নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

নাস্তিকতার ব্যানারে জঙ্গিবাদের আদর্শ প্রচার কেন?


আমি যদি কোনোদিন নাস্তিকবিদ্বেষী হই তার জন্য নাস্তিকরাই দায়ী থাকবে, আমি বা অন্য কেউ নয়। শুনেছি মুক্তমনা নাস্তিকরা দেশ ও মানবতার জন্য লড়াই করে। কই? আমি তো তাদের লেখায়, বক্তৃতায়, কর্মকাণ্ডে মানতার কিছু দেখলাম না। ধর্মের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ও ধর্মপ্রবর্তককে অপমান করে লেখালেখি করার মধ্যে মানবতার কী আছে আমার বুঝে আসে না।

আমি একজন ‘আস্তিক’ হয়ে যদি নাস্তিকদের ‘অবিশ্বাসী থাকা’র অধিকারকে সমর্থন করতে পারি, তারা কেন একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষের ‘বিশ্বাস’কে সমর্থন করতে পারে না? আপনি আপনার ব্যক্তিগত অবিশ্বাস নিয়ে থাকবেন, আমি আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস নিয়ে থাকব- এটাই কি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়? কেন আপনাকে আমার ‘বিশ্বাসে’ আঘাত করতে হবে? কেন আপনি কথায় কথায় আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয় আল্লাহ-রসুলকে অপমান করবেন?

ধর্মবিশ্বাসীরা ধর্ম চর্চা করবে, ধর্মে অবিশ্বাসীরা সযত্নে ‘ধর্ম’ পরিহার করে চলবে- এমনটাই হবার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। ধর্মবিশ্বাসীরা ধর্ম নিয়ে যতটা মেতে আছে, ধর্ম-অবিশ্বাসীরা তার চেয়েও বেশি ধর্ম নিয়ে মেতে আছে। কেন রে ভাই? ধর্মের সাথে আপনার এত মাখামাখী কেন? ধর্ম তো আপনাকে ধরে রাখে নি, আপনি ধর্মকে অাঁকড়ে ধরে আছেন কেন?

খোলামেলাই বলছি- সমাজের আর দশজন মানুষের তুলনায় নাস্তিকদের আমি একটু বেশিই যুক্তিশীল, মুক্তচিন্তার মানুষ মনে করি। তাই আজকে দেশ যখন ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়েছে, মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে ব্যবহার করে মানবতার উপর ক্রমাগত আঘাত আসছে, তখন আশা করেছিলাম- আমাদের যুক্তিশীল মুক্তমনারা ধর্মান্ধতা ও ধর্মবিশ্বাসের অপপ্রয়োগের বিরুদ্ধে কার্যকরী কিছু একটা করে দেখাবেন। কারণ ধর্মান্ধতা ও ধর্মব্যবসার জায়গাগুলো ধরতে পেরেছিলেন বলেই তারা ‘নাস্তিক’ হয়েছেন। তারা ইচ্ছা করলে খুব সহজেই ব্যাপারটা মানুষকে বোঝাতে পারতেন। অন্তত কিছু লোক তো সচেতন হত। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এর নিজেরাই ধর্মান্ধ হয়ে বসে আছে। ওরা ধর্মের পক্ষের অন্ধ, এরা বিপক্ষের অন্ধ- এইটুকুই পার্থক্য।

আমি যখন বলি ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে জঙ্গিবাদের জন্ম দেওয়া হয়েছে, নাস্তিকরা যেন তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন। ইসলামের অপব্যাখ্যার কথা শুনলে তাদের কোথায় যেন লাগে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যুক্তি-তর্ক করে এটাই প্রমাণ করতে চান যে, না, জঙ্গিরাই সঠিক ইসলামে আছে, ওদের ব্যাখ্যাই সঠিক, আপনিই বিকৃত ব্যাখ্যা দিচ্ছেন।

এখানেই আমার প্রশ্ন। আসলে এসব নাস্তিকদের উদ্দেশ্য কী? যেখানে আমি এমন একটি ইসলামের রূপরেখা তুলে ধরছি যা গ্রহণযোগ্যতা পেলে জঙ্গিরা আর কাউকে বিপথে চালিত করতে পারবে না, মানুষ ধর্ম দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে কেবল মানবতার কল্যাণ করবে, অকল্যাণকে অধর্ম মনে করবে, সেখানে কথা ছিল সর্বাগ্রে জঙ্গিরা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তারা যুক্তি-তর্ক করে প্রমাণের চেষ্টা করবে যে, আপনি যে ইসলামের রূপরেখা বলছেন সেটা ভুল, আমরাই সঠিক, আমাদের এই চাপাতিবাজীই প্রকৃত ইসলাম। কিন্তু একি?
জঙ্গিরা নীরব আছে, বক্তব্য খণ্ডণ করতে আসছে নাস্তিকরা। পারে তো জীবন দিয়ে হলেও এরা প্রমাণ করে ছাড়বে আমরা ভুল, জঙ্গিরা সঠিক। এইসব নাস্তিকরা আসলেই নাস্তিক, নাকি নাস্তিকতার আড়ালে একেকটা ‘ধর্মান্ধ জঙ্গি’ লুকিয়ে আছে তা খতিয়ে দেখা দরকার। যারা জেনে বুঝে ঠান্ডা মাথায় জঙ্গিদের পারপাস সার্ভ করতে পারে তাদেরকে আমি মুক্তমনা বলি না। এরাও মানবতাবিরোধী। এদের ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
.
(ব্যতিক্রম সর্বদাই ব্যতিক্রম)

বিভাগ: 

Comments

পৃথু স্যন্যাল এর ছবি
 

আপনি যে ইসলামের প্রচার করতে চাচ্ছেন তা ১৪০০ বছর ধরেও প্রতিষ্ঠিত করা যায়নি।

ইসলাম মানেই সন্ত্রাস। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।

*************************************
আমি কারো দেখানো পথে চলি না।
আমার ইচ্ছে মত পথের তৈরী করি।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

র্মবিশ্বাসীরা ধর্ম নিয়ে যতটা মেতে আছে, ধর্ম-অবিশ্বাসীরা তার চেয়েও বেশি ধর্ম নিয়ে মেতে আছে। কেন রে ভাই?

কথাটা কি উল্টো হয়ে গেলনা? যদি বিষয়টা এমনই হত, ধর্ম বিশ্বাসীরা ধর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, অবিশ্বাসীরা তাদের অবিশ্বাস নিয়ে ব্যস্ত থাকবে তাহলে কি এত ফ্যাসাদ হত? কতজন ধার্মিককে নাস্তিকরা কতল করেছে? আর কতজন ধার্মিক নাস্তিককে কতল করেছে? হিসাবটা জানা আছে নিশ্চয়। ধার্মিকর যদি ধর্মের প্রচার করতে পারে বিশাল বিশাল প্যান্ডেল টাঙ্গিয়ে, তাহলে অবিশ্বাসীরা তাদের ভাবনা কেন লিখতে পারবে না? গুটি কয়েক নাস্তিকের কারণে ধর্ম হুমকির মুখে পড়ে গেছে বলে ধার্মিকরা আজ দিশেহারা। মুখ বন্ধ করার জন্য নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও আপনাদের ঠুনকো ধর্মীয় অনুভুতি রক্ষা হচ্ছে না।

দিনশেষে প্রতিটা ধার্মিকই প্রতিক্রিয়াশীল ও জঙ্গি মনোভাব পোষন করে। অবিশ্বাসীরা চায়- সবাই সবাই স্বাধীনভাবে কথা বলুক, ধার্মিকরা তাদের ধর্ম নিয়ে কথা বলুক, অবিশ্বাসীরা তাদের দর্শন ও যুক্তি উপস্থাপন করুক। মানুষ বেছে নেবে তার পথ। অনুভুতি রক্ষার অজুহাতে ধার্মিকরা এবং আপনার মত মডারেট ধার্মিকরা অবিশ্বাসীদের কলমের শক্তি রুদ্ধ করতে চাচ্ছেন। শক্তি প্রয়োগ করে হত্যা করার পরও আপনাদের অনুভুতি ধর্ষিত হচ্ছে বলে কান্নাকাটি করছেন। চিন্তার শক্তি কত বেশি একবার ভাবুনতো।

 
হাবশী গোলাম এর ছবি
 

অবিশ্বাসীরা চায়- সবাই সবাই স্বাধীনভাবে কথা বলুক, ধার্মিকরা তাদের ধর্ম নিয়ে কথা বলুক, অবিশ্বাসীরা তাদের দর্শন ও যুক্তি উপস্থাপন করুক। মানুষ বেছে নেবে তার পথ।

না, নাস্তিকরা এতটা তুলসী পাতা হলে তো ভালই হত। অনেক স্যেকুলার দেশ একজন মুসলিম মহিলা মাথায় হিজাব দিয়ে স্কুল-কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে যাবে এটাই সহ্য করতে পারে না, আইন করে নিশিদ্ধ করে। কামাল আতাতুর্ক বেশীরভাব মসজিদ আর মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। দাড়ি কাটতে বাধ্য করেছিলেন।

আপনি যেমনটি ভাবছেন, বাস্তবতা তার চাইতে আসলে ভিন্ন।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
মহসিন আলম এর ছবি
 

ক্ষমতা যার হাতে সে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে। এই দেশে ধার্মিকেরা ক্ষমতায় তাই তাদের আস্ফালন বেশী। আজ যারা নাস্তিক দাবি করে তাদের হাতে ক্ষমতা গেলে এর চেয়ে বেশী খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, যে মানুষিক অন্ধ নয় সে ই দেখতে পাবে অন্তর চক্ষু দ্বারা। বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমি ধার্মিকদের দ্বারা অধার্মিক হত্যাকে সমর্থন করছিনা।

 
দিন মজুর এর ছবি
 

আস্তিকরা শুনে শুনে বিশ্বাস স্থাপন করে , আবার কিছু পড়ে কিছু দেখে বিশ্বাস করে।আর নাস্তিকরা না দেখে বা বৈজ্ঞানিক প্রমান ছাড়া কোন কিছুতেই বিশ্বাস করে না।
যেমন আস্তিকরা ছোট কাল থেকেই শুনে শুনে বিশ্বাস করতে শিখে, এটা তোমার আম্মা,আব্বা,মামা,কাকা,ভাই,বোন আরো অনেক সম্পর্কগুলো। আবার একজন আস্তিক যখন তার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যায় ডেলিভারি করানোর জন্য,তখন অপারেশন থিয়েটার থেকে ডক্তার এসে বলে, আপনার ছেলে হয়েছে,তখন ও আস্তিক বিশ্বাস করে এটা তারই ওরষজাত সন্তান।
এখন আমার প্রশ্ন নাস্তিকদের কাছে, তারা কি, এ সম্পর্ক গুলো শুনে শুনেই বিশ্বাস স্থাপন করেছে? নাকি ডিএনএ টেষ্ট করার পর বিশ্বাস করতে শুরু করেছে?

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

উন্নত বিশ্বে স্ত্রীর ডেলিভারীর সময় লেবার রুমে স্বামীকে রাখা হয়। এই তথ্য কি জানা আছে? স্ত্রীর পেটের সন্তানের সাথে কল্পিত ঈশ্বরকে তুলনা করা কতটা যৌক্তিক? গর্ভধারনকালীন পুরো সময়টা একজন মা সকলের সম্মুখে উপস্থিত থেকে গর্ভের সন্তান পরিপক্ক হয়। এটার সাথে কল্পিত ঈশ্বরের অস্তিত্বের তুলনা কি ঠিক হল?

 
দিন মজুর এর ছবি
 

মেনে নিলাম লেবার রুম থেকে দেখে নাস্তিক বিশ্বাস করল এ সন্তান তার স্ত্রীর গর্ভ থেকে ভুমিষ্ট হয়েছে। কিনতু কিভাবে নাস্তিক সিওর হলো এটা তারই শুক্রানো থেকে সৃষ্ট হওয়া সন্তন?
আর একজন নাস্তিক সে বর্তমানে যাদের মা বাবা বলে বিশ্বাস করে,কিসের ভিত্তিতে বিশ্বাস করে যে এরাই নাস্তিকের মা বাবা।কোন বৈজ্ঞানিক প্রমানে সিওর হলো,যে বর্তমান বাবার শুক্রানো দ্বারা ই এই নাস্তিক সৃষ্টি হয়েছে? লেবার রুমে ধেকে স্ত্রীর পেটে সন্তানের জন্ম হওয়া দেখলে ও, মায়ের পেটে নাস্তিক নিজের জন্ম হওয়ার দৃশ্য তো নিজ চোখে দেখে নাই?

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

কাঠমোল্লা টাইপের এই ধরনের খোড়াযুক্তি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনাতে বিন্দুমাত্র যুক্তি কি আছে? মা ও সন্তানের দৃশ্যমান উপস্থিতি, নাড়ি থেকে শুরু করে সন্তানের দুধপানের দৃশ্যমান সম্পর্কের সাথে কোনদিন কেউই দেখে নাই, কেউ দেখেছে বলে তার কোন যৌক্তিক প্রমাণ নাই, এমন একজনের অস্তিত্বে বিশ্বাস কিভাবে এক হল? আপনি যে যুক্তি দিচ্ছেন, এগুলো মুরগীর রান খাওয়া পাড়ার কাঠমোল্লারা নিয়মিত দেয়। মা-বাবা-সন্তান পুরো সম্পর্কটাই দৃশ্যমান। সন্তান কাঁদলে মা উতলা হয়ে যায় দুধ খাওয়ানোর জন্য। অথচ, পৃথিবীতে এত দুর্ভিক্ষ, এত হত্যা, এসব দেখলেও কল্পিত আল্লাহ নির্বিকার! মসজিদে আল্লাহর প্রার্থনারত একজন হুজুরকে কিংবা নামাজরত, কল্পিত আল্লার সিজদারত মুসলমানকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার সময়, জবাই করার সময় আল্লাহ নির্বিকার! সন্তানের ডাকে মা যেভাবে সাড়া দেয়, মায়ের ডাকে সন্তান, কিংবা সন্তানের প্রতি পিতা শত বাঁধার পরও, চরম বিপদের সময় যেভাবে মানবিক হয়ে উঠতে পারে; আপনার কল্পিত ঈশ্বর এমন মানবিক হওয়ার মত একটা উদাহরণ কি দিতে পারবেন? আপনি দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান সম্পর্ক নিয়েই কোন ধারনা রাখেন না।

আল্লাহর তাৎক্ষণিক তার বান্ধার জন্য মানবিক হয়ে উঠার একটা উদাহরণ আশা করছি। তারপর আপনার সাথে তর্কে যাব।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মোহাম্মদ আসাদ আলী
মোহাম্মদ আসাদ আলী এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 23 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 3, 2015 - 3:31অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর