নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আবু মমিন
  • মাহিন রহমান সাকিফ
  • রবিঊল
  • পৃথু স্যন্যাল
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

মজুরির লড়াই


আশুলিয়ার উইন্ডি এ্যাপারেলস কারখানায় গত ১১ ডিসেম্বর দুপুর থেকে শুরু হওয়া শ্রমিক আন্দোলন টানা সতের দিনে মালিকদের মুনাফার সৌধে কিছুক্ষণের ভূমিকম্পের মত ঝাঁকুনি দিয়ে গেল। প্রধানত মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গড়ে ওঠা এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন জ্যামিতিক হারে কয়েক দিনেই ছড়িয়ে পড়েছিল আশুলিয়ার অন্যান্য কারখানায়। এ আন্দোলন দেশের পঞ্চাশ লক্ষ গার্মেন্ট শ্রমিকের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। আন্দোলন দমনে মালিকগোষ্ঠী ৫৯টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। শ্রম আইনের ১৩(১) ধারায় এই কারখানাগুলো গত ২০ থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকে। অতীতে এভাবে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে পেছনের দরজা দিয়ে শ্রমিকদের ডেকে এনে কাজ ধরিয়ে দেয়ার বহু দৃষ্টান্ত আছে। এই কৌশলে কারখানা চালু হয়ে যাওয়ার পর কারখানা বন্ধের নোটিশের কথা বেমালুম ভুলে যেত মালিকরা। এবার পেছনের দরজা দিয়ে শ্রমিকদের ডেকে এনে কাজ করানোর কায়দা একেবারেই কাজে লাগেনি। যতদিন কারখানা বন্ধ থাকবে ততদিনের মজুরি শ্রমিকরা পাবে না এমন বেআইনি হুমকিতেও শ্রমিকদের গোপনে মাথা নিচু করে কাজে যোগদান করানো যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই মালিক সমিতি ঘোষণা দিয়ে ২৬ ডিসেম্বর থেকে কারখানাগুলো খুলে দেয়।

শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছে। এই মধ্যবর্তী সময়ে শ্রমিকদের উপর ব্যাপক জুলুম, দমন-পীড়ন নেমে এসেছে। দুই হাজার শ্রমিকের নামে মামলা হয়েছে, অন্তত ১৬১১ জন শ্রমিক বরখাস্ত হয়েছেন। ৯টি মামলায় প্রায় অর্ধশত শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা, সাংবাদিক কারাবন্দী হয়েছেন। এই তীব্র দমন নীতির মুখে আন্দোলনরত শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার মধ্য দিয়ে কেউ কেউ এ আন্দোলনের পরিসমাপ্তি দেখতে পারেন। কিন্তু যতদিন শ্রমিকের ওপর মালিকের শ্রম শোষণ চলবে ততদিন শ্রমিকের জীবনে মজুরির সংগ্রাম একটি অপরিহার্য এবং নিরন্তর বিষয়। তাই ভালোভাবে দেখলে আশুলিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী ও আপাতভাবে দাবি আদায়ে ব্যর্থ আন্দোলন সকলের কাছে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ এবং চলমান সংগ্রাম হিসেবে দৃশ্যমান হবে। ফলে মালিকরা এবং তাদের তাঁবেদার সরকার অনেক চেষ্টায় শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে ধামাচাপা দিতে পেরেছে, এই খুশি তাদের বেশিদিন স্থায়ী হওয়ার নয়।

মালিক সমিতি বিজিএমইএ সভাপতি একটি দৈনিক পত্রিকায় সাক্ষাতকার এবং কয়েকটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিটা অযৌক্তিক’। তার মতে মালিকরা প্রতিবছর ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যুক্তি দেখান, দেশে মূল্যস্ফীতির হার ৫ শতাংশের নিচে আছে তাহলে মজুরি বৃদ্ধির প্রয়োজনটা কোথায়?

বাস্তবতা হলো গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ১৯৮৫ সালে নির্ধারিত হয়েছিল ৬২৭ টাকা, দশ বছর পর ১৯৯৪ সালে সেটা ৩০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৯৩০ টাকা। এক যুগ পর ২০০৬ সালের শ্রমিক আন্দোলনের মুখে মজুরি বোর্ড গঠিত হয়। তখন নিম্নতম মজুরি ১,৬৬২ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। ২০১০ সালে শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করে নিম্নতম মজুরি ৩,০০০ টাকা আদায় করেন। ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধ্বসের পর শ্রমিক অসন্তোষ ও বিক্ষোভ সামাল দিতে সরকার মজুরি বোর্ড ঘোষণা করে। শ্রমিকদের দাবি ছিল বেসিক আট হাজার টাকা মজুরি। মজুরি বোর্ড বেসিক মজুরি নির্ধারণ করেছিল মাত্র ৩,০০০ টাকা এবং সর্বসাকূল্যে ৫,৩০০ টাকা। এই সকল মজুরি বৃদ্ধিতে শ্রমিক পক্ষের দাবির তিন ভাগের এক ভাগ মজুরি আদায় হয়। শুধু শ্রমিকরাই নয়, অর্থনীতিতে এই শিল্পের ভূমিকা এবং শ্রমিকদের অবদান, বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনো বিবেক সম্পন্ন মানুষই শ্রমিকদের এই মজুরি সে সময় মেনে নিতে পারেনি। মালিক পক্ষ এইটুকু মজুরি বৃদ্ধি করতেও সহজে রাজি হননি।

উপরন্তু, ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে যে মজুরি কার্যকর হয় সেই মজুরি এক বছরেও পঞ্চাশ শতাংশ কারখানায় বাস্তবায়িত হয়নি। এছাড়া, টার্গেটের নামে শ্রমিকদের বাড়তি খাটানো, নানান কৌশলে ফাও খাটিয়ে নেয়া গার্মেন্ট শিল্পে প্রথাসিদ্ধ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে মজুরি শ্রমিকদের দেয়া হয়েছে তা কখনোই বাজার দর ও উৎপাদনের মানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। এমনকি বাঁচার মত মজুরি যাকে বলে তার ধারে কাছেও ছিল না। কাজেই মালিক সমিতির ইনক্রিমেন্ট এর আলোচনা ‘মাছ ঢাকতে শাক’ এর মতই। এমনকি ‘আমরা মালিকেরা পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছি’ এই বক্তব্য গোটা শিল্পের বিবেচনায় একটি ডাহা মিথ্যা কথা। যে সমস্ত কারখানায় এই ইনক্রিমেন্টের বালাই নেই সে সমস্ত কারখানার নাম নিলেই মালিকেরা এক যোগে বলবেন ‘সবার তো আর সামর্থ্য এক নয়’।

মজুরি বৃদ্ধির দাবি সামনে আসলেই ‘শিল্পের সক্ষমতা’ কথাটার রব উঠে যায়। এমনকি অনেক বুদ্ধিজীবীকেও আমরা মালিকদের সাথে সাথে এই সুরে গলা মেলাতে দেখি। শ্রমিককে বাঁচার মত মজুরি দিতে পারার ব্যাপারটা নিজেই কি শিল্পের সক্ষমতার একটা প্রধান দিক নয়? যে শিল্প শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরি দিতে পারে না সেই শিল্প কার জন্য? আজ ‘উন্নয়ন’কে রাষ্ট্রের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উন্নয়ন কার জন্য? ৮০ ভাগ রপ্তানি উপার্জন আসে যে গার্মেন্ট শিল্প থেকে, সেই শিল্পের শ্রমিকদের জীবনের কোনো উন্নয়ন যদি না হয় তাহলে কার উন্নয়নের জন্য এই শ্রমিকরা নিজেদের আয়ু বিনাশ ঘটাচ্ছে এই প্রশ্নই তো যৌক্তিক।

জাতীয় পে-কমিশন ঘোষণার পর দেশের সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘোষিত পে-স্কেলে উপর নিচের অনেক বৈষম্য আছে, তার পরেও সর্বনিম্ন পদে কর্মরত একজন ব্যক্তি কোনো উৎপাদনশীলতার সাথে যুক্ত না থেকেও ৮২৫০ টাকা বেসিক এবং সর্বসাকুল্যে ১৭৪৫০ টাকা বেতন পাচ্ছেন। উৎপাদনশীল কাজের মূল্য অনুৎপাদনশীল কাজের চেয়ে বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। জাতীয় পে-স্কেল ২০১৫’র পরে বাজারের অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে, একজন শ্রমিক তার বাড়ি ভাড়া দেয়ার পর আর এই বাজারে চলতে পারেন না। এটা অসম্ভব। মালিকরা শ্রমিকদের মজুরি প্রসঙ্গে আলোচনা উঠলেই বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতার কথা বলেন। ‘গার্মেন্ট শিল্প বাংলাদেশ থেকে চলে যাবে’ এই ধুয়া তোলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ এবং এই দেশের মজুরি হার পৃথিবীর সর্বনিম্ন। তৈরি পোশাক শিল্পের কাজ বাংলাদেশে আসে এই সস্তায় খাটা শ্রমিকদের বদৌলতে, মালিকদের ক্যারিশমার কারণে নয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের করা এক জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে ইউরোপের বাজারে বিক্রি করে এমন দুটি প্রতিষ্ঠান স্পেনের ইন্টিডেক্স এসটি ও সুইডেনের এইচ এ- এম। ইন্টিডেক্স এসটির সকল খরচ বাদ দিয়ে মুনাফার হার ৫৮ ভাগ আর এইচ এ- এম’র মুনাফার হার ৫৫ ভাগ। কর ও অন্যান্য ব্যয় বাদ দিয়ে সুইডেনের কোম্পানিটির নিরেট মুনাফা ৯ ভাগ আর স্পেনের কোম্পানিটির নিরেট মুনাফা ১৬ ভাগ। দুটি কোম্পানির মুনাফার এই বড় পার্থক্যের কারণ সুইডেনের করের হার। সেদেশে কোম্পানির কাছ থেকে রাষ্ট্রের পাওয়া এই বিপুল কর সমাজ, শিক্ষাসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়। আমাদের দেশের সবচেয়ে ধনী মানুষগুলো গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। তারা শুরু থেকেই কর, শুল্ক ইত্যাদির রেয়াত পেয়ে আসছেন। এমনকি রানা প্লাজার মত ঘটনার পর মালিকরা সরকারের কাছ থেকে বছরব্যাপী বিপুল পরিমাণ শুল্ক রেয়াত নিয়েছেন। তারা অর্ডার চলে যাবে এমন দোহাই দিয়ে সে সুবিধা নিলেও বছর শেষে আমরা দেখেছি অর্ডার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যে মালিকরা শুধু নগদ মুনাফাই নয়, বিপুল হারে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকী ও সুরক্ষা পায় তারাই শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির প্রশ্নে ‘অর্ডার চলে যাবে’ এমন জুজু’র ভয় নিয়ে আমাদের সামনে আসেন।

কানাডার একটি প্রতিষ্ঠান তার জরিপে দেখিয়েছিল, ৩ দশমিক ৬৯ ডলার মূল্যের একটি পোলো শার্টের বাংলাদেশে মোট উৎপাদন খরচের দশমিক ৮৫ ভাগ ব্যয় হয় শ্রমিকের জন্য আর কারখানা মালিকের পকেটে যায় ৪ দশমিক ১৪ ভাগ। যেকোনো বিবেকবান মানুষকে এই বণ্টন হারের বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। শ্রমিকের ভাগ যদি তিনগুণ হয় তাতে আহামরি কোনো এদিক ওদিক হচ্ছে না। শুধু মালিকের মুনাফা সামান্য কমবে। বিনিময়ে পঞ্চাশ লক্ষ প্রাণ ‘মানুষের মর্যাদা’ নিয়ে বাঁচতে পারে। এর ফলাফল হিসেবে অবশ্যই উৎপাদনশীলতায় বিরাট উল্লম্ফন ঘটবে।

২০০৬ সালের শ্রম আইন, যেটি ২০১৩ সালে সংশোধিত হয়েছে তা শুধু অগণতান্ত্রিকই নয়, একটি চরম প্রতিক্রিয়াশীল শ্রমিক বিদ্বেষী আইন। বর্তমানে মজুরি বৃদ্ধির কার্যক্রম শুরু করার ক্ষেত্রে সরকার এবং মালিক পক্ষ এই আইনকেই অযুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা আইনের দোহাই দিয়ে আগামী দুই বছরে কোনো মজুরি বৃদ্ধি হবে না এমন ঘোষণা ইতোমধ্যে দিয়েছেন। কোনো শ্রমিক আন্দোলন অথবা জনতার সংগ্রামে যে শাসকরা সর্বদা ষড়যন্ত্র এবং উস্কানি খুঁজে থাকেন তাদের এই ঘোষণা কি তেমনি উস্কানি নয়? তাদের এই ঘোষণার ফলে শিল্পে কোনো অস্থিরতা হলে তারা কি সে দায়-দায়িত্ব নেবেন, নাকি অন্য কারো উপর চাপাবেন? আশুলিয়ায় এইবারের আন্দোলনে কোনো ভাংচুর কিংবা যে সমস্ত ঘটনাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখা হয় তেমন কিছুই ঘটলো না। অথচ শারমিন, রোজ ড্রেসেস, এনআরএন, ডিকে ডিজাইন, উইন্ডি, হা-মীম, ফাউন্টেন কারখানা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে সাতটি এবং পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করলো। এই নয়টি মামলায় দুই হাজার শ্রমিককে আসামী করা, সৌমিত্র দাসসহ অর্ধশত শ্রমিক, নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিককে গ্রেফতার করা কি উস্কানি নয়? যে কর্মবিরতি কোনো শ্রমিক সংগঠনের আহ্বানে সংগঠিত হয় নাই, সেই কর্মবিরতি দালাল শ্রমিক নেতাদের দ্বারা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ানোটাও তো উস্কানি। একদিকে শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট ঘোষণার দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছে, অন্যদিকে এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য না দিয়ে বাড়ি ভাড়া আগামী তিন বছর বাড়বে না এমন অসংলগ্ন কথাসহ নানান কূটকৌশল করে সরকারের মন্ত্রীরা পরিস্থিতি আরো নাজুক করে তুললেন। এ সমস্ত কিছুর জবাব শ্রমিকরা নীরবে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়ে দিয়েছিল। ফলে একটা নিরীহ আন্দোলনকে দমন করতে শ্রমিকদের দাবির বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার ও মালিক পক্ষ দমনের নিষ্ঠুর পথ বেছে নিয়েছে। এর চূড়ান্ত পরিণতি কোনো বিচারেই ভালো হবে না।

তাই অবিলম্বে গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিম্নতম বেসিক মজুরি দশ হাজার টাকা এবং নিম্নতম মোট মজুরি ষোল হাজার টাকা দাবি মেনে শিল্পের উৎপাদনশীলতা, শ্রমিকের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে যথার্থ কাজ। ইতোমধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রসহ অন্যান্য সংগঠনসমূহ হামলা, মামলা, নির্যাতন বন্ধ এবং সকল বরখাস্ত ও ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহার করে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দেয়ার যে দাবি তুলেছে তা মেনে শিল্পের সুস্থ অবস্থা ফিরিয়ে আনা অপরিহার্য।

৩০ ডিসেম্বর ২০১৬; ঢাকা।

মন্তব্যসমূহ

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুর মঈন
মঞ্জুর মঈন এর ছবি
Offline
Last seen: 9 ঘন্টা 54 min ago
Joined: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী 28, 2016 - 6:29অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর