নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোঃ হাসানুল হক ...
  • এফ ইউ শিমুল
  • বিপ্লব পাল
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • আহসান_পাপ্পু
  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ

আপনি এখানে

বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও আমরা


বেলুচিস্তান দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রদেশ। ভৌগোলিক দিক থেকে পাকিস্তানের বৃহত্তম এই প্রদেশটির আয়তন ৩,৪৭,১৯০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পাকিস্তানের মোট আয়তনের প্রায় ৪৮% গঠন করেছে। বেলুচি জাতির লোকদের নামে অঞ্চলটির নামকরণ করা হয়েছে। এর পশ্চিমে ইরান (ইরানি বেলুচিস্তান), উত্তরে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চল, পূর্বে পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও সিন্ধ প্রদেশ এবং দক্ষিণে আরব সাগর।এটি মূলত একটি পর্বতময় অঞ্চল। এর ভেতর দিয়ে অনেক মরুভূমি ও অনাবাদী সমভূমি চলে গেছে। এখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুবই কম, উদ্ভিজ্জের আকৃতি ক্ষুদ্র এবং বিরল।

ইতিহাসে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন সংস্কৃতির লোক ভ্রমণ, বাণিজ্য ও যুদ্ধবিজয়ের সূত্রে বেলুচিস্তানের সংস্পর্শে এসেছে। অঞ্চলের সর্বত্র ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যেগুলির বেশির ভাগই এখনও ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। কোয়েতা শহরের কাছে অবস্থিত পিশিন উপত্যকাটির কথা জরথুষ্ট্রীয় ধর্মের ধর্মগ্রন্থঅবেস্তাতে লেখা আছে। গ্রিক ইতিহাসবিদ হেরোদোতুস এবং গ্রিক ভূগোলবিদ স্ত্রাবো তাদের লেখাতে বেলুচিস্তানের উল্লেখ করেছেন; তারা অঞ্চলটিকে গেদ্রোসিয়া হিসেবে জানতেন। বেলুচিস্তানে এখনও অনেক প্রাচীন ইতিহাস লোকমুখে প্রচলিত। লোক ইতিহাস অনুসারে আসিরিয়ার রাণী সেমিরামিস এবং পারস্যের রাজাসিরুসের সেনাবাহিনী বেলুচিস্তানের মরুভূমিতে হারিয়ে যায়।ম্যাসেডোনিয়ার রাজা মহাবীর আলেকজান্ডার ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অঞ্চলটি বিজয় করেন। এর পরবর্তী শতকগুলিতে অঞ্চলটি পারস্য কিংবা ভারতীয় উপমহাদেশেরবিভিন্ন শাসকের অধীন ছিল। ৭ম শতকে আরবেরা বেলুচিস্তান দখল করে। এরপর গাজনাভিদ, গোরি এবং মঙ্গোলেরা পরপর অঞ্চলটি শাসন করে। ১৭শ শতকে কিছু সময়ের জন্য এলাকাটি মোঘল সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। পরে আবার এটি পারস্যের অধীনে আসে।

১৯শ শতকের শুরুর দিকে বেলুচিস্তান ব্রিটিশ রাজনৈতিক প্রভাবের অধীন হয়। সেসময় গোত্রপ্রধানেরা অঞ্চলটি শাসন করতেন। ১৮৩৮-১৮৪২ সালের প্রথম ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধে ব্রিটিশরা অঞ্চলটি দখলে নিয়ে নেয়। ১৮৪১ সালে তারা সেনা প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর ১৮৫৪ ও ১৮৭৬ সালে চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যের সাথে বেলুচিস্তানের বন্ধন সুদৃঢ় হয়। ১৮৭৭ সালে পাঁচটি জেলা নিয়ে ব্রিটিশ ভারতের বেলুচিস্তান প্রদেশ গঠন করা হয়।১৯৪৭ সালে ১৪ ও ১৫ আগষ্ট উপমহাদেশে পাকিস্তান ও ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। ঐ সময় প্রায় ৬ শতাধিক দেশীয় রাজ্য ছিল যারা ইচ্ছা করলে স্বাধীন অথবা পাকিস্তান কিংবা ভারতে যুক্ত হতে পারতো। এই দুই দেশের বাহিরে স্বাধীন থাকার অধিকার এ রাজ্যগুলোর ছিল।

১৯৪৭ সালে বেলুচিস্তানের চারটি করদ রাজ্যের মধ্যে তিনটি (মাকরান, লাস বেলা, খারান) পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হলে। চতুর্থ প্রদেশ কালাটের খান নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে বসে। মুহাম্মদ আলি জিন্না তাদের পাকিস্তানের সঙ্গে চলে আসার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কালাটের খান আহমেদ ইয়ার খান সময় চেয়ে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। ধৈর্য হারিয়ে ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান কালাটকে তার অধীনস্থ হিসাবে ঘোষণা করে। এপ্রিলে সামরিক অভিযান হয়। যুদ্ধে হেরে গিয়ে আহমেদ ইয়ার খান সন্ধিচুক্তি সই করেন ঠিকই কিন্তু তার দুইভাই আঘা আবুদিল করিম বালুচ এবং রাহিম পাকিস্তান সেনার উপর আক্রমণ চালাতে থাকেন।

শতকরা হিসেবে বেলুচিস্তানের ভূখন্ডের পরিমাণ পাকিস্তানের মোট ভূখন্ডের ৪৩% শতাংশ। তবে জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যা ১৮০ মিলিয়নের মধ্যে বেলুচিস্তানের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৩ মিলিয়ন। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৫% শতাংশের আবাসভূমি হলো বেলুচিস্তান প্রদেশ। আর এই ৫% শতাংশের অধিকাংশই হলো বালুচ এথনিক গোষ্ঠী। স্বল্প জনসংখ্যার এই ভূখন্ড তেল, গ্যাস, কয়লা, কপার, সিলবার, গোল্ড, প্লাটিনাম, এল্যুমিনিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি প্রাকৃতিক ও মিনারেল সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও এখানকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্থর হওয়ায় দারিদ্র্যের হার সর্বাধিক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও চিকিৎসা সুবিধা একদম অপ্রতুল। পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ গ্যাসফিল্ড হলো বেলুচিস্তানের সুই গ্যাস ফিল্ড। পাকিস্তানের উৎপাদিত মোট গ্যাসের ৭০% শতাংশ এই সুই গ্যাস ফিল্ড থেকে উত্তোলিত হয়ে থাকে। পাকিস্তানী টাকার অঙ্কে বাৎসরিক ৮৫ বিলিয়ন রুপির গ্যাস উৎপাদিত হয়ে থাকে এই গ্যাস ফিল্ড থেকে। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সুই গ্যাস ফিল্ডের অবদান সর্বাধিক। শিল্প প্রতিষ্ঠান সমূহ, পাওয়ার জেনারেশন, কৃষি, কমার্স এবং ডমেস্টিক কার্যে এককভাবে গ্যাস সবরাহের উৎস হলো এই গ্যাস ক্ষেত্র। পাকিস্তানের সকল সিটি, শহর এবং অধিকাংশ গ্রামগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করা হয় এই গ্যাস ক্ষেত্র থেকে। অথচ, বালুচরা পর্যাপ্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এই প্রদেশে অবস্থিত সেনানিবাস, ২৮টি জেলার মধ্যে ৪টি জেলা এবং প্রদেশের ২৮ হাজার গ্রামের মধ্যে ২৫০টি গ্রাম সুই গ্যাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস সুবিধা পেয়ে থাকে। বালুচদের প্রতি পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-বঞ্চনার একটি বড় উদাহরণ হলো গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থাপনা। প্রায় সাত দশক ধরে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বালুচরা শোষিত-বঞ্চিত হয়ে আসছে, এই অভিযোগ বালুচ জনগণের।

সম্প্রতি কাশ্মীর ইস্যুতে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা দেয়ার পরে ভারতের পক্ষ থেকে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাপন্থীদের পাশে দাড়ানোর ঘোষণা দিলে উপমহাদেশের রাজনীতিতে বেলুচিস্তান নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, যার ঢেউ বাংলাদেশে এসেও লাগে। আমাদের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সাহেব নয়াদিল্লী ভ্রমণকালে বেলুচিস্তানের পাশে দাড়ানোর ঘোষণা দেয়ার পরে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনার ঝড় ওঠে অনলাইনে অফলাইনে। একথা সর্বজন স্বীকৃত যে একাত্তরে পাকবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে যে নিয়মে নির্যাতন চালিয়েছে,সেই একই কায়দায় নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো হচ্ছে বালুচদের ওপরে।সামরিক বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার, গুম, খুন, ধর্ষণ এখন সেখানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। বিগত ৭০ বছর ধরেই এভাবে নির্যাতিত হচ্ছে বালুচরা। তাঁদের সংগ্রামের প্রধান নেতা আকবর বুগদিসহ হাজার হাজার মুক্তিকামী বালুচদের হত্যা করেছে পাকসেনারা।কারাবন্দী করা হয়েছে অগুণতি।জিজ্ঞাসসাবাদের নামে বালুচ মহিলাদের ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করছে পাকসেনারা।যেমনটি করেছিল একাত্তরে বাংলাদেশে।

একটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে আনা জাতি হিসেবে পৃথিবীর প্রতিটি স্বাধীনতা সংগ্রামের পাশে থাকা আমাদের উচিৎ বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। সেটা বেলুচিস্তান ,কাশ্মীর , তামিল যেই হউক।কিন্তু স্বাধীনতার পরে বেলুচিস্তান কি ধরনের রাস্ট্র হতে পারে? বাংলাদেশ , ভারত , নেপাল , ভূটানের মতো? নাকি পাকিস্তান , আফগানিস্তানের মতো?

বেলুচ স্বাধীনতা আন্দোলন চলছে,ধর্ম নিরোপেক্ষ সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে সামনে রেখে।জাতিগত ভাবেও বেলুচরা ভীষন অসাম্প্রদায়িক। জানিয়ে রাখি হিংলাজ। মাতার মন্দিরের য়্যাকোরডিয়ান বেলুচ বুগতি উপজাতি।এ মন্দির রক্ষা করতেই তারা তালেবান মুজাহিদদের সাথে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে সামিল হয়েছিল।এ থেকে মোটামুটি ধারণা করা যায় যে স্বাধীনতা আদৌ পেলে প্রাথমিক ভাবে পাকিস্তানের মতোই একটি রাষ্ট্র তৈরী হবে। কিন্ত এক বা একাধিক পালাবদলের পরে সেই রাষ্টবাংলাদেশের মতোই একটি রাষ্ট্র হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে মুসলীম অধ্যুষিত রাষ্ট হিসাবে বেলুচিস্তান হবে দ্বিতীয় সম্ভবনা ময় রাষ্ট।উল্লেখ্য, বেলুচিস্তানে মোট ১৮টি এথনিক সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন এবং এদের মধ্যে শক্তিশালী তিনটি এথনিক সম্প্রদায় হলো; বুগতি, মারীজা এবং মেঙ্গল।

বালুচরা বহুবছর ধরেই স্বাধীনতার সংগ্রাম করছে ঠিকই, কিন্তু যোগ্য নেতৃত্ব আর উপজাতীয় কোন্দলের কারণে তা আজ পর্যন্ত শক্ত কোন ভিত্তি পায়নি।আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে পূর্ব আর পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে চিরশত্রু রাস্ট্র ভারতের অবস্থান থাকায় পাকিস্তানের পক্ষে সর্বশক্তি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরা সম্ভবপর হয়নি। কিন্তু বালুচদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধাটুকু নেই। তাদেরকে লড়তে হচ্ছে পাকিস্তানের ভৌগলিক সীমারেখার মধ্যে থেকেই। কাজেই এই আন্দোলনের সফলতা অর্থাৎ স্বাধীনতার সূর্যের দেখা পেতে হলে বালুচদের অবশ্যই প্রতিবেশী সহমর্মী বন্ধুদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

কাশ্মীরের হুরিয়াত যেমন স্বাধীনতার মাধ্যমে পৃথক স্বাধীন জাতিরাস্ট্র গঠনের চাইতে পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশনের মাধ্যমে যুক্ত হতে চাইছে, বালুচদের স্বাধীনতার লড়াই কিন্তু মোটেও সেরকম নয়। তাঁরা স্বাধীন হয়ে ভারত বা অন্য কোন রাস্ট্রের সাথে যুক্ত হতে ইচ্ছুক নয়। বরং চায় নিজেদের জন্য একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে তুলতে।যেমনটি আমরা চেয়েছিলাম একাত্তরে। আর সেদিক থেকে বাংলাদেশ ও বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্যে রয়েছে পরম সাদৃশ্য। ২৪ বছরের শোষণের বেড়াজাল ছিন্ন করে এক নদী রক্তের বিনিময়ে আমরা পাকিস্তানের সোনালী সূর্যকে ছিনিয়ে এনেছিলাম একাত্তরে। আর পৃথিবীর বুকে পাকিস্তান নামক বিষবৃক্ষটির কবল থেকে সেই সোনালী সূর্যের রবিরশ্মির দেখা পাওয়ার জন্য বিগত ৭০ বছর ধরে লড়ে যাচ্ছে বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগোষ্ঠী।

এই সংগ্রাম কি আদৌ সফল হবে কোনোদিন বাংলাদেশের মতো? নাকি নেবে শ্রীলংকার তামিলদের সংগ্রামের মতোই ব্যর্থ পরিণতি? সময়েই দেবে এর প্রকৃত সদুত্তর।

তথ্যসূত্রঃ
১। উইকিপিডিয়া
২। রিডার্স ডাইজেস্ট
৩। বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল

Comments

সোহেল ইমাম এর ছবি
 

অনেক আগে শুনেছিলাম পাকিস্তানে বালুচরা আমাদের মতই শোষন আর বঞ্চনার শিকার। একবার , সম্ভবত ১৯৭৩ সালের দিকে পাকিস্মানী পাঞ্জাবীদের শোষনের বিরুদ্ধে বালুচদের সংগ্রামও শুরু হয় বলে শুনেছিলাম। লেখাটা পড়ে অনেক কিছু জানলাম। লেখাটার জন্য ধন্যবাদ।

----------------------------------------------------
কে লেখে, কারা লেখে দেয়ালের আঁকিবুকি দাগ
সময়ের স্মৃতি রেখে বাকী অর্থ খ’সে পড়ে যাক

 
সুজন আরাফাত এর ছবি
 

চিরকাল কারো উপর শোষণ করা যায় না,বিদ্রোহ আসেই বিপ্লব আসেই।বালুচদের মুক্তি ঘটুক শোষনের যাঁতাকল থেকে।স্বাধীনতার সূর্য আলো ছড়িয়ে যাক বেলুচিস্তান এ।

 
নুসরাত_জাহান এর ছবি
 

বেলুচদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ। তবে তাদের স্বাধীনতা ইহজনমে আসবে বলে আমার মনে হয়না ঃ(

নুসরাত

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রাজেশ পাল
রাজেশ পাল এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 4 weeks ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 22, 2014 - 8:54পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর