নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

বাংলাদেশের সহিহ মুসলমানরা মুর্তাদের উচিত শাস্তিই দিয়েছে


অতি সম্প্রতি হুসেইন আলী নামের একজন ইসলাম ত্যাগী ৬৮ বছরের বৃদ্ধ যিনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা , তাকে সহিহ মুসলমানেরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। যারা সারাক্ষন প্রচার করে , ইসলাম তো কাউকে হত্যা করতে বলে না , তারা কিন্তু এখন একেবারেই চুপ , তাদের মুখ থেকে কোনই শব্দ বেরুচ্ছে না। তাদের এই মৌনতাই প্রমান করে , তারা মনের গহীনে আসলে কি মনোভাব পোষণ করে।

শান্তির ধর্মের ধ্বজাধারীরা যে কেন চুপ , তার কারনটাও বোধগম্য। কারন তারা জানে , তারা মুখে যা বলে তা আসলে নকল , কোরান হাদিসের সাথে তাদের বক্তব্যের কোনই মিল নেই। অথবা তারা আদৌ ইসলামের কিছু না জেনেই নিজেদের বক্তব্যকে ইসলাম বলে চালায়। এই যে হুসেইন আলীকে ইসলাম ত্যাগের কারনে হত্যা করা হলো - এটা নিয়ে তারা যতটা চুপ , কেউ আবার ইসলাম গ্রহন করলে , এরাই সারাক্ষন চিৎকার চেচামেচি করে ফেসবুক ব্লগ মাতিয়ে তোলে। কি অদ্ভুদ , এদের স্ববিরোধী চরিত্র।

যাহোক , এই যে হুসেইন আলীকে হত্যা করা হলো , সেটা কি কোরান হাদিস সমর্থিত ? নাকি কিছু সন্ত্রাসী ইসলামের নাম ব্যবহার করে একে হত্যা করল ? সেটা এবার দেখা যাক :

সুরা নিসা - ৪: ৮৯: তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

এই আয়াতের প্রেক্ষাপট হলো - কিছু মক্কাবাসীরা যখন মদিনার পাশ দিয়ে সিরিয়াতে বানিজ্য করতে যেত , তখন আমাদের নবীর বাহিনী তাদের ওপর আক্রমন করে , তাদেরকে হত্যা করে তাদের মালামাল লুটপাট করে নিত। নবীর বাহিনীর আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে কিছু মক্কাবাসী মদিনার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়, মুহাম্মদের কাছে গিয়ে বলত , তারা ইসলাম গ্রহন করছে , কিন্তু সিরিয়া থেকে মক্কায় ফিরে মক্কাবাসীদের কাছে বলত , তারা ইসলাম ত্যাগ করেছে। বিষয়টা জানা জানি হয়ে যাওয়ার পর মুহাম্মদ উক্ত বানী নাজিল করেন ও সোজা বলে দেন , অত:পর সেই সব লোক যারা ইসলাম ত্যাগ করেছে বলে প্রচার করেছে , তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করতে হবে। এইসব লোকদেরকে বলা হয় মুর্তাদ বা ইসলাম ত্যাগী। এদেরকে মুনাফিক হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ এরা মুখে মুখে বলে তারা মুসলমান কিন্তু আচার আচরনে তারা ইসলামের কোন কিছুই অনুসরন করে না।

এইসব ইসলাম ত্যাগী বা মুনাফিকদের শাস্তি কি হবে তা কোরান পরিস্কারভাবে বলার পরে মুহাম্মদ সেটাকে হাদিসেও খুব সুন্দরভাবে সেটা বলে গেছেন , যেমন -

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৯ :: অধ্যায় ৮৩ :: হাদিস ১৭:
উমর ইবন হাফস (র)... আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, কোন মুসলিম ব্যক্তি যিনি সাক্ষ্য দেন যে আল্লাহ্ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল। তিন-তিনটি কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করা বৈধ নয়। (যথা) প্রাণের বদলে প্রাণ। বিবাহিত ব্যভিচারী। আর আপন দীন পরিত্যাগকারী মুসলিম জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি।

সহিহ মুসলিম :: বই ১৬ :: হাদিস ৪১৫২:
আবু বাকর ইবন আবু শায়বা (র)......আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ, রাসুলুল্লাহ (সা) (সা) বলেছেনঃ এমন মুসলমানকে হত্যা করা বৈধ নয়, যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসুল । কিন্তু তিনটি কাজের যে কোন একটি করলে (তা বৈধ) । ১। বিবাহিত ব্যক্তি ব্যাভিচারে লিপ্ত হলে; ২। জীবনের বিনিময়ে জীবন, অর্থাৎ কাউকে খুন করলে; ৩। এবং স্বীয় ধর্ম পরিত্যাগ কারী যে (মুসলমানদের) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ।

উক্ত বিধান অনুসরন করেই মুহাম্মদের উম্মতরা কিভাবে ইসলাম ত্যাগকারীকে হত্যা করত , সেটাও বলা আছে -

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৮৪ :: হাদিস ৫৭:
আবূ নু’মান মুহাম্মদ ইবন ফাযল (র)... ইকরামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রা)- এর নিকট একদল যিন্দীককে (নাস্তিক ও ধর্মদ্রোহী) আনা হল। তিনি তাদেরকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিলেন। এ ঘটনা ইবন আব্বাস (রা)- এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন, আমি হলে কিন্তু তাদেরকে পুড়িয়ে ফেলতাম না। কেননা, রাসূলুল্লাহ – এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর শাস্তি দ্বারা শাস্তি দিও না। বরং আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। কেননা, রাসূলুল্লাহ – এর নির্দেশ রয়েছে, যে কেউ তার দীন বদলে ফেলে তাকে তোমরা হত্যা কর।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৮৪ :: হাদিস ৫৮:
মুসাদ্দাদ (র)... আবূ মূসা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী – এর কাছে এলাম। আমার সাথে আশআরী গোত্রের দু’ব্যক্তি ছিল। একজন আমার ডান্দিকে, অপরজন আমার বামদিকে। আর রাসূলুল্লাহ তখন মিসওয়াক করছিলেন। উভয়েই তাঁর কাছে আবদার জানাল। তখন তিনি বললেনঃ হে আবূ মূসা! অথবা বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবন কায়স! রাবী বলেন, আমি বললাম, ঐ সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন তারা তাদের অন্তরে কি আছে তা আমাকে জানায়নি এবং তারা যে চাকরি প্রার্থনা করবে তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি যেন তখন তাঁর ঠোটের নিচে মিসওয়াকের প্রতি লক্ষ্য করছিলাম যে তা এক কোণে সরে গেছে। তখন তিনি বললেন, আমরা আমাদের কাজে এমন কাউকে নিয়োগ দিব না বা দেই না যে নিজেই তা চায়। বরং হে আবূ মূসা! অথবা বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবন কায়স! তুমি ইয়ামনে যাও। এরপর তিনি তার পেছনে মু’আয ইবন জাবাল (রা) কে পাঠালেন। যখন তিনি তথায় পৌছলেন, তখন আবূ মূসা (রা) তার জন্য একটি গদি বিছালেন। আর বললেন, নেমে আসুন। ঘটনাক্রমে তার কাছে একজন লোক শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ঐ লোকটি কে? আবূ মূসা (রা) বললেন, সে প্রথমে ইহুদী ছিল এবং মুসলমান হয়েছিল। কিন্তু পুনরায় সে ইহুদী হয়ে গিয়েছে। আবূ মূসা (রা) বললেন, বসুন। মু’আয (রা) বললেন, না, বসব না, যতক্ষণ না তাকে হত্যা করা হবে। এটাই আল্লাহ্ও তাঁর রাসূলের ফায়সালা। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। এরপর তার সম্পর্কে নির্দেশ দেয়া হল এবং তাকে হত্যা করা হল। তারপর তাঁরা উভয়ই কিয়ামুল লায়ল (রাত জাগরণ) সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তখন একজন বললেন, আমি কিন্তু ইবাদতও করি, নিদ্রাও যাই। আর নিদ্রাবস্থায় ঐ আশা রাখি যা ইবাদত অবস্থায় রাখি।

আলী হুসেইন ১৯৯৯ সালে ইসলাম ত্যাগ করে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করেছিলেন। তখন বাংলাদেশের মুসলমানরা খাটি ও সহিহ মুসলমান হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে সারা দেশে বিপুল হারে কওমী মাদ্রাসা ও মসজিদ গড়ে ওঠায়, ওয়াজ মাহফিলের বিপুল আয়োজনে ও বহু ইসলাম প্রচারের টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এদেশের মুসলমানরাও আস্তে আস্তে খাটি মুসলমান ও মুহাম্মদের খাটি উম্মত হয়ে গড়ে উঠেছে। আর তাই তারা নবীর দেখান পথেই আলী হুসেনকে চাপাতির নির্মম আঘাতে হত্যা করেছে যেমনভাবে তারা কিছুদিন আগে হত্যা করেছিল বেশ কিছু ব্লগারদেরকে।

এখন কেউ যদি নবীর দেখান পথের এ তরিকার বিপরীতে কোন কথা বলে , তারা কি সহিহ মুসলমান নাকি মুনাফিক ?

Comments

বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

এই হচ্ছে শান্তির ধর্মের নমুনা যে ধর্ম ত্যাগ করলে আপনাকে হত্যা করা হবে। হেরা গুহার অন্ধকার থেকে যে ধর্ম এসেছে সে ধর্ম এরকম বর্বর হবে না তো কী হবে!

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
হাবশী গোলাম এর ছবি
 

মুহাম্মদের কাছে গিয়ে বলত , তারা ইসলাম গ্রহন করছে , কিন্তু সিরিয়া থেকে মক্কায় ফিরে মক্কাবাসীদের কাছে বলত , তারা ইসলাম ত্যাগ করেছে।

শেখ হাসিনার কাছে যদি কোন ভারতীয় এসে বলে আমি আসলে বাংলাদেশী, আর নরেন্দ্র মোদীর কাছে গিয়ে বলে আমি হাসিনাকে মিথ্যা বলেছি, আমি আসলে ভারতীয়। তাহলে এরকম একজনকে ভারতের গুপ্তচর হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য মারাত্নক হুমকী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশ সরকার এরকম গুপ্তচরদের গ্রেফতার করবে এবং শূলীতে চড়াবে।

অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

খুব স্বভাবিক এ ধরনের লোকদেরকে ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য মারাত্নক হুমকী বিবেচনা করা হয়েছিল এবং তাদেরকে পাকড়াও এবং হত্যার আদেশ দেয়া হয়েছিল। যেটা আজকের আধুনিক বিশ্বের সব দেশই অনুসরন করে। বুজেছেন।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

হাবশি, গুপ্তচরবৃত্তি আর ধর্ম ত্যাগ বা মিথ্যা ধর্ম পরিচয় দেয়া একই অপরাধ? আর এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড? আর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে সেটা খুবই সমর্থনযোগ্য? হাসিনা আর মোদির সাথে মুহাম্মদের তুলনা দিয়া মুহাম্মদের বদমায়েশিকে বৈধতা দিতে হবে? তাহলে মুহাম্মদের সাথে যে দয়াল আল্যার ডাইরেক্ট কানেকশন ছিল সেটা কি কাজ করেনি? মুহাম্মদি ছাগলামি মাথায় ধারণ করে মানুষেরমত চিন্তা করা বোধ হয় অসম্ভব।

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

খুব স্বভাবিক এ ধরনের লোকদেরকে ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য মারাত্নক হুমকী বিবেচনা করা হয়েছিল এবং তাদেরকে পাকড়াও এবং হত্যার আদেশ দেয়া হয়েছিল। যেটা আজকের আধুনিক বিশ্বের সব দেশই অনুসরন করে। বুজেছেন।

এত সুন্দর করে বুঝানোর পর , না বুঝে কি আর উপায় আছে ?

তার মানে ইসলাম হলো আসলে ধর্মের মোড়কে একটা একনায়কতান্ত্রিক রাজনৈতিক মতবাদ। পরকালের বিচার আচার এসব ফালতু কথা , কি বলেন ? যদি কেউ ইসলাম ত্যাগ করে , সেই অপরাধে আল্লাহ তার বিচার করবে , মরার পর কেয়ামতের মাঠে যদি ইসলাম সত্য ধর্ম হয়। সেটা না করে আল্লাহ যদি মুহাম্মদ বা তার উম্মতদেরকে বলে , তাদেরকে হত্যা কর , অর্থাৎ নিজেরাই বিচার করতে বসে , তাহলে বুঝতে হবে , এসব আসলে আল্লাহর বানীর নামে নবির নিজের কথা , যে কি না তার রাজ্যকে সব রকম ভিন্ন মত থেকে রক্ষার জন্যে কঠোর বিধি বিধান জারি করেছিল। এরকম হলে তো কোন কথা নেই। আপনার এ অভিমত যুক্তিযুক্ত।

আকাশ আলোকিত হবেই

 
হাবশী গোলাম এর ছবি
 

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৮৪ :: হাদিস ৫৭:

এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর শাস্তি দ্বারা শাস্তি দিও না। বরং আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। কেননা, রাসূলুল্লাহ – এর নির্দেশ রয়েছে, যে কেউ তার দীন বদলে ফেলে তাকে তোমরা হত্যা কর।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৮৪ :: হাদিস ৫৮:

সে প্রথমে ইহুদী ছিল এবং মুসলমান হয়েছিল। কিন্তু পুনরায় সে ইহুদী হয়ে গিয়েছে। আবূ মূসা (রা) বললেন, বসুন। মু’আয (রা) বললেন, না, বসব না, যতক্ষণ না তাকে হত্যা করা হবে। এটাই আল্লাহ্ও তাঁর রাসূলের ফায়সালা। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। এরপর তার সম্পর্কে নির্দেশ দেয়া হল এবং তাকে হত্যা করা হল।

আসলে মুহাম্মদ সা এর জীবনদ্দশায় যারা প্রকাশ্যে ইসলাম ত্যাগের ঘোষণা দিত তাদেরকে ইসলাম আর মুসলিমদের জীবনের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক বিবেচনা করা হত। কারন অধিকাংশ ক্ষেত্রে এইসব ইসলাম ত্যাগী মুর্তাদরা মুশরিক আর প্যাগানদের পক্ষে গুপ্তচর বৃত্তি করে বেড়াত আর কিভাবে ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করা যায় , তার নানান ফন্দি-ফিকির করত। এমনকি তারা মুহা্‌ম্মদ (সা) হত্যা করতে পারে এমন আশংকাও ছিল। তাই পুরা মুসলিম জাতী এবং মুহাম্মদ (সা) এর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে, তখনকার রাষ্ট্রদ্রহীদেরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল খুব স্বাভাবিক ভাবেই।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

হাবশি, তাহলে মুহাম্মদ নবি-রসুল হল কিভাবে? সে কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য আদর্শ হল কিভাবে? এসব বর্বর কাজ কর্ম করে সেগুলো যদি সে তার আদর্শ হিসাবে প্রতিষ্টা করে যায়।

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

তাই পুরা মুসলিম জাতী এবং মুহাম্মদ (সা) এর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে, তখনকার রাষ্ট্রদ্রহীদেরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল খুব স্বাভাবিক ভাবেই।

ঠিক তাই। ধর্মের নাম ব্যবহার করে একটা রাস্ট্র বানিয়ে সেটা টিকানোর জন্যে কঠিন বিধি বিধান দরকার। যথাযথ যুক্তি। মহা প্রতাপশালী আল্লাহর ওপর ভরসা করতে না পেরে নিজেরাই হত্যা খুন খারাবিতে লিপ্ত না হলে কি আর ইসলাম টেকে ? সে ক্ষেত্রে ইসলামের মত একটা চুড়ান্ত এক নায়কতান্ত্রিক রাজনৈতিক মতবাদ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে অমুসলিমরা যদি মুসলমানদেরকে কচুকাটা করতে থাকে , তখন আপনারা মানবতা , গনতন্ত্র এসবের নাম করে চিল্লা চিল্লি করেন কেন ? মানবতা বা গনতন্ত্র তো ইসলাম স্বীকারই করে না। এসব ছলচাতুরীও কি আল্লাহর বিধান ?

আকাশ আলোকিত হবেই

 
বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

হাবশি আর রুশদি, আপনারা বুঝেন না মুহাম্মদ নিজেকে নবি-রসুল বলে দাবি করেছে। সে যদি শুধু যুদ্ধ-সেনাপতি হত তাহলে তো সমস্যা ছিল না। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেউ পরিচয় পালটিয়ে যদি পাকিস্তানি পরিচয় দিত তবে তাকে হত্যা করা হলে সেটা নি:সন্দেহে অপরাধ ছিল।

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
 

আমি কিন্তু কোরানের আয়াত আর হাদীসের মধ্যে কোন সমস্যা দেখছি না।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেউ যদি নিজের পরিচয় পাল্টে নিজেকে পাকিস্তানী দাবী করত, তবে মুক্তিসেনারা তাকে নিশ্চিত ভাবে হত্যা করতেন। এবং বংগবন্ধু নিশ্চিতভাবে এই হত্যার অনুমদন দিতেন।

একই ঘটনা ঘটেছে মুহম্মদের সময়।
তখন মুহাম্মদের অনুসারীরা ধর্মত্যাগীদের হত্যা করেছে এবং মুহাম্মদ তার অনুমোদন দিয়েছেন। যুদ্ধাবস্থায় অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়; তা না হলে স্বাধীনতা পাওয়া বা কোন মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করা যায় না।

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

তখন মুহাম্মদের অনুসারীরা ধর্মত্যাগীদের হত্যা করেছে এবং মুহাম্মদ তার অনুমোদন দিয়েছেন। যুদ্ধাবস্থায় অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়; তা না হলে স্বাধীনতা পাওয়া বা কোন মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করা যায় না।

ভুল হলো , যুদ্ধাবস্থায় নয়, বরং শান্তির অবস্থায়ই এসব হত্যার বিধান। কেউ ইসলাম কবুল না করলেই তাকে হত্যার বিধান। এখানে যুদ্ধের কোন বিষয় নেই। কেউ ভাল না লাগলে ইসলাম ত্যাগ করলেই তার কল্লা কাটতে হবে , এখানে যুদ্ধের বিষয় আসে কোথা থেকে ?

আকাশ আলোকিত হবেই

 
বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

ধর্মে বিশ্বাস করলে মানুষের বিবেক ও বুদ্ধি দুই-ই লোপ পায়। একটা ভুয়া, আবর্জনা সর্বস্ব বিশ্বাসকে ঠিকিয়ে রাখতে উনারা কিসের সাথে কী মিলাচ্ছে? ইসলামের বিধানের সাথে ইউরোপের দেশগুলোর বিধানের তুলনা করে দেখেন। সেখানে কোনো অপরাধেই মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় না, সেটা গুপ্রচরবৃত্তি হোক আর যাই হোক। কেউ অপরাধ করলে তাকে শোধরানোর ব্যবস্থা করা হয়, সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এটাই। আর ইউরোপে ধর্ম ত্যাগ কোনো ব্যাপারই না, মানুষের কাছেও না, আইনের কাছে তো এর সমর্থনও আছে। মানুষের আইন কত না মানবিক কাল্পনিক আল্লাহর বর্বর আইনের তুলনায়।

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ধুমকেতু
ধুমকেতু এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 8 months ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 13, 2015 - 3:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর