নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আবু মমিন
  • মাহিন রহমান সাকিফ
  • রবিঊল
  • পৃথু স্যন্যাল
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন
  • অজন্তা দেব রায়
  • তানভীর রহমান

আপনি এখানে

কত হাজার মরলে পরে বলবে তুমি শেষে, বড্ড বেশী মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে



জ্বলছে ব্রাম্মণবাড়িয়া। উত্তপ্ত সারা দেশ। কেউ ক্ষোভে উন্মত্ত। কেউ হতাশায় বিপর্যস্ত। বাবরি মসজিদ পরবর্তী সময় আর রামুর বৌদ্ধপল্লীতে ধ্বংসযজ্ঞের পরে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব হয়ে গেলো সেখানে। দাঙ্গা নয়, নির্যাতন। দাঙ্গা হতে হলে প্রয়োজন হয় উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার। যেমনটি হয়ে থাকে ভারতে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যা চলছে তা কেবলই এক পাক্ষিক নির্যাতন ছাড়া আর কিছুই নয়। বরাবরের মতো এবারের টার্গেটও ঘুরেফিরে এদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়। যাদের অবস্থা এখন “জন্মই আজন্ম পাপ” এর মতোই।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা প্যায়ারে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার নামে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালীদের উপর। আর এদের মূল টার্গেটই ছিলো এই সম্প্রদায়টি। নির্মম অত্যাচারে লক্ষ লক্ষ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ প্রাণ হারান।গণহারে ধর্ষিতা হন হিন্দু নারীরা। চিরতরে দেশত্যাগ করেন অনেকে।
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বড় ধরনের হামলা হয় ৯০ সালে,এরশাদের উস্কানিতে। এরপর খালেদা জিয়ার আমলে ১৯৯২ সালে ভারতে বাবরি মসজিদ ভাঙার পর।১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরের পর সারা দেশে বড় আকারে সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব শুরু হয়। ৬ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ হিন্দু নারী-পুরুষ খুন হয়, ২৬০০ উপর নারী ধর্ষিতা হয়, ১০ হাজার মানুষ আহত হয়, ২ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়, ৩৬০০ অধিক মন্দির জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, ৪০ হাজার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া ও দখল করা হয় এবং দশ হাজারের উপর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তৃতীয় দফা দলবদ্ধ নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হয় ২০০১ সালের নির্বাচনে চার দলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পরে। খুন, ধর্ষণ আর জ্বালাও পোড়াও এর রীতিমতো সাইক্লোন বয়ে যায় এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়টির উপরে। প্রায় ১০ লক্ষ হিন্দু দেশান্তরী হয় বলে ধারণা করেন অনেকেই।

এরপর বাংলাদেশে বড় হামলা হয় কক্সবাজার জেলার রামুতে ২০১২ সালের ১ অক্টোবর। ফেসবুকের কথিত একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে শত বছরের পুরাতন রামুর বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ ধর্মের মানুষগুলোর উপর হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় অংশ নেয়-মায়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে স্থানীয় মুসলমানরা। যারা সবাই ছিল আওয়ামী,বিএনপি,জামাত থেকে শুরু করে সকল দলের নেতাকর্মী! তৎকালীন রামু থানার ওসি বলে-পুলিশের পোশাক পরা না থাকলে আমি নিজেও হামলায় অংশ নিতাম। এই ঘটনায় যারা গ্রেফতার হয়েছিল তারা পরবর্তীতে ছাড়া পেয়ে যায়।

ঘটনার সূত্রপাত রসরাজ দাস নামের একছেলের ফেসবুকে একটি ধর্মীয় অবমাননাকর ছবি পোস্ট করার মধ্য দিয়ে। যদিও রসরাজ ছেলেটি পরে পোস্ট দিয়ে ক্ষমা চেয়ে বলে যে , তার একাউন্ট হ্যাকিং করে অন্য কেউ এটা করেছে। তথাপি ছেলেটির বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয় এবং তাকে পুলিশ গ্রেফতারও করে। বর্তমানে সে জেলহাজতে আছে। বিচারে সে প্রকৃতই দোষী কি নির্দোষ তা সম্মানিত আদালতই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে।কিন্তু ওই যে ধর্মীয় অনুভূতি , সে অনুভূতির জোশে থাকতে না পেরে গতকাল সমাবেশের ডাক দেন আহলে সুন্নত এর অনুসারীরা। যাদের সমাবেশ থেকে রীতিমতো তৈমুর লঙের কায়দায় ঝাঁপিয়ে পড়া হয় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে। ভেঙেচুরে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয় তিন শতাধিক বাড়িঘর আর ১৫ টি মন্দির্। সেই সাথে চলে মধ্যযুগীয় কায়দায় লুটপাট আর গণিমতের মালের ভাগ বাটোয়ারা। সারা দেশের শান্তিপ্রিয় বিবেকবান মানুষ বোবা বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখলো আধুনিক সভ্যতার দেশে মধ্যযুগের পুনরাগমন। হিন্দুদের জীবনে এমন ভয়ানক দিন স্বাধীন বাংলাদেশে এর আগে কখনো আসেনি।শতশত মানুষ যখন বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে নাসিরনগরের হিন্দু বাড়ি এবং মন্দিরগুলোতে ভাংচুর এবং লুটপাট চালায়, তখন আতঙ্কিত হিন্দুদের অনেকেই বাড়ি-ঘর ছেড়ে প্রাণ রক্ষার জন্য পালাতে শুরু করে।এ যেন আরেক একাত্তরের পূনরাবৃত্তি।

এই হামলাটির ক্ষেত্রে একটি প্রধান ব্যাপার লক্ষণীয়। হামলাটিতে অংশ নিয়েছিল যে মাদ্রাসা ছাত্ররা , সেই আহলে সুন্নতের অনুসারীরা মূলতঃ জামায়াত শিবির বিরোধী হিসেবেই পরিচিত। আর সেই কারণে "শত্রুর শত্রু বন্ধু" বিবেচনায় তারা প্রগতিশীল স্যাকুলার শক্তির ও ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত সর্ব মহলে। কিন্তু তারাই যখন জামায়াত শিবিরের চেয়েও ভয়াবহ হিংস্রতার পরিচয় দেয় , তখন আসলেই বিস্মিত হতে হয় বইকি। আর সম্ভবত সেই কারণেই ঘন্টার পর ঘণ্টা ধরে এই তাণ্ডবলীলা চললেও পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্য বাহিনীগুলো দেখিয়েছেন অস্বাভাবিক নির্লিপ্ততা। গায়ে রাষ্ট্রীয় ইউনিফর্ম থাকলেও ঘুরেফিরে সেই অনুভূতির হাতেই তাই তাদের অসহায় আত্মসমর্পণ।

এইতো প্রথমবার নয় , ২০০০ সালে এনজিওদের বিরুদ্ধে অনুভূতি আহত করার অভিযোগে এই ব্রাম্মণবাড়ীয়ায় তাণ্ডব চালিয়েছিল তারা। যেরকম চালিয়েছিল কিছুদিন আগে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সঙ্গীত নিকেতন ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। আমার জানামতে দুটি ঘটনার একটিরও অদ্যবধি কোন বিচার হয়নি। ফলে আবারো একইধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে তাদের দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি।এদেশে অনুভূতিতে আঘাত লাগার বিষয়টিও তাই রয়ে যায় একতরফা। সংখ্যাগরিষ্ঠদের অনুভূতি আহত হলে তাই হামলা , মামলা , ঝামেলা হলেও লঘিষ্টদের অনুভূতি নিহত হলেও তাই কিছুই বলার থাকেনা। ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা একদিন এভাবেই পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের জন্ম দিয়েছিল ধীরে ধীরে। লাল সবুজের বাংলাদেশে তারই প্রতিধ্বনি শোনা যায় যেন প্রতিনিয়ত।

এই হামলাটির ক্ষেত্রে আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো প্রশাসনের অস্বাভাবিক নির্লিপ্ততা। ফেসবুকের একটি ছবিকে কেন্দ্র করে গত শনিবার থেকেই উত্তেজনা ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে। কিন্তু এলাকার মন্দিরগুলোর নিরাপত্তায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও খাঁটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত নামের দুটি সংগঠনকে ধর্মীয় সমাবেশ করার অনুমতি দেয় উপজেলা প্রশাসন।স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন, ওই সমাবেশ এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। সমাবেশ থেকেই বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালানো হয়। তবে দুটি সংগঠনের পক্ষ থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।ব্যাপারটা অনেকটা চোরের জন্য দরজা খুলে রাখার মতোই। এ ধরণের পরিস্থিতে যেখানে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে, প্রশাসন সেসব স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু এবার হলো তার ব্যতিক্রম। ফলাফল এই মর্মান্তিক ধংসযজ্ঞ। নাসিরনগরের সবচেয়ে বড় সর্বজনীন মন্দির মহাকাল পাড়ার গৌর মন্দির।

রোববার সমাবেশ চলাকালে এই মন্দিরের সামনে কয়েকজন পুলিশ সদস্য থাকলেও পশ্চিম পাড়ার জগন্নাথ মন্দির, নমশূদ্র পাড়ার কালীবাড়ি মন্দির, মহাকাল পাড়ার শিবমন্দির, দুর্গামন্দির, শীলপাড়ার লোকনাথ মন্দির, দত্তপাড়ার দত্তবাড়ি মন্দির, সূত্রধর পাড়ার কালীমন্দিরসহ আরও সাতটি পারিবারিক মন্দিরে পুলিশ ছিল না। আর গৌর মন্দিরে পুলিশ থাকলেও তারা হামলাকারীদের ঠেকাতে পারেনি। বরং এখান থেকে পুলিশ পাশের কাশীপাড়ায় চলে গেলে পরে এই গৌর মন্দিরেও হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। মন্দির ছাড়াও সদরের দত্তপাড়া, ঘোষপাড়া, গাংকুলপাড়া পাড়া, মহাকাল পাড়া, কাশিপাড়া, নমশূদ্রপাড়া, মালিপাড়া, শীলপাড়াতে হিন্দুদের ৬০-৭০টি বাড়িঘরেও ভাঙচুর, লুটপাট হয়েছে।

সবকিছু ছাপিয়ে যে ব্যাপারটি রীতিমতো ক্ষোভের সঞ্চার করেছে সর্বমহলে, সেটি হলো মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের বক্তব্য। ঘটনার চারদিন পরে তিনি ঘটনাস্থলে যান। আর সেখানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে " মালাউনের বাচ্চা" বলে সম্বোধন করেন। সরকারের একজন্দায়িত্বশীল মন্ত্রীর কাছ থেকে এ ধরণের বক্তব্য শোনা রীতিমতো অপ্রত্যাশ্যিত ও চরম দুঃখজনক। পৃথিবীর অন্যকোন সভ্য রাস্ট্রে হলে এ ধরণের চরম বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রদানের পরেও তার মন্ত্রীত্ব আর টিকতো কিনা সন্দেহ।

"কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।" ……………অনুচ্ছেদ ২৮ (১) , সংবিধান , গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পূর্বে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত শপথ বাক্য, যা পাঠ করা বাধ্যতামূলকঃ
"আমি ....................., সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি আইন-অনুযায়ী সরকারের …………………… মন্ত্রী পদের কর্তব্য বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব;
আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব;
আমি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান করিব;
এবং আমি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন-অনুযায়ী যথাবিহীত আচরণ করিব।"

পবিত্র সংবিধানের এই অলঙ্ঘ্য বিধান প্রকাশ্যে অবমাননা করার পরে , কোন ধর্মীয় বা নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর প্রতি চরমতম অবমাননামূলক বক্তব্য প্রদানের পরে , আর কারো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালনের আর বিন্দুমাত্র অধিকার থাকে কি?

এদেশের জন্মলগ্ন থেকেই একের পর এক নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হতে হতে ২৫ ভাগ থেকে কমে শতকরা ৭ ভাগে নেমে এসে হিন্দু জনসংখ্যা। যে বিশেষ দলটির ভোটব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করা হয় এদেরকে, তাদের অনেক নেতাকর্মীর মনেই কাজ করে "থাকলে ভোট পাবো, গেলে জমি"। ফলে ক্রমশঃ এই জাতিগত নির্মূলাভিযানের ফলে আজ বিলুপ্তির পথে শিল্প, সাহিত্য ,সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রসর এই সম্প্রদায়টি। হয়তো আর কয়েক দশক পরে এদের খুঁজে পেতে হলে যেতে হবে যাদুঘরে। তবে সেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র দুঃশ্চিন্তা দেখা যাচ্ছেনা কোন মহলে। পরিশেষে কবীর সুমনের গানের কথায় বলি,

"কত হাজার মরলে পরে, বলবে তুমি শেষে,
বড্ড বেশী মানুষ গেছে, বানের জলে ভেসে"

মন্তব্যসমূহ

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রাজেশ পাল
রাজেশ পাল এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 19 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 22, 2014 - 2:54পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর