নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • জয়বাংলা ১৯৭১
  • জাহানারা নূরী
  • মোহাম্মদ আল আমীন
  • সজিব আহামেদ
  • সাগর সাহা
  • মাহবুব আলী
  • সাগর স্পর্শ
  • মীর মোহাম্মদ মামুন
  • শাহরিয়ার_খান_রাব্বি
  • শাহ্রিয়ার খান রাব্বি

আপনি এখানে

ডক্টর মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের প্রতি আমার খোলা চিঠি


প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার, আমি জানিনা আপনার উদ্দেশে লেখা এই চিঠিটা কখনো আপনার দৃষ্টি গোচর হবে কিনা, তবুও লিখছি। লিখছি অনেকটা বিবেক তাড়িত হয়ে। লিখছি আপনি দিবালোকের মতো একটা সত্যকে খুব সন্তর্পনে এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে। সত্যি বলতে কি, এখনো আপনার কোনো বই আমার পড়া হয়ে উঠেনি। তবে যতটুকু মনে পড়ে সেই ৪-৫ সাল থেকেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় আপনার লেখা কলাম নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করতাম। আপনার কলাম পড়ে মনে হতো আপনি একজন আদর্শিক মানুষ। আপনি সত্যকে খুব সাবলীল ও সহজবোধ্য ভাষায় উপস্থাপন করেন। আমার আরো মনে হতো আপনি এদেশের তরুন প্রজম্মের একটি প্রেরনার নাম।

প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার, আপনি অভিজিৎ, অনন্ত, নিলয়কে নিয়ে তারা "নাস্তিক" ছিলনা বলে আপনার লেখায় যে বক্তব্য রেখেছেন, তা সম্পুর্ন ভুল। অভিজিৎ বাবু অনন্ত নিলয়রা জীবন দিয়েছে কিন্তু এই নাস্তিকতার জন্য। কোনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়ার জন্য নয়। কিছুদিন আগে "নিলয়ের হাতে বিজয়ের চিহ্ন" শিরোনামে একটি কলামের এক জায়গায় আপনি লিখেছেন- "আমি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৭০টি বই লিখেছি। প্রায় প্রতি সপ্তাহে কোথাও না কোথাও আমি কিছু লিখছি। অসংখ্যবার টেলিভিশনে বক্তব্য দিতে হয়েছে, সভা-সমিতিতে বক্তৃতা দিয়েছি, বাচ্চাদের স্কুলে কথা বলেছি। কেউ দেখাতে পারবে না যে, আমি আমাদের নিজের ধর্ম কিংবা অন্য কোনো ধর্মকে নিয়ে কখনো বিন্দুমাত্র অসম্মানজনক একটি কথা বলেছি! কেন বলব? আমার বাবা-মা পৃথিবীর সবচেয়ে ধর্মপ্রাণ এবং সবচেয়ে সেক্যুলার মানুষ ছিলেন। তাদের কাছ থেকে কখনোই কোনো ধর্মকে অবজ্ঞা করা শিখিনি। কিন্তু তারপরও খুবই গুছিয়ে এবং পরিকল্পনা করে আমার নামের সঙ্গে 'নাস্তিক' শব্দটি জুড়ে দেওয়ার কাজ চলছে। আমার ছাত্র এবং সহকর্মীদের প্রধান একটি কাজ আমার নামে তৈরি করা ভুয়া ফেসবুক কিংবা অন্য অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করার ব্যবস্থা করা। সর্বশেষ যে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা হয়েছে সেটি ছিল, 'নাস্তিক জাফর ইকবাল!"

প্রিয় স্যার, আপনার ১৭০টি বই ও কোথাও ক্লাসে-সভা-সমিতিতে বক্তব্য দেয়ার সময় ধর্মের বিরূদ্ধে কোনো অসম্মানজনক কথা বলেননি। এমন দাবী আপনি করেছেন। আপনি এই ও বলেছেন, আপনার বাবা মা পৃথিবীর সবচেয়ে ধর্মপ্রান সেক্যুলার মানুষ ছিলেন। আপনি তাদের কাছ থেকে কখনোই কোনো ধর্মকে অবজ্ঞা করা শিখেননি।তারপরও আপনার নামের সঙ্গে "নাস্তিক" শব্দটা জুড়ে দেয় বলে আপনি খুব বিরক্ত! ঠিক একি ভাবে আপনার উপর আমি সম্মান রেখে বলতে চাই, - অভিজিৎ অনন্ত নিলয় নাস্তিক ছিলেন না বলে আপনি যে বলেছেন, এটা তাঁদের রক্তাক্ত লাশ ও তাঁদের আদর্শের উপর দাঁড়িয়ে চরম পরিহাস করা নয়কি? আপনি জোর দিয়ে বলেছেন, দেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হচ্ছে, অনন্ত নিলয়রা যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাইতো। তাই অনন্ত নিলয়দের আগে নাস্তিক ট্যাগ দিয়ে পরে তাঁদের মেরে ফেলা হচ্ছে। আপনি আজ পর্যন্ত নাস্তিক হত্যার প্রতিবাদ করেছেন কি? আপনি প্রিয় অভিজিৎ, বাবু, অনন্ত, নিলয়কে নিয়ে লেখা কলামগুলোতে তাঁদের নাস্তিক্যবাদকে অস্বীকার করে গেছেন। যা তাঁদের আদর্শের জন্য ছিল খুবি অবমাননা। স্যার আপনার কথায় পরোক্ষভাবে মনে হয় নাস্তিক হত্যা করা যেন খুব জায়েস! আর হ্যাঁ একজন নাস্তিক তথা অবিশ্বাসী বলে, অদৃশ্য আল্লাহ ঈশ্বর গড ভগবানকে বিশ্বাস করেনা বলে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা এটা কোন সভ্যতায় জায়েস? একজন অবিশ্বাসী নাস্তিকের কি এদেশে প্রকাশ্যে বাঁচার অধিকার নেই? তাঁর কি কথা বলার অধিকার নেই?

প্রিয় স্যার, আপনি কখনো ধর্মকে অবজ্ঞা করার শিক্ষা পাননি। সেটা আপনার অভিরুচি। কিন্তু অভিজিৎ, বাবু, অনন্ত, নিলয়রা শুধু ধর্মকে অবজ্ঞাই করেননি, রীতিমত ধর্মের পুরোনো নিয়ম শৃঙ্খলের উপর চরম কষাঘাতও করেছেন। ধর্মান্ধ মানুষের আঁধার ঘুচানোর জন্য অনেক কিছু লিখেছেন তাঁরা। তাঁরা প্রচলিত কোনো ধর্মের উপর আস্থাই রাখতেন না। তারা মৃত্যুর পর অলীক কল্পিত জান্নাত বা স্বর্গে যাওয়ার লোভে একটুও বিভোর ছিল না। হাজার হাজার বছরের পুরোনো ধর্মীয় রীতি মানুষের মননে ঝেঁকে বসা সেইসব অন্ধকারকে তাঁরা যুক্তির আলো দিয়ে পরিস্কার করতে চেয়েছেন। প্রিয় স্যার, একজন ইসলাম-ধর্মপ্রান মানুষ হয়ে তিনি কিভাবে সেক্যুলার হয়? আমি জানিনা, যে ইসলাম ধর্ম তার শ্রেষ্ঠত্ব ব্যথিত অন্য কোনো ধর্ম বা অন্য কোনো নিয়ম-কানুনকে সমর্থন করেনা, যে ইসলাম বিধর্মীদের হত্যা করার নির্দেশ দেয়, যে ইসলাম পুরো পৃথিবীতে শুধু মাত্র আল্লাহর আইন ও তার শাসন কায়েম করার জন্য ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্ররোচিত করে, সেই ইসলাম ধর্মের একজন ধর্মপ্রান মানুষ কি করে সেক্যুলার হয়? স্যার, ইসলামিক বিধানের সাথে সেক্যুলার রাষ্ট ব্যবস্থা যায় কি? এটা পুরোপুরি সাংঘর্ষিক নয় কি? আমি এই পর্যন্ত আপনার যত লেখা পড়েছি, আপনাকে কখনো দেখিনি আমাদের দেশের রাষ্টধর্ম ইসলাম কেন তা নিয়ে সমালোচনা করতে। কখনো দেখিনি, সংবিধানের বিছমিল্লাহি..... নিয়ে প্রতিবাদ করতে। যেখানে একটা সেক্যুলার রাষ্টে সকল ধর্মাবলম্বীর বসবাস, সেখানে সেই সেক্যুলার রাষ্ট্রে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকে কি করে? সেই সেক্যুলার রাষ্ট্রের সংবিধানে বিছমিল্লাহি.... সংযুক্ত হয় কি করে? এই নিয়ে আপনারা বরাবরই চুপ ছিলেন। কিন্তু তসলিমা নাসরিনরা চুপ থাকেননি। তাঁরা ঠিকই এর বিরুদ্ধে গলার রগ ফুলিয়ে অবিরাম চিৎকার করে গেছেন। সেজন্য তাঁরা আজ স্বদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে পৃথিবীর দেশে দেশে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।

প্রিয় স্যার, আপনি অভিজিৎ, বাবু, অনন্ত, নিলয়দের তারা "নাস্তিক" ছিল না বলে যে অপবাদ দিয়েছেন। তা আমি মেনে নিতে পারিনি। একটা আস্তিক যদি প্রকাশ্যে আল্লাহ ঈশ্বর গড ভগবানের জিকির করতে পারে, তবে একটা নাস্তিক কেন প্রকাশ্যে বলতে পারবে না আল্লাহ ঈশ্বর গড ভগবান বলতে কিছুই নেই? একটা সেক্যুলার রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এমন হওয়া উচিত নয় কি?

প্রিয় স্যার, আমি আপনার মতো আলোচিত মানুষ নই যে, সরকার আমাকে পুলিশ প্রটোকল দেবে। আজ দীর্ঘ তিন বছর ধরে জীবন থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। একদিকে ধর্মান্ধদের মৃত্যুর হুমকি, আরেক দিকে ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেয়ায় ২৯৫-ক ধারার হুলিয়া আমার বিরূদ্ধে। আমার দীর্ঘ ১৫ বছর লেখালেখির জীবনে যে পুরস্কার আমি অর্জন করেছি, যে অর্জন নিয়ে আমি আজো গর্ববোধ করি, তা হল, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মানুষ আমাকে প্রচণ্ড ঘৃনা মিশিয়ে বলেছে- "তুই শালা একটা নাস্তিক!" আর লেখালেখির ফল স্বরুপ পেয়েছি তিন বছর আগে রাষ্ট্র কর্তৃক জেল জুলুম। প্রিয় স্যার, যেভাবে এদেশে প্রতি মাসে মাসে নাস্তিক (আমার দৃষ্টিতে চাপাতির আঘাতে নিহত সেইসব ব্লগাররা নাস্তিক) হত্যা করা হচ্ছে, জানিনা এই নাস্তিক হত্যার দেশে আমি কতোদিন বাঁচি। বা কখনো ইসলামিষ্টদের চাপাতি আঘাতে আমার ক্ষত বিক্ষত রক্তাক্ত লাশ রাস্তার পাশে পড়ে থাকবে। তখন আমার মৃত্যুর পর স্যার আপনি দয়া করে লিখবেন না, অপ্রিয় নাস্তিক ছিল না। অপ্রিয় শুধুই নারীবাদী লেখক ছিল। অপ্রিয় শুধুই নারীর অধিকারের জন্য কবিতা লিখতো। অভিজিৎ রায়ের মৃত্যুর পর আমি উপলব্ধি করলাম, এদেশে শুধু নাস্তিকদের বেছে বেছে হত্যা করা হচ্ছে। নাস্তিকদের পক্ষে আপনাদের মতো বড় বড় লেখকরা কেউ কথা বলছেন না। তখন আমি (এদেশে তখন আরো অনেক নাস্তিক তাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে) প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছিলাম,
"হ্যাঁ আমি নাস্তিক। আমি কোনো প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাসী নই। আমি আমার এই নাস্তিকতার অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই।"

আরো লিখেছিলাম,-

"তোমরা হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান হওয়ার জন্য ধার্মিক হয়েছো, আমি মানুষ হওয়ার জন্য সকল ঈশ্বরের প্রতি অনাস্থা এনে নাস্তিক হয়েছি।"

অভিজিৎ রায়ের মৃত্যুর তিনদিন পর নাস্তিকদের অধিকারের জন্য "অধিকার চাই" শিরোনামে যে কবিতাটি লিখেছিলাম, সেটা এখানে তুলে দিলাম-----

অধিকার চাই
=========

মাননীয় রাষ্টচালক,
হ্যাঁ আমি নাস্তিক!
আমি প্রকাশ্যে এই অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই!
আমি পাসপোর্ট বা যেকোনো ফরমে লিখতে চাই আমি নাস্তিক।
ধর্মের অপশনে কোনো ধার্মিক যদি হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান লিখতে পারে,
তবে আমি কেন পারবো না নাস্তিক লিখতে?
আমার অপশন কই?

সকল ধার্মিকরা যদি প্রকাশ্যে
অদৃশ্য আল্লাহ ঈশ্বর গড
ভগবানের জিকির করতে পারে,
তবে আমি কেন প্রকাশ্যে বলতে পারবো না আল্লাহ ঈশ্বর গড ভগবান বলতে পৃথিবীতে কিছু নেই।
সব মানুষের সৃষ্টি!
কেন বলতে পারবো না আমি অবিশ্বাসী?

আমি নাস্তিক,
কারো গায়ে হাত তোলা,
কাউকে হত্যা করা ,
নিজের মত কারো উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া,
ভিন্নধর্মীদের নিন্দা করা,
নাক ফুলিয়ে ভ্রু কুচকে
মানুষকে ঘৃনা করা,
এই শিক্ষা আমার মাঝে নেই।
আমি নিজেকে সেই শিক্ষায় গড়িনি।

আমি নাস্তিক,
আমি মানবিক অবক্ষয়ের বিরূদ্ধে!
আমি কোনো মুসলমান নির্যাতিত হলে ব্যথিত হই,
হিন্দু অত্যাচারিত হলে একই ব্যথা অনুভব করি।
ইসরাইল ফিলিস্তিনীর মুসলিমের উপর আঘাত হানলে আমি তার প্রতিবাদ করি!
আইএসের মুসলিমরা ধরে ধরে খ্রিস্টান জবাই করলে আমি তারও প্রতিবাদ করি!
বাংলাদেশে মুসলিমরা সংখ্যালঘু নির্যাতন,
তাদের মন্দির বাড়ি ঘর ভেঙে দিলে আমি তারো প্রতিবাদ করি!
হিন্দুরা বাবরি মসজিদ ভাঙলে আমি তার নিন্দা জানায়!
বাঙালীরা পাহাড়ীদের নির্যাতন-ধর্ষন করলে আমি বিষন্ন হই, প্রতিবাদ করি!

আমি নাস্তিক,
আমি কারো অধিকার হরন চাইনা,
কেউ নামাজ পড়ুক, প্রার্থনা করুক
প্রনাম করুক, গীর্জায় যাক, চার্যে যাক, আমি তাদের আটকায় না।
আমিও চাই তাদের অধিকার থাকুক
চাই তারাও নির্বিগ্নে তাদের ধর্ম পালন করুক।
তাতে আমার আপত্তি নেই।

কিন্তু আমার কেন অধিকার থাকবেনা এদেশে নাস্তিক পরিচয়ে বাঁচার?
মানুষ পরিচয়ে বাঁচার?
কেন আমাকে পাসপোর্টে লিখতে হবে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান?
আমি তো কোনো প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাসী নই।

মাননীয় রাষ্টপ্রধান,
আমি নাস্তিক পরিচয়ে বাঁচতে চাই
মানুষ পরিচয়ে বাঁচতে চাই, ধর্মের পরিচয়ে নয়।
তার জন্য কি আইন পাশ করতে হবে করুন।
কি সিস্টেম পাল্টাতে হবে পাল্টান,
কিন্তু আমি আমার অধিকার চাইই চাই!

২-৩-১৫

প্রিয় স্যার, এমনিতে সবসময় মৃত্যুর হুমকিতে থাকি। কখন মরি তা সময়ই জানে! আমি যদি ধর্মান্ধদের চাপাতির আঘাতে কখন মরে যায়, আমার এই কবিতা পড়ার পর আশা করি আপনি আমার রক্তাক্ত লাশের উপর দাঁড়িয়ে লিখবেন না, অপ্রিয় নাস্তিক ছিল না। আমার নিথর লাশের উপর দাঁড়িয়ে দয়া করে "অপ্রিয় নাস্তিক ছিল না" এই অপবাদ আমাকে কখনো দেবেন না। আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ রইলো......

প্রিয় স্যার আপনি ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি......

২৭--৮--১৫

মন্তব্যসমূহ

নরসুন্দর মানুষ এর ছবি
 

কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না!
দারুন বলতে কষ্ট হচ্ছে;
মনের কথা বলেছেন ভাই!

নরসুন্দর মানুষ

 
অপ্রিয় কথা এর ছবি
 

ধন্যবাদ ভাই অনুপ্রেরণা বাড়িয়ে দিয়েছেন

 
পৃথু স্যন্যাল এর ছবি
 

একদম মনের কথা বলেছেন ভাই।

*************************************
আমি কারো দেখানো পথে চলি না।
আমার ইচ্ছে মত পথের তৈরী করি।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

 
অপ্রিয় কথা এর ছবি
 

ধন্যবাদ পৃথুভাই

 
আব্দুর রহিম রানা এর ছবি
 

অপ্রিয় দাদা স্যালুট....

 
অপ্রিয় কথা এর ছবি
 

ভাই সেল্যুট টেলুট দিয়ে ছোট করিয়েন না

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

অপ্রিয় কথা
অপ্রিয় কথা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 3 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 23, 2016 - 8:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর