নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

ইটালি ১৯১৮-১৯৪৫: মুসোলিনি এবং ফ্যাসিজম


সমুদ্র থেকে খুব দূরে নয় এবং সহজেই সমুদ্র দিয়ে আক্রমণ সম্ভব বলে দক্ষিণ ইউরোপের এ দেশটিকে বলা হয় "ভূমধ্যসাগরের কয়েদী"। এজন্য ইটালি সবসময় জিব্রাল্টার ও সুয়েজে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাইত। এমনকি তারা ভূমধ্যসাগর কে বলত 'আমাদের সমুদ্র (Mare Nosturn)'। গ্যারিবল্ডির নেতৃত্বে ১৮৭০ সালে ইটালির একত্রকরণ শেষ হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে তখন থেকেই ইটালি অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমস্যায় ভুগতে থাকে।

প্যারিস শান্তিচুক্তি ও ইটালির ক্ষোভ
১৯১৫ সালে লন্ডনে এক গোপন চুক্তিতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পুরস্কার লাভের আশায় মিত্রপক্ষের (allied and associated power) সাথে যুদ্ধে যোগ দেয় ইটালি। যদিও তারা অক্ষশক্তির সাথে ছিল। যুদ্ধে মিত্রপক্ষ জয়ী হলে ইটালি আশা করেছিল তারা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সব কিছু পাবে এবং যার ফলে তার জাতীয়তাবাদী এবং সাম্রাজ্যবাদী আকাঙখা পূরণ হবে। কিন্তু প্যারিস শান্তি সম্মেলনে ইটালি আশানুরূপ কিছু না পাওয়ায় তাদের মনে ক্ষোভ জমতে থাকে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ইটালির প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। ইটালিতে দ্রব্যমূল্যের দাম প্রচুর বৃদ্ধি পায়। যুদ্ধে ইটালির প্রায় ১২ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল এবং প্রায় ৭০০,০০০ সৈন্য নিহত হয়েছিল। বিজয়ী রাষ্ট্রের অন্যতম হলেও পরাজিত রাষ্ট্রগুলির মত ইটালি শান্তিচুক্তিতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। বিভিন্ন কারণে ইতালি অসন্তুষ্ট হয়। প্রথমত, গোপন চুক্তি অনুযায়ী ইটালিকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল যে তাকে ট্রেনটিনো, দক্ষিণ টাইরল, ইস্ট্রিয়া, ট্রায়েস্ট, দালমাতিয়ার অংশবিশেষ, আদালিয়া, ঈজিয়ান দ্বীপের কিছু অংশ এবং আলবেনিয়ার ক্ষমতা দেয়া হবে। যদিও ইটালিকে এরমধ্যে চারটি স্টেট দেয়া হয় এবং বাকিগুলোর বেশিরভাগ পায় যুগোস্লাভিয়া। তাছাড়া, যুদ্ধচলাকালে আলবেনিয়াতে ইটালির সৈন্য থাকার পরও আলবেনিয়ার সেনাবাহিনীর চাপে ইটালির সেনাবাহিনী আলবেনিয়া ছাড়তে বাধ্য হয় এবং আলবেনিয়া স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পায়। দ্বিতীয়ত, প্যারিস সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ ইটালিকে ফিউম (Fiume) নগরী প্রদানে ব্যর্থ হয়। তৃতীয়ত, ঔপনিবেশিক ক্ষেত্রেও ইটালি অসন্তুষ্ট হয়। ইটালির আকাঙখা ছিল পূর্ব ভূমধ্যসাগর ও আফ্রিকায় কিছু ভূমি অর্জন। যদিও লিবিয়া ও সোয়াজিল্যান্ড এ ইটালির আগের আধিকারের পরিমাণ কিছু বেড়েছিল কিন্তু সেভরে চুক্তি (Treaty of Sevres) অনুযায়ী স্মার্না ও এর নিম্নভূমি গ্রিসকে দেয়া হয়। এরচেয়েও হতাশার ব্যাপার ছিল গ্রিক অধ্যুষিত ডোডেকানিজ দ্বীপপুঞ্জ যা ১৯১২ সালে ইটালি নিজের দখলে নিয়েছিল তা আবার গ্রিসের নিকট ফিরিয়ে দিতে হয়। এছাড়া নিজের দখলে সামান্য ঔপনিবেশিক ভূমি ও অপর্যাপ্ত কাঁচামাল থাকার কারণে ইটালি ভেবেছিল আফ্রিকার জার্মানির দখলকৃত ভূমি থেকে সে কিছু পাবে। অথচ কিচ্ছু জুটেনি ইটালির ভাগ্যে। Mandate system of the League of Nations এর অধীনে এই ভূমির বেশিরভাগ অংশ ব্রিটেন, ফ্রান্স আর বেলজিয়ামকে দেয়া হয়। এভাবে শেষ পর্যন্ত ইটালির অর্জন দাঁড়ায় শূণ্য। এরফলে মনোবল ভঙ্গ হয় ইটালির।

ইটালিতে ফ্যাসিবাদের অভ্যূত্থানের কারণ
অভ্যন্তরীণ দুর্দশা, পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতা ইটালির জনগণের মনে যে নৈরাশ্যের সৃষ্টি করেছিল তার ফলেই মূলত ফ্যাসিজমের জন্ম। প্যারিস শান্তি সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ ইটালির সাথে প্রতারণা করেছেন এবং ইটালির অযোগ্য নেতৃবৃন্দ ইটালির জন্য বিন্দুমাত্র সুবিধা লাভ করতে পারে নাই, ইটালির জনগণের মনে এই ধারণা জন্মেছিল। সাধারণের মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়েছিল যে তারা মনে করেছিল আদতে যুদ্ধে জয়লাভ করলেও শান্তিচুক্তিতে ইতালি পরাজিত হয়েছে। ফলে জনগণ সরকারকে দোষ দিতে থাকে। এছাড়া ইটালির আর্থিক দুর্দশা চরমে পৌছেছিল। খাদ্যের চরম মূল্যবৃদ্ধি হয়। এছাড়া সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রচুর ঋণ নেয় এবং বিতর্ক জন্মে তারা কিভাবে এটা পরিশোধ করবে! সেইসাথে মুদ্রার মানি একদম নেমে যায়। যেখানে ১৯১৪ সালে এক ডলারের বিপরীতে ছিল ৫ লিরা সেটা ১৯২১ সালে দাঁড়ায় ২৮ লিরায়। এছাড়া বেকারত্ব বেড়ে যায়। ২.৫ মিলিয়ন চাকুরীজীবী বেকার হয়ে যায় যুদ্ধের পর। পার্লামেন্টেও নির্দিষ্ট দল নিয়ে বিপির্যয় দেখা দেয়। ১৯১৯ সালে বেনিতো মুসোলিনি ইটালিয়ান ফ্যাসিস্ট পার্টি গঠন করেন। ১৯২১ সালে হয় নির্বাচন। নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট পার্টি ৩৫ টা আসন পায়। নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও এখানে কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নয়টি দল পার্লামেন্টের সিট পায়, এরমধ্যে ছিল ফ্যাসিস্ট দল, লিবারেল, জাতীয়তাবাদী, সোশ্যালিস্ট, কম্যুনিস্ট, ক্যাথলিক সব দলই। এদের সবাইকে নিয়ে পার্লামেন্ট গঠন করা হয়। কিন্তু প্রধান নেতা কে হবেন এ নিয়ে সমস্যা শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত একরকম যোগসাজশ করে জিওভান্নি জিওলিত্তি (Giovanni Giolitti) প্রধান মন্ত্রি হন।কিন্তু অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা কমেনি বরং আরো বেড়ে যায়।

বেনিতো মুসোলিনি (Benito Mussolini) এবং ফ্যাসিস্ট পার্টি

মুসোলিনি এবং তার ফ্যাসিস্ট পার্টি ইটালির বিভিন্ন সমাজে অনেক জনপ্রিয় হয় কারণ তাঁর লক্ষ ছিল দূর্বল সরকারের হাত থেকে ইটালির জনগণকে উদ্ধার করা। ইটালির ফ্যাসিস্ট দলের নেতা বেনিতো মুসোলিনি (মুসোলিনির পুরো নাম বেনিটো অ্যামিলকেয়ার আন্দ্রে মুসোলিনি) ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং নিহত হন ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল। তিনি এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন কামার এবং মা একজন স্কুল শিক্ষিকা। রাজনীতির প্রাথমিক জীবনে তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টিতে যোগদানt করেন এবং পার্টি পত্রিকা "আভান্তি (Avanti)" তে সাংবাদিক এবং প্রকাশক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ সমর্থন করে তিনি পার্টি ত্যাগ করেন এবং সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। যুদ্ধ আহত হলে তিনি সৈনিক থেকে ইস্তফা দেন এবং নিজের সংবাদপত্রে কাজ শুরু করেন যার নাম ছিল "পোপালো ডি ইটালিয়া (Popalo d'Italia)"। ১৯১৯ সালে সোশ্যালিস্ট এবং রিপাবলিকান সংগঠনগুলো মিলে এক বৈঠকে তিনি "সংগ্রামী ঐক্য বা Fascio di Combattimento" গঠন করেন। 'Faces' শব্দটি একটি রোমান শব্দ যার মানে হল "কুঠারের সাথে লোহার বান্ডিল (bundle of rods withh axe)" যেটা প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের ক্ষমতার প্রতীক ছিল। এইদলগুলো ছিল ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠি। ফ্যাসিজমের আদর্শ হিসেবে ইটালিয়ান কবি গ্যাব্রিয়েল ডি এনুয়িনজোর (Gabriel D' Annunzio) এর রাজনৈতিক আদর্শকে গ্রহণ করেন। ফ্যাসিস্ট পার্টির উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং ধর্মীয় (মুসোলিনি ধার্মিক এবং রোমান ক্যাথোলিক ছিলেন) পরিবর্তন আনা এবং এর কর্মকাণ্ড ছিল উগ্র জাতীয়তাবাদের সমর্থক। ১৯২১ সালে ফ্যাসিস্ট আন্দোলনের সময় দলের নাম "ফ্যাসিস্ট পার্টি" করা হয়। একই সাথে একটি নতুন এবং বৃহৎ আকারের চরমপন্থি প্রোগ্রানের খসড়া করা হয়। পরবর্তী কয়েকমাস জনমত আদায়ের মাধ্যকে দলকে শক্তিশালি করার কাজে ব্যয় করা হয়। ১৯২১ সালের নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট পার্টি সাংবিধানিক ভাবে ক্ষমতা দখল করতে না পেরে চরমপন্থা হাতে নেন। মুসোলিনি'র ফ্যাসিস্ট দল "march on Rome" নামে আন্দোলন শুরুত করে। তিনি ১৯২২ সালে ফ্যাসিস্টদের এক বিরাট সম্মেলনে ঘোষনা দেন, "হয় সরকারি ক্ষমতা আমাদের হাতে ছেঁড়ে দিতে হবে নয়তো আমরা মার্চ করে রোমে গিয়ে তা বলপূর্বক দখল করব।" ফলে সংকটময় অবস্থার সৃষ্টি হয়। ১৯২২ সালের ২৭ অক্টোবর ঐতিহাসিক রোম অভিযানের দিন ঠিক করা হয়। ইটালির বিভিন্ন জায়গা থেকে ফ্যাসিস্টরা রাজধানীর আশেপাশে জমা হতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ১৯২২ সালের ৩০ অক্টোবরে রাজা ভিক্টর ইমানুয়েল (Voctor Emmanuel) মুসোলিনিকে সরকার গঠন করতে বলেন এবং ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত মুসোলিনি ক্ষমতায় ছিলেন। ১৯২৪ সালের শেষ দিকে পার্লামেন্টের কাছ থেকে মুসোলিনি একচ্ছত্র ক্ষমতা লাভ করেন অন্যদিকে তিনি ছিলে ফ্যাসিস্ট দলে ক্ষমতার শীর্ষবিন্দুতে।

ফ্যাসিজম কি?
"ফ্যাসিস্ট বা fascist" মানে আসলে ক এটা আমাদের জানা প্রয়োজন কারণ পরবর্তি সময়ে বিভিন্ন শাসক এই শব্দটি ব্যবহার করেন। যেমন: জার্মানির হিটলার, স্পেনের ফ্রাঙ্কো, পর্তুগালের সালাজার, আর্জেন্টিনার পেরন প্রমুখ। যদিও এগুলো ইটালিয় ফ্যাসিজন থেকে একটু ভিন্ন ধারার ছিল। ইদানীং সময়ে কেউ যদি একটু ডান-বাম পন্থির দিকে যায় তবেই তাকে ফ্যাসিস্ট বলা হয়। এটা একরকম প্রবণতা চালু হয়েছে। আসলে ফ্যাসিজমের কোন পরিষ্কার সংজ্ঞা নেই যেভাবে মার্ক্স কমিউনিজমের সংজ্ঞা দিয়ে গেছেন। দেখা যায় ১৯২৩ সালের পূর্বে ফ্যাসিজমের মানেই ছিল ক্ষমতা দখলের উপায় যদিও শেষ পর্যন্ত কিছু মূলমন্ত্র দেখা যায়। এগুলো হল:

  • গোঁড়া জাতীয়তাবাদ (Extreme Nationalism): প্যারিস শান্তি চুক্তিতে হারার পর এবং প্রথমবিশ্বযুদ্ধের পর ভঙ্গুর ইটালিকে সংস্কার করা ছিল ফ্যাসিস্টদের লক্ষ। ইটালির অপ্রতুল প্রাপ্তিতে তাদের মনোবল ভেঙ্গেছিল এবং এই অপ্রাপ্তির পথ ধরে ক্ষোভ থেকে তারা গড়ে ওঠে।
  • একদল ভিত্তিক সরকার ব্যবস্থা (A totalitarian system of government): এটার মাধ্যমে একটা শক্তিশালি ক্ষমতা সৃষ্টি করে যতটুকু সমম্ভব সর্বসাধারণকে নিয়ন্ত্রণ করা ছিল ফ্যাসিস্ট পার্টির লক্ষ। এবং এভাবে রাষ্ট্রের সকল জনগণকে নিয়ন্ত্রন করে রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠতা এবং বিশাল ক্ষমতা প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল।
  • একদল, একরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা (A one-party state was essential): ইটালির সে অবস্থায় গণতন্তের কোন স্থান ছিল না। ফ্যাসিজম, কমিউনজমের সাথে শত্রুতাপূর্ণ থাকার পরও সেটা জনপ্রিয় হয়। ফ্যাসিস্ট পার্টির সদস্যরা ছিল রাষ্ট্রের প্রধান। নেতাদের আকর্ষণীয় এবং রোমহর্ষক বক্তৃতা তাদের জনগণের খুব কাছে নিয়ে গিয়েছিল এবং জনপ্রিয় করেছিল।
  • অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা (Economic self-suffiencey): অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর একটা দেশের জন্য অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ছিল অনেক প্রয়োজনীয় একটা ব্যাপার। ফ্যাসিস্ট দল এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। এবং সেটা মার্ক্সিস্ট পন্থায় না, বরং তাদের নিজস্ব ফ্যাসিস্ট পন্থা অবলম্বনে তারা অর্থনীতির শক্তিশালি ভীত রচনা করতে থাকে।
  • সামরিক শক্তি এবং সংঘাত (Military strength and violence): শক্তি এবং সংঘাত জীবনের অংশ। মুসোলিনি নিজেই বলতেন, "শান্তি অযৌক্তিক, অর্থহীন, ফ্যাসিজম এসবে বিশ্বাস করে না।" এই নীতির ফলে ফ্যাসিবাদের বিরোধীদের শাস্তি দিতেও তাদের জন সমর্থন কমেনি। এবং একটা এর ফলে একটা আক্রমণাত্মক বৈদেশিক নীতি প্রণয়নেও তারা দ্বিধা করেনি। ক্ষমতায় অধিষ্ঠানের পরপরই মুসোলিনি অন্যান্য ব্যাপারের সাথে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ইটালির হারানো মর্যাদা বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হন। প্রথম দিকে তার ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না কারণ পূর্ববর্তী সরকারসমূহ ইটালির অনেক ভূমি ও সুযোগ-সুবিধা হারায়। মুসোলিনির প্রথম বিজয় ছিল ডোডেকানিজ দ্বীপপুঞ্জের বেলায়। যেটা দখল স্বত্তেও এর আগেগে ইটালী গ্রিসের কাছে হারায়, এটা তিনি পূনর্দখল করেন।

সমাপ্ত
.
বিবলিওগ্রাফি:
১. Modern World History by Norman Lowe; published by: Macmillan & Co. Limited
২. International Relations between the two World War by E.H. Carr; published by: Macmillan & Co. Limited
৩. History of International Relations by Abdul Halim; Published by: Moula Brothers
৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাস by Asit Kumar Sen; Published by: K P Bagchi & Co.
এছাড়া ব্লগ ও উইকিপিডিয়া।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 23 ঘন্টা 43 min ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর