা জানতে না পারে , তাহলে যদি ধরে নেইও জিব্রাইলই মুহাম্মদকে আল্লাহর বানী দিয়ে যেত , তাহলেও শুধুমাত্র একবারই যে শয়তান মুহাম্মদের কাছে জিব্রাইলের বেশে বানী দিয়ে গেছে , তার নিশ্চয়তা কি ? আরও বহুবারই তো সে বানী দিয়ে যেতে পারে , যা আল্লাহ জানতে বা বুঝতে পারে নি ,যেমনটা পারেনি যখন শয়তান মুহাম্মদের কাছে এসে বানী দিয়ে গেছিল ?

(৩) শয়তান বানী দিয়ে যাওয়ার পর চারদিকে খবর ছড়িয়ে গেল , সুদুর আবিনিসিয়াতেও খবর গেল যে মুহাম্মদ ও কুরাইশদের মধ্যে সমঝোথা হয়ে গেছে , তারা তাই মক্কায় ফেরা শুরু করল। তো তখন তো আর মোবাইল ফোন ছিল না যে তাৎক্ষনিক অত দুরে খবর চলে গেছিল। তার মানে সেখানে খবর যেতেও কয়েকমাস , এমনকি বছরও গেলে থাকতে পারে । তার মানে দেখা যাচ্চে , শয়তান মুহাম্মদের কাছে বানী দিয়ে যাওয়ার পরেও বহুদিন আল্লাহ সেটা টের পায় নি , সে জিব্রাইলকে পাঠিয়ে শয়তানের বানীকে রহিতও করে নি। তাহলে এই সময়ের মধ্যে মুহাম্মদ নিশ্চিতভাবেই কুরাইশদের সাথে মিলে কাবা ঘরে সিজদা দিয়েছেন আর লাত , মানাত ও উজ্জার কাছে সিজদায় অবনত হয়েছেন তাদেরকে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে। তাহলে মুহাম্মদ কি এই সময়ে মূলত: পৌত্তলিক ধর্ম অনুসরন করেন নাই ?

সুতরাং সার্বিক বিচারে দেখা যাচ্ছে , কোরানের সব কথাই যে আল্লাহর কথা তা বিশ্বাস করার কোনই কারন নেই যখন এখনও শয়তানের বানী তার মধ্যে বিদ্যমান। এমনও হতে পারে , কোরানের অধিকাংশ কথাই হয়ত শয়তানের , অতি সামান্য কথা হয়ত আল্লাহর। কারন যেখানে নিষেধ করা সত্ত্বেও শয়তান যদি বেহেস্তের মধ্যে ঢুকে আদম হাওয়াকে বিভ্রান্ত করে তাদেরকে দিয়ে নিষিদ্ধ ফল ভক্ষন করার ক্ষমতা রাখতে পারে , তো সে আল্লাহ ও তার ফেরেস্তাকে পরাস্ত করেও মুহাম্মদের কাছে বার বার এসে তার বানী দিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাও রাখে , আল্লাহর অগোচরেই।

নবী মুহাম্মদ ও শয়তানের বানী, ১ম পর্ব

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর