নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

তনুর জন্য অনুভুতিঃ ভারতী, ছবি, সবিতার পচন ধরা লাশে


২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার মামলার রায় ঘোষণা হয়। রায় জনগণের প্রত্যাশামতো না হওয়ায় কিছু ব্লগার আর অনলাইন একটিভিস্টের ডাকে শাহবাগে শুরু হয় এক গণ-আন্দোলন। একটানা চলা এ গণজাগরণের স্ফুলিঙ্গ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। সরকার পরে আপিল আইন পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। সে সমাবেশ থেকে এ জায়গার নামকরণ করা হয় 'প্রজন্ম চত্বর'। গণজাগরণের ডাকে আমিও গিয়েছিলাম এই প্রজন্ম চত্বরে, গলা মিলিয়েছিলাম "ফাঁসি...ফাঁসি চাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই। কিন্তু আমি বাকরুদ্ধ হয়েছি জাতপ্রেমি শ্লোগানে "তুমি কে আমি কে, বাঙালী...বাঙালী..."। তারপরও যে থেমে গেছি তা না, বরং বার বার গিয়েছি সেই প্রজন্মের ডাকে প্রজন্ম চত্বরে।

সেই প্রজন্ম চত্বর(শাহবাগ) আবার ডাক দিয়েছে তনু'র জন্য। কিন্তু কে এই তনু ??? আর কেনইবা এই তনু'র জন্য প্রজন্ম চত্বর ডাক দিয়েছে ?

সোশ্যাল মিডিয়ায় জানতে পারলাম, এই তনু হচ্ছে ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। গত রবিবার(২০ শে মার্চ) রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের অলিপুর কালো টাংকি নামক স্থানে রাস্তার পাশে ঝোঁপের ভিতরে ছেড়া ওড়নায় অর্ধনগ্ন অবস্থায় মাথা থেতলানো লাশ পাওয়া যায়। গণমাধ্যমে এর বিস্তারিত জানতে না পারলেও সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে জানলাম, তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তাও আবার সেনানিবাসের মত নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে। ঢাকার জাহাঙ্গীর গেইট বা কাকলী হয়ে ভাষানটেক যাওয়ার অভিজ্ঞতার সুবাদে যতটুকু জানি, এইসব ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বাঁকা হয়ে চলা তো দূরের কথা সোজা হয়ে চলতেও আপনাকে নিয়ম মেনে চলতে হয়, কারন প্রতিটি পয়েন্টেই থাকে আরপি। ভুল করেও যদি আপনি ফুটফাট দিয়ে হেঁটে গিয়ে রাস্তা পার হতে চান আপনার পায়ের কদম পরার আগেই হুইসেলের বাঁশি বেজে উঠবে, আর যদি অর্ধেকও পার হয়ে যান ফেরত এসে ওভারব্রিজ দিয়ে রাস্তা পাড় হতে হয়। এই নিয়ম কানুন ও দায়িত্ব পালনে সচেতনতার জন্য আমি সত্যি তাদের শ্রদ্ধা করি। তাহলে এই ধরনের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে কিভাবে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সম্ভব ? কেউ আসলে ভুল দেখে, ভুল শুনে, ভুল ভেবে, ভুল বলছেনা তো(?)। আমার কিন্তু বরাবরেই সন্দেহ থেকে যাচ্ছে।

আর সমতলে এটাকে যদি ক্যান্টনমেন্ট বলি তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বলতে হবে ক্যান্টনমেন্টের হেডকোয়ার্টার। কেননা পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামেই স্থায়ী-অস্থায়ী ক্যাম্প, ব্যারাক, চেকপয়েন্টে মোড়ানো। তাহলে তনু'র লাশ পাওয়া সেই সেনানিবাসের চাইতেও এই পার্বত্য চট্টগ্রাম তো আরো নিরাপদ হওয়ার কথা তাই না। কিন্তু এই নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মোড়ানো পার্বত্য এলাকায় যৌন হয়রানি, ধর্ষণ হর হামেশায় ঘটে। এখানে ধর্ষণ ইন্দ্রিয় ঘোষিত বৈধতা আছে ভাবলেও আশাকরি ভুল হবেনা। কারন প্রাপ্ত বয়স্ক পাহাড়ি তরুণী তো ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছেই, সেই সাথে ঘরে ঢুঁকে স্বামীর সামনে গর্ভবতী নারী থেকে শুরু করে ২য় শ্রেণীতে পড়া পাহাড়ি শিশুও ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে আইয়ুব আলীর মত(৪০) ধর্ষকের কাছে। কিন্তু আপনাদের অনুভুতিতে তা লাগেনা কারন গণমাধ্যমও যে এখানে বাক প্রতিবন্ধী। প্রকাশের চাইতে অপ্রকাশনায় চাপা পরে যায় একের পর এক ঘটনা। আর পার্বত্য চট্টগ্রামে তো সেনাবাহিনী মোড়ানো এখানেও অনিরাপত্তার কিছু নেই, আপনার চিন্তাতো তাই বলে।

সত্যি বলছি তনু'র জন্যও আমার কোন অনুভূতি নেই। কারন আমার অনুভূতি পচে গেছে ধর্ষণ করে জঙ্গলে ফেলে যাওয়া ৩ দিনের পচন ধরা ভারতী চাকমার লাশের সাথে। আমার অনুভূতি বাকরুদ্ধ অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া উম্রাচিং মারমা(ছবি) গলা কাঁটা লাশে। ফেইসবুকে ইভেন্ট, পেইজে স্ট্যাটাসে তোমাদের বিক্ষোভের ঝর দেখে আমার অনুভূতিগুলো লজ্জা পায় ধর্ষিত মায়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়া সেই ছোট্ট মেয়ে তৃপ্তি চাকমার কাছে, যে মেয়ে মায়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে বুকে প্ল্যাকার্ড তুলে নিয়েছিল "হত্যাকারিরা দুই বছর পরও গ্রেপ্তার হয়নি কেন ? আমি কি গরিব ঘরে জন্মেছি এ জন্য ?"।

আমার জাত্যাভিমানি লেখা আপনাদের খারাপ লাগতেই পারে। কারন আজকে যেমন হিজাবি মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করার জন্য আপনার খারাপ লাগছে তেমনি আমারও লাগে যখন আমার জাতিবোন সেইসব মানুষরূপি নরপশুর লালসার স্বীকার হয়। আমার তখন কষ্ট হয় চাক্ষুস প্রমাণ থাকার পরেও যখন আসামি গ্রেপ্তারের নামে নাটকীয়তা চলে। ভুক্তভোগী অসহায় পরিবার বিচারহীনটায় ভুগে। আমার ইচ্ছে করে চিৎকার করে বলি ধর্ষকের বিচার চাই, কিন্তু আমাদের সে বলা কথা শোনার কেউ নেই, চিৎকারের আওয়াজ সীমাবদ্ধ থেকে যায় ঐ পাহাড়ের গণ্ডিতেই।

ভালো থেকো তনু, আমায় ক্ষমা করো। তোমার আত্মার শান্তি কামনা করি। পারলে তোমার আগে যাওয়া তোমার সহযাত্রী সবিতা চাকমা বলিও, তার রেখে যাওয়া ছোট্ট মেয়ে তৃপ্তি চাকমা আজও মায়ের বিচার চেয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে আদালতের সামনে দাঁড়ায়।

Comments

 

ভালো লিখেছেন।
ধর্ষণকারী-জারজগুলো নিপাত যাক।
আপনাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

উগ্রজাতীয়তাবাদ আমাদের অন্ধ করে দিয়েছে। সেনাবাহিনীর এই ধরনের আকাম স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন না। পাহাড়ী জনপদে সেনাবাহিনী এই ধরনের ন্যাক্কারজনক কাজ অনেক আগে থেকেই করছে। সেসব ঘটনার বিচার হয়নি বলেই তনু বা সোহাগীর এই পরিণতি। এই বিষয়ে আমার আজকের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি এখানে কোড করে দিলাম।

'ব্লাডি সিভিলিয়ান' শব্দটা দুইটা এই উপমহাদেশের আর্মির মধ্যে বেশ প্রচলিত। বিশেষভাবে মুক্তিযুদ্ধ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে পাকিস্তান আর্মি এই শব্দগুলো এদেশের মানুষদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করত। পাকিস্তান আর্মি পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের উপজাতি, আদিবাসী, জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিপীড়নের ক্ষেত্রেও 'ব্লাডি সিভিলিয়ান' বলে গালি দেয়। পাকিস্তান আর্মির আদলে পুরো কপিপেষ্ট আমাদের সেনাবাহিনী। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় সামরিক শাসনের সময় আমাদের সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় জড়িত ছিল। ৯০ পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী এরশাদের ৯ বছর ও ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের ২ বছরের শাসনামলে আর্মি সাধারণ জনগণের প্রতি এই ধরনের আচরণ করতে আমরা দেখেছি। ভারতে কাশ্মিরের মুসলমানসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিপীড়নের ক্ষেত্রে সেদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যেও এই ধরনের প্রবাণতা আগেও ছিল এবং বর্তমানেও বিদ্যমান।

এই উপমহাদেশের সেনাবাহিনী নিজেদের রাজরক্তের উত্তোরাধিকার হিসাবে কল্পনা করে। ব্লাডি সিভিলিয়ানদের উপর বিভিন্ন ধরনের নিপীড়ন, ধর্ষন, লুণ্ঠনকে তাদের ক্ষেত্রে অপরাধ হিসাবে কখনো মনে করে না। মুক্তিযুদ্ধের সময় দীর্ঘ নয়মাস আমরা পাকিস্তান আর্মির পশুত্বের চাক্ষুস স্বাক্ষী। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পাহাড়ী আদিবাসীদের উপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাকিস্তানী আর্মির পশুত্বের উত্তোরাধিকার ফলানোর কাহিনী বেশি পুরানো নয়।

কুমিল্লা সেনানিবাসে সোহাগীকে তুলে নিয়ে আর্মির সদস্যরা ধর্ষন করে মেরে ফেলা নিয়ে আমাদের মিডিয়া ও সরকারের নীরব ভুমিকায় অবাক হই না। আদিবাসী মেয়েদের এই ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধেও আমাদের মিডিয়া ও রাজনৈতিক দলগুলো নীরব ছিল। এ যেন ব্লাডি সিভিলিয়ানদের উপর আর্মির অলিখিত অধিকার। কোন সভ্যদেশে সেনাবাহিনীর মত সুশৃঙ্খল বাহিনী কর্তৃক সাধারণ মানুষের উপর এই ধরনের যৌন নির্যাতনের পর মেরে ফেলার মত অপরাধকে রাষ্ট্র মেনে নিত না। এটা মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ, এটি ক্ষমার অযোগ্য। ব্লাডি সিভিলিয়ানদের এই অপরাধের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠা উচিত।

 
প্রসূনজিৎ এর ছবি
 

কিছু বলার নেই। দেশে থাকলে তনু হত্যার প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করতাম না। যদিও ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তিও অপরাধের তুলনায় কম হয়ে যায়। আসলে বাংগালি সংখ্যাগরিষ্ঠ এর সিলেক্টিভ মানসিকতা ও মানবিকতা দেখে ঘেন্না ধরে গেছে।
তনু না হয়ে যদি একজন পাহাড়ি বা হিন্দু নারী থাকত তাহলে এর সিকিভাগ আলোড়নও হত না। উপরের লেখাই এর প্রমাণ।
লেখকের উদ্দেশ্যে বলছি পাহাড়,ভূমি,নদী,জল,সম্ভ্রম প্রাণ সবইত হারিয়েছেন;বাংগালীদের কাছে এরপরও আশা করার কিছু আছে কি? এ দেশে আপনাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই এটুকু বোঝার কিছু বাকী আছে কি? হ্যাঁ যেসব নারী ধর্ষিত ও খুন হয়নি আর যেসব পুরুষ নির্যাতিত,শৃংখলিত হয়নি তাদের সেসব হওয়া বাকী আছে। তাই বলছি ভয় কি,এবার সর্বস্ব পণ করে জীবনবাজী রেখে স্বাধীনতা বা নিদেনপক্ষে স্বায়ত্তশাসন এর জন্য রুখে দাঁড়ান লড়াই শুরু করুন। যারা আজ আপনাদের সাথে দস্যুবৃত্তি ও দুর্বৃত্তিপনা করছে তাদের ইতিহাস থেকেই শিখুন না!!

 
চোত্রা পাতা এর ছবি
 

আমি নির্বাক জয় মারমা, আমাদের বাঙালিদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম স্বাধীনতা দাবী করেছিল তখন আমি চট্টগ্রামের পক্ষে অবস্থান করার কারণে রাজাকার উপাধি পেতে হয়েছিল।

সামাজিক, রাজনৈতিক অন্যায় ও
অবিচার , ধর্মীয় কু-সংস্কৃতির
বিরুদ্ধে আমার আজন্ম যুদ্ধ।এই যুদ্ধের
কখনও আমি সেনাপতি কখনও
সৈনিক। অস্র বলতে আছে বর্শার মত
ধারালো কলম। কলম দিয়েই আমি
শত্রুকে হামলা করি, বন্ধুকে
ভালবাসায় ভরিয়ে দেই কবিতায়,
গানে, প্রবন্ধে,উপন্যা

 
চোত্রা পাতা এর ছবি
 

আমি নির্বাক জয় মারমা, আমাদের বাঙালিদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম স্বাধীনতা দাবী করেছিল তখন আমি চট্টগ্রামের পক্ষে অবস্থান করার কারণে রাজাকার উপাধি পেতে হয়েছিল।

সামাজিক, রাজনৈতিক অন্যায় ও
অবিচার , ধর্মীয় কু-সংস্কৃতির
বিরুদ্ধে আমার আজন্ম যুদ্ধ।এই যুদ্ধের
কখনও আমি সেনাপতি কখনও
সৈনিক। অস্র বলতে আছে বর্শার মত
ধারালো কলম। কলম দিয়েই আমি
শত্রুকে হামলা করি, বন্ধুকে
ভালবাসায় ভরিয়ে দেই কবিতায়,
গানে, প্রবন্ধে,উপন্যা

 
শিশিরের প্রতিক্ষা এর ছবি
 

বলার ভাষা খোঁজে পাচ্ছিনা। সবশেষ বলতে চাই শুধু তনু নয় প্রতিটি অন্যায়ের বিচার হোক। বিচার না হতে হতে অন্যায় সবস্ত সিমানা পেড়িয়ে গেছে।

শিশিরের প্রতিক্ষা।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অতীতের ধর্ষনের বিচার করা হয়নি বলে বাহিনীতে ধর্ষকরা উৎসাহিত হয়ে ধর্ষন চালিয়ে যাচ্ছে। শান্তি মিশনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

 
নীল ফারজানা এর ছবি
 

লজ্জিত Sad

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

জয় মারমা
জয় মারমা এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 17, 2016 - 7:32অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর