নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • গোলাম রব্বানী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • অনন্য আজাদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

কি আছে নারীর স্তনে?


শৈশবে আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম আর সেকারণেই হয়তোবা খুব দ্রুত আমার স্তনের আকার বেড়েছিল। প্রথমে আমার ফ্রকের সামনে কুচি কুচি দেয়া কাপড় জুড়ে দেয়া হলো, তারপর আমাকে ব্রা পরতে হল। তখনকার সময়ে এই পোশাকটি পরতে বেশ বিরক্তিকরই লাগতো। তবে ব্রা পরতে চাওয়া বা না চাওয়ার চেয়ে বড় চিন্তার বিষয় ছিল এই শংকা যে ‘স্তনের আকার নষ্ট হয়ে যাবে'। মা খালা, চাচী, মামীরা কানের কাছে ফিসফিসিয়ে জানিয়ে যেত এ কথা। কিন্তু কোন আকার? ছোট্ট মনে প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে আতংক বাড়তো।

স্তনের আকারের উপর ভালো বর জোটে। স্তনের আকার পরিবর্তনে নষ্ট মেয়ের খেতাব জোটে! আমাদের সমাজে এই ধরনের কথাও এখনো প্রচলিত। ছোট বেলায় খেলতে যেতে আমার এক সহপাঠির বুকে এক ছেলের হাত লেগেছিল অথবা ছেলেটি মেয়েটির স্তন চেপে ধরেছিল, মেয়েটি আতংকিত হয়ে ঘটনাটা আমার সাথে শেয়ার করে বলেছিল, ‘এখন কি আমার দুধ বড় হয়ে হয়ে যাবে? লোকজন ভাববে আমি খারাপ কাজ করি?’

রাস্তাঘাট হাটবাজারে ভিড়ের ভেতর অজস্র পুরুষের হাত অক্টোপাস হয়ে জড়িয়ে ধরে, লাঞ্ছিত করে হাজার হাজার শিশু, কিশোরী, তরুণী এমনকি মধ্যবয়সী নারীর স্তন।

‘মেয়েটার বুক পিঠ সমান’, ‘কিসসু নাই’ অথবা ‘ওরে বড় দুধ’। রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে স্তন ছোট ও বড় মেয়েদের এমন কথা অহরহই শুনতে হয়। যে দেশের পুরুষরা নারীদের সুন্দর আর পাতলা দেখতে চায় সেখানে বক্ষহীন নারীকে কটু কথা শোনায়, ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত!

আমার স্তন ছোট না বড়, টানটান না ঝোলা সেটা তো একান্তই আমার ব্যাপার হওয়ার কথা, তাই না? এটা তো আমার শরীরেরই অংগ, আমার স্তনের আকার কিংবা আদৌ এর অস্তিত্ব থাকবে কিনা, সেই বিধান ঠিক করে দেবার অধিকার অন্যকে কে দিয়েছে?

ডেইলি ও’তে নারীর স্তন নিয়ে পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতিকে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শ্রীমুয়ি পিউ কুন্ডু লিখেছেন, ‘আদতে আমাদের স্তন কখনোই আমাদের নিজেদের নয়। বাস্তবিক অর্থে এটি হল পবিত্রতা, পাপ কিংবা লজ্জ্বার উৎস। আমার স্তন প্রসঙ্গে সবসময় মায়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়, বাবা কিংবা ভাইদের সামনে যাওয়ার সময় আমাকে ব্রা পরতে হয়। জনবহুল এলাকায় কিংবা বাসে চলাফেরার সময় পুরুষের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে স্তনগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। আমার সব প্রেমীরাও আমার স্তনের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। আমি কল্পনা করি, আমার যখন বাচ্চা হবে, তাকে কোলে নিয়ে স্তন্যদান করব, তখন তা দাগে দাগে ভরে যাবে। কিন্তু আমার কিচ্ছু মনে হবে না। নারীদের স্তন কী কেবলই পুরুষদের প্রয়োজনীয়তা এবং আকাঙ্ক্ষা মেটানোর জন্য?'

বিতর্ক চলতে থাকে, স্তনের উপর কার অধিকার বেশি, স্বামী না সন্তানের? কী অদ্ভুত! স্তন আমার সেখানে আমার অধিকার নেই এবং স্তন নিয়ে নিয়ে আমার চিন্তা না থাকলেও জগতজোড়া মানুষের চিন্তার শেষ নেই!

স্তন ছোট-বড়, টানটান-ঝোলা-এই পার্থক্যগুলো, এই বৈশিষ্ট্যগুলো সব নারীর মাঝেই বিদ্যমান, দুর্লভ কিছু নয়। অথচ এই নিয়েই সে কী উত্তেজনা; জগৎজোড়া এই ভেবেই হয় লখো-কোটি ডলারের পর্নো বাণিজ্য, বাজারে বিকোয় কত বাহারি বক্ষবন্ধনী। এর জোরেই কারো ‘ভালো’ বর জোটে, কারো বিয়ে হয় না।

পৃথিবীতে ছয়শ কোটি মানুষের মধ্যে অর্ধেক নারী। তিনশ কোটি নারীর ছয়শ কোটি স্তন। বিষয়টা আমাদের সবার জন্যই তাই খুব স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কারণ, দুর্লভ জিনিসের প্রতিই নাকি মানুষের টান, আর সে হিসাবে নারীর স্তন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কিন্তু দুর্লভ নয়। অথচ স্তন শব্দটা আজও যেন রহস্যময়। ভয়, লজ্জা, উৎকণ্ঠা, উত্তেজনা তৈরি হয় এই শব্দটাতেই। পুরুষত্বের জন্য তো বটেই, নারীর জন্যও এ এক অন্য জগৎ।

একবিংশ শতকের আধুনিকতার সময়ে স্তন নিয়ে আমাদের এই মাতামাতি যেন প্রমাণ করে দেয়, পুঁজিবাদের এই স্বর্ণযুগে নারীর স্তন নিয়ে এই উত্তেজনা বাণিজ্য বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। এই উত্তেজনা রোমান্টিকতা নয়, কদর্য বাণিজ্য।

প্রায় সব ক্ষেত্রেই যে মাপকাঠি দিয়ে নারীর স্তনের সৌন্দর্যের বিচার করা হয়, তা হলো পুরুষের চোখ। পুরুষের চোখে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে নয়তো তাদের কামনার হাত থেকে বাঁচাতে যুগে যুগে নিত্য নতুন পদ্ধতিতে নিজেদের নাকাল করে এসেছে মেয়েরা। তা সে মধ্য যুগের ইউরোপের করসেটই হোক কি আজকের দিনের ডিজাইনার ব্রা অথবা আরো চূড়ান্ত প্লাস্টিক সার্জনের ছুরির নিচে গিয়ে কেটে ছিঁড়ে হলেও সেই আকর্ষণীয়, অলীক স্তনের অধিকারি হবার চেষ্টা।

অন্যদিকে সমান্তরাল ধারায় চলেছে নারীদেহের এই মাংসপিণ্ড দু’টোকে ঢেকে রেখে এমনকি নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে হলেও পুরুষের লালসার হাত থেকে বাঁচিয়ে তার সতীত্ব রক্ষার প্রয়াস।

এক সময়কার উর্বরতার প্রতীক, মাতৃত্বের প্রতীক এই স্তন, যুগ যুগ ধরেই অনেক মিথ্যা-কিংবদন্তি আর অনাচারের মুখোমুখি হয়ে আছে। কোন ধর্মে স্তন প্রদর্শন নিষিদ্ধ, কোথাও আবার বাধা-নিষেধ কম, নারীর শরীর নিয়ে কত খেলা!

কোনো কোনো আফ্রিকান সংস্কৃতিতে আবার স্তন নিয়ে মাতামাতি নেই, ওখানে যৌনতার প্রতীক তাদের সুঠাম-মাংসল ঊরু! পাশ্চাত্যের কোনো কোনো সৈকতে স্তনের প্রদর্শন নিষিদ্ধ নয়। কোথাও স্তনের প্রায় সবটুকু উন্মুক্ত করে দিলেও অসুবিধা নেই, কিন্তু স্তনবৃন্ত দেখানো যাবে না কোনো মতেই, কারণ স্তনবৃন্ত প্রদর্শন নাকি চরম অভব্যতা!

রেনেসাঁ পর্বে ইউরোপে ডাইনি অভিযোগে পুড়িয়ে মারা হয় লক্ষাধিক মেয়েকে। আর ডাইনি চিহ্নিত করার অন্যতম পরীক্ষা ছিল স্তনে পিন ফোটালেও ব্যথা না পেলে বুঝতে হবে যে সে ডাইনি নয়! কী অবিশ্বাস্য অবমাননাকর, বীভৎস!

সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই স্তনের চলমান ইতিহাস। তবে সে যুগে নারী সাধারণ নন, অসামান্য দেবী, কারণ নারীই সৃষ্টির কারণ, মানব জন্মদাত্রী। তাই তার স্তন পবিত্র। তখনো তাদের স্তন লালসার লক্ষ্য নয়, শ্রদ্ধার বস্তু, কখনোবা শক্তির প্রতীক। তাই তো ফ্রান্সের পর্বত গুহার গায়ে প্রাচীন চিত্রে বন্দিত হয়েছে স্তন। লৌহযুগে পানপাত্র গড়া হয়েছে স্তনের আদলেই। প্রাচীন মিসরে পুরুষ দেবতা হাপি-র-ও রয়েছে নারীর মতোই স্তন; এটি নারীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনেরই নামান্তর।

খ্রিস্টীয় মতাদর্শে দেহের দাবীকে দমন করাই মহত্বের লক্ষণ, স্তনহীনতাই যেন পবিত্রতার লক্ষণ। পাপী মেয়েরাই নাকি স্তন প্রকাশ করে, আর এ জন্য নরকে তাকে ভোগ করতে হয় অসহনীয় অত্যাচার। শরীরের সব পাপের বাসা যেন এই স্তনেই। তাই খ্রিস্টীয় চিত্রকলায় দেখা যায় পাপী মেয়ে বাধ্য হয়ে শলাকা দিয়ে স্তন ছিন্নভিন্ন করছে। মধ্য যুগের খ্রিস্টীয় চিত্রকলাতেও রয়েছে স্তন কেটে ফেলার নৃশংস সব দৃশ্য।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নানাভাবে ব্যবহার করেছিল নারীর উন্নত বুককে, তার যৌনতাকে। রণাঙ্গনের সেনানীদের ‘মন ভালো’ করতে উন্মুক্তবক্ষা নারীর লাখ লাখ ছবি বিলি করা হয়। ১৯৪১ থেকে ’৪৫-এর মাঝে একমাত্র ‘এস্কোয়ার’ পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি ষাট লাখ কপি করে বিলি করা হয় সৈনিকদের উৎসাহ দিতে!

তবে এর কিছু আগেই বিশ্বজুড়ে স্তনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গেছে অন্যরকম বানিজ্য। ১৯৩০ সালের দিকে মেয়েদের পোশাক হিসেবে যুক্ত হয় ব্রেসিয়ার বা ব্রা। তবে তা নারীকে কতটুকু স্বচ্ছন্দ দেবে বা দেবে না ধীরে ধীরে তার চেয়ে বড় হয়ে উঠে কিভাবে ‘ব্রা’ কে পুরুষের চোখে আকর্ষণীয়তর করে তোলা যায়, বাণিজ্য বাড়ানো যায় সে চিন্তা। বুক একটু ঝোলা দেখাবে সেটা তো অসম্ভব স্তনকে টান টান করে বেঁধে ফেলতে হবে!

ওয়ান্ডার ব্রা, ইনভিজিবিল ব্রা, বুলেট ব্রা এমন হাজারো ব্রা বাজারে আসতেই থাকে, চলে রমরমা বাণিজ্য। কিন্তু শুধু ব্রা দিয়ে কিংবা তাতে ফোম পুরেও বুককে আর কত বড় করা যায় কিংবা দেখানো যায়; তাই নানা মালিশ, ক্রীম, যন্ত্রে সয়লাব হতে থাকে বাজার। যে কোনো মূল্যে বুককে দেখাতে হবে অনেক বড়, গোলাকার, কিন্তু ধনুকের ছিলার মতো টান টান।

আধুনিক যুগের প্লাস্টিক সার্জনরা সেই জাদুকে নিয়ে আসেন হাতের মুঠোয়। এই দৌড়ে স্তনে সিলিকনের থলে ভরে দেয়াটা এগিয়ে যায় অনেকটুকু। পুরুষরাও আর যেন কোনোমতেই মানতে চাইছেন ‘ছোট বুক’ মেয়েদের। তাই লাইন বাড়ছে সিলিকন বসানোর ডাক্তারের কাছে। বিপজ্জনক, ক্ষতিকর জেনেও এক আমেরিকাতেই প্রতি বছর প্রায় তিন লাখ মহিলা বুকে বসাচ্ছেন সিলিকন থলে। ব্যাপারটা দাড়ালো, যেন স্তনই মেয়ের প্রধান ও একমাত্র পরিচয়!

আমাদের এই অঞ্চলেও সুপ্রাচীন কাল থেকে নারীদেহের এই একজোড়া অঙ্গের জন্য যুগে যুগে সে কী মোহ, সে কী উত্তেজনা।বাৎসায়নের কামসূত্রের মতো আরো শত সহস্র গ্রন্থে স্তন নিয়ে কল্পনার ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দেয়া হয়েছে। প্রেমিকের দাঁতের কামড় কিংবা নখের আঁচড়ে স্তনে কত রকম ক্ষত হতে পারে তার বিস্ময়কর রকম বিস্তারিত বিবরণ একমাত্র এই অঞ্চলের প্রাচীন সাহিত্যেই পাওয়া যায়।

নারী শরীরের এই দুটি মাংশ পিন্ড যেন শরীরের অংশ নয়, কখনো তা যৌনতা, কখনো তা বানিজ্য।
তবে এসবের বিরুদ্ধে মেয়েরা প্রতিবাদ করেনি এমন নয়। সেই ফরাসি বিপ্লবের সময়ও ফরাসি মেয়েরা কর্সেট পরা ছেড়ে দিয়েছিলেন। তারপর বিচ্ছিন্ন অনেক প্রতিবাদ চলেছেন শতাব্দীজুড়েই। বিংশ শতকে এসে ষাটের দশকে শোনা গেল নতুন শব্দ, নতুন আন্দোলন ‘ব্রা বার্নিং’, ‘পুড়িয়ে দাও ব্রা।’।

না, আন্দোলনটি শুধুমাত্র ব্রা পুড়িয়ে দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আমেরিকার এক সভায় মেয়েরা নিজেদের ব্রা খুলে বাক্সে ছুঁড়ে ফেলে দেন এটি যেমন সত্যি, তেমনি সত্যি নবতর চেতনার সূচনারও। শুধু আমেরিকা কেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালিসহ আরো অনেক জায়গাতেই মেয়েরা প্রতিবাদ করেছে নানাভাবে। কেউ উন্মুক্তবক্ষ নিয়ে মিছিলে নেমেছে, কেউ পুরো নগ্ন হয়ে নেমে এসেছে পথে। অধুনা কানাডাতেও একদল নারী মিছিল করেছিলেন নারীর উত্তমাঙ্গ অনাবৃত রেখে বাইরে বেরোনোর অধিকার আদায়ে।

নিজের স্তন প্রদর্শন, কিংবা শুধুমাত্র নগ্ন শরীরে ঘোরার অধিকার আদায়ে এই নারীরা কিন্তু পথে নামেননি; তারা পথে নেমেছিলেন মেয়েদের শরীর আর স্তন নিয়ে বাড়াবাড়ি রকম বাণিজ্য আর যৌনতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে। এটি নিতান্তই প্রতীকী আন্দোলন।

নারী ব্রা পরবে কি পরবে না, সেটা তার নিজের ব্যাপার; সে ইচ্ছে করলে ব্রা খুলে ফেলতে পারে, পুড়িয়ে ফেলতে পারে। স্তন নারী সাজাবে কী সাজাবে না, তাতে দামি অন্তর্বাস জড়াবে কী জড়াবে না; শিশুকে স্তন্যদান করবে কী করবেন না এমনতর বিষয় নারীর নিতান্তই ব্যক্তিগত। পুরুষতন্ত্রের বিনাশ তো হতেই হবে, তবে তার আগে নারী পুরুষের সমান অধিকারের লড়াই যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন সামান্য এই বোধটুকু, শরীর নারীর আর সেখানে নাক গলাবার অধিকারও একান্তই নারীর। স্তনের বেলাতেও।

তথ্যসূত্র :
১. নারী স্তন: উত্থান-পতন/শ্রীপান্থ/পড়ার বইয়ের বাইরে পড়া
২. বক্ষবন্দনা/রাবেয়া মঈন
৩ নারী স্তনঃ অন্য ইতিহাস/আসমার ওসমান
৪. ‘আমাদের যাত্রা হলো শুরু’/তসলিমা নাসরিন/নষ্ট মেয়ের নষ্ট গদ্য
৫. শরীরযন্ত্রের ইতিকথন/সুজাতা গঙ্গোপাধ্যায়/সানন্দা

Comments

রুশদী এর ছবি
 

সমস্যা একটিই। নারীর স্তন-উরু-যোনী এগুলো পুরুষদেরকে চিরকালই কামুক করে তুলে। এটা চিরন্তন। কেবল নপুংশক আর ফেরেশ্তা টাইপের পুরুষদের কথা হয়ত ব্যাতিক্রম।
আমি আপনার স্তনের স্বাধীনতার অধিকারের প্রতি সমর্থন জানাই। নারী ব্রা পড়বে কি না পড়বে এটা তড় নিজস্ব বিষয়।

তবে কামুক পুরুষদেরকে নিয়েই আমার ভয়। নিজে পুরুষ বলে; এই জাতটাকে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি।

 
বিষণ্ণ এর ছবি
 

নারীর স্তন-উরু-যোনী এগুলো পুরুষদেরকে চিরকালই কামুক করে তুলে। এটা চিরন্তন।

এভাবে অতি সরলীকরণ করে আর "চিরন্তন" বলে আপনি স্তন নিয়ে পুরুষদের বাড়াবাড়িতাকে বৈধতা দিয়ে দিলেন। তাও আবার ভুল তথ্যের উপর দাঁড়িয়ে। প্রথম কথা হল স্তন নিয়ে মাতামাতি পুরোটাই সঙ্গস্কৃতি নির্ভর, এটা চিরন্তর কিছু নয়। এই লেখাটা ভালোমতো পড়লেও সেটা দেখতে পেতেন। (আপনার আগ্রহ থাকলে আপনি আফ্রিকা বা পলিনেশীয় এমনকি আমাদের আদিবাসীদের সাঙ্গস্কৃতি নিয়েও পড়াশোনা করে দেখতে পারেন) এরকম করে ভাবার অর্থ দাঁড়ায় পুরুষ হলেই স্তন নিয়ে মাতামাতি করবে, এটা খিদে তেষ্টার মত কিছু। এই ভ্রম থেকে বেরোতে না পারলে আপনার উদ্দেশ্য যতই সৎ হোক, শেষবেলায় তা পুরুষতন্ত্রের পক্ষেই যাবে।

প্রশ্ন করাটা দোষের কিছু না। আপনি যে মানুষ, গরু-ছাগল, ব্যাকটেরিয়া-তেলাপোকা না সেটা আপনার প্রশ্ন থেকে বোঝা যায়। বেশি বেশি প্রশ্ন করুন, সব কিছুকে প্রশ্ন করুন, মানুষ হয়ে উঠুন...

 
রুশদী এর ছবি
 

প্রথম কথা হল স্তন নিয়ে মাতামাতি পুরোটাই সঙ্গস্কৃতি নির্ভর, এটা চিরন্তর কিছু নয়।

উহু স্তন নিয়ে মাতামাতি মোটেও সংস্কৃতি নির্ভর কোন কিছু নয়। এটা হিউম্যান নেচারের অংশ। এসব বিষয় নিয়ে physico-sexual behavior নামক একটা বিজ্ঞানের আলাদা শাখা আছে।পুরূষ চিরকালই নারীর শরীরের প্রতি আকৃষ্ট হয়(খুব সামান্য কিছু ব্যাতিক্রম বাদে) । এবং স্তন নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষনের ক্ষেত্রে একটা বড় ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে স্থান-কাল-পাত্র ভেদাভেদ নেই।

একজন নারী ব্রা পড়বে কি পড়বে না, সেটি তার ব্যক্তিগত সিন্ধান্তের ব্যাপার। তবে পুরুষ, নারীর স্তনের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার ব্যাপারটা নিয়ন্ত্রনযোগ্য কোন ব্যাপার নয় কিন্তু।

আপনি নীচের বৈজ্ঞানিক সাইটগুলো একটু পড়ে দেখতে পারেন--
http://www.livescience.com/23500-why-men-love-breasts.html

http://www.medicaldaily.com/male-researchers-reveal-real-reason-why-men-...

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

নারীর স্তনের প্রতি পুরুষের আকর্ষণটা প্রাকৃতিক। এটা হবেই। এ নিয়ে এতো মাতামাতির কিছু নাই।
আর নারীর সবকিছুই পুরুষের।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 
বিষণ্ণ এর ছবি
 

আমি মনে হয় ঠিকভাবে আমার মতামতটা প্রকাশ করতে পারিনাই। আমি ভেবেছিলাম আমরা দুইজনেই চাই নারীর উপর থেকে এই ধরনের পুরুষতান্ত্রিক চাপিয়ে দেয়া নিয়ম বা সামাজিক আচারের অবসান হোক। এবং সেটা করতে গেলে কি ধরনের দৃষ্টিভংগিগত পরিবর্তন আনা উচিত সেই ব্যাপারে একটা মত্মত শেয়ার করতে চেয়েছিলাম। বদলে মনে হল আপনি পুরো ব্যাপারটাকে ব্যাক্তিগতভাবে নিয়ে নিয়েছেন।

দুইটা লিঙ্কই পপ সাইন্স নিয়ে লেখা দুটি ইংরেজি সাইটের, কোন বৈজ্ঞানিক জার্নালের না।ইস্টিশন ব্লগের সাথে এই দুইটার খুব একটা পার্থক্য নাই, পাঠকসংখ্যা আর ভাষার পার্থক্য ছাড়া। তাছাড়া এই লেখাগুলাতেও এমন অংশ আছে যা ব্যাবহার করে মানে অন্যরকম দাড় করানো যায়। দুটো প্রবন্ধই লেখা হয়েছে ইয়ং এবং আলেজান্ডারের গবেষণার উপর ভিত্তি করে যার হাইপোথিসিস ছিল "কেন পুরুষেরা স্তনের প্রতি আকৃষ্ঠ হয়" তার কিছু কারন নির্নয় করা। এবং তার উপর তিনি একটি থিউরি দাঁড় করিয়েছেন যা এখনো পরীক্ষাধীন এবং অসম্পুর্ন। এই প্রবন্ধেই আছে যে ব্যাপারটা ঘটে আমাদের বয়: সন্ধিকালীন সময়ে।
এবং পরের প্যারাতেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে গবেষনাটা কোন নৃবিদ্যার প্রেল্কখাপটে করা হয়েছে কিনা
এখন এই তথ্যগুলো ব্যাবহার করে এবং আপনার মত একইভাবে নেট থেকে কিছু আমার মতের পক্ষের কিছু লিঙ্ক জোগাড় করে আমার পক্ষেও সম্ভব এই নিয়ে অনন্তকাল ধরে ত্যানা পেচায়ে যাওয়া...

এওটু বোঝার চেষ্টা করুন, এখানে আমাদের মূল পার্থক্যটা দৃষ্টিভঙ্গিগত। শুধু বায়োলজি দিয়ে মানুশকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করাটাই একটু একপেশে কারন মানুষ এমন প্রানী যারা বাস করে duel reality তে, যেখানে আর সব প্রানী বাস করে objective reality তে। মানুষের একটা সামাজিক নির্মান আছে, একটা কাল্পনিক বাস্তবতা আছে যেটা অন্য কোন প্রানীর নেই। মানবাধিকার, নারী অধিকার, রাষ্ট্র, টাকা, ধর্ম এগুলা মানুষের তৈরী করা ব্যাপার যেটা এক্সিস্ট করে স্মাজে। আপনি একটা মানুষের এনাটমি ব্যাবছেদ করে সেখানে খুঁজে মানবতা বের করতে পারবেননা কেননা সেটার কোন অবজেক্টিভ রিয়েলিটি নাই। সেটা আছে তার social dynamics এ। এই ব্যাপারে হারারির চমৎকার একটা বই আছে sapience, পড়ে দেখতে পারেন। এখানে তার কিছু চুম্বক অংশ পাবেনঃ
সোজা কথায় আপনি আমাদের বাস্তবতা তৈরী করে আমাদের সমাজ, যেখানে আমরা বড় হয়ে উঠি। অর্থাৎ আমাদের চিন্তা , আমরা কোন উদ্দীপনার প্রতি কিভাবে সাড়া দেব তার বেশিরভাগই তৈরী করে আমাদের বেড়ে ওঠার পরিবেশ। এই আমি যদি আজ বাংলাদেশে না বড় হয়ে সুইডেনে বড়হতাম তাহলে একভাবে অন্যভাবে চিন্তা করতাম, আফিকায় জুলু পরিবারে বড় হলে আরেকভাবে আর পলিনেশিয়াতে অন্যভাবে। একই কথা সবার ক্ষেত্রেই সত্যি। সাইকোলজির যেকোন ছাত্র/ ছাত্রী আরো ভালমতন জানে যে মানসিক রোগগুলো বেশীরভাগ culture নির্ভর। একইভাবে মানুষের যৌন আচরনও। এই ব্যাপারগুলোকে আমরা যদি আমলে না নেই, যদি যৌনতা বলতে শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গসঞ্চালনকে বোঝাই তাহলে আমরা কখনোই কাছাকাছি মতে আসতে পারবোনা কারন এই ব্যাপারে আমাদের অবস্থানই আলাদা।

প্রশ্ন করাটা দোষের কিছু না। আপনি যে মানুষ, গরু-ছাগল, ব্যাকটেরিয়া-তেলাপোকা না সেটা আপনার প্রশ্ন থেকে বোঝা যায়। বেশি বেশি প্রশ্ন করুন, সব কিছুকে প্রশ্ন করুন, মানুষ হয়ে উঠুন...

 
হাবশী গোলাম এর ছবি
 

পবিত্র কোরানে আছে--

মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। (সূরা নুর, আয়াত ৩০)

অসাধারন এই আয়াতটি যদি আমরা অনুসরন করি, তাহলে পৃথিবীর অনেক বড় বড় সমস্যাই কিন্তু মিটে যায়।

-----------------------------------------------------------------------------------------
“তারা মুখের ফুতকার দিয়ে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পুর্ণতা দান করবেন; ওদের নিকট তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন ( আল-কোরান)

 
বেহুলার ভেলা এর ছবি
 

মানুষের যৌনাঙ্গের দিকে না থাকিয়ে আল্লাপাক নিজের যৌনাঙ্গ আগে সামলাক।

সকল ধর্মই কিছু কুসংস্কারের সমষ্টি।

 
কচুরিপানা এর ছবি
 

মুমিন, তো বিশেষ শ্রেণি -বাচক! কিন্তু বিশ্বে মুমিন যে সং্খ্যালঘু সেই বিবেচনায় আল কুরান এর এই আয়াত এর কথা তো মশকরা করলো। :হাহাপগে:

 
কচুরিপানা এর ছবি
 

অসাধারণ এবং বাস্তবতা। সহমত।

 
পৃথু স্যন্যাল এর ছবি
 

একজনের শরীরের কোন অংশ কতটুকু প্রদর্শন করবে কতটুকু আবৃত রাখবে তা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যপার, সে নারী হোক আর পুরুষই হোক। আর অংগটি মুখ হোক কিংবা স্তন হোক। সভ্য মানুষ হিসেবে অন্যের ব্যক্তিগত ব্যপারে নাক গলানো কোনভাবেই কাম্য নয়।

*************************************
আমি কারো দেখানো পথে চলি না।
আমার ইচ্ছে মত পথের তৈরী করি।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

 
নীল ফারজানা এর ছবি
 

স্তন ছোট হলেও মেয়েদের কথা শুনতে হয়, বড় হলেও কথা শুনতে হয়। যেন স্তন আমাদের অংশ না, পুরুষদের অংশ, তার ছোট পছন্দ হলে প্রশংসা করবে, বড় হলে খুশি হবে বা হবে না। যেন মেয়ে হয়ে জন্মান হয়েছে পুরুষদের জন্য, নিজের জন্য না।

 
পার্থিব এর ছবি
 

আমি ইতুর সাথে এক মত। আমাদের ছেলেদের মধ্যে প্রায় অনেকে আছে যারা মেয়েদের দিকে তাকাতেই প্রথমে তার বুকের দিকে তাকায়। যা বলতে পারি আমার বন্ধু মহলেও। অনেক সময় আমার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় তাদের এই আচরণ দেখতে পাই। রাস্তার মোড়ে, দোকানে, কলেজ কাসেও। তারা একজন অন্য জনকে বলে। ওহ, এই মেয়েটার ব্রেস্ট কি বড়, যদি একটি রাত মেয়েটির সাথে থাকতে পারতাম। যদি প্রেম করতে পারতাম। এই জন্য মেয়েরা সব সময় তাদের বুক ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখে। যাতে কেউ বুঝতে না পারে যে তার ব্রেস্ট অনেক বড়। ইতু গতকাল একটি পোষ্ট করে ছিল। মেয়েরা কেন ব্রা পড়ে? যাতে তার বুক শরীরের সাথে ফিট হয়ে মিশে থাকে। চলাফেরা করার সময় নড়াচড়া না করতে পারে এবং পুরুষদের চোখ সে দিকে না পড়ে। বিস্তারিত সে লিখেছে তার ফেইজে। ইতু ইতুর জায়গায় মেয়েদের ব্রা পড়া নিয়ে লিখেছে। কিন্তু আমি লিখছি ছেলেরা কেন আন্ডারওয়ার পড়ে। অনেক সময় আমরা শুনে থাকি আন্ডারওয়ার পড়লে শরীরের জন্য ভালো। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বুঝতাম না। আন্ডারওয়ারের সাথে শরীর কি সম্পর্ক? গতকাল ইতুর লিখা পড়ে বুঝতে আর বাকি রইলো না পুরুষরা কেন আন্ডারওয়ার পড়ে? আমরা সব সময় মেয়েদের পণ্য বা ভোগ পণ্য হিসেবে দেখি। রাস্তা-ঘাটে চলাফেরা করার সময়ও আমরা নারীর দিকে তাকায়। প্রথমে তার মুখের দিকে তাকালেও পরক্ষনে কিন্তু বুকের দিকে তাকাতে ভুল করিনা। যখন তাকায় তখন পরুষের পুরুষ লিঙ্গ সেক্স হরমনের কারণে দাঁড়িয়ে যায়। এতে অনেক সময় দাড়িয়ে থাকা লিঙ্গ কাপড়ের উপর দিয়ে পরিস্কার দেখা যায় যা অন্য জনের চোখ পড়তে পারে। আবার এই উঠে যাওয়াতে কাপড়ের সাথে ঘষা খেয়ে গা হয়ে যায় পুরুষ লিঙ্গ। এতে চলাচল করতে রাস্তার অনেক সমস্যাও হয়। কিছু ছেলের মত কিছু মেয়েরা আছে যারা ছেলেদের নাভির নিচের দিকে তাকায়। এবং অন্য মেয়ের সাথে আলোচনা করে। এই জন্য পুরুষরা সব সময় ভেতরে আন্ডারওয়ার পড়ে।
স্টাইল করে ছেলেরা শার্ট খুলে মেয়েদের সামনে ঘুরাঘুরি করে, চলাফেরা করে কিন্তু মেয়েরা কি ওড়না ছাড়া ছেলেদের সামনে চলাফেরা করতে পারে? পুরুষ করলে কোনো সমস্যা হয় না কিন্তু মেয়েরা যদি সামান্য ওড়না না পরে তাহলে নানান রকম কথা তুলে দেয়। তার চরিত্র নিয়ে কথা তুলে। সমাজে সে মেয়ে গৃনার পাত্রী হয়ে দাড়ায়।
ছেলেদের বুক ও মেয়েদের বুক তো একই দুটাই শরীরের অঙ্গ । দুইটা তো এক। শুধু হোরমোন জাতীয় কারণে দুইটার আকার আলাদা। শরীরের অন্যন্য অঙ্গের মতই এই অঙ্গটি।
আমরা উন্নত দেশগুলোতে তাকালে দেখতে পাই। ছোট জামা পড়েও মেয়েরা রাস্তায় বের হয়। কিন্তু কেউ তাদের দিকে খারাব চোখে তাকাতে দেখি না।
কিন্তু আমাদের দেশগুলোতে তাকাতেই প্রথমে খারাব চোখে তাকায়।

 
ইমরান আহমেদ সৈকত এর ছবি
 

সমরেশ বাবুর লেখা লাইনটা তুমি পড়েছো? সমরেশ বাবু আমার প্রিয় লেখক না, কিন্তু তার এ লাইনটা আমার খুব প্রিয় - "মাধবীলতা বিশ্বাস করো, আমরাও একসময় প্রেমিক ছিলাম, আমরাও বিশ্বাস করতাম গার্লফ্রেন্ডের ব্লাউজের নিচে শুধু স্তন নয়, আস্ত একখানা হৃদয় আছে।" সত্যি কথাটা হচ্ছে আমি এখনও কথাটা বিশ্বাস করি। কিন্তু সকলে তো আর এটা বুঝে না। সকলের কাছে এ শুধু আস্ত একখন্ড নরম মাংসপিন্ড। কিন্তু সত্য হচ্ছে ঐ হৃদয়ের অতল ভালোবাসার সমান ভালোবাসা, আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

সুন্দর

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

শামীমা মিতু
শামীমা মিতু এর ছবি
Offline
Last seen: 6 months 2 দিন ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 2:01পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর