নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • অনিমেষ অধিকারী

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

সুপ্রিম কোর্ট চত্ত্বরে ভাস্কর্য অপসারণ দাবী ও কাঠমোল্লা সমাচার


দেশের সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে স্থাপন করা হচ্ছে ন্যায়ের প্রতীক নারীর ভাস্কর্য, যার একহাতে তরোয়াল আর অন্য হাতে ন্যায়ের দাঁড়িপাল্লা। ভাস্কর, মৃণাল হক।
সারা বিশ্বেই এটি বিচার বিভাগের প্রতীক। তবে অন্যান্য দেশে স্থাপিত ভাস্কর্যের সঙ্গে আমাদের দেশের ভাস্কর্যের একটু পার্থক্য রয়েছে। অন্যান্য দেশে ভাস্কর্যের গায়ে স্কার্ফ পরা থাকলেও এখানে শাড়ি পরানো হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশে পায়ের নিচে সাপ থাকলেও এখানে এটি বাদ দেয়া হয়েছে। একটা মা্নুষও নেই যার কাছে এর পরিচয় কোন দেবী নয়,বরং ন্যায়ের প্রতীক নারীর ভাস্কর্য।।

কিন্তু স্কার্ফ থাকা কালে এটি দেবী হয়নি, শাড়ি পরানোর পরে এটি দেবী হয়ে গেছে, কিন্তু কোন দেবীর সাথে মিলানো যায়! দেবী দূর্গার আবার ১০হাত!! কাঠমোল্লা সমাজ আবিষ্কার করলেন এটি গ্রীসের দেবী। তাই কোন দেবীর ভাস্কর্য স্থাপন করা যাবে না ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে।
পুরুষ হলে তারা যে দেবতাই বলতো এটাও সত্য। এটি অপসারণ করতে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন তারা।

তেনারা বললেন দেশের ৯২ ভাগ মুসলিম
মূর্তির বিপক্ষে। কথাটা আপনার কাছে কতটা সত্যি? তারা মূর্তির বিপক্ষে নাকি মুর্তিপূজার বিপক্ষে? দেশের ৯২ ভাগ মুসলিম যদি মূর্তির বিপক্ষে হতো তাহলে
দেশে চারুকলা অনুষদ স্থাপন হতো না, পেইন্টিং, ভাস্কর্য এইসব ডিপার্টমেন্ট বিশেষকরে থাকতো না। সেখানে মুসলিম ছাত্ররা পড়তে আসতো না। দেশের পেইন্টার ও ভাস্করগণ মুসলিম হতেন না, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, এস এম সুলতান, ও সুপ্রিমকোর্টের সামনের এই ভাস্কর্যের ভাষ্কর মৃণাল হক মুসলিম হতেন না।

কলাভবন চত্বরে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য স্থাপিত হতোনা। টিএসসির চত্বরে রাজু ভাস্কর্য স্থাপিত হতোনা। মুক্তিযুদ্ধের শতশত ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠিত হতো না। সা্রাদেশজুড়ে বঙ্গবন্ধুর ২৩ টি ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠিত হতো না। এই কাঠমোল্লাদের একজনেও সাহস আছে এইসব ভাস্কর্য ভাঙার? তারা কি একজনও আন্দোলনে নামবেন এগুলো ভেঙে ফেলতে? সাহস নেই। এদেশের মুসলিম রা মূর্তিপূজার বিপক্ষে হতে পারে, কিন্তু তারা মূর্তির বিপক্ষে নয়।

মোল্লারা এইসব ভাস্কর্য ভাঙতে পারবে না, পপুলারিটি হারাবে। জেলের ভাত খাওয়ার ভয় আছে, সেসব ভাঙার দাবিও তারা তোলে না। তারা পারবে ২০০৮ সালের অক্টোবরে বিমান বন্দরের চত্বরে লালন ভাস্কর্য ভেঙে দিতে। কিন্তু কেন? লালন তো অসাম্প্রদায়িক ছিলেন। তা তো কোন দেবতার মূর্তি ছিলো না, তবে ভাঙা হলো কেন?
হিন্দুদের দেবদেবীদের ভাস্কর্য তো প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ভেঙে তারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করছেন, সেখানে সরকার মুখে কুলিপ আঁটে।।
.
স্ট্যাচু অফ লিবার্টি যদি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা পেতো, কাঠমোল্লারা তাকে বলতো, এর তো হাতে বই, নির্ঘাত বিদ্যার দেবী সরস্বতী!! ৯২ ভাগ মুসলিমের দেশে এই মূর্তি থাকা চলবেনা।।
অদূর ভবিষ্যতে যদি আমেরিকা তাদের প্রভাব পৌছায়, সুযোগ পেলে এরা স্ট্যাচু অফ লিবার্টি ভেঙেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে।।
.
.
.
.
হৃদয় মজুমদার
মহারাজাপুর, ঢাকা

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

হৃদয় মজুমদার
হৃদয় মজুমদার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 3 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 23, 2016 - 5:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর