নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

পূর্ব পাকিস্তান > বাংলাদেশ > পাকিস্তান


হিযবুত তাওহীদ - অনলাইন ঘেটে যা পেলাম এটি একটি কালো তালিকাভূক্ত সংগঠন। পানি আর পানীয়ের মধ্যে গূণগত ভিন্নতার মতো বাংলাদেশ সরকারও কালো তালিকাভূক্ত আর নিষিদ্ধ সংগঠনকে আলাদা করে দেখেছে এবং দেখছে। গত বছরের এপ্রিলে র‌্যাবের তখনকার মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান বলেছিলেন যে, তাঁদের পর্যবেক্ষণে সংগঠনটিকে নাশকতামূলক মনে হয়েছে। তাই নিষিদ্ধের সুপারিশ করা হবে। অদ্ভুত কোন কারণে 'হিযবুত তাওহীদ' নিষিদ্ধ হয়নি। যদিও গত বছরেরই শেষ দিকে এসে, সরকারী চাকুরীজীবিদের 'হি.তা.'-এর কোন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আসে।

আমার লেখা অবশ্য হিযবুত তাওহীদের ইতিহাস নিয়ে না; বরং গতকালের কিছু ঘটনা নিয়ে। গতকাল সকালে একটা কাজে কমলাপুরে গিয়েছিলাম। সেখানে দেখি, বছর ৬০-এর এক নারী 'বজ্রশক্তি' নামে একটি পত্রিকা বিক্রি করছে। তাঁকে দেখে কিছুতেই পেপার বিক্রেতা মনে হচ্ছিল না। নিম্ন মধ্যবিত্ত, মোটামুটি ভালো পোষাকের একজনকে সংবাদপত্র বিক্রি করতে দেখে অবাক হই। কমলাপুর থেকে সোজা আসি মিরপুর। দোকানে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ বছর তিরিশের একটা মেয়ে বেশ স্মার্টলি বাংলা-ইংলিশ মিলিয়ে পেপার বিক্রি করতে আসলো। একই পত্রিকা - বজ্রশক্তি।

বজ্রশক্তি হলো হিযবুত তাওহীদের মুখপাত্র। পত্রিকার মূল বিষয়বস্তু হলো, কি ভাবে মুক্তমনারা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কি ভাবে পাশ্চাত্য শিক্ষা ব্যবস্থা নাস্তিকতাকে প্যাট্রোনাইজ করে এবং ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে, সংগঠনটি যে হঠাৎ করে একদিনে একটি পেপার ছাঁপিয়ে প্রচারণায় নেমে গেছে, তা কিন্তু নয়। সরকারের নজরে এসেছে আরো আগে। গতবছর (২৩ নভেম্বর) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের 'হি.তা'-এর দুই প্রকাশন বজ্রশক্তি এবং দেশেরপত্র পড়তে মানা করে চিঠি জারি করে। আবারো অদ্ভুত কোন কারণে, প্রকাশন দু'টি নিষিদ্ধ করা হয় না। শুধু সরকারী চাকুরেদের ওপর বিধি নিষেধ আরোপ হয়।

কোন সংগঠন বা প্রকাশনা যদি জঙ্গীবাদী হয়, তবে তা সকলের জন্যেই জঙ্গীবাদী শুধু সরকারী চাকুরেদের জন্য না। এই বিধিনিষেধ হয়তো, সরকারের ভেতরে কোন উগ্রবাদী বিদ্রোহ দমাতে সাহায্য করবে; কিন্তু আরো বড় পুরো দেশের প্রেক্ষাপটে জঙ্গীবাদকে ঠিকই এগিয়ে নেবে। আনসারউল্লাহ, হিযবুত তাহরীর, হিযবুত তাওহীদের মতো দলগুলো বাংলাদেশে লেভেল প্লেয়িং গ্রাউন্ড এর মধ্যে তৈরি করে ফেলেছে বা ফেলছে।

একসময় জঙ্গীবাদী দলগুলোর প্রধান কর্মী ছিলো, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এরপর আসলো প্রাইভেট ভার্সিটি, তারপর ক্যাডেট কলেজ। আর জঙ্গীদের প্রায় সবাই ছিলো পুরুষ। গতকালকে আমি নিজ চোখেই দেখলাম, মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়েরাই কিভাবে ঝুঁকছে উগ্রবাদীদের মতামত প্রচারের জন্যে। লিঙ্গ, সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থাসহ সব ব্যারিয়ারগুলো ধীরে ধীরে ভাঙছে আল-কায়েদার বংশধর আর আইএস-এর সহোদরদের কাছে।

আমি একজন সাধারণ মানুষ। একটি কালো তালিকাভূক্ত সংগঠনের দেদারসে চালানো প্রচারণা একই দিনে দু'বার আমার চোখে পরলো, কিন্তু সরকার কিছু জানে না - এটা আমি বিশ্বাস করি না। সরকার এসব সমস্যা শুধু জানেই না, বোঝেও - তারপরো ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকে। ছাড় দেয়ার এই সহয পন্থার ফলে কিছুদিন আরামসে ক্ষমতায় গেলেও, এর ভবিষ্যত হলো, পূর্ব পাকিস্তান>বাংলাদেশ>পাকিস্তান।

হয়তো একদিন হিযবুতদের হাত ধরে, আবার সবাই পাক সার জমিন সাদ বাদ গাইবো আর বলবো, বাংলাদেশে কোন জঙ্গী নেই, যা আছে তা হলো কালো তালিকভূক্ত সংগঠন।

Comments

নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

সাম্প্রদায়িকতা এখন খোলামেলাভাবে ছড়ানো হচ্ছে। জঙ্গিবাদীতাও একইভাবে। সরকারের নজর শুধুমাত্র বিএনপি টাইট রাখার কাজে। জঙ্গিবাদের চাষ হচ্ছে খোলামেলাভাবেই। এর পেছনে মদদ আছে সরকারের সাথে জড়িত কোন মহলের হয়ত। আমরা হেরে যাচ্ছি বোধ হয়!

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

বজ্রশক্তি পত্রিকাটি কি দৈনিক? দৈনিক বজ্রশক্তি নিয়ে চাঁদপুরের স্থানীয় পত্রিকায় একটা সংবাদ হয়েছিল। সেই সংবাদেও চারজন নারী বিক্রেতার কথা উল্লেখ ছিল।

 
ধ্রুব তারা এর ছবি
 

আমি খুব চাইছিলাম লিটন দাস (ক্রিকেটার) ফেইসবুক ঘটনা নিয়ে একটা ৫৭ ধারায় কেইস করুক। তাহলে সো কল্ড ধর্মানুভূতির আঘাতের মুখোশ আরো খুলতো। সাম্প্রদায়িকতা এখন বাংলাদেশে রং রোডে গাড়ি চালানোর মতো। করলে এটা কিউট পর্যায়ের অপরাধ

 
অর্ধ ত্রিভুজ এর ছবি
 

কিন্তু কিন্তু দেশে কোন জঙ্গি নাই..সব মিডিয়ার সৃষ্টি।

মূর্খ শাসকশ্রেনী!

"If you want to shine like sun first you have to
burn like it.” ― Adolf Hitler

 
ধ্রুব তারা এর ছবি
 

একটা পুরোনো প্রবাদ আছে 'রক্ষক যখন ভক্ষক'

 
ইকারাস এর ছবি
 

এই সংগঠনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায় সরকারের মন্ত্রী-এম্পিরাও এদের বিভিন্ন কর্মসূচীতে অতিথি হিসাবে অংশ নিচ্ছে। জঙ্গি লুকিয়ে আছে সরকারী দলের অভ্যন্তরে।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ধ্রুব তারা
ধ্রুব তারা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 2 months ago
Joined: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী 19, 2013 - 9:31অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর