নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • জাহানারা নূরী
  • মোহাম্মদ আল আমীন
  • সজিব আহামেদ
  • সাগর সাহা
  • মাহবুব আলী
  • সাগর স্পর্শ
  • মীর মোহাম্মদ মামুন
  • শাহরিয়ার_খান_রাব্বি
  • শাহ্রিয়ার খান রাব্বি

আপনি এখানে

আঁধারের নারীগুলোর জন্য আমার বিভিন্ন সময়ের কিছু লেখা -পর্ব ১


সুপ্রিয় নারীগন, আজ এই সায়াহ্ন বেলায় তোমাদের নিয়া কিছু কথা বলিব, ইচ্ছে হইলে পড়িয়া দেখিতে পারো। প্রিয় নারীজাতি, তোমরা এখনো মানুষ হইতে পারো নাই, নারীই রহিয়া গেলে।
তোমরা এখনো হাজার বছরের দাসত্বের বোঝা মাথায় লইয়া দিন কাটাইতেছ।

তোমাদের বোধ কখন হইবে?
তোমাদিগকে যেমন খুশি তেমন ব্যবহার করিবার তরে তাহারা বিভিন্ন রকম ধর্ম গড়িয়াছে, দোহায় দিয়াছে, তাহাদের
পদতলে তোমার বেহেস্ত বলিয়াছে, তোমাকে দেবী বলিয়া বলিয়া তাহাদের মুখ ফেনিয়া উঠিলো, বাস্তবিকপক্ষে তাহারা তোমাদিগকে রান্না ঘরের
দাসী আর যৌন দাসী বানিয়া রাখিয়াছে, কিন্তু তাহারা ঠিকই দেবতার আসনে বসিয়াছে! আর তুমি বিধাতার লিখন
বলিয়া সবকিছু নির্দ্বিধায়
মানিয়া নিয়াছো!
তোমরা যে দীর্ঘ দশ মাস ধরিয়া অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করিয়া নিজের ভিতর কোটি কোটি নবজাতক নির্মাণ করিয়া চলিয়াছ, দুঃসহ প্রসব-বেদনা সহ্য করিয়া নবজাতক ভুমিষ্ট করাইয়াছ, পৃথিবীকে প্রাণ দিয়াছ, তাহারা তাহা সদা ভুলিয়াছিল!
তোমাদিকে এতটুকু সম্মান তাহারা দেয় নাই! তোমাকে পশ্চাতে রাখিয়া তোমার
কীর্তি নিয়া তাহারা জম্মদাতার
গৌরবে উজ্জল হইয়াছে!

-নারী তুমি দ্বিধান্বিত হও, মানুষ হও, অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হও, ঐখানে তোমার মুক্তি নিহিত রহিয়াছে....
১৯-৯-১৩

নারী স্বাধীনতা বিষয়টা বোধহয় আমাদের বাঙালী নারীদের জন্য আসেনি। আমাদের অধিকাংশ
বাঙালী নারীরা বিয়ে করে স্বামীর উপর নির্ভরশীল হয়ে জমিয়ে সংসার করতে চাই।
দিনশেষে তাঁরা একজন ভালো গৃহিনী ও মাতৃত্বকে গৌরব মনে করে। স্বামিহীন তাঁরা নিজেকে অস্তিত্বহীন মনে করে। প্রভু
(স্বামী) যা বলবে তা শিরোধার্য মনে করে। চিন্তা করার যে নিজের একটা মস্তিষ্ক
আছে, নিজের সিদ্ধান্তে চলার তার ও যে অধিকার আছে, এই কথা সেই বেমালুম
ভুলে বসে আছে। তার ও যে কর্ম
ক্ষমতা আছে সেই জানেই না।
আমার মায়ের কথাই বলি, তাঁকে কখনও দেখিনি বাবার সাথে দ্বিমত করতে, বাবার সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত
নিতে। মাকে একবার বলেছিলাম-
আচ্ছা মা তোমার কি কখনো ইচ্ছে করে না আমাদের
মতো কোথাও ঘুরতে যেতে? স্বাধীন ভাবে চলতে? দুদিন রান্না ঘরের কাজ বন্ধ রেখে, সংসারের দায়-দায়িত্ব ভুলে গিয়ে কোথাও বেড়াতে যেতে? ইচ্ছে করে না নিজের মতো করে চলতে?
আমি মাকে বোঝাতে চেয়েছিলাম তাঁর
স্বাধীনতার কথা। আমার কথাগুলো বোধহয়
মা'র বোধগম্য হয়নি। মা নির্লিপ্তভাবে শুধু
বল্ল- আমি কোথায় যাবো? তোদের নিয়েই তো আমার সংসার। আমার স্বাধীনতা কিসের জন্য?

মাকে আর কিছু বলিনি। আসলে এদেশের অধিকাংশ মেয়ের মানসিকতা আমার মায়ের মতোই। তারা নিজের অধিকারের জন্য সচেতন নয়। তারা স্বামী-সন্তান নিয়ে মস্তিষ্ক-এর চেতনায় তালা মেরে নিশ্চিতে নিদ্রা যেতে চাই।
-জানিনা এঁরা কখন নিজের অধিকারের পক্ষে সজাগ হবে? তারা যতো তাড়াতাড়ি সজাগ হয় তত দ্রুত মানব সভ্যতার জয় হবে।
October 13, 2014 at 9:05pm

আমাদের অধিকাংশ বাঙ্গালী নারীরা মন
মজিয়ে পতি সেবা করে বেহুলা হতে চাই, তারা স্বপ্নেও তসলিমা নাসরিন হতে চায়না।
September 15, 2014 at 2:32pm

অনেক নারীবাদী লেখিকাকে দেখি তারা পুরুষ ও পুরুষতন্ত্রের উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে লেখার
দায়িত্ব শেষ করেছে। কিন্তু তারা মুক্তির জন্য লড়েনি, বা শৃংখলটি ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসার চেষ্টা করেনি। কেউ বলেছে পুরুষরা নারীকে যৌনদাসী করে রাখার
জন্য এই নিয়ম করেছে, সেই নিয়ম করেছে, পুরুষকে প্রভু বানিয়ে ঈশ্বরের নামে ধর্ম
সৃষ্টি করেছে। হ্যা নারী আপনাদের অভিযোগ সঠিক। কিন্তু আপনারা নিজের
মুক্তির জন্য কতটুকু লড়েছেন?
ভারতীয় সাংবাদিক নিবেদিতা বলল, পুরুষরা চোখ দিয়ে ধর্ষন করে, কামাতুর চোখে তাকাই। এখানে আরেক নারী ব্লগার
লিখল, নারীকে বিছানায় নেয়ার জন্য পৃথিবীর সব পুরুষদের ভাষা এক। বাহ কি সুন্দর অসহায়ত্বের বঃহিপ্রকাশ! তার মানে আমাকে পুরুষ বিছানায় নিতে চায়,
আমি চুপ থাকবো? মেনে নেব? আর নিবেদিতার চিন্তার
দৈন্যতা দেখে মায়া হচ্ছে, তার
মানে নিবেদিতা ভাবে তার স্তন, উরু, নিতম্ব, কোমরের ভাঁজ-খাঁজগুলো খুব লোভনীয়? আবার তসলিমার অনেক লেখাও
দেখি এরকম ।
-যেখানে প্রগতিবাদী নারীরা নিজেদের শরীরগুলো এখনো লোভনীয় ভেবে সময় ব্যয়
করছে, নিজেকে নারী ভাবছে, মানুষ ভাবছে না। সেখানে তাদের উদ্দ্যেশ্য যৌনগন্ধী কিছু লিখে মিডিয়ার সাহসী খেতাব অর্জন করা ছাড়া কিছু নয়।

September 22, 2014 at 6:38am ·

-আরে আমার মেয়ের জামাই
ব্যংকে চাকরী করে। মাসে হাজার চল্লিশেক মাইনে পায়। আমার মেয়েকে কোন কাজ করতে হয়না। ঘরে দুটো কাজের মেয়ে রেখেছে। অনেক সুখে থাকে মেয়ে।
-আমার মেয়ের জামাই ব্যবসায়ী। অনেক টাকা ওদের। আমার মেয়েকে ওরা রাজ
রানী বানিয়ে রেখেছে। একেক ঈদে লাখ টাকার শাড়ি-থ্রিপিচ কিনে দেয়।
-ঐ ছেলেটা দেখ দেখ কি কর্মোঠ। মেশিনের মতো টাকা কামায়। আমার মেয়ের জন্য যদি এরকম একটা পাত্র পেতাম, তাহলে মেয়েটা চিরজীবন সুখে থাকতো।
-আমার (খুব গর্বের সাথে) মেয়ে এখন ইংলিশ অর্নাস পড়ে। সে তো বলেই দিয়েছে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া বিয়ে করবে না। মেয়ে আমার নিজেরটা ভালো বুঝে।
-আমার মেয়ের চাই
সরকারী চাকরীজীবি পাত্র।
যাতে ভবিষ্যতের চিন্তা করতে না হয়। মেয়ে আমার চালাক!

এগুলো হল আমাদের বাঙ্গালী সমাজের অধিকাংশ অভিভাবকদের কথা। বিয়ের পর
প্রতিটি বাবা-মা চাই তাদের মেয়ে যেন সুখে থাকে। জামাই যেন মেয়েকে পুতুলের মতো সাজিয়ে ঘরে লক্ষী বউ করে রাখে। যেন মেয়েকে জীবনে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে না হয়।
-যেসব মেয়েরা বিবাহের পর স্বামীর কাছে এই সুখি জীবন পেতে চাই। তারা শুধু
নিষ্কর্মই নয়, তারা একেকটা মুর্খ অপদার্থ জীব! যৌনদাসী হয়ে থাকতে ও তাদের আপত্তি নেই!

September 23, 2014 at 6:52am

এদেশের অধিকাংশ মেয়েরা পরনির্ভরশীল। প্রথমে বাবার উপর, তারপর ভাইয়ের উপর, তারপর স্বামীর উপর, তারোপরে ছেলের উপর নির্ভরশীল।
আমার বক্তব্য, -আপনি যদি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হোন তাহলে নারী স্বাধীনতা আপনার জন্য আসেনি। আর 'নারী স্বাধীনতা' পাবার কোনো যোগ্যতায় আপনার নেই! আমাদের ছেলেরা বিয়ে করে। আর আমাদের মেয়েদের সাজিয়ে গুজিয়ে ছেলেদের
হাতে তুলে দিতে বিয়ে দেয়া হয়।
বিয়ে শেষে মেয়ের বাবা-
মা কান্না করে জামাইকে বলে, -বাবা আজ থেকে আমার মেয়েকে তোমার হাতে তুলে দিলাম। আমার মেয়েকে একটু দেখো বাবা। কিছুদিন আগে এক নিউজে দেখলাম, বিয়ের
আগে মেয়েরা নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত ওআকর্ষনীয় করে তুলবে তার বর্ণনা। প্রথমে লোম তুলে শরীর তুলতুলে কোমল
করবে। ডায়েটিং করে চিকনা কোমর করবে, বক্ষ উন্নত ও টান টান রাখবে। চিকন ভ্রু প্লাক করে মুখের সৌন্দর্য্য বাড়াবে। সবকিছু
মিলিয়ে একটি সেক্সিময় শরীর উপস্থাপন করবে মেয়েটি। যাতে বাসর রাতে সেই স্বামীর মন পায়, বেশি বেশি ভালোবাসা পায়। এই বরের। কাছে কনেটিকে যেন এক সুস্বাদু খাবারের
আইটেম বানিয়ে পাঠানো হচ্ছে। যাতে বর খেয়ে দেয়ে একটু তৃপ্তি পায়। দুঃখের বিষয় ঐ
নববধুটিকে এভাবে উপস্থাপিত
হতে সবচেয়ে বেশি উৎসাহিত
করে মেয়েরাই। আমার মতে বিয়ে একটি পুরুষতান্ত্রিক প্রথা,
সেই সাথে এটা নারীকে পরাধীন
করে রাখার নিয়মও বটে। এই
প্রথা না ভাঙ্গলে নারীর স্বাধীনতা, মুক্তি কখনো সম্ভব নয়। এখানে প্রথমে নারীকেই
এগিয়ে আসতে হবে, এবং বলতে হবে, বিয়ে নামক এই পরাধীনতার পিরিতে আর বসবো না!
July 2, 2014 at 5:17pm

মিরাক্কেল টু নাকি থ্রিতে ঠিক
মনে পড়ছে না, তবে একটি বালিকা জোকসটা বলেছিল। তার নাম মনে পড়ছে না! জোকসটা এরকম--
হলিউডের কোনো মুভিতে একটি মেয়েকে ছয়জন ধর্ষন করতে এলে মেয়েটির হাতে যদি ছয়টি বুলেট
ভরা পিস্তল থাকে, তখন মেয়েটি বলবে, -এখানে ছয়টি বুলেট আছে, আমার কাছে আসলে ছয় জনকে মেরে শেষ করে দেবো!
আর আমাদের বাঙালী সিনেমার মেয়েরা হলে তখন
ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কাঁদতে কাঁদতে বলবে, -এখানে ছয়টা গুলি আছে,
তোমরা কাছে আসলে আমি কিন্তু নিজেকে মেরে শেষ করে দেবো.... ভ্যাঁ ভ্যাঁ ভ্যাঁ....
মতামতঃ যদিও এটা একটা জোকস, তারপর ও
বাস্তবতার সাথে দারুন মিল আছে!
July 10, 2014 at 1:27am ·

আমাদের দেশের মেয়েরা আত্নবিশ্বাসহীন, খুবি দুর্বল মনের। তারা প্রেম করার
আগে দেখে ছেলেটা স্যাটেল্ট কিনা, কতো টাকা কামায় করে, বিয়ের পর তাকে একটু
বিলাসী ভাবে চালাতে পারবে কিনা? ঠিক মত খাওয়া পড়া দিতে পারবে কিনা? মেয়েটা যাতে ছেলেটার ঘাড়ের উপর
চেপে নিশ্চিন্তে পুরো জীবন
কাটিয়ে দিতে পারে। সেই তো নারী! তাকে তো খাওয়ানোর জন্য তার স্বামী আছে!
আমাদের ছেলেরা যেভাবে বেকার মেয়ে বিয়ে করে তার জীবনে দায়িত্ব নিয়ে বউকে ঘরে সাজিয়ে গুজিয়ে লক্ষীটি (নিষ্কর্মার ঢেকি) করে রেখেছে। ঠিক সেইভাবে চাকরী করা,
টাকা পয়সা কামানো আমাদের
মেয়েগুলো বেকার ছেলেদের
বিয়ে করছে না। আরে ছেলেটা তো টাকা ইনকাম করেনা, বউ
চালাবে কিভাবে? এই হল আমাদের মেয়েদের মনোভাব! ঐ যে বললাম আত্নবিশ্বাসের অভাব!

July 22, 2014 at 8:04am ·

আমাদের মেয়েরা খুব অসহায়, পরাধীন।তাদের হাত খরচের টাকার জন্য বাবা দিকে,
ভাইদের দিকে, স্বামীর দিকে, সন্তানের দিকে হা করে চেয়ে থাকতে হয়। তারা নিজের সিদ্ধান্তে চলতে পারেনা।
তারা কি করবে না করবে আমরা পুরুষরাই সেই সিদ্ধান্ত নিই।
এখানে নারীস্বাধীনতা কিন্তু নারীর এই অর্থাভাবের কাছে অনেকটা হেরে যাচ্ছে।
মন্তব্যঃ নারীর স্বাধীনতা পাওয়ার প্রথম ধাপ হল তাদের আগে যেকোনো মূল্যে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। আমার মনে হয় এখানে নারী বেশ্যারা সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা উপভোগ করছে। নিজের যোনাঙ্গটি নিজের মত
করে ব্যবহার করছে। যার সাথে ইচ্ছে তার সাথে শুচ্ছে। কারো কোনো খবরদারী নেই।
তসলিমা খুব ক্ষোভের সাথে বলেছিলেন, -
নারীদের স্বাধীনতা পেতে এই
সমাজে তাকে প্রথমে বেশ্যা (বেশ্যা শব্দটা শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হতে হবে) হতে হবে। কারন স্পষ্টভাষী বা স্বাধীনচেতা বা রাতের শহরে একা ঘুরে বেড়ানো কোনো নারী দেখলে আমরাই
তো বলি, -মেয়েটা একটা মাগি,
মেয়েটা একটা বেশ্যা!
July 25, 2014 at 12:11am ·

এদেশের মেয়েরা যদি বিকিনি পড়ে রাস্তায়, বীচে, কিংবা পার্কে হাঁটে, আমি তাঁদের হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাবো। মেয়েরা রেখে ঢেকে বোরকা পরে হাঁটলে তখন তো তাঁদের প্রতি তীব্র কৌতূহল থাকবেই।
ভিতরে কি আছে তা দেখার জন্য আগ্রহের তীব্রতা তো বাড়বেই! যেখানে ইসলামের
অনুশাসনে মেয়েরা বোরখা পড়ে চলাফেরা করছে সেখানে ধর্ষনের
হার আদৌ কমেছে কি?
পশ্চিমা বিশ্বের মেয়েগুলো তো প্রায় বিকিনি পড়ে রাস্তায় বেড়ুচ্ছে, সিবীচে যাচ্ছে, সেখানের ধর্ষনের খবর শোনা যায় কি? খালি মাঝে মাঝে আরবীয়
পুরুষরা তাদের দেখলে প্রচন্ড কামুক চোখে তাকিয়ে চোখ দিয়ে ধর্ষন (তারা তো আজীবন বস্তার
মতো বাঁধা বোরখা পড়া মেয়ে দেখেছে, হঠাত দেখেছে তো তাই এরকম করছে!) করে এই যা!
এদেশের মেয়েরাও যখন ছোট কাপড় আর বিকিনি পড়া শুরু করবে, তখন মৌল্লাদের
ঈমানদন্ড প্রথমে একবার দাঁড়াবে, দুইবার
দাঁড়াবে, ত্রিতিয় বার একটু স্তিমিত হয়ে আসবে। দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে একসময় ঈমানদন্ড আর দাঁড়াবেই না! সো বোরকা পড়লে যে ধর্ষন রোধ হবে এই যুক্তিটা আমার কাছে পুরোপুরি হাস্যকর!

June 2, 2014 at 1:39am

বিদেশের মেয়েরা যখন পুরুষদের
সাথে সমানে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তখন আমাদের দেশের মেয়েরা তার বুকের দিকে, তার নিতম্বর দিকে, তার চেহেরার
দিকে কে কে তাকাচ্ছে, এই চিন্তার
অস্থির!

বিদেশের মেয়েরা যখন
ঠেলাঠেলি করে প্রতিযোগিতায়
নেমে পুরুষদের পেছনে ফেলে সামনের গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যায়, তখন আমাদের দেশের মেয়েরা দশটি বাস মিস করেও
একটি খালি মহিলা সিটের আশায় স্টেশনে ঠাই দাঁড়িয়ে থাকে। যদি কারো শরীর তার গায়ে লাগে!

বিদেশের মেয়েরা যখন কাজ করে, মনে প্রাণে কাজে মগ্ন থাকে। আর আমাদের দেশের মেয়েরা কাজের সময় বুকের
ওড়না, মাথার কাপড়, বোরকাটা ঠিকঠাক গোছগাছ আছে কিনা এই চিন্তায় মগ্ন থাকে।

মন্তব্যঃ এসব মেয়েরা প্রাতিষ্টানিকশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে। অথচ এরা নিজেদের নারী ভাবে, মানুষ ভাবে না। এদের ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়ে যেকোনো কাজ করার কোন মনোভাব নেই। আবার এরাই তোতা পাখির মতো বলে, -আমি তো নারী থাধীনতায় বিত্তাতী! আসলে এরা নারী স্বাধীনতা কি,
শিক্ষা কি, সভ্যতা কি জানেই না! ডিসগাস্টিং!!
June 29, 2014 at 5:21am ·

মন্তব্যসমূহ

আব্দুর রহিম রানা এর ছবি
 

ভালো লিখিয়াছেন.... দাদা

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

অপ্রিয় কথা
অপ্রিয় কথা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 3 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 23, 2016 - 8:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর