নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • মো.ইমানুর রহমান
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

কোরান বা হাদিসের কোথাও বন্দিনী নারী ধর্ষন কর-কথাগুলো আছে ?


কোরান হাদিসের কোথাও কি বন্দিনী নারী ধর্ষনের কথা বলেছে ? বলেনি।তাহলে ইসলাম বিদ্বেষীরা কিভাবে বলে যে ইসলামে বন্দিনী নারী ধর্ষন জায়েজ ? ইসলাম বিদ্বেষীদের এ ধরনের প্রশ্নের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হচ্ছে এখানে।

কোরান বলেছে :
সুরা নিসা -৪: ২৪: এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।

উক্ত আয়াতের এই অংশটি - এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এর অর্থ নাকি বন্দিনী নারী ধর্ষন। কি আজব কান্ড ? আয়াতের মধ্যে কি ধর্ষন শব্দটা আছে ? নাই। তাহলে ,এখানে ধর্ষনের কথা আসছে কিভাবে ?

এবার দেখা যাক , উক্ত আয়াত সম্পর্কে হাদিস কি বলে –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩৪৩২
উবায়দুল্লাহ ইবন উমর ইবন মায়সারা কাওয়ারীরী (র)......।আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা) হুনায়নের যুদ্ধের সময় একটি দল আওতাসের দিকে পাঠান । তারা শক্রদলের মুখোমুখী হয়েও তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক মানুষ তাদের কাছে বন্দি হয় । এদের মধ্য থেকে বন্দিনী নারীদের সাথে যৌন সহবাস করা রাসুলুল্লাহ (সা) -এর কয়েকজন সাহাবী যেন না জায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে । আল্লাহ তায়ালা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধ্বা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ-,(সুরা নিসা-৪:২৪) অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ইদ্দত পূর্ন করে নিবে ।

সুনান আবু দাউদ :: বিবাহ অধ্যায় ১২, হাদিস- ২১৫৫
উবায়দুল্লাহ্ ইবন উমার ইবন মায়সার -আবূ সাঈদ আল খুদরী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) হুনায়নের যুদ্ধের সময় আওতাস্ নামক স্থানে একটি সৈন্যদল প্রেরণ করেন। তারা তাদের শত্রুদের সাথে মুকাবিলা করে তাদেরকে হত্যা করে এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়। আর এই সময় তারা কয়েদী হিসাবে ( হাওয়াযেন গোত্রের ) কিছু মহিলাকে বন্দী করে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) - এর কিছু সাহাবী তাদের সাথে অনধিকারভাবে সহবাস করতে ইচ্ছা করে, কেননা তাদের স্বামীরা মুশরিক ছিল। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা এই আযাত নাযিল করেনঃ ( অর্থ) যে সমস্ত স্ত্রীলোকদের স্বামী আছে তারা তোমাদের জন্য হারাম। তবে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী অর্থাৎ যেসব মহিলা যুদ্ধবন্দী হিসাবে তোমাদের আয়ত্বে আসবে তারা ইদ্দত ( হায়েযের) পূর্ণ করার পর তোমাদের জন্য হালাল। (সুরা নিসা-৪:২৪)

দেখা গেল, নবিজী এক যুদ্ধে কিছু নারীকে বন্দি করেন , তার সাহাবিরা সেই সব বন্দিনী নারীদের সাথে বিবাহ বহির্ভুত যৌনকাজ করতে চাইলেন , কিন্তু সেটাতে তাদের মন সায় দিচ্ছিল না কারন সেইসব বন্দিনী নারীদের স্বামীরা তখনও জীবিত ছিল। তাই তাদের মানবতাবোধ ও বিবেক হয়ত বা তাদেরকে এসব অসহায় বন্দিনী নারীদের সাথে যৌনকাজ করতে বাধা দিচ্ছিল। আর তখনই সাথে সাথে নাজিল হয়ে যায় উক্ত সুরা নিসার ৪:২৪ আয়াত। আর তাতে আল্লাহ বলে দিল- বন্দিনী নারীদের স্বামী বেঁচে থাকুক বা না থাকুক কোনই সমস্যা নেই, তাদের সাথে অবলীলায় যৌনকাজ করা যাবে। পরম করুনাময় দয়ালু আল্লাহ আমাদের নবিজী ও তার সাহাবীদের যৌন যন্ত্রনা সহ্য করতে পারে নি, আর তাই তাদের সেই যৌন যন্ত্রনা দুর করার নিমিত্তে উক্ত আয়াত নাজিল করে দিল।

তবে হ্যা , দয়ার সাগর নবীজি বলেছেন ,

সুনান আবু দাউদ :: বিবাহ অধ্যায় ১২, হাদিস- ২১৫৭
আমর ইবন আওন -আবূ সাঈদ আল - খুদরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) ইরশাদ করেছেনঃ কোন গর্ভবতী বন্দিনীর সাথে তার সন্তান প্রসবের আগে এবং কোন রমনীর সাথে তার হায়েয হতে পবিত্র হওয়ার পূর্বে সহবাস করবে না।

অর্থাৎ কোন বন্দিনী নারী যদি গর্ভবতী থাকে , তাহলে তার সাথে যৌন কাজ করা যাবে না। কিন্তু কথা সেটা না , উক্ত হাদিসের কোথাও কি ধর্ষন শব্দটা উল্লেখ আছে ? নাই। তাহলে কিভাবে কোরান হাদিস বন্দিনী নারীকে ধর্ষন জায়েজ করল ?

ইসলাম বিদ্বেষীরা যুক্তি দেখায়, যে সব নারী বন্দিনী হয়েছে এই মাত্র , যাদের অনেকের স্বামী , ভাই , পিতা বা অন্যান্য আত্মীয় স্বজন কিছু আগেই নির্মমভাবে নবিজীর বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে , অথবা যাদের অনেকেরই স্বামী এখনও বেঁচে আছে ,এই মত অবস্থায় উক্ত নারীরা নিশ্চিতভাবেই ভীষনভাবে মর্মাহত , দু:খ যাতনায় কাতর, তারা নিশ্চয়ই আনন্দের সাথে নবিজীর বা তার বাহিনীর লোকের সাথে স্বেচ্ছায় যৌনকাজ করবে না। তার মানে তাদের ওপর জোর করতে হবে। জোরপূর্বক কোন নারীর সাথে যৌনকাজ করা হলো ধর্ষন। অর্থাৎ কোরান ও হাদিস অসহায়, দু:খ ভারাক্রান্ত বন্দিনী নারীদের সাথে শুধু মাত্র যৌন কাজের হুকুমের অর্থই হলো – তাদের ওপর জোর জবর দস্তি করে যৌন কাজ করা যাবে , যা হলো স্রেফ ধর্ষন। সুতরাং কোরান হাদিস তথা ইসলাম বন্দিনী নারীদেরকে ধর্ষন করতে বলেছে।

ইসলাম বিদ্বেষীদের এ ধরনের অভিযোগের একমাত্র জবাব হলো – যত কথাই বলা হোক না কেন , কোরান ও হাদিসে যেহেতু কোথাও ধর্ষন শব্দটা নেই , তাই এটা ধর্ষন হবে না কোন মতেই। আর তাই ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল রকম অভিযোগই বাতিল।

ঠিক তেমনি ভাবে কোন মুসলমানকে যে কেউ কুত্তার বাচ্চা , শুয়োরের বাচ্চা, খানকির বাচ্চা ইত্যাদি বলে সম্বোধন করলেও খাটি মুমিন যারা তারা কিন্তু কিছুই বলবে না। কারন ,এই শব্দগুলোর মধ্যে কোথাও গালি শব্দটা নেই। কোথাও বলা হয় নি – আমি তোমাকে শুয়োরের বাচ্চা বা কুত্তার বাচ্চা বলে গালি দিচ্ছি। সুতরাং যতক্ষন না গালি দিচ্ছি , এই শব্দ দুটো বাক্যের মধ্যে না থাকবে , ততক্ষন কোন মুমিনই কিছুই বলবে না , তা তাদেরকে যতই শুয়োরের বাচ্চা বা কুত্তার বাচ্চা বলা হোক না কেন। কারন তাহলে সেটা গালি দেয়া হবে না।

হাদিস সূত্র: http://www.quranexplorer.com/Hadith/English/Index.html

Comments

হাবশী গোলাম এর ছবি
 

আসলে ইন্টার্নেটের এমন উন্মুক্ত সময়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়ে পার পেয়ে যাওয়াটা খুবই কঠিন।
আপনি বলেছেন--
ইসলামে যুদ্ধবন্দীনিদের ধর্ষন করা জায়েজ।
না কোরানের ৪ঃ ২৪ আয়াত থেকে ধর্ষন প্রমাণিত হচ্ছে না।
অক্সফোর্ড Dictionary এর সংগা অনুযায়ী ধর্ষণ মানে হচ্ছে—
The crime, typically committed by a man, of forcing another person to have sexual intercourse with the offender against their will:
তার মানে ধর্ষণ হচ্ছে – কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পুর্বক বা বল প্রয়োগের মাধ্যমে যৌন সঙ্গম করা। যখন কোন মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়, তার আগে কখনই তার মতামত , অধিকার বা ইচ্ছার বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করা হয় না।
কিন্তু কোরানে বারবার এরকম আচরন একদম নিষেধ করেছে--
নিসা আয়াত ৩৬--
তোমরা পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর বা যুদ্ধবন্দীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে।
সূরা নূর--
তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা ( দাস-দাসী, যুদ্ধবন্দী) মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়, তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে, তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন, তা থেকে তাদেরকে দান করতে তোমাদের দাসীরা বা যুদ্ধবন্দীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না।
উপরের আয়াতগুলো থেকে প্রমাণিত হচ্ছে দাসী বা যুদ্ধবন্দিনীর উপর বল প্রয়োগের কোন অবকাশ নেই।
আবু মুসা(রা.) হতে বর্ণিত:
সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর ২৫৮৪; ইংরেজি অনুবাদ: ভলি. ৩, বুক ৪৬, নম্বর ৭২০;
রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
যার একটি ক্রীসদাসি আছে আর সে তাকে শিক্ষাদীক্ষা দান করে, তার সাথে সদয় ব্যবহার করে, অত:পর তাকে মুক্ত করে বিবাহ করে সে দ্বিগুণ সওয়াব পাবে।

তখন তো আর আমেরিকার মত এফ-১৬ জংগী বিমান বা টমাহক বোমা ছিল না, যে নির্বিচারে বোমা মেরে নারী,শিশু বৃদ্ধ সহ সবাইকে হত্যা করা হবে। তখন যুদ্ধে সরাসরি পুরুষদের সাথে পুরুষদের যুদ্ধ হত। বিজয়ীরা অন্যপক্ষের সম্পদ দখল আর নারী-পুরুষদের দাস-দাসীতে পরিনত করত। লক্ষ্য করতে হবে এসব প্রথা কিন্তু ইসলাম চালু করেনি। ইসলামের বহু আগে থেকেই এসব প্রথা চলে আসছিল। তখন মূল সমস্যাটি ছিল যুদ্ধবন্দী নারী আর পুরুষদেরকে অমানুষের মত যথেচ্য ব্যবহার করা হত। একজন নারীকে বহু সংখ্যক পুরুষ মিলে যৌন দাসীর মত ব্যাবহার করত অথবা তাদেরকে দেহ ব্যাবসা, পতিতা বৃত্তিতে বাধ্য করত। তাদের দাসত্য থেকে মুক্তি দেয়া বা নুন্যতম অধিকার দেবার মত কোন ব্যবস্থা সমাজে ছিল না।
ঠিক এরকম একটা অবস্থায় ইসলাম যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি আর দাস প্রথা থেকে মুক্তির উপায় বাতলে দেয়। যেহেতু যুদ্ধবন্দীদের কোন না কোন মালিকের অধিকার ভূক্ত থাকতে হয়, তাই মালিকদের দাসীর সাথে যৌন মিলনকে নিশেধ করা হয় নি, বরং অনুমতি দেয়া হয়েছে। এভাবে দাসীর গর্ভে যে সন্তান জন্মে তাকে স্বাধীন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবং মালিকের অন্যান্য সন্তানের মত সম্পদের ওয়ারিশ বা অধিকার দেয়া হয়। এতে প্রকারান্তরে পরোক্ষ ভাবে হলেও দাস প্রথার বিলুপ্তি ঘটে। তাই দাসীর সাথে যৌন ক্রিয়ার অনুমতি দান মানে ধর্ষন করা নয়, বরং তাকে পরিবারভূক্ত করে নেয়া। মালিকানাভুক্ত দাসীকে যে কেউ যথেচ্চ ব্যবহার করতে পারে না।
কিন্তু আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, ইসলামের পুর্বে অধিকারভূক্ত দাস-দাসীদের মুক্তি দেয়া, তাদের সাথে মানবিক আচরন করা, তাদেরকে বিয়ে করা , তাদের গর্ভস্থ সন্তানকে নিজ সন্তানের মত সম্পদের অংশীদার করার কোন প্রথা সমাজে চালু ছিল কিনা, আপনে কিন্তু সেটি প্রমান করতে পারবেন না।অথচ ইসলামই সর্বপ্রথম এসব প্রথার চালু করেছে।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

ইন্টারনেটের যুগে আসলেই পার পাওয়া কঠিন।

না কোরানের ৪ঃ ২৪ আয়াত থেকে ধর্ষন প্রমাণিত হচ্ছে না।
অক্সফোর্ড Dictionary এর সংগা অনুযায়ী ধর্ষণ মানে হচ্ছে—
The crime, typically committed by a man, of forcing another person to have sexual intercourse with the offender against their will:
তার মানে ধর্ষণ হচ্ছে – কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পুর্বক বা বল প্রয়োগের মাধ্যমে যৌন সঙ্গম করা। যখন কোন মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়, তার আগে কখনই তার মতামত , অধিকার বা ইচ্ছার বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করা হয় না। - See more at: http://istishon.com/node/15976#sthash.PXC4QyXQ.dpuf

আমিও তো বলেছি , যুদ্ধ বন্দিনী নারী যাদেরকে এই মাত্র বন্দি করা হয়েছে , যাদের স্বামী , পিতা , ভাই ইত্যাদিদেরকে কিছুক্ষন আগেই হত্যা করা হয়েছে , যাদের স্বামী এখনও বর্তমান। তারা খুব আনন্দের সাথে প্রেমে গদ গদ হয়ে বিজয়ী মুসলমানদের সাথে যৌনকাজে মিলিত হয়ে অসীম আনন্দ অনুভব করবে। তাই এটা ধর্ষন হবে কিভাবে ? উক্ত আয়াতে কোথাও ধর্ষন শব্দটা আছে ? নাই , তাহলে ?

আকাশ আলোকিত হবেই

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

যেমন আপনি কোন যুদ্ধে গেলেন , সেখানে আপনি বন্দি হলেন , তারপর আপনার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে বিজয়ী সৈন্যরা যদি তার সাথে যৌন কাজ করতে চায়, নিশ্চিতভাবেই আপনার স্ত্রী তাদের সাথে আনন্দের সাথে প্রেমের সাথে যৌন কাজ করবে। কি বলেন ? সুতরাং এটাকে ধর্ষন বলে কোন শুয়োরের বাচ্চা ?

আকাশ আলোকিত হবেই

 
হাবশী গোলাম এর ছবি
 

যুদ্ধবন্দী সম্পর্কে আপনার কোন ধারনাই নেই দেখছি।

তবে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী অর্থাৎ যেসব মহিলা যুদ্ধবন্দী হিসাবে তোমাদের আয়ত্বে আসবে তারা ইদ্দত ( হায়েযের) পূর্ণ করার পর তোমাদের জন্য হালাল। (সুরা নিসা-৪:২৪)

ইসলামের ন্নিয়ম অনুযায়ী কোন যুদ্ধবন্দীর সাথে কখনই সাথে সাথে মিলিত হওয়া যায় না। অন্তত চার মাস অপেক্ষা করতে হয়। তারপর ইদ্দত শেষ হলে মিলিত হওয়া যেতে পারে। আবার চার মাসের মধ্যে মুক্তিপণ আদায় করে যদি যুদ্ধবন্দীকে মুক্ত করে নিয়ে যায়, তাহলে তো কথাই নেই। কাজেই যেসব যুদ্ধবন্দীর কথা বলা হচ্ছে তাদেরকে পুরা চারমাসের মধ্যে স্বামী বা অত্নীয়স্বজন কেউই নিতে আসেনি অর্তাত তারা স্পম্পুর্ন পরিত্যাক্ত।

কিন্তু আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, ইসলামের পুর্বে অধিকারভূক্ত দাস-দাসীদের মুক্তি দেয়া, তাদের সাথে মানবিক আচরন করা, তাদেরকে বিয়ে করা , তাদের গর্ভস্থ সন্তানকে নিজ সন্তানের মত সম্পদের অংশীদার করার কোন প্রথা সমাজে চালু ছিল কিনা, আপনে কিন্তু সেটি প্রমান করতে পারবেন না।অথচ ইসলামই সর্বপ্রথম এসব প্রথার চালু করেছে।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

আপনি বলেছেন , এটা ইন্টারনেটের যুগ, তাই কোন ধুন ফুন করার সুযোগ নেই। যে কোন তথ্য সেকেন্ডের মধ্যেই ক্রশ চেক করে সত্যতা যাচাই করা যায়। দেখুন , তারপরেও কি মারাত্মকভাবে আপনি অন্যকে খুব বোকা আর নিজেকে চালাক ভাবেন। যাই হোক , নিচের হাদিসটি পড়ুন , আর দেখুন তো আমাদের দ্বীনের দয়াল নবি , কয়দিনের উদ্দত পালন করেছিলেন , ইহুদী সর্দার কিনানকে হত্যা করে গণিমতের মাল হিসাবে তার স্ত্রীর সাথে যৌনকাজ করার জন্যে।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৩৬৭

ইয়া’কূব ইবন ইবরাহীম (র)......আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) খায়রব যুদ্ধে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা ফজরের সালাত খুব ভরে আদায় করলাম। তারপর নবী (সঃ) সওয়ার হলেন। আবূ তালহা (রা)-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবূ তালহার পেছনে বসা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) তাঁর সওয়ারীকে খায়বরের পথে চালিত করলেন। আমার হাঁটু নবী (সঃ) এর ঊরুতে লাগছিল। এরপর নবী (সঃ) –এর ঊরু থেকে ইযার সরে গেল। এমনকি নবী (সঃ) –এর ঊরু উজ্জলতা এখনও আমি দেখছি। তিনি যখন নগরে প্রবেশ করলেন তখন বললেনঃ আল্লাহ আকবার। খায়বর ধ্বংস হউক। আমরা যখন কোন কওমের প্রাঙ্গনে অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃতদের ভোর হবে কতই না মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার উচ্চারন করলেন। আনাস (রা) বলেনঃ খায়বরের অধিবাসীরা নিজেদের কাজে বেরিয়েছিল। তারা বলে উঠলঃ মুহাম্মদ! ‘আবদুল ‘আযীয (র) বলেনঃ আমাদের কোন কোন সাথী “পূর্ণ বাহিনীসহ” (ওয়াল খামীস) শব্দও যোগ করেছেন। পরে যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা খায়বর জয় করলাম। তখন যুদ্ধবন্দীদের সমবেত করা হল। দিহরা (রা) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর নবী (সঃ)! বন্দীদের থেকে আমাকে একটি দাসী দিন। তিনি বললেনঃ যাও তুমি একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রা)-কে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (সঃ) এর কাছে এসে বললঃ ইয়া নবী (সঃ)য়াল্লাহ! বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীরের অন্যতম নেত্রী সাফিয়্যা বিনত হুয়াইকে আপনি দিহয়াকে দিচ্ছেন? তিনি তো একমাত্র আপনার এ যোগ্য। তিনি বললেনঃ দিহয়াকে সাফিয়্যাসহ ডেকে আন। তিনি সাফিয়্যাসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (সঃ) সাফিয়্যা (রা)-কে দেখলেন তখন (দিহয়াকে) বললেনঃ তুমি বন্দীদের থেকে অন্য একটি দাসী দেখে নাও। রাবী বলেনঃ নবী (সঃ) সাফিয়্যা (রা)-কে আযাদ করে দিলেন এবং তাঁকে বিয়ে করলেন। রাবী সাবিত (র) আবূ হামযা (আনাস) (রা)-কে জিজ্ঞেসা করলেনঃ নবী (সঃ) তাঁকে কি মাহর দিলেন? আনাস (রা) জওয়াব দিলেন তাঁকে আযাদ করায় তাঁর মাহর। এর বিনিময়ে তিনি তাঁকে বিয়ে করেছেন। এরপর পথে উম্মে সুলায়ম (রা) সাফিয়্যা (রা)-কে সাজিয়ে রাতে রাসূলুল্লাহ (সঃ) –এর খিদমতে পেশ করলেন। নবী (সঃ) বাসর রাত যাপন করে ভোরে উঠলেন। তিনি ঘোষণা দিলেনঃ যার কাছে খানার কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে। এ বলে তিনি একটা চামড়ার দস্তরখান বিছালেন। কেউ খেজুর নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। ‘আবদুল ‘আযীয (র) বলেনঃ আমার মনে হয় আনাস (রা) ছাতুর কথাও উল্লেখ করেছেন। তারপর তাঁরা এসব মিশিয়ে খাবার তৈরি করলেন। এ-ই ছিল রাসূল (স) এর ওয়ালীমা।

আকাশ আলোকিত হবেই

 
আলীক আশা এর ছবি
 

নিজেদের একাধিক স্ত্রী থাকা স্বত্ত্বেও যুদ্ধবন্দিনী কিংবা দাস-দাসীদের (হালাল বা হারাম)ভোগ করার মত কুরুচিপূর্ণ আইনের কথা শুনেই তো গা ঘিন ঘিন করে,
এমন আইনকে বৈধতা দেয়া আধুনিক বিশ্বে নিশ্চিৎ ভাবে একটি হীন মানসিক অসভ্যতা বই আর কিছু নয়......

অলীক আনন্দ

 
ধুমকেতু এর ছবি
 

আমাদের আল্লাহ ও তার নবী বড়ই দয়াল। তারা কেউ তার বান্দা বা উম্মদের দু:খ সহ্য করতে পারে না। তারা জানে, উম্মতরা বড়ই কাম কাতুরে। তাই তো দাসী ও যুদ্ধ বন্ধিনীর সাথে যৌন খেলার ব্যবস্থা।

আকাশ আলোকিত হবেই

 
বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

দেড় হাজার বছর আগের একটা মানুষের এসব অত্যন্ত কুৎসিত আচরণ অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু আধুনিক যুগে এসে সেই মানুষকে নবি বলে বিশ্বাস করে এর এই নিম্নশ্রেণীর ইতরামিকে আদর্শ হিসাবে নিলে তা নি:সন্দেহে বিপর্যয়কর।

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
সুলতান মাহমুদ এর ছবি
 

ইসলাম মানেই বর্বরতা। এমন আইন মুমিনগণ মেনে নিলেও তা চিরদিন ( এমনকি তখনকার জ্ঞানীমানুষেরাও) মানুষের কাছে অগ্রহণযোগ্য। এটা কেবল বর্বর মুহাম্মদের জন্যই সম্ভব। কোনো মানুষের জন্য সম্ভব না।

 
Ananta এর ছবি
 

ধর্ম গুলো সবগুলোই বর্বর মনে হয় বর্তমান যুগে, কিন্তু সেই সময়ে সেসব স্বাভাবিক ছিল I সমস্যা হল অন্য সব ধর্মের, এমনকি মুসলিম ধর্মের লোকেরা পর্যন্ত আধুনিক ধারায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে বা হবার চেষ্টা করছে I শুধুমাত্র আরব ও ইরানের বর্বরগুলো এবং তাদেরকে পিতা মনে করা বাকি বিশ্বের BASTARD হুজুর আর মাদ্রাসায় উত্পাদিত পণ্য গুলোই সেই আদি ইসলাম ধর্মের বর্বর (বর্তমান যুগের জন্য) প্রথা গুলো ধরে রাখতে চায়, ক্কারণ এদের জেলি সদৃশ ছোট অঙ্গ টি স্ফিত অতি ঘন ঘন.......

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ধুমকেতু
ধুমকেতু এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 1 month ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 13, 2015 - 3:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর