নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

বাংলা একাডেমীর ইতিহাস, বইমেলার ইতিহাস


বাংলা একাডেমী ও একুশে বইমেলা- দুটোই জনগণের ধারাবাহিক সংগ্রামের ফসল। বাংলা একাডেমী গড়ে ওঠে আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে। আর ফেব্রুয়ারি বইমেলার শুরু ৯ মাসের রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভের ঠিক পরের ফেব্রুয়ারিতেই। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা, এর প্রসার ও প্রচারের মত খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বাংলা একাডেমীর ঘাড়ে। যদিও এটিকে সরকারের হাতের মুঠোয় নিয়ে গিয়ে ক্রমশ একটি বন্ধা ও বদ্ধ সংস্থায় পরিণত করা হচ্ছে। একইভাবে আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ইনটেলেকচুয়াল মিলনমেলায় পরিণত হওয়া ও বাংলাদেশের লেখক- প্রকাশক – পাঠক- সকলের জন্যেই একটি উৎসব হয়ে দাঁড়ানো বিগত বছরগুলোতে অমর একুশে গ্রন্থমেলাকে জঙ্গীবাদী-মৌলবাদীরা তাদের টার্গেট বানিয়েছে। নানাদিক থেকে আক্রমণ চলছে। এবং বইমেলার দায়িত্বে থাকা বাংলা একাডেমীও মৌলবাদীদের সাথে সুর তুলে কুপমন্ডুক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে। এ থেকে পরিত্রাণ, বইমেলাকে প্রত্যাখ্যান করে সম্ভব নয়, কয়েকজন প্রকাশককে নিয়ে বাংলা একাডেমীর বাইরে বইমেলা আয়োজন করেও সম্ভব নয়। বরং বাংলা একাডেমীকে পাল্টাতে হবে। একুশে বইমেলা সুষ্ঠূভাবে আয়োজন করতে, একে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে, একটি গণমুখী- স্বাধীন মত-পথ-চিন্তার প্রকাশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বাংলা একাডেমীর প্রয়োজন। ফলে, বাংলা একাডেমীকে বাইপাস করা সমর্থন করতে পারি না। বাংলা একাডেমী আর আমাদের বইমেলার ইতিহাসটি তাই দেখে আসা উচিৎ ...

বাংলা একাডেমীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ
১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এদিন ‘বর্ধমান হাউস’-এর সম্মুখস্থ বটতলায় উদ্বোধন-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কথাসাহিত্যিক বশীর আল-হেলালের মতে, বাংলা একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও সংগঠনের চিন্তা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ প্রথম করেন। ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে প্রথমবার ভাষা সংক্রান্ত একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবী করেন। ১৯৫২ সালের ২৯ এপ্রিল দৈনিক আজাদ পত্রিকায় 'বাংলা একাডেমি' প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে সম্পাদকীয় লেখা হয়। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনের সময়ে যুক্তফ্রন্ট যে ২১ দফা দাবি প্রণয়ন করেছিল তার ১৬ নম্বর দাবিটি ছিল "যুক্তফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী বর্ধমান হাউসের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত কম বিলাসের বাড়িতে অবস্থান করিবে এবং বর্ধমান হাউসকে আপাতত: ছাত্রাবাস এবং পরে বাংলা ভাষার গবেষণাগারে পরিনত করা হইবে"! অবশেষে ১৯৫৫ সালে ৩ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার 'বাংলা একাডেমি' উদ্বোধন করেন । বাংলা একাডেমির প্রথম সচিব মুহম্মদ বরকতুল্লাহ। তার পদবি ছিল 'স্পেশাল অফিসার'। ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর একাডেমির প্রথম পরিচালক নিযুক্ত হন অধ্যাপক মুহম্মদ এনামুল হক। বাংলা একাডেমির প্রথম প্রকাশিত বই আহমদ শরীফ সম্পাদিত দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত 'লাইলী মজনু'। ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদে ‘দি বেংগলি একাডেমি অ্যাক্ট ১৯৫৭’ গৃহীত হয়। এই আইনে বাংলা একাডেমিকে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দেওয়া হয়। ১০ আগস্ট, ১৯৫৭ তারিখ ঐ আইন বলবৎ হয়। বাংলা একাডেমি, কাউন্সিলে ৬ জন নির্বাচিত সদস্যের বিধান রাখা হয়। ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের ২৬ মার্চ কাউন্সিলের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ১৭ই মে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ‘দি বাংলা একাডেমি অর্ডার, ১৯৭২’ জারি করেন। এই আদেশ দ্বারা কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড বাংলা একাডেমির সাথে সমন্বিত হয়, কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে ‘কার্যনির্বাহী পরিষদ’ করা হয় এবং মহাপরিচালকের পদ সৃষ্টি করা হয় বাংলা একাডেমির প্রধান নির্বাহী হিসেবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান প্রফেসর মযহারুল ইসলাম বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক নিযুক্ত হন।

বইমেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ
বইমেলার চিন্তাটি এ দেশে প্রথমে মাথায় আসে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সাবেক পরিচালক সরদার জয়েনউদদীনের। তিনি বাংলা একাডেমিতেও একসময় চাকরি করেছেন। বাংলা একাডেমি থেকে ষাটের দশকের প্রথম দিকে তিনি গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে নিয়োগ পান। সেসময়ে তিনি ইউনেসকোর শিশু-কিশোর গ্রন্থমালা উন্নয়নের একটি প্রকল্পে কাজ করছিলেন। কাজটি শেষ হওয়ার পর তিনি একটি শিশু গ্রন্থমেলার ব্যবস্থাই করে ফেললেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি) নিচতলায়। যত দূর জানা যায়, এটাই ছিল বাংলাদেশের প্রথম বইমেলা। এটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালে।

এরপরে তিনি ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জে একটি গ্রন্থমেলার আয়োজন করা হয়। এই মেলায় আলোচনা সভারও ব্যবস্থা ছিল। সে সব আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের তৎকালীন প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল হাই, শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ও সরদার ফজলুল করিম। ১৯৭২ সালে তিনি যখন গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক, তখন ইউনেসকো ওই বছরকে ‘আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে। এই আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ উপলক্ষে ১৯৭২ সালে ডিসেম্বর মাসে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে একটি আন্তর্জাতিক গ্রন্থমেলার আয়োজন করেন। সেই থেকেই বাংলা একাডেমিতে বইমেলার সূচনা।


ফেব্রুয়ারি মাসে বইমেলার ইতিহাসটিও স্বাধীনতা পরবর্তীকালের। ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চিত্তরঞ্জন সাহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে বটতলায় এক টুকরো চটের ওপর কলকাতা থেকে আনা ৩২টি বই নিয়ে বসেন। এই ৩২টি বই ছিলো চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ (বর্তমান মুক্তধারা প্রকাশনী) থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশী শরণার্থী লেখকদের লেখা বই। এই বইগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের প্রথম অবদান। একই সাথে স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্সের রুহুল আমিন নিজামী তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রগতি প্রকাশনীর কিছু বইয়ের পসরা সাজিয়ে বসেন, বর্ণমিছিলের তাজুল ইসলামও ওভাবেই তাঁদের বই নিয়ে বসে যান। এভাবেই এই তিন প্রকাশক স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বইমেলার গোড়াপত্তন করেন। ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমী মহান একুশে মেলা উপলক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশেষ হ্রাসকৃত মূল্যে একাডেমী প্রকাশিত বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। এর পাশাপাশি মুক্তধারা, স্টান্ডার্ড পাবলিশার্স এবং এদের দেখাদেখি আরও কেউ কেউ বাংলা একাডেমীর মাঠে নিজেদের বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে একটি বিশাল জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই মেলার উদ্বোধন করেন। ঐ গণজমায়েতকে সামনে রেখে ঢাকার বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান একাডেমীর পূর্বদিকের দেয়াল বরাবর নিজেদের পছন্দমতো জায়গায় যে যার মতো কিছু স্টল নির্মাণ করে বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। এতে বাংলা একাডেমীর কোনো ভূমিকা ছিলো না শুধু মাঠের জায়গাটুকু দেওয়া ছাড়া। ১৯৭৫ সালে একাডেমী মাঠের কিছু জায়গা চুনের দাগ দিয়ে প্রকাশকদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়। প্রকাশকরা যে যার মতো স্টল তৈরি করে বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। এ অবস্থা চলতে থাকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত। এ সময় পর্যন্ত এই আয়োজনের কোনো স্বীকৃতি ছিলো না। কোনো নামও দেওয়া হয়নি। সংবাদপত্রের প্রতিবেদনেও এর কোনো উল্লেখ থাকতো না। এমনকি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমীর অনুষ্ঠানসূচিতেও এই কার্যক্রমের কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমীর তৎকালীন মহাপরিচালক আশরাফ সিদ্দিকী বাংলা একাডেমীকে মেলার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত করেন। ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে মেলার সাথে যুক্ত হয় বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি; এই সংস্থাটিও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৮১ সালের একুশে বইমেলার মেয়াদ কমিয়ে ২১ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন করা হয়। কিন্তু প্রকাশকদের দাবির মুখে ১৯৮২ সালে মেলার মেয়াদ পুনরায় বৃদ্ধি করে করা হয় ২১ দিন। মেলার উদ্যোক্তা বাংলা একাডেমী। সহযোগিতায় ছিলো জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। ১৯৮৩ সালে কাজী মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে প্রথম "অমর একুশে গ্রন্থমেলা"র আয়োজন সম্পন্ন করেন। কিন্তু স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষা ভবনের সামনে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে ট্রাক তুলে দিলে দুজন ছাত্র নিহত হয়। ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর সেই বছর আর বইমেলা করা সম্ভব হয়নি। ১৯৮৪ সাল থেকে এই মেলা মেলার নতুন নামকরণ করা হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’।

এরপর প্রতিবছর বইমেলা বিশাল থেকে বিশালতর আকার ধারণ করে, মেলা উপলক্ষে বিপুল বই প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের লেখকরা, প্রকাশকরা বস্তুত সারাবছর এই বইমেলার জন্যে অপেক্ষা করেন। এরকম বাংলা একাডেমী, এরকম বইমেলাকে তাই নষ্টদের হাতে আমরা ছেড়ে দিতে চাই না। আসুন- আজ ২৭ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে তিনটায় বাংলা একাডেমীর সামনে সমবেত হয়ে এই ন্যাক্কার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দাবী তুলিঃ

- বইমেলায় শ্রাবণ, বদ্বীপ, রোদেলার উপস্থিতি চাই
- বইমেলায় সকল লেখক- প্রকাশক – পাঠকের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা চাই
- মৌলবাদ- সাম্প্রদায়িকতা- জঙ্গীবাদের কবলমুক্ত এবং সরকারী খবরদারি মুক্ত পূর্ণাঙ্গ সায়ত্বশাসিত ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায় অঙ্গীকারবদ্ধ সাহসী বাংলা একাডেমী চাই

সূত্রঃ
http://banglaacademy.org.bd/btech/ইতিহাস
http://www.beshto.com/questionid/38887
https://www.youtube.com/watch?v=vNQdkmXV-fI
https://bn.wikipedia.org/wikiবাংলা_একাডেমি

http://www.prothom-alo.com/art-and-literature/article/136348/
https://bn.wikipedia.org/wiki/অমর_একুশ_গ্রন্থমেলা

Comments

নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

ইতিহাসটা জানা ছিল না। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

 
রাখীর হাত এর ছবি
 

ইতিহাসটা একদম অজানা ছিল। জেনে খুব ভাল লাগল।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

অনুপম সৈকত শান্ত
অনুপম সৈকত শান্ত এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 5, 2014 - 4:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর