নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • মিশু মিলন
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

প্রবাসীর প্রত্যাবর্তনঃ অল্প স্বল্প


(প্রকাশনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে উপন্যাসটির অল্প স্বল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরছি)....
ভদ্রলোকটির পুরো নাম ইকবাল হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার পরিচিত ইকবাল ভাই। চেহারাটা নিতান্তই কুৎসিত। এখনো উনার নামে ডজন খানেক মামলা থানায় ঝুলে আছে। ধর্ষণ, লুটপাট, মাতলামি, সংঘাত, খুন কোনো কিছুই বাদ নেই। সবকিছুতেই ইকবাল ভাই সর্বেসর্বা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেখলেই ইকবাল ভাইয়ের সবকটা আঙুল গরম হতে থাকে। তার আঙুলের থাবায় পুরো ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় লাভ করে তার চিরাচরিত পরিবেশ।
কিছুদিন আগে ভিসির উপর তার নিজ দলীয় শিক্ষকরা ক্ষেপে গিয়েছিলেন খুব। যে সাধ-স্বপ্ন নিয়ে তারা এরকম মাথা মগজহীন মানুষকে ভিসি বানিয়েছিলেন ভিসির আসনে বসে সেই মানুষটিরও মাথা মগজ গজাতে শুরু করে। টিচারদের এত দিনের লালিত স্বপ্ন বুদবুদের মতো উড়ে গেলো। ভিসি মশাই এখন আর কাউকে পাত্তা দেন না। রাস্তায় দেখা হলে করিম-রহিমের মতো প্রভাবশালী টিচারদেরও শুঁয়োপোকা মনে করে তাদের উপর দিয়ে পা মাড়িয়ে যান। এক কথায়, একমাত্র ভিসি মহোদয়ের খড়মের খটখটানিতে তার নিজ দলে টিচাররা অতিমাত্রায় বিরক্ত। সুতরাং, সোনার চাঁনকে সরাতে হবে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।
ইকবাল ভাই এই সুযোগ লুফে নিয়েছিলেন ঝটপট। একেবারে সাচ্চা পলিটিশিয়ানের মতো। সদ্য রাশিয়া থেকে আমদানি করা একটা পিস্তল নিয়ে সোজা ঢুকে পড়লেন ভিসির বাসভবনে। একেবারেই একা ঢুকলেন। সাথে তার পঙ্গপালকে নিয়ে আসার বিন্দুমাত্র প্রয়োজনীয়তা বোধ করেননি। ভিসি মহোদয় তখন উনার বউয়ের নিজ হাতে রান্না করা একেবারে খাঁটি পদ্মার ইলিশ খাচ্ছিলেন। ভিসি মহোদয়ের কিছু বাঁকাত্যাড়া কর্মকান্ড মাঝে মাঝে সবাইকে থতমত খাইয়ে দেয়। কিছুদিন আগে উনার সেক্স স্ক্যান্ডাল বেরিয়েছিলো। এক রূপবতী মহিলার সাথে এক অবৈধ গভীর প্রণয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন ভিসি মহোদয়। ১৯৭১ সালে সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করা এই মুক্তিযোদ্ধা ভিসির যৌবন এখনো অক্ষত রয়েছে পুরোপুরি। যেকোনো নারীকে এখনো যৌবন আনন্দে পুরো দেহ কাঁপানোর অবিস্মরনীয় ক্ষমতা রাখেন ভিসি। এসব স্ক্যান্ডাল যখন অন্য সব টিচার এমনকি ছাত্রদের হাতেও পৌঁছে যায় উনি বিন্দুমাত্র বিচলিত বোধ করেন না। এসব আলতু ফালতু মানুষের কথায় কান দিয়ে উনি সময় নষ্ট করেন না। উনি খুব সুন্দর করে আমাদের সকলের বিনোদনের উৎস সেই এরশাদ সাহেবকে গর্ত থেকে উপরে তুলে আনেন। তারপর বীরদর্পে বলেন, এরশাদ সাহেব পারলে আমি পারবো না কেন? অকাট্য যুক্তি। ছাত্র-শিক্ষক একযোগে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন এই যুক্তির সাথে।
উনার স্ত্রী উনার মাথায় খুব আদর করে হাত বুলিয়ে চাকরগুলোকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন উনার পাতে এটা-ওটা দেওয়ার জন্য। দৃশ্যটা খুবই রোমান্টিক ছিলো। ইকবাল ভাইও খানিকটা অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছিলেন এরকম মুহূর্তে এসে।
খুব আলতোভাবে তিনি ভিসি মহোদয়ের স্ত্রীকে বললেন, “খালাম্মা, আপনি একটু ভেতরে গেলে আমি খালুর সাথে জরুরি দুটি কথা বলতাম।”
খালাম্মা বুঝতে পারলেন, খুব গুরুতর বিষয় না হলে উনার ভাগনে এই অসময়ে ড্রয়িং রুম টপকে একেবারে খাবার ঘরে আসার কথা নয়।
খালাম্মা আস্তে আন্তে উনার ঘরের দিকে হাঁটতে শুরু করলেন। ভিসি মহোদয় ৫ ডায়াপ্টার ক্ষমতার চশমা দিয়ে দেখছেন ইকবাল ভাইকে।
“ইকবাল? এই অসময়ে তুমি এখানে?”
ইকবাল ভাই বুক ফুলিয়ে বেশ জোরের সাথে বললেন, “একটা জরুরি কাজে এসেছি স্যার।”
“সেটা না হয় বুঝলাম। তুমি তো ড্রয়িং রুমে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে পারতে। একেবারে হুট করে আসার খাবার ঘরে ঢুকে পড়লে, এটা কি ঠিক হলো?”
ইকবাল ভাই আস্তে আস্তে উনার পকেট থেকে আসল ম্যাজিক রাশিয়া থেকে আমদানি করা পিস্তল বের করলেন। তারপর খুব সুন্দর করে জাম্বু কায়দায় সেটা ভিসি মহোদয়ের কপালের ঠিক মাঝখানে ঠেকালেন। মুহূর্তেই ভিসি মহোদয়ের মুখখানা কালিমাচ্ছন্ন হয়ে গেলো।
“এটা কি হচ্ছে ইকবাল? আমি তোমার শিক্ষক।”
“সেটা অস্বীকার করছে কে? যা বলছি মনোযোগ দিয়ে শুনুন।”
বলে চার পৃষ্টার বিশাল লম্বা একটা লিস্ট ভিসি মহোদয়ের নাকের ডগায় ঝুলিয়ে দিলেন। ভিসি মহোদয় চশমার ফাঁক দিয়ে লিস্টটা দেখলেন। ৪৫ নাম্বারে রুস্তম আলি, ৪৬ নাম্বারে কালাম মিয়া, ৪৭ নাম্বারে আক্কাস আলি, ৪৮ নাম্বারে মামুন মিয়া, ৪৯ নাম্বারে রুহুল মিয়া.....
ইকবাল ভাই বললেন, “বেশি না, ২০০ জনের লিস্ট। সপ্তাহখানেক পরে যে শিক্ষক-কর্মচারি নিয়োগ আসছে তাতে এখান থেকে যতটা নাম বাদ পড়বে আপনার ফ্যামিলি থেকেও ঠিক ততটা নাম বাদ পড়বে। একেবারে চিরতরে। আমাকে আর এখানে আসতে বাধ্য করবেন না। গেলাম।”
মুহূর্তের মধ্যে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এই হট নিউজে ছেঁয়ে গেলো। ভিসির নিজ দলের কতিপয় তিতিবিরক্ত শিক্ষকরা ইকবালের ভূয়সী প্রশংসা করছেন তলে তলে । ব্যাটার মতো কাজ করেছে আমাদের ইকবাল! একেই তো বলে নেতা!
সেই নিয়োগের ঝামেলা অবশ্য এখনো চলছে। সেটাকে কেন্দ্র করে ভিসি মহোদয়ও নানান খেল দেখাচ্ছেন মাঝে মধ্যে। তিনিও ইকবাল ভাইকে হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন, তুমি বাপু পাতায় পাতায় চললে আমি চলি শিরায় শিরায়।
ইকবাল ভাইয়ের হল লাইফও খুব ইন্টারেস্টিং। থাকেন পুরো একটা ফ্লোর নিয়ে। এক রুমে টিভি, আরেক রুমে ফ্রিজ ও খাওয়া দাওয়ার জিনিসপত্র, আরেক রুমে প্রতি রাতে গাঞ্জার আসর বসে, আরেকটা রুম ঘুমানোর জন্য। এমনও গুজব শোনা যায়, ইকবাল ভাইয়ের যৌবনের উত্তেজনা বেড়ে গেলে মাঝে মাঝে মেয়ে নিয়েও হলে ঢুকেন। একটা মোটকা-সোটকা সুন্দরী মেয়েকে মাঝে মাঝেই নাকি ইকবাল ভাইয়ের রুমে ঢুকতে দেখা যায়, ঘন্টাখানেক পর আবার বেরিয়েও যায়। ইকবাল ভাই তার সহচরবৃন্দ যাদের হাত দিয়ে একটু ইশারা করলেই ইকবাল ভাইয়ের জন্য ঝাপিয়ে পড়বেন লড়াই সংগ্রামে তাদের সবার জন্য পৃথক পৃথক রুমের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তিন সিটের রুমে একাই থাকেন তারা। তারই ফলশ্রুতিতে বোকাসোকা সাধারণ ছাত্ররা একরুমে ১২-১৩ জন করে থাকে। প্রভোস্ট স্যার অবশ্য মাঝে মধ্যে এসে উনার মেরুদন্ডহীন দেহখানা দেখিয়ে যান। আর খুব আদুরে গলায় বলেন, “তোমরা একটু কষ্ট করো আমি দেখছি।”
স্যারের এই দেখা যে কবে শেষ হবে তা নিয়ে সাধারণ ছাত্রদের সন্দেহের কোনো অবকাশ থাকে না।
মাঝে মাঝে রোমান্সের জ্বালায় ইকবাল ভাইয়ের চেহারাটা মলিন হয়ে যায়। মেয়েদের দিকে তাকিয়ে এক স্নিগ্ধ শিহরণ অনুভব করেন ইকবাল ভাই। ক্যাম্পাসের যেকোনো মেয়েকে অ্যানিটাইম প্রপোজ করতে পারেন তিনি। কেউ টু শব্দও করবে না। ভুলেও না। ইকবাল ভাই যখন পুচকে নেতা ছিলেন তখন এরকম লুইচ্যামি করতে গিয়ে কত মেয়ের যে বকুনি খেয়েছেন তার হিসেব রাখাও একটা দুঃসাধ্য ব্যাপার ছিলো। এখন আর সে বিড়ম্বনা নেই। ইকবাল ভাই প্রপোজ করলে হ্যাঁ বলুক আর নাই বলুক অন্তত মুখের উপর না বলতে পাবে না এটা গ্যারান্টি সহকারে বলা যায়।
বিন্দু নামের একটি মেয়ে, কয়েকদিন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। দেখতে বেশ সুন্দরী, হাঁটা চলার মধ্যে তীব্র উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়, বেশ আঁটসাঁট পরনের পোশাক। লম্বা চুলগুলো বেশ সুন্দর করে ডিজাইন করা। সেদিন দুর্ভাগ্যবশত সে ইকবাল ভাইয়ের নজরে পড়ে যায়।
ইকবাল ভাইয়ের প্রপোজ করার ধরণটাও একেবারে আলাদা। হাতের ইশারায় মেয়েদের প্রথমে ডাকেন। তারপর বড় বড় চোখে কিছুক্ষণ আপাদমস্তক দেখেন।
“বসো।”
খানিকটা আদেশের সুরে বলেন ইকবাল ভাই। কখনো কখনো কেউ বসে, তবে বেশির ভাগ সময়ই দাঁড়িয়ে থাকে। বসার সাহস পায় না। তখন ইকবাল ভাই বেশ কঠিন ও গম্ভীর মুখে বলেন, “বসো বলছি।”
ইকবাল ভাইয়ের কথার মধ্যে ফুটে ওঠে এক ভয়ংকর ইঙ্গিত।
ঠিক এভাবেই বিন্দুকে ডাকছিলেন ইকবাল ভাই। মেয়েটি যে আর পাঁচটা আটপৌরে মেয়ের মতো নয় তা বুঝার হিম্মত ছিল না উনার। ইকবাল ভাই সব মেয়েকে এক পাল্লায় মাপা শুরু করেছিলেন। যেন সবাই উনার ব্যক্তিগত প্রপার্টি। উনি উঠতে বললে উঠবে, বসতে বললে বসবে, রুমে নিয়ে যেতে চাইলে সেখানেও যাবে।
মেয়েটি সবাইকে অবাক করে কষিয়ে দুইটা চড় মারলো ইকবাল ভাইয়ের গালে। তাও সেটা কোনো সাধারণ চড় নয়, একেবারে পুরো পার্টি অফিস স্তব্ধ করে দিয়েছিলো সেই চড়। মুহূর্তেই ইকবাল ভাইয়ের চোয়াল কঠিন হয়ে গেলো। কালো গাল দুটো ফুলে উঠছে ধীরে ধীরে।
“পরের বার এরকম আর কাউকে বললে একটু হিসেব করে বলবি। পেয়েছিসটা কি তুই? ক্যাম্পাসের সব কয়টা মেয়েকে এক রকম মনে করিস? আর বেশি বাড়াবাড়ি করলে জুতিয়ে চেলা-চামুন্ডোসুদ্ধ আজীবনের জন্য মানুষ বানিয়ে দেবো।”
চোখ পাকিয়ে বেশ তেজের সঙ্গে কটুক্তি বর্ষণ করে গেলো মেয়েটি। ইকবাল ভাইয়ের ভেতরটা বারুদের মতো জ্বলছে। চোখ দুটি দিয়ে বেরুচ্ছে অগ্নি স্ফুলিঙ্গ।
“ভাই, আপনি শুধু একবার বলুন ঐ মাগীর লাশ ফেলে দিচ্ছি।”
“ভাই, আপনি শুধু অনুমতি দিন, মেয়েটাকে ন্যাংটো করে পুরো ক্যাম্পাস ঘুরাবো।”
“ভাই, এটা আপনি মেনে নিলেও আমরা মানবো না। একেবারে আমাদের পার্টি অফিসে এসে আপনার গায়ে হাত তুলে! এর একটা বিহিত হওয়া দরকার।”
ইকবাল ভাইয়ের চেলা-চামুন্ডোরা নানান ভাবে কাঁটা গায়ে নুনের ছিঁটা দিয়ে উনার উগ্র অনুভূতিগুলোকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। ইকবাল ভাই কিছু না বলে ফুঁসতে ফুঁসতে চলে গেলেন।
ক্যাম্পাসে খবরটি ছড়িয়ে পড়লো বাতাসের চেয়েও দ্রুতগতিতে। ইকবাল ভাইকে চড় কষাতে পারে এরকম মেয়েও ক্যাম্পাসে আছে? মেয়েদের হলগুলোতে হাততালির ঝড় বয়ে গেলো এই সুসংবাদ শোনার সাথে সাথে। এই হাততালি শুধু ইকবাল ভাই নয়, ইকবাল ভাইয়ের রাজনীতির প্রতিও বুড়ো আঙুল তুলে বলে দেয়, তোমার রাজনীতি কত কুৎসিত, কদাকার। তোমার রাজনীতির অভ্যন্তরে যে আদৌ কোনো দেশপ্রেম নেই এটা সর্বজন বিদিত। তোমার রুদ্র মূর্তির ভয়ে কেউ তোমার বিরুদ্ধে বলতে পারে না। তুমি তোমার বিরুদ্ধে কথা বলার সব রাস্তা সুপারগ্লু দিয়ে আটকে রেখেছো। তাই যখন কেউ তোমার বিরুদ্ধে কথা বলতে চায়, বলার সাহস করে তখন তাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হয়। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে তোমার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে, তোমার বিরোধিতা করে। তাই ইকবাল ভাইয়ের মতো একজন নেতা একটি মেয়ের হাতে চড় খাওয়ার পর যখন সকল মেয়েরা মিলে উল্লাস করে তখন ধরে নিতে হবে এই চড় ঐ সকল মেয়ের সম্মিলিত চড়। ওদের সম্মিলিত প্রতিবাদ। ইকবাল ভাইয়ের পার্টির অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও ধন্য দিতে হয়। কত ঘেন্নাপিত্তিহীন! মানুষের দেহ রক্ত মাংসে গড়া বলে যে স্বীকৃতি আছে, সেই স্বীকৃতিটুকুরও যোগ্যতা হারান তারা। নেতার এই দুঃখে তারা সুখ প্রলেপ দেয়ার চেষ্টা করছেন। নেতার পাছায় সবাই সর্ষের তেল মাখছেন যাতে নেতার দুঃখ কিছুটা হলেও লাঘব হয়।......
(আরো অল্প স্বল্প আসবে)
লেখক: শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সৌরভ দাস
সৌরভ দাস এর ছবি
Offline
Last seen: 3 months 6 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, আগস্ট 13, 2015 - 8:18অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর