নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জংশন
  • বেহুলার ভেলা
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রিক্ত রিপন
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
  • বিপু পাল
  • মৌন
  • ইকবাল কবির
  • সানসাইন ১৯৭১
  • রসরাজ
  • বসন্ত পলাশ
  • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
  • রাজীব গান্ধী
  • রুবেল মজুমদার

আপনি এখানে

খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (প্রথম পর্ব)


মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

ইসলামিক স্টেট বা IS এর কারণে বর্তমানে খলীফা বা খিলাফত বেশ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। তারা মিডল ইস্টে আবার ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আর আমাদের মত থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশগুলোর মুসলিমদের অজ্ঞাণতার কারণে আমরা এইই খিলাফত ব্যাপারটাকে ঐশ্বরিক ভাবে দেখি। অথচ খিলাফত ছিল সম্পূর্ণ একটা রাজনৈতিক ব্যাপার। ধর্মীয় লেবাস দিয়ে সেই হানাহানির রাজনীতিকে আড়াল করা হয়। এই লেখায় আমি দেখানোর চেষ্টা করব খিলাফত কিভাবে একটা রাজনৈতিক ইতিহাস। এবং বিভিন্ন খিলাফত নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব।

মুহম্মদ (স) এর মৃত্যুর পর মুসলিম বিশ্বের খলীফা কে হবেন তা নিয়ে বিতর্কের শুরু হয়। প্রথমে মদীনার আনসার'রা তাঁদের মধ্যে থেকে "আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ"কে মনোনয়ন দেয় যেহেতু মুহম্মদ (স) মদীনায় ছিলেন, কিন্তু আপত্তি করেন মক্কার কোরেশ'রা। কারণ আরবে তারাই সম্ভ্রান্ত এবং মুহম্মদ (স) একজন কোরেশ। শেষ পর্যন্ত অনেক তর্ক- বিতর্কের পর আবু বকর (রা) হন প্রথম "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"। এর মাধ্যমে "রাশিদুন খিলাফত" নামে প্রথম এক মুসলিম 'রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের' উৎপত্তি হয়। আবু বকর (রা) ছিলেন কোরেশ বংশের। আবু বকরের ক্ষমতায় যাওয়ার পর বেশকিছু মুসলিম গোত্র বিদ্রোহ করে বসে। ধর্মত্যাগের ঘটনা বাড়তে থাকে। মধ্য আরবের ধর্মত্যাগীদের নেতৃত্ব ছিল স্বঘোষিত নবি মুসায়লামা। আবু বকর বিদ্রোহ দমনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। তিনি মুসলিম সেনাবাহিনীকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করেন। সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রাথমিক বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন খালিদ বিন ওয়ালিদ। বিদ্রোহীদের শক্তিশালী বাহিনীগুলোর সাথে লড়াইয়ের জন্য খালিদের সেনাদের ব্যবহার করা হয়। বেশ কিছু ধারাবাহিক সাফল্যের পর খালিদ বিন ওয়ালিদ শেষপর্যন্ত ইয়ামামার যুদ্ধে মুসায়লামাকে পরাজিত করেন। হিজরি ১১ সালে এ যুদ্ধ শুরু ও সমাপ্ত হয়। ১২ হিজরিতে আরব মদিনায় অবস্থান করা খলিফার নেতৃত্ব একীভূত হয়। বিদ্রোহী নবীদের যুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে আবু বকর আরবকে ইসলামের অধীনে সুসংহত করেন এবং ইসলামি রাষ্ট্রকে পতনের হাত থেকে রক্ষা করেন। ৬৩২-৬৩৪ সাল পর্যন্ত তিনি ক্ষ্মতায় ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুর পর খলীফা হন উমর (রা) পুরো নাম উমর ইবনুল খাত্তাব। তিনিও ছিলেন কোরেশ বংশের। আবু বকর সামরিক ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে উমরের গুরুত্ব দিতেন এবং তাকে তার উত্তরসুরি মনোনীত করে যান। তিনি তার মনোনয়নের কথা জানিয়ে যান। পূর্বসূরির শুরু করা বিজয় অভিযান উমর চালিয়ে যান। তিনি পারস্য সাম্রাজ্যের আরো ভেতরে, উত্তরে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অঞ্চলগুলোতে এবং পশ্চিমে মিশরে অভিযান পরিচালনা করেন। ৬৪০ নাগাদ মুসলিমরা মেসোপটেমিয়া, সিরিয়া ও ফিলিস্তিন অধিকার করে নেয়; ৬৪২ নাগাদ মিশর, এবং ৬৪৩ নাগাদ সমগ্র পারস্য সাম্রাজ্য অধিকারে চলে আসে। ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে উমর ফজরের নামাজের সময় একজন পারসিয়ান দাস 'পিরুজ নাহাওয়ান্দি'র ছুরির আঘাত আহত এবং পরে নিহত হন। তিনি ক্ষমতায় ছিলেন প্রায় ১০ বছর। ৬৩৪-৬৪৪ খিস্টাব্দ।

কিন্তু উমর (রা) এর মৃত্যুর পর খিলাফত এর ধরণ পরিবর্তন হয়। ৬৪৪ সালে খলিফা হন উসমান (রা) পুরো নাম উসনাম ইবনে আফফান। তিনি ছিলেন "Umayyad বা উমাইয়া" বংশের। ১২ বছর ক্ষমতার পর শেষ দিকে তিনি নানা সমস্যায় পড়েন। একরকম গৃহ যুদ্ধ শুরু হয়। মিশরীয়রা বিদ্রোহ শুরু করে। সবাই আলীকে খিলাফতে দেখার জন্য আগ্রহী হয়ে পড়ে। অবশেষে বিদ্রোহীদের দমন না করে তাদের সাথে আলোচনায় বসতে চান এতে উলটো বিদ্রোহীদের সাহস বেড়ে যায় এবং ৬৫৬ সালে বাসায় কুরআন পাঠরত অবস্থায় বিদ্রোহীরা তাঁর বাসায় ঢুকে তাঁকে হত্যা করে। আভ্যন্তরীন সমস্যা সত্ত্বেও উসমান উমরের বিজয় অভিযান অব্যাহত রাখেন। রাশিদুন সেনাবাহিনী বাইজেন্টাইনদের কাছ থেকে উত্তর আফ্রিকা জয় করে এবং এমনকি স্পেন আক্রমণ করে ইবেরিয়ান উপদ্বীপের উপকূল জয় করে। তারা রোডস ও সাইপ্রাস আক্রমণ করে। ৬৫২ খ্রিষ্টাব্দে সিসিলি উপকূল আক্রমণ করা হয়। রাশিদুন সেনারা সম্পূর্ণ সাসানীয় সাম্রাজ্য জয় করে এবং পূর্ব সীমান্ত সিন্ধু নদ পর্যন্ত পৌছায়। তিনি ৬৪৪-৬৫৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুর পর আবার এল পরিবর্তন, এবার খিলাফত হস্তান্তর হল "Hashimites বা হাশেমী"দের হাতে। খলিফা হলেন আলী (রা), তিনি হাশমী ছিলেন। তাঁর হাতে খিলাফত যাওয়ার পরই শুরু হল মুসলিম বিশ্বের প্রথম রাজনৈতিক দলাদলি।

আরবজুড়ে বিচারের দাবি উঠল উসমান এর। আলী সেটাকে পাশ কাঁটানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। বিচারপ্রার্থীরা আয়েশা (র) এর নেতৃত্বে বাহিনী গঠন করে এবং বসরায় আলী বাহিনীর সাথে যুদ্ধ বেঁধে যায়। ইতিহাসে এটা "The battle of Camel বা উটের যুদ্ধ নামে পরিচিত। যুদ্ধে আলী জয়ী হন। তিনি তাঁর পুত্র আলী'কে মদীনার গভর্নর হিসেবে পাঠান। কিন্তু কিছুদিন পরই আবার উসমানের বিচার দাবী তোলে 'Mu'awiya বা মুয়াবিয়া'। তিনি ছিলেন উমাইয়াতস এবং উসমানের আত্মীয়। আলীর সাথে তার যুদ্ধ বাঁধে যেটা 'সিফফিনে'র যুদ্ধ নামে পরিচিত। যুদ্ধে আলী হেরে যান।

এরপর 'খারিজি বা Kharijites" নামে আরেক গোষ্ঠী বিদ্রোহ করে বসে এবং তাদের সাথে আলীর যুদ্ধ হয় যেটা "নাহরাইনের যুদ্ধ বা the Battle of Nahrawan" নামে পরিচিত। খারিজীরা প্রথমে আলীর সমর্থক থাকার পরও মতের অমিলের জন্য এরা মুয়াবিয়া ও আলী উভয়ের বিরুদ্ধে চলে যায়। এরপর খারিজীরা ৬৬১ সালে ইবনে মুলজাম নামে এক ব্যাক্তির দ্বারা আলীকে হত্যা করে। আলী ৬৫৬-৬৬১ সাল পর্যন্ত মুসলিম বিশ্ব শাসন করেন।

বিদ্রোহীরা আলীকে হত্যা করলেও আমর ইবনে আস আর মুয়াবিয়াকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। এরপর খিলাফতের জন্য মনোনীত হন আলীর পুত্র হাসান। কিন্তু তিনি খলিফা হতে পারেননি। তিনি বিদ্রোহ দমন না করতে পেরে শেষ পর্যন্ত মুয়াবিয়ার সাথে সন্ধি করেন সাথে ছিল যসব গোষ্ঠীগুলা এই দু'জনের বা কোনো একজনের আস্থাভাজন ছিল তারাও। চুক্তির শর্ত ছিল-

মুয়াবিয়া পাবেন খিলাফতের দায়িত্ব তবে সেটা রাজ্য চালনার জন্য এবং মুয়াবিয়া তার পরে অন্যকাউকে খলীফা মনোনয়ন দিতে পারবেন না। হাসানের মৃত্যুর পরও তিনি সাম্রাজ্য বানাতে পারবেন না। কিন্তু মুয়াবিয়া দ্বিতীয় শর্তটি ভঙ্গ করেন। তিনি তার পুত্র "প্রথম ইয়াজিদ বা Yazid I"কে তার পরবর্তী খলীফা হিসেবে ঘোষনা দেন। এভাবে হাসানের মৃত্যুর পর "খিলাফতে রাশিদুন বা Rashidul Caliphate" এর সমাপ্তি ঘটে এবং "Umauyad's Caliphate বা উমাইয়া ফিলাফত'এর শুরু হয়। শেষ হয় "রাশিদুন খিলাফত" নামে মুসলিম বিশ্বের প্রথম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের। দামেস্ক হয় উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী। উমাইয়া বংশের শেষ খলিফা ছিলেন "Marwan II বা দ্বিতীয় মারওয়ান"। এই খিলাফত ছিল ৬৬১ থেকে ৭৫০ সাল পর্যন্ত। এরপর খিলাফত যায় "Abbasids বা আব্বাসীয়"দের হাতে।

আব্বাসীয়দের রাজধানী ছিল বাগদাদ। তারা ৭৫০-১২৫৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল। এসময় মুসলিম বিশ্বজুড়ে আরো বেশকিছু সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে। যেমন: Mamluk বা মামলুক এবং Fatimid বা ফাতেমীয়। আব্বাসীয় সাম্রাজ্য দখলে নেয় মোঙ্গল'রা। ইশকুল জীবনের সেই বিখ্যাত কারক আর অনুবাদ, "হালাকু খা কর্তৃক বাগদাদ আক্রান্ত হল/হয়।" এরপর আবার আব্বসীয়রা বাগদাদের ক্ষমতা নেয় তবে সেটা মামলুকদের অধীনে। মামলুকরা ১২৫০-১৫১৭ সাল পর্যন্ত খিলাফত রেখেছিল। এর আসে উসমানীয় বা Ottoman রা। এরা ১২৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। খিলাফত দখলে নেন ১৫১৭ সালে। এবং ১৫১৭-১৯২৪ সাল পর্যন্ত 'খিলাফত' এবং ১২৯৯ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত সালতানাত ধরে রাখে। এরা ছিল আনাতোলিয়া'র। "Mehmed VI বা ষষ্ঠ মুহম্মদ" ছিল অটোমানদের শেষ সুলতান এবং "Abdülmecid II বা দ্বিতীয় আব্দুল মজীদ ছিল এদের শেষ খলিফা"। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের নিদারুন পরাজয়ের পর ১৯২০ সালের "সেভরে চুক্তি বা Treaty of Sèvres" দ্বারা অটোম্যান সাম্রাজ্য চার অক্ষশক্তি 'ইটালি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জাপান' এর মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয় এবং সুলতানকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯২২ সালের তুরস্কের স্বাধীনতা আন্দোলনে মোস্তফা আতাতুর্ক ক্ষমতায় যান এবং ১৯২২ সালে অটোমান সালতানাত এবং ১৯২৪ সালে খিলাফত এর সমাপ্তি ঘটে। শেষ হয় প্রায় ১৩০০ বছরের বিশাল এক খিলাফতের।

মুসলিম সাম্রাজ্যের মূল খিলাফত গুলো হল:
১. রাশিদুন খিলাফত বা Rashidun Caliphate (৬৩২-৬৬১)
২. উমাইয়া খিলাফত বা Umayyad Caliphate (৬৬১-৭৫০/১০৩১)
৩. আব্বাসীয় খিলাফত বা Abbasid Caliphate (৭৫০-১২৫৮/১৫১৭)
৪. ফাতেমীয় খিলাফত বা Fatimid Caliphate (৯০৯-১১৭১)
৫. উসমানীয় খিলাফত বা Ottoman Caliphate (১৫১৭-১৯২২)

এর বাইরে আরো কিছু সাম্রাজ্য এবং শাসক খিয়াফতের দাবীদার ছিল কিন্তু তারা স্বীকৃত নিয়। যেমন:
- আবদুল্লাহ ইবনুল জুবায়ের (৬৮৪-৬৯২)
- আলমোহাদ খিলাফত (১১৪৫-১২৬৯)
- তুর্কি প্রজাতন্ত্রের অধীন খিলাফত (১৯২২-১৯২৪)
- শরিফিয়ান খিলাফত (১৯২৪)

সিফফিনের যুদ্ধে আলী এবং মুয়াবিয়া'র দল পরিচিত ছিলা 'Shi'a Ali' এবং 'Shi'a Mu'awiya' নামে। 'Shi'a বা শিয়া মানে হল দল। শিয়া আলী আর শিয়া মুয়াবিয়া মানে হল আলীর দল বা মুয়াবিয়া'র দল। এখান থেকেই "শিয়া" সম্প্রদায় এর উত্থান। আসলে শিয়া কোন ধর্মীয় গোষ্ঠী বা মতাদর্শ নয়। একটা রাজনৈতিক দল হিসেবে 'শিয়া' নামের উত্থান।

পরবর্তী অংশে বিভিন্ন খিলাফত নিয়ে আলোচনা করব...

বিভাগ: 

মন্তব্যসমূহ

পৃথু স্যন্যাল এর ছবি
 

অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকলাম পরের অংশের জন্য।

*************************************
আমি কারো দেখানো পথে চলি না।
আমার ইচ্ছে মত পথের তৈরী করি।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

 
সুজন আরাফাত এর ছবি
 

ধর্মের নামে খিলাফতের নামে এরা মানুষ কে শোষণ করেছে, রক্তের নদী বইয়েছে।খিলাফতের শোষণ থেকে মুক্তি মিলেছে,ধর্ম আজো শোষণ করেই চলেছে।

খিলাফতের অজানা অধ্যায়গুলো জানার এই জার্নিতে সাথে রইলাম;অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের।

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 7 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 31, 2013 - 10:15অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর