নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

‛ইসলাম’ একটি কলঙ্কের নাম: চুরির শাস্তি হস্ত-কর্তন


বছর চারেক আগের কথা। ‘ল’ ক্লাস চলছিল। শিক্ষক ছিল আইরিশ ডেভিড। আইরিশদের ইংরেজি উচ্চারণ বুঝতে মাঝে মাঝে ঝামেলা হয় তাই মনোযোগী হয়ে লেকচার শুনছিলাম। এক পর্যায়ে ডেভিড বলতে শুরু করল চোরকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতলে কী সব আইনি জটিলতা দেখা দেয়। আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম, আমরা চোর পিডাইন্যা দেশের মানুষ, এখন বলে চোর ধরার জন্য ফাঁদও পাতা যাবেনা। ভাবলাম সম্ভবত ফাঁদ চোরের দৈহিক ক্ষতি করবে, তাই এ আইন। জিজ্ঞেস করলাম, ফাঁদটি যদি এমন হয় যে তা চোরের কোনো দৈহিক ক্ষতি সাধন করবে না?

ডেভিড ভ্রূ কুঁচকে বলল, তুমি একজন মানুষকে ফাঁদ পেতে ধরতে চাচ্ছ?
আমি লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করলাম। একজন মানুষকে ফাঁদ পেতে ধরার মধ্যকার অমানবিকতাটা এতক্ষণে চোখে পড়ল। একজন মানুষ সে যত বড় অপরাধী হোক না কেন, তার সাথে আমাদের মানবিক আচরণ করতে হবে, এটি কোনো ঐশী শিক্ষা নয়, স্বাভাবিক মানবিক শিক্ষা। এজন্য অপরাধীকে জেলে রাখা হলেও দৈহিক নির্যাতন করা হয় না। একজন অপরাধী সমাজের অংশ। আমাদের মূল লক্ষ্য একজন অপরাধীকে সংশোধন করা, তাকে অমানবিক শাস্তি দেয়া নয়, ওর প্রতি আমাদের কোনো হিংসা নেই বরং দায়িত্ব আছে। অপরাধীকে সংশোধন করাই আমাদের দায়িত্ব।

মানুষ বিভিন্ন কারণে অপরাধী হয়। সে অপরাধের দায়ও আবার তার একার নয়। জটিল সমাজ ব্যবস্থায় একজন মানুষ কোনো কিছুর গভীর অভাব বোধ করতে পারে, মানসিক সমস্যায় ভুগতে পারে, বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হতে পারে। চৌর্য প্রবৃত্তি দেখা দেয় এক ধরণের মানসিক রোগ হলে, এর নাম ক্লেপটোমেনিয়া। আবার অতি দারিদ্র্য, অতি আয় বৈষম্য, ত্রুটিপূর্ণ সামাজিকীকরণও চৌর্যপ্রবৃত্তি সহ অন্যান্য অপরাধের পেছনে দায়ী। এক পরিবেশে, এক সমাজে যে লোকটি অপরাধী তিনি ভিন্ন পরিবেশে, ভিন্ন সমাজে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা মানুষ। অর্থাৎ একজন মানুষকে অপরাধীতে পরিণত করতে সমাজের অনেক দায় আছে।

এবার আসি ইসলামের শিক্ষায়। ইসলাম যদি সত্যি সত্যি আল্লাহ মনোনীত ধর্ম হত তবে অবশ্যই সেটা সবচেয়ে মানবিকতা ও সভ্যতার শিক্ষা দেবে। চুরির অপরাধে ইসলামি আইনে হাত কাটার অসংখ্য ভিডিও ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। যাদের হার্টের সমস্যা নাই তারা এই লিংকের ভিডিওগুলো দেখেন এবং এখানে যে কোরানের আয়াত ও হাদিস পাঠ করা হচ্ছে তা মন দিয়ে শুনুন।

লিংক এক

লিংক দুই

সৌদি আরব সহ কিছু মুসলিম দেশে এখনো ইসলামি আইন অনুযায়ী চুরির অপরাধে হাত কাটা, ব্যভিচারের অপরাধে পাথর নিক্ষেপে হত্যা, মুরতাদের শিরোচ্ছেদ, দোররা মারা এসব অসভ্য আইন আছে। কিন্তু আমরা এখানে শুধু চুরির শাস্তি নিয়ে আলোচনা করব।

কোরান আসলে কী বলছে এ ব্যাপারে শোনি, যে আয়াত এই ভিডিওতে শোনেছেন

ওয়াস সারিক্বু ওয়াস সারিক্বাতু ফাক্বত্বা’য়ু আইদিয়াহুমা জাযা’ সুরা মায়িদা, ৫ আয়াত ৩৮

সারিক্বু হচ্ছে পুরুষবাচক শব্দ, অর্থ চোর।
সারিক্বাতু হচ্ছে স্ত্রীবাচক শব্দ, অর্থ একই চোর।
ফাক্বত্বায়ু মানে হচ্ছে কেটে ফেল
আইদিয়াহুমা মানে হচ্ছে হস্তদ্বয়
জাযা' মানে হচ্ছে অপরাধের শাস্তি হিসাবে।

যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসেবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে হুশিয়ারী। আল্লাহ পরাক্রান্ত, জ্ঞানময়। সুরা মায়িদা, ৫ আয়াত ৩৮

লিংক এক, লিংক দুই

আল্লাহর রসুল কী বলেছেন এ ব্যাপারে? তিনি নিজ তত্ত্বাবধানে চোরের হাত কেটে দয়ার অপূর্ব নিদর্শন সৃষ্টি করেছেন

এখানে ক্লিক করে দেখুন হাদিসের বিধানএখানে ক্লিক করে বুখারি শরিফ এর ভলিউম ৮১ এর ৭৭৪ নম্বর হাদিস থেকে পড়তে পারেনসহিহ মুসলিম এর লিংক

হাদিস: যদি ফাতিমা (রাঃ)ও চুরি করাতো, তবে অবশ্যই আমি তাঁর হাত কেটে দিতাম। বুখারি, ভলিউম ৮, বই ৮১, হাদিস নম্বর ৭৭৯

মজার ব্যাপার হল ফাতিমা বা তার পরিবারের কেউই কখনো চুরি তো দূরের কথা, কোন অপরাধই করেন নি আর তাদের কোনো শাস্তি কখনো দিতে হয় নি! আয়েশার উপর অভিযোগ আরোপ করায় বিশিষ্ট সাহাবী হাসান বিন সাবিতকে একশ‛ দোররার শাস্তি দেয়া হয়।

হাদিস:চুরির অভিযোগে এক লোককে ধরে নিয়ে আসা হলো নবীজির কাছে। কিন্তু চুরির কোনও প্রমাণ লোকটির কাছে না থাকায় নবীজি বললেন, আমার মনে হয় না তুমি চুরি করেছ। কিন্তু লোকটি দুই বা তিনবার বলল, আমি চুরি করেছি। নবীজি তার দুই হাত কেটে ফেলার আদেশ দিলেন। শাস্তি বাস্তবায়নের পর তাকে আবার নিয়ে আসা হলো নবীজির কাছে। নবী তখন তাকে বললেন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে তোমার অনুশোচনা জ্ঞাপন করো। লোকটি তখন বললো, আমি অনুতপ্ত চিত্তে আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি। নবীজি বললেন, ইয়া পরওয়ারদিগার, তুমি এর প্রার্থনা মঞ্জুর করো । আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৩৬৭

এ হাদিসটি ভাল করে খেয়াল করেন। অনেকে শাস্তি এড়ানোর জন্য তওবার কথা বলেন। তওবা হবে শাস্তির পর। অর্থাৎ চুরির অপরাধে হাত কেটে ফেলার পর করুণাময় ও দয়াময় আল্লাহর কাছে অনুশোচনা জ্ঞাপন করতে হবে! এ ব্যাপারটি আরো নিশ্চিত হতে পারেন সুরা বাকারার ৫৪ আয়াত থেকে যেখানে মুসার গোত্রকে গরু-পূজার অপরাধে তওবা করতে ও একই সাথে নিজেদেরকে হত্যা করতে আদেশ করেছেন। এটি আল্লাহ পাকের নৃশংস চরিত্রের আরেক বিবরণ। যাই হোক, এ থেকে বোঝা গেল তওবা শাস্তির বিকল্প হয় না। আয়াতটি দেখেন

যখন মূসা স্বগোত্রকে বললো, হে আমার গোত্র! তোমরা ঘোরতর অন্যায় করেছ গরু-বাছুর পূজা করে। তাই আল্লার কাছে তওবা করো এবং নিজেদেরকে হত্যা করো। আল্লার সমীপে তোমাদের এটাই শ্রেয়। তিনি তোমাদের এই তওবা কবুল করবেন। তিনি তওবা কবুলকারী, করুণাময়। সুরা বাকারা, ২ আয়াত ৫৪

একটু কল্পনা করে দেখুন, একজন মানুষের হাত কাটা হচ্ছে, কোনো এনেস্থেসিয়া ছাড়াই; কী করুণ আর্তনাদে ফেটে পড়ছে লোকটি, কিন্তু সে অসহায় কিছু ইসলামী বর্বরদের কাছে!

যার আদেশক্রমে একজন মানুষের হাত কেটে ফেলা হচ্ছে সামান্য চুরির অপরাধের কারণে তিনি নাকি আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ, রাহমাতুল্লিল আ’লামিন! ধিক হে অন্ধবিশ্বাসীর দল।

অতি অল্প পরিমাণ চুরির জন্য হাত কাটার নির্দেশ

হাদিস: আয়েশা থেকে বর্ণিত, নবীজি বলেছেন, চোরের হাত কাটতে হবে সে যদি এক দিনারের চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ চুরি করে। বুখারি, ভলিউম ৮, বই ৮১, হাদিস নম্বর ৭৮১

হাদিস: আল্লাহর রসুল চোরের হাত কেটেছেন একটি ঢাল চুরির অপরাধে যার মূল্য তিন দিনার ছিল। বুখারি, ভলিউম ৮, বই ৮১, হাদিস নম্বর ৭৮৭

হাদিস: আল্লার রসুল বলেছেন, আল্লাহর অভিশাপ তার উপর যে একটি ডিম চুরি করল অথবা একটি দড়ি, এজন্য তার হাত কাটার শাস্তি দিতে হবে। বুখারি, ভলিউম ৮, বই ৮১, হাদিস নম্বর ৭৯১

এখন বলেন তো একটা লোক যে চুরি করেছে সে হয়ত পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, হয়ত তার দুই তিনটা বাচ্চা আছে, নিজের জীবন আছে। অভাবে পড়ে, বাধ্য হয়ে, লোভে পড়ে চুরি করেছে অথবা তার উপর মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে সাক্ষ্য দিয়ে সেটা ইসলামি পদ্ধতিতে প্রমাণ করে দেয়া হল। এখন লোকটির যদি হাত কেটে ফেলা হয় তবে তার পরিবার ও তার নিজের ভরণ-পোষণ কে দিবে? বর্তমান যুগে অপরাধীকে শাস্তি দেয়া থেকে সংশোধনের প্রতি অধিক মনোযোগ দেয়া হয়। এজন্য এখন দৈহিক নির্যাতন করা হয় না অপরাধীকে। কারো হাত কেটে ফেললে তার কোন ধরনের সংশোধনী আসবে? অনেকে ভাবতে পারেন চোরের হাত কেটে ফেললে চুরির ঘটনা কমে যাবে। ধারণাটি সস্পূর্ণ ভুল। পৃথিবীর যেসব দেশে অপরাধ কম তা জঘন্য শাস্তি দেয়ার ফলে হয় নি। সৌদি আরব সহ শরীয়া আইন কবলিত যেসব দেশে কল্লা কাটা, হাত কাটার শাস্তি প্রচলিত সেগুলোতে এসব অপরাধ তাহলে এতদিনে বন্ধ হয়ে যেত। আবার নর্ডিক দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখেন, হাত-কল্লা কোনোকিছু কেটে ফেলার বিধান না থাকা স্বত্বেও এসব দেশে অপরাধের প্রবণতা অত্যন্ত কম।

চুরির অপরাধে হাত কেটে ফেলা নি:সন্দেহে বর্বরতা। এ ধরণের বিধান কোরানে থাকার মানে হচ্ছে সেটা কোনো করুণাময়, পবিত্র বা ঐশ্বরিক সত্ত্বা নয় বরং কিছু বর্বরদের দ্বারা রচিত। আবার হাদিসেও আছে একই কথা। এর অর্থ ইসলাম পুরোটাই একটা ভুয়া ধর্ম অন্যান্য সকল ধর্মের মতই।

যারা ইতোমধ্যে ধর্মানুভূতিতে আঘাত পেয়ে বসেছেন তাদের প্রতি অনুরোধ, এ ধরণের অত্যন্ত অস্বাভাবিক, অমানবিক বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসেন। মানুষকে ভালবাসেন, জীবনকে ভালবাসেন। নতুবা এসব বর্বরতার বিরুদ্ধে মানুষ কথা বলবেই আর আপনারা আপনাদের অনুভূতিতে আঘাত পেতেই থাকবেন আজীবন।

আরো পড়ুন

কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব ৪, ৫ ও ৬

আমরা বলি, বাচো এবং বাচাও; দয়াময় আল্লাহপাক বলেন, মারো এবং মরো

মুহাম্মদ কি মানব জাতির জন্য সেরা আদর্শ: হজরত মুহাম্মদের যৌন অনৈতিকতা

Comments

বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

কিছু প্রশ্ন পেয়েছি, এগুলোর উত্তর দিচ্ছি।

১। যাকাত ব্যবস্থা থাকলে মানুষ আর গরিব হবেনা, তাই চুরি করবে না

উত্তর: যাকাত ব্যবস্থা থাকলেই দরিদ্রতা থাকবে না – এটি কোন গবেষণা থেকে জানা গেল? দরিদ্র মানুষদের সাহায্য করা ছাড়াও যাকাতের আরো অনেকগুলো খাত আছে। আর যাকাত ব্যবস্থা থাকলে দারিদ্র্য থাকবে না এটি হাস্যকর রকম অমূলক ধারণা। মুহাম্মদের সময় এবং সাহাবিদের সময় তো যাকাত ব্যবস্থা ছিল, তাহলে বিভিন্ন বিবরণে দরিদ্রদের বিবরণ পাওয়া যায় কেন? অপরাধের পেছনে অনেক কারণ থাকে, শুধু দরিদ্রতার জন্য মানুষ কোনো অপরাধ করে এমন নয়। তবে অপরাধ যে কোনো কারণেই হোক, মানুষকে হাত কাটার শাস্তি দেয়া যায় না। এরকম শাস্তির বিধান থাকা বর্বরতা। এ ব্যাপারটি নিয়ে মূল লেখায়ও আলোচনা আছে। আরেকবার পড়ে দেখতে পারেন।

২। চুরি করার পর তওবা করলে আর শাস্তি দেয়া হবে না।

উত্তর: অনেকে আছেন ইসলাম ধর্মের মানবীকিকরণ চান। এজন্য জোর করে হলেও তারা বিভিন্ন আয়াতের অপব্যাখ্যা করেন। তাদের উদ্দেশ্য হয়ত ভাল কিন্তু এভাবে শেষ পর্যন্ত খুব একটা লাভ হয় না।

অনেক অনেক তফসির ঘাঁটিয়েছি, আগের যুগের অনেক ইসলামি পন্ডিতের মতামত জানতে চেয়েছি কোথাও এমন বলা নেই। এরকম থাকলে তো মুহাম্মদ নিজের দায়িত্বে হাত কাটার আয়োজন করতেন না। চার মাজহাবেও চুরির শাস্তি হাত কাটা। এ পোস্টে আবু দাউদ থেকে একটি হাদিস দিয়েছি। ওখান থেকে বোঝা যায়, তওবা হবে শাস্তি দেয়ার পর।

হাত কাটার শাস্তি, আবার তওবা করে ফেললে শাস্তি দেয়া হবেনা - পুরো ব্যাপারটা হাস্যকর হয়ে যায় না? তওবা করা, আল্লাহর ক্ষমা করে দেয়া এগুলো আধ্যাত্মিক ব্যাপার। তওবা আল্লাহর কাছে কবুল হয়েছে কীনা, অথবা একজন সত্যি সত্যি অনুতপ্ত কীনা তা নিশ্চিত হওয়ার কোনো উপায় কী আছে? আর প্রশ্ন হচ্ছে, যদি কেউ তওবা না করে তখন? অথবা একজন মন থেকে তওবা করার প্রেরণা পেল না, এবং ভণ্ডামি করতেও সে রাজী হল না অথবা সে অমুসলিম তখন?

যদি একজন মানুষকেও হাত কেটে শাস্তি দেয়া হয় তবে সেটাও হবে চরম অমানবিক এবং এর দায় ইসলাম ধর্মের। মহাজ্ঞানী আল্লাপাক বিধান দেবেন তা এমন ভারসাম্যহীন, হিংস্রতাপূর্ণ এবং আজগুবী হবে কেন?

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
 

এই প্রথা ইসলামসম্মত না কিংবা সর্বোচ্চ পর্যায়ের হইলে একমাত্র তখনই শান্তি, এইরকম ভাবার কোনো যুক্তি এখনও খুঁজে পাইনাই। ইসলাম বিমুখীতার পিছনে এই শাস্তির বিধানও আমার ক্ষেত্রে বড় প্রভাবক।

মরতে মরতে ভুল হয়ে যাবে, শেষ নিঃশ্বাসে রয়ে যাবে পাপ। আমি তো নাদান, আমি যে বান্দা খারাপ...

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বেহুলার ভেলা
বেহুলার ভেলা এর ছবি
Offline
Last seen: 7 ঘন্টা 37 min ago
Joined: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2015 - 8:29অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর