নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রুদ্র মাহমুদ
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন
  • দিন মজুর

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

খাগড়াছড়ির আলুটিলায় জোরপূর্বক জমি অধিগ্রহণ ও রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র



সবাই জানেন, খাগড়াছড়িতে ৭০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের নামে। আলুটিলা পর্যটনকে সম্প্রসারণ করে রিসাং ঝর্ণার আশেপাশের সমস্ত এলাকার সাথে সংযুক্ত করে পর্যটন গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকার ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে যে, পর্যটনের উন্নয়নের জন্য খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ২৬২নং গোলাবাড়ি মৌজার ৯৫.৯৮ একর এবং মাটিরাঙ্গা উপজেলার ২০৪ নং আলুটিলা ও ২০৫নং বৈকাতাং মৌজার প্রায় ৬০৪ একর জমি অধিগ্রহণ করছে।
৬৯৯.৯৮ একরের মাঝে মাত্র ৮ একর দেখানো হয়েছে ব্যক্তি মালিকানাধীন (মংসাইগ্য চৌধুরী নামে) আর বাকি জমির মালিক হিসেবে দেখানো হয়েছে জেলা প্রশাসককে অর্থাৎ খাস জমি হিসেবে অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু কয়েকজন ইতিমধ্যে জানিয়েছেন তাদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন অনেক জমিই অধিগ্রহণের আওতায় পড়েছে এবং তা খাস জমি হিসেবেই দেখানো হয়েছে।
কিন্তু পাহাড়ে জেলা প্রশাসক নিজের ইচ্ছেমত জমি অধিগ্রহণ করতে পারেন না। কারণ পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ আইনানুসারে ৬৪ এর ১নং (ক) ধারায় উল্লেখিত যে, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার এলাকাধীন বন্দোবস্তযোগ্য খাস জমিসহ যে কোন জায়গা জমি, পরিষদের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে, ইজারা প্রদান, বন্দোবস্ত, ক্রয়, বিক্রয় বা অন্যবিধভাবে হস্তান্তর করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, রক্ষিত (Reserved) বনাঞ্চল, কাপ্তাই জলবিদ্যুত্ প্রকল্প এলাকা, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ এলাকা, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পকারখানা ও সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নামে রেকর্ডকৃত জমির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না৷

কিন্তু আলুটিলাকে কি সরকার রক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করেছে? না করেনি, তাই এখানে স্পষ্টি আইনের বিধান লংঘিত হয়েছে। সরকার প্রথমেই এখানে নিজের চাল দিয়ে রেখেছে জেলা পরিষদে নিজের দাবার ঘুঁটি বসিয়ে রেখে। নিজেদের নিয়ন্ত্রিত কিছু পা চাটা ব্যক্তি সেখানে রেখে ইচ্ছেমত অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। জেলা পরিষদ এখন পদলেহী ব্যক্তিদের আখড়া ছাড়া আর কিছুই নয়। বাবুছড়ায় যখন জমি পাহাড়িদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হল তখন জেলা পরিষদের নিশ্চুপ ভূমিকা দেখে এটিই বুঝা গিয়েছিল। এবার খাগড়াছড়ি!! জেলা পরিষদ এবারও নিশ্চুপ ভূমিকা নেবে এটি স্পষ্ট।

এর প্রতিবাদে গত ২৩ আগস্ট সেখানে বসবাসকারী ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রতিবাদ কর্মসূচী ও মানববন্ধন করলে সেখানে প্রশাসন বাধা দেয়। শুধু তাই নয়, প্রোগ্রামে সেটেলাররাও হামলা করে বসে এবং হালকা ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এরপর কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং এতে কয়কজনকে গ্রেফতারও করা হয়।
এরপর খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কলেজের গেইটে প্রোগ্রামে অংশগ্রহণে বাধা প্রদান করে সেটেলারদের সংগঠন বাঙালি ছাত্র পরিষদ। সংগঠনের নেতা মঈন উদ্দীন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে প্রশ্ন করা করেছে “কে কে পিসিপি করে”। আর কলেজের পূর্ব গেটে একজন একাদশ ছাত্রকেও মারধর করে তারা।
শুধু তাই নয়, গত ২৪ ও ২৫ আগস্ট ক্রমান্বয়ে সাধারণ পাহাড়িদের উপর সেটেলাররা বিনা কারণে হামলা করে বসে। এখানে এক প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা পড়ুনঃ


নিজেকে খুব অসহায় লাগছে, নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছে, চারপাশের সবকিছুকে ঘৃণা করতে ইচ্ছা করছে। আজ সন্ধ্যায় সেটেলার নরপশুদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছি কিন্তু কেন হয়েছি এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। যতদূর জানি গতকাল পাহাড়িদের ৭০০ একর জমি অধিগ্রহণ করার প্রতিবাদে মানব বন্ধনে সেটেলাররা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। কিন্তু তাই বলে কোন কর্মসূচী গ্রহণ ছাড়াই রাতের অন্ধকারে এমন বর্বর ও নৃসংশ হামলা হতে পারে, তা আমার কল্পনাতীত, যা একমাত্র পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষেই সম্ভব ছিল।
মহাজন পাড়া থেকে ফেরার পথে উপজেলার সামনে আমার বাইক রোধ করার চেষ্টা করে কিন্তু আমি পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে সামনে আরো ৩০-৪০ জনের গ্রুপ লাঠি ও রড নিয়ে পথরোধ করার চেষ্টা করলে আমি প্রাণপণে পালানোর চেষ্টা করি ও সক্ষম হই। কিন্তু কয়েকজন আমার হাতে ও পিঠে লাঠি দ্বারা আঘাত করে। এ সময় একটি বাইক থামানো অবস্থায় এবং অপর একটি ড্রেনে দেখি। যাত্রীদের সাথে নরপশুগুলো কি করেছে আমি জানি না। হাফ কিলো দুরত্বে পুলিশ বক্স এ ইনফর্ম করি। তারা তাদের মতো বিভিন্ন জায়গায় ফোন দিল, দুই গাড়ী পুলিশ আসার কথা জানালো। আমি যাওয়ার সময় উপজেলা যাত্রীছাউনিতে একদল পুলিশ দেখেছিলাম কিন্তু ফেরার সময় আমি কাকতালীয়ভাবে তাদের দেখা পায়নি। জানিনা ততক্ষনে অনেক দেরী হয়ে গেল কিনা, আরো কত মানুষ এই নরপশুদের শিকার হলো। বাঙালি ছাত্র পরিষদ নামের একটি দলের এই ধরনের কাজ করার বেশ সুনাম আছে। কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি যাদের চেহারা আমি দেখেছি তারা কোন ভাবেই ছাত্র ছিল না। আমার মনে হয় এরা সবাই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো নেপথ্য নায়কদের ভাড়াটে সন্ত্রাসী। এরপর হইতো মাটিরাংগা, জালিয়াপাড়া ও রামগড়ে সাধারন নিরীহ পাহাড়িদের বাস থেকে নামিয়ে নির্যাতন করা হতে পারে, খুন-গুমও অস্বাভাবিক নয়। অন্তত অতীতের রের্কড তাই বলে কিন্তু মিডিয়ার চোখে কোনদিন তা ধরা পড়েনি।
সত্যি কথা বলতে কি, আমার পাহাড়ি বন্ধু থেকে বাঙালি বন্ধুই বেশি, আমার বিপদে-আপদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বন্ধুদের যে সহযোগিতা পেয়েছি, তা আমি কোনদিন ভুলব না। নিজের ভেতরে সবসময় অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালন করার চেষ্টা করি। আমার সাথে যারা মিশেছেন তারাই এ বিষয়ে ভাল বলতে পারবেন। এজন্য মনে মনে পাহাড়ের সমস্যাগুলোর নিরপেক্ষ সমাধান খোজার চেষ্টা করি। এখন মনে হচ্ছে, আমি গর্দভের মতো রাজকন্যা লাভের আশায় রাজকন্যার হারিয়ে যাওয়া নাকফুল খুজেছি অতই জলে কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সাম্প্রদায়িকতার মাঝে সীমাবদ্ধ এবং ততদিন এর থেকে উত্তরণ হবে না, যতদিন না আমাদের নীতিনির্ধারকেরা এর সঠিক রূপরেখা ঠিক করে না দেন। কিন্তু পার্বত্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠি, উপজাতি জংলীদের নিয়ে ভেবে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করার মত নীতিনির্ধারক কেউ কি আদৌ আছে, না আসবে?
শান্তি বর্ষিত হোক, শান্তি বর্ষিত হোক আর নরপশুদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
অনেক দুঃখ আর ক্ষোভ নিয়ে আহত হাতে লেখাটা শেষ করলাম।


গত ২৪ তারিখ রাত দশটা ৫৩ মিনিটে শুভ চাকমা নামে একজন এই স্ট্যাটাস পোস্ট করেন। শুধু তাই নয়, এরপরে সেটেলাররা সরকারি কলেজের পাশে অবস্থিত কলেজ পাড়া ও উপালি পাড়ায়ও হামলার চেষ্টা চালালেও সফল হতে পারেনি। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পাহাড়ি গ্রামে ঢুকে টহল দিতে শুরু করে কিন্তু সেটেলারদের বাধা দিতে তাদের কোন তৎপরতা দেখা যায় নি।
আজ আবার নাকি সদর উপজেলার অনন্ত মাষ্টার পাড়ায় ঢুকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পাহাড়ি ব্লগার-অনলাইন এক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চালায়।
এ নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই খাগড়াছড়ি শহরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কিন্তু কোন মিডিয়ায় এ খবর প্রচার হচ্ছে না। স্থানীয় এক অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাদে দেশের প্রথম সারির মিডিয়াগুলো নিজেদের মুখ ফিরিয়ে রেখেছে। কারন সবাই প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের পরিনাম ভুলে যায় নি। অন্যদিকে সেটেলারদের খবর নিয়মিতই প্রচারিত হচ্ছে। তারা একের পর এক প্রোগ্রাম কর্মসূচী দিয়ে রেখেছে ভূমি কমিশন আইন বাতিলের দাবিতে। তারা এটাও দাবি করছে এই আইনে পাহাড়ে সেটেলাররা ভূমি অধিকার হারাবে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হচ্ছে, পাহাড়ে সেটেলারদের কবে ভূমির উপর অধিকার ছিল? ৭৮-৭৯ সালের দিকে সমতলের মানুষদের নিয়ে এসে সাধারণ পাহাড়িদের জমির উপর বসিয়ে প্রান্তিক মানুষকে আরো প্রান্তিকতার দিকে ঠেলে দিয়েছে রাষ্ট্র। আর তাতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে সেনাবাহিনী। তাই দখলকৃত জমিতে যখন সেটেলাররা নিজেদের অধিকার দাবি করে এবং তাতে সেনাবাহিনী মদদ দেয়, এর চেয়ে বড় আর ষড়যন্ত্র হতে পারে না। এ ষড়যন্ত্র পাহাড়িদের নির্মূলের, উচ্ছেদের।
সেটেলারদের এই কর্মসূচী সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদেই করা হচ্ছে যেন সাধারণ পাহাড়িরা নিজেদের ভূমি হারানোর কোনরূপ প্রতিবাদে নামতে না পারেন। তার ইংগিত ২৩ তারিখের প্রোগ্রামের দেয়া হয়েছে স্পষ্টভাবে। পাহাড়িদের গণতান্ত্রিক প্রতিটি আন্দোলনে সেটেলারদের লেলিয়ে দেয়া হয়। এর আগেও খাগড়াছড়ি সদরের কমলছড়িতে সবিতা চাকমাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সাধারণ পাহাড়িরা প্রতিবাদে ফেটে পড়লে সেটেলাররা পালটা কর্মসূচী দেয় ধর্ষকের পক্ষে। এরপর প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর মদদে পাহাড়ি গ্রামে গিয়ে উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়।
বাঙালি ছাত্র পরিষদের তেমন কোন কাজ নেই। পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী সেটেলারদের অধিকারের কথা বলে এই সংগঠন পাহাড়িদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে সবসময় তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করে। ধর্ষকের পক্ষে পৃথিবীর আর কোথাও সাফাই গাওয়া যায় না একমাত্র পাহাড় ছাড়া। সেখানে প্রকাশ্যে মানববন্ধন-মিছিল-সমাবেশ করা হয় ধর্ষকের পক্ষে। তাই, এবার আলুটিলায় যখন সাধারণ পাহাড়িদের জমি ছিনিয়ে নিচ্ছে সরকার তখনই আবার রাষ্ট্র-প্রশাসন-সেনাবাহিনীর পক্ষ নিয়ে সেটেলাররা তাদের কর্মকান্ড চালানো শুরু করেছে। গোটা একটা শহরকে তারা অবরুদ্ধ করে রেখেছে নিজেদের জঙ্গিপনা অব্যাহত রেখে। সাধারণ মানুষরা প্রতিদিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আর যারা অধিগ্রহণের শিকার, তারা?
না পারছেন প্রতিবাদ করতে। না পারছেন সেটেলারদের ঠেকাতে কারণ তাদের পিছনেই বন্দুকের নলের অবস্থান।

এই অধিগ্রহণের ইতিহাস পাহাড়ে নতুন নয়। এর আগেও করা হয়েছে উন্নয়নের নামে, পর্যটনের নামে। তার কিছু বিবরণঃ

কাপ্রু ম্রো পাড়া (নীলগিরি)- ৬০ একর, উচ্ছেদ- ২০০ ম্রো ও মারমা পরিবার।
সেপ্রু পাড়া (জীবননগর)- ৬০০ একর, উচ্ছেদ -১২৯ ম্রো পরিবার।
চন্দ্রপাহাড়, বান্দরবন- ৫০০ একর,
রুইলুই পাড়া, সাজেক-৫ একর, উচ্ছেদ -৬৫ ত্রিপুরা পরিবার।
ক্রাউডং (ডিমপাহাড়) -৫০০ একর, উচ্ছেদ -২০২ ম্রো পরিবার।
নীলাচল -২০ একর, উচ্ছেদ -১০০ ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, মারমা পরিবার।

এছাড়াও, বাবুছড়ায় যে অধিগ্রহণ চলেছিল তার ব্লগ পোস্টের লিংক
http://istishon.com/?q=node/12458#sthash.A99Iftg2.dpbs

বান্দরবানের প্রতিটি অধিগ্রহণ রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনী খুবই মসৃণভাবে সম্পন্ন করেছিল। কিন্তু তারা বাবুছড়া ও সাজেকের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হয়, সাধারণ জনগণ এত সহজে এই অধিগ্রহণ মেনে নেয় নি। তাই,এবার আলুটিলায় যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের কার্য সম্পাদন করা যায় তাই সেটেলারদের নামিয়ে দেয়া হয়েছে খুব পরিকল্পিতভাবে। আর সেটেলারদের সংগঠনগুলোও পোষা প্রাণীর মতো নেমে গিয়েছে অ্যাকশনে।

তাই অধিসত্ত্বর পাহাড়ের সকল জনগণকে আন্দোলনে শামিলের পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। নইলে একসময়ই আদিবাসীদের নির্মূলের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী থাকবে সংখ্যাগরিষ্ঠ উদারমনাদের নীরবতা যা পাহাড় কখনোই ক্ষমা করবে না।

Comments

নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

রাষ্ট্র উগ্রজাতীয়তাবাদের চাষ করে দেশের সংখ্যালঘু পাহাড়ী জনগোস্টিকে উচ্ছেদ করছে উন্নয়নের নামে। এটি অবশ্যই পরিকল্পিত উচ্ছেদ। রাষ্ট্রের এই ধরনের ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, বর্তমান রাষ্ট্র পাহাড়ীদের প্রতি ৭১ পূর্ব পাকিদের মত একই আচরন করছে। পাহাড়ীদের ভুমিহীন করে পর্যটন শিল্প বিকাশ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের সামিল। রাষ্ট্রের এই ধরনের নির্যাতন বন্ধ করা হোক।

 
নিশান চাকমা এর ছবি
 

রাষ্ট্র সেনাবাহিনীকে পাহাড়ে ব্যবহার করে তার হুকুম পালনকারী হিসেবে অার সেনাবাহিনী সেটেলারদের ব্যবহার করে ঢাল হিসেবে।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

অজল দেওয়ান
অজল দেওয়ান এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 6, 2014 - 11:16পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর