নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আবীর নীল
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

বিজ্ঞানের দর্শন (পর্ব - দর্শন)


পর্ব - দর্শন

দর্শন কী
আমি এখন জ্ঞান জগতের সবচেয়ে জটিল একটি টার্ম (দর্শন) নিয়ে আলোচনা করবো, প্রকৃতঅর্থে, দর্শনের আলোচনা অন্তহীন, এর শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই; এবং জ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই যা নিয়ে এটি আলোচনা করতে পারে না (খান, ২০১৫: ১১)। এই পর্বে আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান প্রয়োগ করে চেষ্টা করবো দর্শন সম্পর্কে একটু পরিষ্কার ধারণা দিতে।

তাহলে, শুরু করি একটি প্রশ্ন করে, ‘দর্শন কী’? এই শব্দটি আসলে (দৃশ+ অন); যার অর্থ হচ্ছে দেখা, অবলোকন, দৃষ্টি, জ্ঞান, উপলব্ধি, অভিজ্ঞতা, ইত্যাদি (ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, ২০১১: ৫৮৯- ৫৯০); সহজ ভাষায়, কোনো কিছু দেখা বা কোন কিছু থেকে জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা অর্জন করা। তাহলে একটি প্রশ্ন করা যায়, আমি এখন ফুটবল খেলা দেখছি, এটা কি দর্শন? অপূর্ব তার প্রেমিকাকে দেখছে, এটা কি দর্শন? সাফায়েত গতকালের ঘটনা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, এটা কি দর্শন? দর্শন মানে যেহেতু দেখা বা কোনো কিছু থেকে জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা অর্জন করা, তাহলে এগুলো দর্শন কেনো হবে না?

এই ‘কেনো হবে না’ বিষয়টি বুঝতে হলে প্রথমে জানতে হবে ‘দর্শন’ শব্দটির উৎপত্তি সম্পর্কে; এই শব্দটির ইংরেজি শব্দ হচ্ছে ‘Philosophy’, যা উদ্ভব হয়েছে গ্রীক শব্দ ‘Philo’ ও ‘Sophy’ থেকে (Philo+ Sophy= Philosophy), ‘Philo’ অর্থ ‘loving’ অর্থাৎ অনুরাগ বা প্রেম বা প্রীতি, আর ‘sophy’ শব্দের অর্থ ‘knowledge’ বা ‘love of wisdom’ অর্থাৎ জ্ঞান বা প্রজ্ঞা; ব্যুৎপত্তিগত অর্থে, ‘Philosophy’ অর্থ ‘Love of Knowledge’ বা ‘love of wisdom’, অর্থাৎ জ্ঞান-প্রীতি বা প্রজ্ঞানুরাগ (Dictionary.com; Vocabulary.com)। এখানে একটি শব্দ চলে এসেছে, সেটি হচ্ছে ‘জ্ঞান’; তাহলে, আরেকটি প্রশ্ন চলে আসে ‘জ্ঞান কী’? এই শব্দের বিবিধ অর্থ রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : বোধ; বুদ্ধি; অনুভবশক্তি; বোঝবার বা বিচার করবার ক্ষমতা; বিবেচনা; অভিজ্ঞতা, ইত্যাদি (ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, ২০১১: ৮৭০)।

পদ্ধতিগত, তাত্ত্বিক বা একাডেমিক আলোচনায় আমরা সব সময় একটি টার্ম ব্যবহার করে থাকি, সেটি হচ্ছে ‘operational definition’ মানে কার্যকারী সংজ্ঞার্থ, অর্থাৎ কোনো আলোচনায় একটি টার্ম যে নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে। তাহলে, প্রশ্ন আসে দর্শনে ‘জ্ঞান’ বলতে কী বোঝায়? দর্শনে জ্ঞান বলতে বোঝায় - মোটামুটিভাবে জ্ঞানের সংজ্ঞার্থ এভাবে দেয়া যেতে পারে যে, “জ্ঞান হলো প্রমাণযুক্ত সত্য বিশ্বাস” (খান, ২০১৫: ১১) [যদিও এই সংজ্ঞার্থটির অনেক সমালোচনা রয়েছে, তবুও বোঝার সুবিধার্থে, আমরা এটিকে গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নিলাম]। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, জ্ঞান হলো বোঝবার বা বিচার করবার ক্ষমতা। তার মানে আমরা বোঝলাম যে, জ্ঞান মানে কোনো কিছু জানা বা কোনো কিছু মুখস্ত করা না, জীববিজ্ঞানের বিষয়াবলি আমি জানি, গণিতের সমস্যাবলি আমি সমাধান করতে পারি, ইত্যাদি – এসব জ্ঞান নয়; জ্ঞান হলো কোনো বিষয়কে বিচার করবার ক্ষমতা, একটি বিষয় কতটুকু সঠিক, কতটুকু বেঠিক, কতটুকু যথার্ত, কতটুকু অযথার্ত, কতটুকু সত্য, কতটুকু মিথ্যা, ইত্যাদি – বিচার করার ক্ষমতাই হচ্ছে জ্ঞান; এটি এমন এক কষ্টিপাথর যা দিয়ে যেকোনো কিছুর সত্য বা মিথ্যার প্রভেদ বোঝা যায়। তাহলে, আমরা বলতে পারি, দর্শন হচ্ছে সত্যের প্রতি অনুরাগ, বিচার-প্রীতি; অন্যভাবে বলতে পারি, জ্ঞানের যে শাখা কোনো বিষয় সত্য না মিথ্যা, এবং সত্যে কীভাবে (পদ্ধতিসমূহ) পৌঁছানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করে, সেই শাখাকে দর্শন বলে; তার মানে আমি এখন ফুটবল খেলা দেখছি, অপূর্ব তার প্রেমিকাকে দেখছে বা সাফায়েত গতকালের ঘটনা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে – এসব দর্শন না, কারণ এখানে বিচার বা বিবেচনা করার সুযোগ অনুপস্থিত।

আমরা অনেক সময় বলি, ‘এ বিষয়ে তোমার দর্শন কী’? – দর্শনে এরকম কোনো প্রশ্ন কি অর্থবহ? না; কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো বিষয়ে বিচারমূলক পদ্ধতি অবর্তমান থাকবে, ততক্ষণ এটি দর্শন হবে না। অন্যভাবে বলা যায়, জীবন ও জগতের সমস্যা নিয়ে চিন্তাই হচ্ছে দর্শন (করিম, ২০১২: ৩১০); যদি কোনো বিষয়ে জীবন ও জগত-সম্পর্কিত চিন্তা অনুপস্থিত থাকে, তাহলে তা দর্শন হবে না। তাহলে, আমরা মোটামুটিভাবে বুঝতে পারলাম যে দর্শন বলতে কী বোঝায়; ধারণাটিকে স্পষ্ট করার জন্য আমি সরদার ফজলুল করিম (২০১২: ৩০৯-৩১০) রচিত ‘দর্শনকোষ’ গ্রন্থের ‘দর্শন’ প্রত্যয়টি থেকে সামান্য কিছু অংশ তুলে ধরছি :

“জগত, জীবন, মানুষের সমাজ, তার চেতনা ও জ্ঞানের প্রক্রিয়া প্রভূতির মৌল বিধানের আলোচনাকে দর্শন বলা হয়। মানুষের সামাজিক চেতনার বিকাশের একটা পর্যায়েই মাত্র মানুষের পক্ষে বিশ্লেষণী দৃষ্টি নিয়ে জগৎ এবং জীবন সম্পর্কে চিন্তা করা সম্ভব হয়েছে। প্রকৃতি, জগৎ এবং পরবর্তীকালে মানুষের নিজের দেহ এবং চেতনা সম্পর্কেও সে চিন্তা করতে শুরু করে। সুনির্দিষ্টভাবে মানুষের জ্ঞান বিকশিত হওয়ার পরেও দর্শনকে অনেকে কল্পনার মধ্যে আবদ্ধ রাখার চেষ্টা করেছেন। এই প্রয়াসে দর্শন জীবনের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কশূন্য হয়ে পড়ে। যেখানে প্রাচীনকালে জীবনের সমস্যাই দর্শনের বিকাশ ঘটিয়েছে সেখানে আধুনিক কালের এরূপ প্রয়াস দর্শনকে জীবনের সঙ্গে সম্পর্কশূন্য অবাস্তব কল্পনায় পর্যবসিত করেছে। দর্শনের এই সংকটের সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন ঊনবিংশ শতকে কার্ল মার্কস। কার্ল মার্কস এবং ফ্রেডারিক এঙ্গেলস দর্শনকে জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে বলেন যে, দর্শন হবে জীবন ও জগৎকে বৈজ্ঞানিক এবং সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। দর্শন হবে বৃহত্তম সংখ্যক মানুষের স্বার্থে জগৎ এবং সমাজকে পরিবর্তিত করার ভাবগত হাতিয়ার। দর্শন অবাস্তব কল্পনা নয়। দর্শন জগৎ ও জীবনের মৌলিক বিধানের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। আর এই ব্যাখ্যার অপর নাম হচ্ছে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের তত্ত্ব।”

আমরা এখন এতোটুকু বলতে পারি যে, দর্শন সম্পর্কে আমাদের মোটামুটি একটি ধারণা তৈরি হয়েছে; এখন তাহলে, সুনির্দিষ্টভাবে এটির বৈশিষ্টাবলি সম্পর্কে অবগত হবো :
এক. “দর্শন হচ্ছে জীবন ও জগতের স্বরূপ উপলব্ধি” (সজল, ২০১৬)।
দুই. “দর্শন বলতে দুটি বিষয়কে বুঝানো হয়। একটি হচ্ছে সত্যের উপলব্ধি এবং অপরটি হলো সত্য উপলব্ধির উপায়” (পূর্বোক্ত)।
তিন. দার্শনিকের কাজ হলো বস্তুর বাহ্য রূপটিকে আলোচনা করে তার ভিতরের স্বরূপটিকে জানা (ঐ)।
চার. “দর্শনের কাজ হল মানুষের মনে উত্থাপিত মৌলিক প্রশ্নাবলির উত্তর বের করার, তথা জীবন ও জগতের মৌলিক সমস্যাবলির সমাধনের প্রচেষ্টা চালানো। এ প্রচেষ্টায় সক্ষম না হওয়া পর্যন্ত মানুষের মনের জিজ্ঞাসার নিবৃত্তি হয়না। তাই এসব সমস্যার সমাধানকল্পে মানুষ নিবিষ্টচিত্তে চিন্তা করে। মানুষের এ চিন্তাই দর্শন । তবে মানুষ সসীম ও অসম্পূর্ণ বলে দার্শনিক সমস্যার পূর্ণ সমাধান তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মানুষের দর্শন কোনোদিন পূর্ণ বা পূর্ণাঙ্গ হয় না।সুতরাং, পূর্ণাঙ্গ দর্শন বলে কোনো কিছু নেই” (ঐ)।
পাঁচ. “যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারে না বিজ্ঞান, বা ধর্মতত্ত্বের নিশ্চিত উত্তর মনোপূত হয় না, সেগুলো নিয়েই কায়কারবার দর্শনের। দর্শনের কিছু চিরন্তন প্রশ্ন হচ্ছে, ‘আমি কে’? ‘এই মহাবিশ্বের কোন উদ্দেশ্য আছে কি’? ‘এটা কি কোন নির্দিষ্ট পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে’? ‘প্রকৃতি জগতের কি কোন নিয়ম আছে’? ‘এ নিয়মগুলো কিভাবে গড়ে উঠল? মানুষের জীবনটা কেমন’? ‘এটা কি শুধু সুখময় আর ভোগময়’? ‘নাকি শুধু কষ্টের’? ‘জীবনের ফলাফল বা অর্জন কি একটা বিশাল শূন্য (০)’? ‘প্রজ্ঞা বলতে কি কোন জিনিস আছে’? ‘নাকি সেটাও আমাদের অজ্ঞতার পরিপূর্ণ বিকাশ’?” (মাহফুজ, ২০১৬)।
ছয়. “দর্শন সব প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর দেয় বলে দাবি করে না বরং এগুলো নিয়ে অধ্যয়ন, অনুধ্যান বা গবেষণা করে যায়। নিশ্চিত উত্তর দেয়া সম্ভবপর হয় না বলে উত্তরের ভিন্নতা একটি স্বাভাবিক ফল” (পূর্বোক্ত)।
সাত. “তিন কারনে কোনোকিছু দর্শন হয়ে উঠে। এর প্রথম দুইটা পরিচিতিমূলক বৈশিষ্ট্য, তৃতীয়টা হলো মূল বৈশিষ্ট্য। (১) সংশ্লিষ্ট বিষয়টা হতে হবে মৌলিক ও তাত্ত্বিক, (২) আলাপ-আলোচনা ও পর্যালোচনা হতে হবে অবাধ ও মুক্ত এবং (৩) পক্ষে-বিপক্ষে যা-ই বলা হোক না কেন, তাতে যুক্তির সমর্থন থাকা চাই। যুক্তি বলতে এখানে আর্গুমেন্টকে বুঝানো হচ্ছে” (হক, ২০১৬)।
আট. “দর্শন একক কোনো প্রস্তাবনার কথা বলে না। দর্শন দেয় আর্গুমেন্ট। দর্শনে কোনো প্রমাণ নাই । দর্শন গোঁড়ামী মুক্ত হলেও দার্শনিক অবস্থান মাত্রই গোঁড়ামী-যুক্ত বা ডগমেটিক” (পূর্বোক্ত)।
নয়. “কোনো কিছুর অস্তিত্ব নিয়ে চার ধরনের কথা হতে পারে: আছে, নাই, জানিনা অথবা আলোচনটাই অর্থহীন। ফিলোসফি সবগুলো অপশনের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে” (ঐ)।
দশ. “দর্শন হলো একটা পদ্ধতি। স্বয়ং কোনো পরিণতি নয়” (ঐ)।

রেফারেন্স
মুহম্মদ এনামুল হক [সম্পা.] (২০১১); ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি, ঢাকা
সরদার ফজলুল করিম (২০১২); দর্শনকোষ, প্যাপিরাস, ঢাকা
গালিব আহসান খান (২০১৫); বিজ্ঞানের দর্শন, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা
টুটুল মাহফুজ (৩ জুন, ২০১৬); দর্শন কেন পড়তে হবে, দৈনিক জনকণ্ঠ
মীর মহেদেী হাসান সজল (৩০ আগস্ট, ২০১৬); যেনে নিন দর্শন কী?, দৈনিক দেশকাল
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (১৯ এপ্রিল, ২০১৬); দর্শন,দার্শনিকতাঃ বিজ্ঞান ও দর্শন নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি, মূলধারা বাংলাদেশ
Dictionary.com www.dictionary.com/browse/philosophy
Vocabulary.com https://www.vocabulary.com/dictionary/philosophy

(স্বীকারোক্তি : এই লেখায় ব্যাকরণ, ভাষা, তথ্য ও তত্ত্বগত যেকোনো ভুল পেলে আমাকে অবহিত করবেন; লেখাটি সম্পর্কে যেকোনো ধরনের সমালোচনা সাদরে গৃহীত হবে।)

সৈয়দ মাহী আহমদ, শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশবিদ্যালয়, সিলেট।

বিভাগ: 

Comments

সৈয়দ মাহী আহমদ এর ছবি
 

আমাকে কি একটু সাহায্য করতে পারবেন? কিছু লাইন আন্ডারলাইন করতে হবে, কিন্তু কীভাবে করবো সেটি বুঝতে পারছি না; ধন্যবাদ।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

এডিটে গিয়ে যে অংশটুকু আণ্ডারলাইন করতে চান সেটি সিলেক্ট করে উপরে টুলষ লাইনে U তে ক্লিক করুন। এছাড়া অন্য সব নিয়ম ব্লগের মেনুবার এ ট্রেনিং রুম থেকে জেনে নিতে পারেন।

 
সৈয়দ মাহী আহমদ এর ছবি
 

সহযোগিতা করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ইস্টিশনে কি নতুন কোনো পরিবর্তন এসেছে? ফেইসবুকে শেয়ার করতে পারছি না।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সৈয়দ মাহী আহমদ
সৈয়দ মাহী আহমদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 9, 2016 - 4:18পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর