নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জিসান রাহমান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আকিব মেহেদী
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

যে কথা ইতিহাসে নেই


[এ এক্সপ্রেস পোস্টের কথাগুলো আজ নয় কাল কিংবা কয়েক বছর পরে বহু বছর ধরে ইস্টিশনের যাত্রীদের মুখে মুখে ধ্বনিত হবে। এটিতে আরো অনেক নতুন বগি সংযোজিত হবে। চোখ রাখুন।]
০১. আমাদের (বাঙালীদের) সমস্যাটা মগজে নয়, মননে|
০২. গলে যাচ্ছে সময়, পুড়ছে নক্ষত্রের রাত তৃতীয় প্রজন্মের প্রসেসরে |
০৩. নির্বাক সময়ে স্বস্তির হাওয়া বয়ে গেলে বিশ্বাস হয়ে উঠে আদর্শ সরল দোলক |
০৪. বিতর্ক ও রাজনীতিকে যে সকল সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বুদ্ধিজীবীরা এড়িয়ে চলেন তারা মনুষ্যরুপী গিরগিটি ও ভদ্রবেশী ভণ্ড |
০৫. চারদিকে অকাল মৃত্যুর হাতছানিতে স্বপ্নঝরা শীতে বেদনাময় প্রহর হয়ে উঠে আধুনিক জীবনের ফেসবুকীয় দীর্ঘশ্বাস |
০৬. জনপ্রিয়তা পূর্ণতার ভগ্নাংশ ও আপেক্ষিক তুলনা মাত্র আর সফলতা (গতানুগতিক মানদণ্ডের আলোকে নয়) পূর্ণতার অপরিহার্য বস্ত্র |
০৭. যে জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা মানুষের মানসিক বিকাশকে বিকলাঙ্গ করে সে জাতি চিরদিনই পরের সাহায্যের আশায় পথ চেয়ে বসে থাকে |
০৮. চার দশকের বিভৎস স্বপ্নগুলো দেখে হোঁচট খায় জন্মের মানচিত্র |
০৯. ফ্রেমের মুগ্ধতা ছাপিয়ে ইতিহাস ধ্রুবক হলে সাফল্যের পারদ ছুঁয়ে যাবে নাতিশীতোষ্ণ স্বত্তা |
১০. যে সকল বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ঝোপ বুঝে কোপ মারে ও দেশের দুর্দিনে চুপ থেকে বিশেষ বিশেষ সময়ে লেখায়, কথায় তোমাদের বিমোহিত করে তাদেরকে বিশ্বাস করো না| তারা আসলে স্বার্থান্বেষী, দেশপ্রেমিক নন |
১১. ভালবাসার নাগরদোলায় চড়ে মোহের বেড়াজালে বন্দী নগর সংস্কৃতি|
১২. অতিথি শিশিরের ভালবাসা শুকিয়ে গেলে হাতছানি দেয় বেদনাবিধূর সারাদিনের তপ্তময় রৌদ্র-ছোঁয়া |
১৩. অভিমানের মোড়কে তোমার আঁখিযুগল সত্য গোপনে মগ্ন |
১৪. চেতনার সমীকরণে আপোষের বিষবাষ্প উড়িয়ে ম্যারাথন উল্লসিত সময়ের গিরগিটি |
১৫. মানুষের জ্ঞানের গভীরতা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতিসমূহের দ্বারা যেকোন পরিস্থিতি বুঝতে পারার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে, অনেক কিছু শেখার সামর্থ্যের উপর নয় |
১৬. কেবলমাত্র সাধনা করলেই কেউ সাধক হয়ে যান না| মনে রাখতে হবে সাধনা করা যতটা কঠিন সাধক হওয়া তার চেয়ে অনেকগুণ কঠিন|
১৭. আমাদের দেশে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশায় নিয়োজিতদের কাজ কর্মের মজুরি ঘণ্টা অনুসারে নির্ধারণ করা উচিত। এতে সংশ্লিষ্টদের কর্মক্ষেত্রে গণহারে ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে|
১৮. শিক্ষা-সন্ত্রাস, সাহিত্য-সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক-সন্ত্রাসের বিধ্বংসী ছোবলে বাংলাদেশের বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম ধ্বংসের পথে|
১৯. পৃথিবী একটি রঙ্গশালা| আমাদের প্রত্যেকেই এই রঙ্গমঞ্চের অভিনেতা/অভিনেত্রী। বর্তমানে যে যত বেশি সুন্দর অভিনয় করে ছদ্মবেশ ধারণ করতে পারে সে তত বেশি সফল|
২০. একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি সমালোচনা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন, যে কোন বিবৃতি দেওয়ার পূর্বে বারবার ভাবেন, জীবনের যাত্রাপথে প্রতিকূল পরিস্থিতিগুলোতে সফল হতে নিজেকে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম|
২১. যখন গণতন্ত্র বার বার হোঁচট খায়, সমাজতন্ত্র হতাশায় মুখ লুকায় তখন স্বৈরতন্ত্র ও সামরিকতন্ত্র আগাম বিজয়োল্লাস করে|
২২. একজন কমরেডের মানুষ চিনতে ভুল হলে ক্ষতির পরিমাণটা অন্য যে কারও চেয়ে কমপক্ষে দশগুণ বেশি হয়|
২৩. তোমার উচ্ছাসের ক্লোরোফিলে স্বস্তির নিঃশ্বাস টেনে আমি এঁকে দিব রঙধনু জীবন|
২৪. যারা প্ররোচনা (Persuasion) ও আত্মপক্ষ সমর্থনের (Justification) পার্থক্য বুঝে না তারা সহজেই অন্যদের পাতানো ফাঁদে পা দেয়| আর এটি আমাদের চারপাশে অহরহ ঘটছে। কৌশলে এক শ্রেণী এর ফায়দা লুটছে|
২৫. মানুষের অভ্যাসসমূহ শক্তির নিত্যতার সূত্রের মত। এগুলোর রুপান্তর ঘটে কিন্তু ধ্বংস হয় না|
২৬. একটি দেশ যখন তার কৃতি ও মেধাবী সন্তানদের যথার্থ মূল্যায়ন করতে পারে না তখন সে দেশে সত্যিকারের উন্নয়নের প্রত্যাশা করা দিবাস্বপ্ন ভিন্ন অন্য কিছু নয়|
২৭. বিলাসী বিপ্লব স্বার্থের পরিমিত বক্ররেখা|
২৮. প্রথার বিপরীতধারায় চলাটা যেমন ফ্যাশন ঠিক তেমনি প্রথামত চলাটাও গোঁড়ামী|
২৯. যখন তুমি কাউকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে তখন সে ধীরে ধীরে তোমার এ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তোমার অজ্ঞাতে নানাভাবে তোমাকে ব্যবহার করা শুরু করবে|
৩০. ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মৌলবাদীরা যখন তোমার চারপাশে আশ্রয় নিবে ও পাবে তখন তুমিও দ্রুত মৌলবাদী হয়ে উঠবে|
৩১. ইনসুইং ও আউটসুইং দেখে খেলার চেয়ে রিভার্স সুইং সামলানো অনেক কঠিন| আর যারা রিভার্স সুইং করতে অভ্যস্ত তাদের বিদ্যা ও বুদ্ধির পরিধি যেমনই হোক না কেন বিচরণ সমগ্র বৃত্ত জুড়ে|
৩২. যখন কোন ব্যক্তি পতনের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয় তখন সে মনে করে সে যেটাই বলে, যেটাই করে সেটাই চূড়ান্ত সঠিক|
৩৩. তুমি যদি নিজের প্রতি সৎ না হও, তুমি তোমার জীবনে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবে না|
৩৪. ছদ্মবেশে বন্ধুসেজে থাকা স্বাধীনতাবিরোধী চক্র, অতি প্রতিক্রিয়াশীল ও ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভয়াল ছোবলের হাত থেকে পরিত্রাণ না পেলে বর্তমান প্রজন্মের ধ্বংস অনিবার্য|
৩৫. মোল্লার দৌঁড় মসজিদ পর্যন্ত আর বাংলাদেশে বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থায় আমাদের বিদ্যার দৌঁড় পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত|
৩৬. যে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানরত শিক্ষকদের মানের তুলনামূলক পরিসংখ্যানে স্ট্যাণ্ডার্ড ডেভিয়েশনের মান যত বেশি সে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তত বেশি| (শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য)
৩৭. নিজেকে জানো, নিজেকে বুঝ ও নিজের উপর বিশ্বাস রাখ; সাফল্য নিশ্চিতভাবে তোমাকে স্বাগত জানাবে|
৩৮. তোমার বর্তমানের প্রতিটি কর্ম তোমার অতীত ও বর্তমানের সমন্বিত প্রতিফলন|
৩৯. আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের যা নেই তার হিসেব কষছি অথচ যা আছে তার কতটুকু সঠিকভাবে ব্যবহার করছি নিয়মিত তা কি ভেবে দেখছি?
৪০. আমরা ইতিহাসকে ভুলে যাই, ইতিহাস আমাদের ভুলে না| আমাদের তথ্যের বিকৃত করা দেখে ইতিহাস বিদ্রুপের হাসিতে শংকিত আগামীর পূর্বাভাস দেয়|
৪১. একজন শিক্ষার্থী যদি ভুল পথে চলেন তাহলে শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনের ক্ষতি হতে পারে কিন্তু একজন অযোগ্য, অদক্ষ শিক্ষকের কারণে একটি সমাজ এমনকি একটি দেশও ধবংস হয়ে যেতে পারে|
৪২. তোমার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যুদ্ধকাল| তুমি সফল হবে যদি দীর্ঘ জীবন যুদ্ধে লড়াই করার কলা-কৌশল তোমার জানা থাকে|
৪৩. অবাধ তথ্য প্রবাহের এ যুগে আমরা বাঙালিরা প্রায় সবাই অলরাউণ্ডার হতে চাই, বিশেষায়িত নয়। নিজেদের দুর্বলতা, সামর্থ্য ও সম্ভাবনা নিরুপণে আমরা ব্যর্থ| যার ফলে কোনটাই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠা হয় না|
৪৪. অন্যদের প্রতি সম্মান দেখানোকে বিনয় বলে না| আপনি যদি ধর্ম, গোত্র, লিঙ্গ, ব্যক্তি ইত্যাদি নির্বিশেষে আপনার সঠিক মতামত প্রকাশ করার মত সাহসী হন তবে সেটিকে আপনার বিনয় বলা যেতে পারে| এই মৌলিক গুণ আপনাকে মহান করতে পারে|
৪৫. আমরা কেউ কোন অপরাধ করলে বলি সে অপরাধ করেছে কিন্তু একবারও ভাবি না কেন অপরাধ করেছে, আসলে সমস্যা কোথায়? আর তা না জানার কারণেই সমস্যাগুলোর সঠিক সমাধান আসে না|
৪৬. আমাদের সমাজে শিক্ষিত বলে যারা নিজেদের দাবি করি সেই আমাদের ভাবনার পরিধি আজো অনেক ছোট তাই বিভিন্ন, বৃহৎ দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে ব্যর্থ হই|
৪৭. জানুন নিজেকে কিভাবে সম্মান করতে হয়। আপনি যদি নিজেকে সম্মান করতে পারেন, আপনার চারপাশের মানুষজনও আপনাকে সম্মান করবে|
৪৮. যাদের সঠিক বোধশক্তি আছে জীবনটাকে তারাই উপলব্ধি করতে পারে|
৪৯. যেখানে অর্থনৈতিক মুক্তি নেই সেখানে মূল্যবোধের কোন স্বাধীনতা নেই|
৫০. এই পৃথিবীতে সফল হতে হলে প্রত্যেককে তার নিজের কাজের চাকর হতে হবে|
৫১. যদি কোন কিছুর সূচনা হয় নাটকীয়ভাবে , সমাপ্তি ঘটে অধিকতর নাটকীয়তায়|
৫২. মানুষের বিশ্বাস ও অনুভূতিতে টোকা দিলেই উন্মোচিত হয় স্বরুপ। আর তা থেকেই কেবল তাকে সত্যিকারে চেনা সম্ভব|
৫৩. সমস্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে, সমাধান সুশিক্ষার প্রায়োগিক দ্বারে|
৫৪. যে কোন জাতীয় ইস্যুতে শুধুমাত্র সুবিধাবাদী, কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতকেরাই নীরব থাকে|
৫৫. যে ব্যক্তি ভিনদেশী ভাষাকে সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখে না সে ব্যক্তি নিজের মাতৃভাষাকে প্রকৃতপক্ষে কখনোই ভালবাসে না|
৫৬. বিভ্রান্তিকর তথ্য খুব সহজেই মানুষের হরেক রকম মৌসুমী অনুভূতিতে আঘাত হানে |
৫৭. বিপ্লব হল বঞ্চিতদের আন্দোলন, শিক্ষিত, আইনপ্রণেতাদের ব্যর্থতার রুপায়ন; প্রাপ্তির ঝুঁড়িতে অসংখ্য সাফল্যের দেখা মেলার সম্ভাবনা থাকলেও বিপ্লবের স্থায়ীত্ত্ব যতই বাড়ে, অবসানের পরে এর নায়কেরা ততই স্বার্থবাদী ও ক্ষমতালোভী হয়ে পড়ে|
৫৮. যতদিন শিক্ষিতদের নৈতিক বিবেকে ঘাটতি থাকবে ততদিন বিশ্ব-শান্তিতে কোন স্থিতিশীলতা আসবে না|
৫৯. যে কোন প্রতারণার সূচনা হয় অন্ধবিশ্বাসে, পূর্ণতা পায় উচ্ছ্বাসে।
৬০. প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত কেউ সময়ের মোহে পড়ে সঠিক দর্শন ও চিন্তা-চেতনা থেকে বিচ্যূত হতে পারে না|
৬১. আমরা বাঙালীরা গুজবে বিশ্বাস করি, বাস্তবতাকে সন্দেহের চোখে দেখি।
৬২. দ্বৈত-নীতি অধুনা শিক্ষিত (?) বাঙালীদের অন্যতম সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
৬৩. এই বিশ্বে কোন প্রেমই প্রেম নয় কেবল স্বার্থপরতা।
৬৪. রাতের দ্বিমাত্রিক সৌন্দর্যে বিমোহিত দীর্ঘসূত্রিতার আল্টিমেটাম গোপন সমঝোতার অপ্রকাশিত স্মারক!
৬৫. বাংলাদেশে শিক্ষকদের সম্পর্কে কিছু বলা, লিখা পাপ আর উনাদের তোষামোদ, পূজা করা পুণ্য।
৬৬. তুমি যদি তোমার পূর্বসুরীদের/অগ্রজদের সঠিকভাবে সম্মান করতে না পারো, তুমি তোমার উত্তরসুরী/অনুজদের সাথে শুভস্য বা পরে একই রকম করবে।
৬৭. মানুষ অধিকাংশক্ষেত্রে যা বলে তা বিশ্বাস করে না আর যা বিশ্বাস করে তা নানা বাধ্যবাধকতার জন্য ও লোকলজ্জার ভয়ে বলে না।
৬৮. আমাদের বাংলাদেশে যারা মারে তারা আজীবন পুরস্কৃত, অলংকৃত হয় আর যারা মরে তাদের বংশধরেরা হয় আমৃত্যু নিগৃহীত, নিস্পেষিত।
৬৯. যে দেশের সংবিধানের ধারাগুলো সাংঘর্ষিক, সংসদ অকার্যকর, শিক্ষা ব্যবস্থা মুমূর্ষু, দুর্নীতি জনপ্রিয় পেশা সে দেশের বিচার ব্যবস্থায় প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হওয়ার প্রত্যাশা করা দিবাস্বপ্নের সমান।
৭০. তুমি যদি তোমার নেতিবাচকতাসমূহ সম্পর্কে না জানো, তুমি অন্যদের ক্ষেত্রে কখনো ইতিবাচকভাবে ভাবতে সক্ষম হবে না।
৭১. পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই কোন না কোনভাবে মৌলবাদী ও পক্ষপাতদুষ্ট।
৭২. পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন, দায়িত্বপূর্ণ চারটি পেশায় নিয়োজিত - শিক্ষক, বিচারক, ডাক্তার ও চালক (বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের)!
৭৩. অতীত যখন মনের মাঝে ভেসে বেড়ায় জীবনের গতি তখন নিমিষেই থমকে দাঁড়ায়।
৭৪. এ যুগে মানুষ বৈশ্যবিদ্যালয়কে বিশ্ববিদ্যালয় ভেবে ভুল করে আর বিশ্ববিদ্যালয়কে কলুষিত করে মনুষ্যখোঁয়াড়ে পরিণত করে।
৭৫. বাংলাদেশে ধর্ম ও মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে হরেক রকম ব্যবসার উপাদান।
৭৬. সাহিত্য এক ধরনের নান্দনিক রাজনীতি।
৭৭. আমরা বরাবরই অন্যের সমালোচনা করতে পছন্দ করি কিন্তু সমালোচনা কীভাবে করতে হয় তা জানি না।
৭৮. এদেশের সরকারগুলো শিক্ষাখাতের যথার্থ পৃষ্ঠপোষক ছিল না/নয়, বার্ষিক বাজেট শিক্ষাবান্ধব নয়, মিডিয়া শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রচারক নয়, জনগণও শিক্ষিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে ইচ্ছুক নয়।
৭৯. পৃথিবীতে মানুষের কোন কর্মই মৌলিক নয়, সবই অল্প-বেশি মাত্রায় অনুকরণমূলক।
৮০. বাঙালীদের অধিকাংশ বিশ্বাস কুসংস্কারপ্রধান, তারা ভুলে যায় যৌক্তিক ভিন্নমতেও যে আসতে পারে অসংখ্য সমস্যার সমাধান।
৮১. আমাদের দেশে অনেকেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পেশাগত সম্পর্ককে এক করে ফেলে। এরফলে বিবেচনাবোধ, নৈতিকতা, পেশাদারিত্ব ইত্যাদি ব্যক্তি স্বার্থের কাছে সহজেই বিক্রি হয়।
৮২. প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে পিছিয়ে পড়া যে কোন দেশে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক,সাংস্কৃতিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে সংস্কার করার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কার ও কার্যকরি পরিবর্তন আনা অতীব জরুরি।
৮৩. ইম্পেরিয়ালিজম, কলোনিয়ালিজমের অদৃশ্য শক্তিশালী প্রভাব বাংলাদেশের উপর যতদিন বিরাজমান থাকবে ততদিন এদেশে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন সম্ভব নয় এবং যথাযথ বাস্তবায়ন স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু।
৮৪. পাপই যাদের পূণ্য তারাই এ সমাজে ধন্য।
৮৫. জ্ঞানীর গৌরব কর্মে, মূর্খের আদিখ্যেতার ধর্মে।
৮৬. পৃথিবীতে সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর মাঝে অন্যতম দুইটি হল অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেওয়া ও অন্যের সমালোচনা করা আর কঠিন কাজগুলোর মাঝে অন্যতম দুইটি হল নিজের দোষ-ত্রুটিসমূহ বুঝতে পারা ও সেগুলো পরিহার করা এবং অন্যকে দেওয়া উপদেশগুলো নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারা। প্রথম দুটিতে ব্যস্ত থাকে বোকা ও ব্যার্থরা; শেষের দুটিতে সফল ও মহানেরা।
৮৭. স্ব-কর্মেই নিহিত তোমার প্রকৃত আত্মপরিচয়।
৮৮. বিভিন্ন সূত্রে সবকিছুই তোমার ,অতএব, কোন কিছুই তোমার নয়।
৮৯. ভালোবাসা আশ্বাস দেয়, নির্ভরতা ও নিশ্চয়তা দেয় না।
৯০. জীবনই অনন্যভাবে জীবনকে জীবনের মতো ভাবতে, বুঝতে, ভালোবাসতে, পথ চলতে ও এগিয়ে যেতে শেখায়।
৯১. উদ্দেশ্য এক পথ ভিন্ন হলে খুব বেশি সমস্যা নেই কিন্তু পথ এক উদ্দেশ্য ভিন্ন হলে সম্মিলিতভাবে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে কখনো পৌঁছা যায় না।
৯২. কথিতদের দাপটে প্রথিতরা হারিয়ে গেলে সংখ্যাই জয়ী হয় গুণগতমানের বিসর্জনের অন্তরালে।
৯৩. অন্যের সমালোচনা কর, অবজ্ঞা নয়।
৯৪. মিডিওকারেরা আমাদের দেশে প্রতিথযশা(!) বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক আর আমরা (কু)শিক্ষিত, অশিক্ষিতরা তাদের অন্ধ ও গুণ(!)মুগ্ধ সমর্থক।
৯৫. আমাদের দেশের শিক্ষকদের আগ্রহ যতটা না পেশাসংশ্লিষ্ট ব্যাপারগুলোতে তার চেয়েও অনেকগুণ বেশি সার্কাসময় রাজনীতি ও মিথ্যার খেলাগুলোতে।
৯৬. আগুনে পুড়ে মারে দেশপ্রেমিকেরা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করে তাদের মুরীদেরা তারপরও তারা সাচ্চা দেশপ্রেমিক আর যারা এসবের কোন কিছুতেই নেই তারা দেশদ্রোহী শ্রমিক!
৯৭. যতদিন না শিক্ষাক্ষেত্রের অনিয়মগুলো বন্ধ হবে, শিক্ষা ব্যবস্থায় যুগোপযোগী সংস্কার করে কার্যকর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে ততদিন পর্যন্ত প্যারালাইজড শিক্ষিতরাই এডুকেশন ফ্যাক্টরিগুলো থেকে বের হয়ে রাষ্ট্র চালাবে, রাষ্ট্রকে ক্রমাগত পঙ্গু করতে থাকবে।
৯৮. তুমি যখন কোন গতানুগতিক বৃত্তের মাঝে থাকবে তখন কেউ তোমার সমালোচনা করবে না, প্রশংসায় পঞ্চমুখ হবে কিন্তু যখন সাফল্যের সাথে গতানুগতিক বৃত্ত পেরিয়ে যাবে তখনও কেউ সমালোচনা করবে না তবে রকমারি গুজব ছড়াবে!
৯৯. নিজেকে বঞ্চিত করার মত নিকৃষ্টতম প্রবঞ্চনা আর কিছুই হতে পারে না।
১০০. আমাদের সমাজে তারাই শ্রেণিহীন সমাজের বুলি কপচায় যারা আপাদমস্তক শ্রেণিবিভাজনে নিমজ্জিত; যারা ইতিবাচক স্বপ্ন দেখার কথা বলে তারাই নেতিবাচক হয় চলনে, বলনে; নিজেদের বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ ভাবে অথচ বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতা বলতে কী বুঝায় তাই জানে না; স্বচ্ছ আয়নায় নিজেদের শেকড়, অতীত ও বর্তমান না দেখে চতুর্পাশ্বে চাটুকারবেস্টিত হয়ে নিজেদের অনেক কিছুই মনে করে।
১০১. সংকীর্ণ চিন্তা-চেতনা ও কূপমণ্ডূকতায় আচ্ছন্ন কারোরই ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হওয়া ঠিক নয়; এরা না হয় সাহিত্যের মূল চিন্তা-চেতনার সমঝদার না হয় মুক্তমনা, হয়ে উঠে অন্ধ বিশ্বাসী ও গোঁড়া!
১০২. কতটুকু জানো সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ নয় তবে যা জানো তার কতটুকু নিজের থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিসরে প্রয়োগ করেছো ও নানাক্ষেত্রে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে চেস্টা করেছো ও প্রায়োগিক কর্মে রূপান্তর করেছো সেটাই আসল কথা।
১০৩. আমাদের সমাজে কোনটি অন্যায় তা কাউকে জানাতে ও জানার সুযোগ দিতে আমাদের তীব্র আপত্তি কিন্তু অন্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও চর্চার অগ্রসৈনিক হতে উজ্জীবিত সম্মতি।
১০৪. দূরদৃষ্টি-নিকটদৃষ্টির সমন্বয়ে যা সৃষ্টি হয় তাই কেবল মহাকালের রিসাইকেলড বৃষ্টি!
১০৫. আমাদের দেশে গণতন্ত্র একটি প্রাইভেট কোম্পানী লিমিটেড!
১০৬. দুঃখকে লুকানোর মিছে অভিনয়ের মত কঠিন অভিনয় আর কিছু নেই!
১০৭. যারা নিজেদের নেতিবাচক, দুর্বল দিকসমূহ জানে ও সেগুলো থেকে উত্তরণের জন্য প্রতিনিয়ত চেস্টা করে এবং সেই সাথে সমাজের, জীবনের ভালো-মন্দ সম্পর্কে সম্যক অবহিত কেবল তারাই তাদের ইতিবাচক ভাবনাসমূহের বাস্তবায়ন ঘটাতে পারে ও অন্যদের হৃদয়ে দীর্ঘদিনের জন্য ঠাঁই করে নিতে সমর্থ হয়।
১০৮. একজন ছাত্র সমগ্র জীবনব্যাপী শিক্ষক নন কিন্তু একজন শিক্ষক সমগ্র জীবনব্যাপী ছাত্র।
১০৯. মিথ্যাকে সত্য বলে তুলে ধরা একটি গুণ! আর সত্যকে মিথ্যা বলা একটি শিল্প! এ সমাজে যাদের এ সমন্বিত শিল্প-গুণ আছে তাদের সফলতার পথে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই, থাকতেও নেই!
১১০. যে সমাজে ধর্মের তথাকথিত বর্ম কর্মের নর্মের প্রতিবন্ধক সে সমাজ সামনে এগোতে ব্যর্থ হয় ,বিপরীতক্রমে, যে সমাজে কর্ম ধর্মকে ছাপিয়ে যায় সে সমাজ কখনো অনগ্রসর থাকে না।
১১১. নিরীক্ষার অন্তরালে দিকচিহ্নহীনভাবে যাপিত প্রহরের এক্সরে রিপোর্ট প্রকাশিত হলে জীবনের আয়নায় যে ক্ষত রেখার দেখা মেলে তার সংস্কার করতে পারে না কেউই।
১১২. গুণীজন ও সফলদের পার্ট ( ভাব) নেওয়ার হার কর্মময় আর্ট ও মানবিক হার্টের সমষ্টির ব্যাস্তানুপাতিক।
১১৩. বাঙালিরা চটকদার গালগপ্পো ও ভূঁইফোড় চমক পছন্দ করে, ক্রমাগত কাজ করে কোন কিছুতে পরিপক্কতা অর্জন ও উৎকর্ষতা লাভ করা পছন্দ করে না।
১১৪. একা একা করুন কাজ, সময় বেশি লাগলেও কাউকে করতে হবে না তোয়াজ।
১১৫. এদেশে ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেকটা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে কিন্তু পড়ুয়া ও ভালোমানের শিক্ষার্থীর সংখ্যা গাণিতিক হারেও বাড়ছে না।
১১৬. ভালো ফলাফলকারী একজন শিক্ষার্থী একজন ভালো শিক্ষক নাও হতে পারেন কিন্তু একজন ভালোমানের শিক্ষার্থী অবশ্যই একজন ভালো শিক্ষক হবেন।
১১৭. সকল ধ্যানীই জ্ঞানী নয় কিন্তু সকল জ্ঞানীই ধ্যানী।
১১৮. অকারণে নিজেকে ছোট করে দেখার কথিত বিনয়ী প্রবণতা সত্যের অপলাপ এবং নিজেকে বড় করে দেখা স্থূল অজ্ঞতা।
১১৯. ক্রমশ: দীর্ঘ/ছোট হওয়া রাতসমূহে কেউ যদি ইতিবাচক কোন কাজে ব্যস্ত থাকাকালীন দ্রুত সময় চলে যায় তবে বলা চলে সে ব্যক্তি তার জীবনের সোনালী সময়ের কোন এক পর্ব পরিভ্রমণরত!
১২০. যে সমাজে বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের যথার্থ সম্মান করে না,তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে না এবং শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের মঙ্গলকর আগামীর পথে পথপ্রদর্শক না হয়ে বরং প্রতিবন্ধক হয়ে যায় সামগ্রিক অর্থে সে সমাজে আদৌ কোন ফলপ্রসূ পরিবর্তন ঘটে না।
১২১. আধুনিক যুগে যেখানে প্রতিযোগীতা হওয়ার কথা শিক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে, মেধা, যোগ্যতা, সৃজনশীলতায় সেখানে আমাদের দেশে সবখানে সেয়ানে-সেয়ানে টক্কর চলে ফাঁকিবাজি, প্রভাব-প্রতিপত্তি, দুর্নীতি ও ক্ষমতার।
১২২. আমাদের বাঙলা ভাষায় বিশ্লেষকদের সাহিত্য সমালোচনা মানেই হয় পূজা নয় সাজা অথচ তা হওয়া উচিত বারো ভাজা। কবে যে শিশুতোষ সমালোচনা ছেড়ে উনারা পরিণত হবেন, আরেকটু অপরিশীলিতভাবে বললে বলা যায়, প্রাপ্ত-মনষ্ক হবেন!
১২৩. বিশ্বাস ডিনামাইটের মত শক্তিশালী। এটি মানুষকে সামনে এগিয়ে নেয়, পিছিয়েও দেয়।
১২৪. আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু কম-বেশি মাত্রায় নার্সিসিস্ট!
১২৫. এদেশে নানা ইস্যুতে আমজনতার চেয়ে বিশেষজ্ঞ (!) এবং পাঠকের চেয়ে লেখক (!) অনেক বেশি।
১২৬. একটি দেশ কতটুকু শিক্ষিত, আধুনিক ও প্রগতিশীল তা সে দেশের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী ও সমালোচকদের অবস্থা দেখে বলে দেয়া যায়। আর শ্রমিকশ্রেণির জীবনযাত্রার মানে দেশের সামগ্রিক অবস্থার প্রতিফলন ঘটে।
১২৭. এদেশে বেশিরভাগ কর্পোরেট চাকরদের বইপত্র পড়ার সময় নেই ও শিক্ষা শ্রমিকদের যেনতেনভাবে (সম্মানের সাথে!) বেঁচে থাকারও কোন সুযোগ নেই, গবেষণাসহ অন্যসব তো বহু দূরের পথ।
১২৮. আইন ও নীতিমালা শুধু সাধারণ স্টুডেন্টদের জন্য বাকিদের জন্য সেসব ইউটোপিয়া।
১২৯. এদেশে মৌসুমী মাতব্বরদের সংখ্যা যত তার ১০ শতাংশও যেসব ইস্যু নিয়ে মাতব্বরি করে সেসব সম্পর্কে ঠিকমত তো দূরের কথা, গড়পড়তাভাবেও অবগত নয়!
১৩০. বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে যত বিড়ম্বনা সইতে হয় তত বিড়ম্বনা পৃথিবীর আর কোথাও নেই।
১৩১. আমরা আলংকারিক উঁচুতে উঠতে গিয়ে ক্রমাগত নিচে নেমে যেতে থাকি। নামতে নামতে এতোটা গভীরে চলে যাই ফেরার আর থাকে না উপায়!
১৩২. কথা বলা তারেই সাজে কাজে পরিণত করে যে, কত বৈপরিত্য ও ভণ্ডামি এখানে-সেখানে আমাদের মাঝে!
১৩৩. শব্দের স্থিতিস্থাপকতা নির্ভর করে ব্যবহারের উপর, নির্মাণের উপর নয়।
১৩৪. ভাসমান স্বপ্নের ঘুম জ্বর চলে যাওয়ার পর উপলব্ধির সমুদ্রে সাঁতার কাঁটলে দেখতে পাবে অ থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত নরম অক্ষরগুলো দিয়ে তৈরি চিরায়ত উজ্জ্বল শব্দগুলো নিজেদের নামের পাশে বসিয়ে প্যাটেন্ট করে নিচ্ছে প্রতিটি বিষধর সাপ!
১৩৫. হঠাত উড়ন্ত সমাসের চূূড়ান্ত ব্যাসবাক্য জানতে ব্যাকরণ জানতে হয় না স্রেফ প্রাসের সূত্র জানলেই চলে!
১৩৬. রাজনৈতিক নেতাদের পুরাতন প্রতিশ্রুতি বলে কিছু নেই। যখন কোন প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন প্রতিটি প্রতিশ্রুতিই প্রথম প্রতিশ্রুতি।
১৩৭. জীবন যাত্রায় অজ্ঞাত রাশির সমীকরণ ধ্রুবক নয়, আপেক্ষিক।
১৩৮. আধুনিক কালে সময় নষ্ট করার সেরা তিনটি স্থান সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেট ও বৈশ্যবিদ্যালয় এবং সময়কে কাজে লাগানোর শ্রেষ্ঠ তিনটি স্থান সংসার (কর্মক্ষেত্র), গবেষণাগার ও পাঠাগার।
১৩৯. চুনোপুটিরাই একালে জনপ্রিয় ও হাঁকডাকে স্মরণীয়।
১৪০. আগে কূপমণ্ডুকরা আসতো অবহেলিত প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, এখন দলে দলে বের হয়ে আসে বৈশ্যবিদ্যালয় থেকে।
১৪১. মানুষ সুসময়ে ভুল করে, দুঃসময়ে একাকিত্বে পড়ে।
১৪২. বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশে ভিনদেশী যত পতাকা কেনাবেচা হয় ও উড়তে দেখা যায় বিভিন্ন জাতীয় দিবসেও তত বাংলাদেশী পতাকা দেখা যায় না।
১৪৩. শব্দের পর্যটন মোটেলে অন্ধকার টানিয়ে দিলে ছায়ামূর্তি হয়ে ঢুকে পড়ে ওপনিবেশিক লোভের লাস্যময়ী সামাজিকতা।
১৪৪. চেনা গলির রুমাল ক্যানভাসে সর্বস্বান্ত হলে সম্ভাবনার মুখ, কূপমণ্ডুক সময়কে নিজের করে নেয় লোভের কামুক চোখ।
১৪৫. মেরুকরণের ঘূর্ণি পথগুলো এঁকেবেঁকে যতদূূরে অস্ত যায় ততদূর দেখা যায় না, লেক্সিকনে সুলভে ধরা দেয় না।
১৪৬. এ্যাকুরিয়ামে সীমিত জল থাকলে নান্দনিক হাতছানির প্রামাণ্য ইশতেহার ভুলে যায় অভ্যাসের ফাইটোপ্ল্যাংকটন!
১৪৭. তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে মানুষ বেঁচে থাকলে ধুঁকে ধুঁকে মরে আর মরে গেলে ফেসবুকে অন্যদের স্ট্যাটাস, নোটে ফিরে!
১৪৮. হতাশা সংক্রামক, অনুপ্রেরণা নয়।
১৪৯. এদেশের গুনীজন ও কীর্তিমানেরা এ যুগে জীবদ্দশায় হন নানাভাবে অপমানিত, নিগৃহীত, বঞ্চিত, অবমূল্যায়িত কিন্তু মৃত্যুর পর সপ্তাহখানেক, বিশেষ বিশেষ দিন ও জন্ম-মৃত্যু দিবসে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়া ও ফেসবুক, টুইটারসহ সোস্যাল মিডিয়ায় হয়ে উঠেন স্মরণীয়-বরণীয়।
১৫০. কেউ নয় একাকি, কোথাও নেই নির্জনতা।
১৫১. আশ্চর্য্য পেন্সিলে আঁকা যে গোলাপ- তাতে দূরের মুগ্ধতা থাকে, অভিসারের উপযোগী রসায়ন থাকে না।
১৫২. সত্য আমার পক্ষে থাকলে ভালো, বিপক্ষে গেলে কালো!
১৫৩. ভাষা-ই সাহিত্য নয় কিন্তু সাহিত্য-ই ভাষা, ভাষা ও সাহিত্যের পার্থক্য না জেনেও ভাষা-সাহিত্যের গুরু সেজে কেউ কেউ করে রঙ তামাশা!
১৫৪. প্রতিটি কথার আড়ালেও অনেক কথা থাকে, জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবানেরা সেসব জেনেই সঠিক চিত্র আঁকে।
১৫৫. স্কুল পালালে যেমন রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না তেমন শিক্ষকতা পেশায় থাকলেই কেউ শিক্ষক হয়ে যান না, শিক্ষক হওয়া অনেক কঠিনসাধ্য ও সাধনার ব্যাপার।
১৫৬. এককালে এদেশে শিক্ষিত, মেধাবী ও সৎ মানুষজন শিক্ষকতা পেশায় আসতেন এখন ঠক, কুশিক্ষিত ও ডিগবাজী খাওয়া মানুষেরাও দলে দলে শিক্ষকতা পেশায় আসে।
১৫৭. যে দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অহরহ অনিয়ম ও দুর্নীতি হয় সে দেশে অন্য ক্ষেত্রগুলোতে ভাল কিছু হবে, এ আশা যারা করে তারা আসলেই স্বপ্নচারী, নির্বোধও!
১৫৮. যে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না পড়ে ও প্রস্তুতি না নিয়ে নেওয়া যায় 'সুপারহিট' ক্লাস সেখানে নিশ্চিতভাবেই মানুষ থাকে না, করে শেয়াল, শকুন ও শয়তানেরা সংঘবদ্ধভাবে বসবাস।
১৫৯. পড়ালেখা করে যে বিপদে পড়ে সে!
১৬০. অর্থই কেবল সকল সুখের মূল, প্রচলিত সব নীতিকথা পুরোদমে ভুল!
১৬১. উদাসীনতার ড্রয়িং রুম পেরুলে আপাত দৃশ্যমান অস্পষ্ট কুয়াশা ফ্রেমে জেগে উঠে স্ফটিক আদ্রর্তার ফড়িঙ ভাবনা
১৬২. লোকস্তুতির মায়া ভুলে গৌন হও প্রচলিত অন্ধকারে।
১৬৩. যেখানে প্রফেশনাল, একাডেমিক অনিয়মই নিয়ম, নিয়মই অনিয়ম সেখানে কারো কাছ থেকে প্রফেশনাল, একাডেমিক সততা ও সঠিক মূল্যায়ন আশা করা অবশ্যই মহাঅন্যায় ও মহাপাপ!
১৬৪. বাতায়নের চড়ুই শৌখিন ভোরের হাওয়ায় প্রস্ফূটিত সরিষা ক্ষেতে মনের অজান্তে ঢুকে পড়লে ঘোরের মাঝে ভুলে যায় নিজের জীবন, রেখে যায় পরিভ্রমণের স্থানাংক বিন্দু।
১৬৫. অভিজ্ঞতা ভালো মনের মানুষদের ঋদ্ধ ও শুদ্ধ করে এবং খারাপদের সুযোগসন্ধানী ও শয়তানে পরিণত করে।
১৬৬. অন্ধবিশ্বাস মানুষকে দ্রুত বিপথগামী করে ও প্রতারণার জালে আটকে পড়ার ক্ষেত্রে অনুঘটকের কাজ করে।
১৬৭. আমাদের দেশে পাঠকের চেয়ে লেখক বেশি, লেখকের চেয়ে স্ট্যাহিত্যিক।
১৬৮. যে যেমন তার ভাবনার পরিধিও তেমনই হবে, এর ব্যতিক্রম দেখলেই জাত গেল জাত গেল কোরাস শোনাবে।
১৬৯. মিতিবিদ্যার ঘরোয়া সমীকরণের স্বরবর্ণও না জেনে আত্মতৃপ্তির প্রজাপতি জুড়ে বসে তোমার মনে!
১৭০. অশুভ বিষে যদি স্মৃতির অংকুরোদগমের সময়ে হারিয়ে যায় অধিবৃত্তীয় আল্পনা তবে শেকড়ের টানে তোমার কাছে আর ফিরে আসবে না সরলরৈখিক কল্পনা।
১৭১. যে কোন লোক যদি নিজের প্রধান কর্মস্থলে দায়-দায়িত্ব ঠিকমত পালনের চেস্টা না করেন সে লোক আর কোথায় কী করছেন তা যতই ভালো হোক না কেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অন্যান্যদের কাছে সেসব গৌণ ছাড়া মূখ্য হতে পারে না। কখনোই নয়!
১৭২. ভাষা দস্যুরা সাংস্কৃতিক উপনিবেশিকতা ও সাম্রাজ্যবাদের জলকপাট যখন থেকে দিয়েছে খুলে তখন থেকে ইংরেজিসহ রকমারি বুলির তীব্র ঢেউয়ে বিমোহিত হয়ে নিজস্ব ভাষাবাড়ি ভেঙে বঙ্গমাটিতে উদ্ভাস্তু হয়ে আমরা নিজেদেরকেই ক্রমশ: যাচ্ছি ভুলে।
১৭৩. হতাশার চুম্বকাবেশে বিষাদের আবরণে বিশ্বাস প্রাস হয়ে ঝরে।
১৭৪. দেখো মুগ্ধ হয়ে কুয়াশা জানালা খুলে নয়নদুটো আলতো করে মেলে শুভ্রতার আলো কতো অনায়াসে ভালোবাসার করিডোরে চুপিচুপি এসে পড়ে।
১৭৫. সময়ের সাম্পানে আছড়ে পড়ে হতাশার ঢেউ, এ বঙ্গে গণতন্ত্রের মাঝি হয়ে কখনোই আসে নি কেউ।
১৭৬. হরিণ চোখের বিশুদ্ধ ব্যাকরণ ভুলে অনুভূতির নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিতে প্রত্যাশার পাই! তোমায় ঘিরে আশ্চর্য বিষণ্নতার নান্দনিক আবহ, এর কেন্দ্রে দিও ভালোবাসাকে ঠাঁই।
১৭৭. ব্যর্থরা হন ক্রিটিক (Critic), সফলেরা মিস্টিক (Mystic)।
১৭৮. গাণিতিক সমীকরণের শিশিরস্নাত সময়ে সরলতা বলে আসলে কিছু নেই।
১৭৯. দূর হতে ইংরেজি সাহিত্যে বাঙলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার সার্বিক খামকে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম মনে হলেও ভেতরে কেবল প্রবলেম নেগেটিভ!
১৮০. কুয়াশামাখা ল্যাম্পপোস্টের ছায়া পেরুলেই অপেক্ষারত জোনাকি সামাজিক ঋণে মৌনতার ডানায় চড়ে শেখাবে জীবনের আধূূলি।
১৮১. বাঁকে বাঁকে নানা ঢঙের মোড় থাকা পথে হেঁটে বেড়ানো অদম্য পথিক যে সূর্য্য ডোবার আগেই পৌঁছে যায় ইপ্সিত গন্তব্যে তা জানে না রাতের শিশির।
১৮২. খারাপদের ভালো করতে যাঁঁরা পারেন তাঁরা ভালো মাস্টার, বাকিরা সুবিধাবাদী।
১৮৩. স্ব স্ব কর্মে আসক্তি ক্রমাগত কমিয়ে প্রতিদিন, শিক্ষিতসমাজের মিডিয়াপ্রীতি বাড়ছে সীমাহীন।
১৮৪. আমাদের দেশে পেশাগত ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় সবচেয়ে কম পড়াশোনা কারা করেন জানেন? - ১. শিক্ষক সমাজ ২. ছাত্রসমাজ [ব্যতিক্রম বাদে]
১৮৫. জ্ঞান মানেই ত্রৈধবিন্দুর উত্তাপ, সইতে, বইতে ও ধারণ করতে না পারলে হয় পাপ।
১৮৬. প্রতিটি কথার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত থাকে, আগে, পরেও আরো কথা থাকে। তাই টুকরো উক্তি হল সুবিধাজনক মুহূর্ত গীত। যে কাউকে ধোঁকা দেওয়ার উপকরণও বটে যদি তার অনুসন্ধিৎসু মনের সাথে বুদ্ধির জোর না থাকে ঘটে।
১৮৭. ভুলের বৃত্তে বাস করলে ভুল তথ্যকেই শুদ্ধ মনে হয়, সময়ের হাতে চমক না থাকুক তবে একদিন শুদ্ধতা আসবে নিশ্চয়!
১৮৮. সম্পর্কের ক্যারাভানে প্রথাগত শর্তমালা সামাজিক বুলডেজার, মনের সাম্রাজ্যে থাকে না কারফিউ, রুখবার সাধ্য নেই তোমার।
১৮৯. অভিমান শেষ হলে অনুরাগ নীরবে বলে, জাগতিক বলয়ে ঘৃণা-ভালোবাসা উভমুখী বিক্রিয়ায় চলে।
১৯০. বুঝতে পারার পর যে কোন ভুলকে ভুল বলে স্বীকার করা, সংশোধন করা বুদ্ধিমানের কাজ, প্রকৃতি কিংবা বিশ্বাস বলে কর্মফলে নাকি বংশধরদের ভাগে পড়ে প্রায়শ্চিত্তের ভাঁজ।
১৯১. দায়িত্বশীল কোন অবস্থানে থেকে কোন ভুল আপনি একবার করলে সেটি ভুল কিন্তু একই ভুল বারবার করলে তা স্রেফ শয়তানি ও উদ্দেশ্যমূলক।
১৯২. দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করে একমুঠো স্বপ্ন ও আশা নিয়ে, সিংহভাগ বের হয়ে আসে তীব্র হতাশাসহ ভাষা ও সাহিত্যে অনুপযুক্ততার সুউচ্চ মই বেয়ে।
১৯৩. তোমার ভালোবাসা ও প্রেমের উদ্যান হোক আমার বিচরণের উদার জমিন।
১৯৪. সক্রেটিক প্যারাডক্স বলার আজ উৎকৃষ্ট সময় নয়, শয়তান সন্ন্যাসীরা প্রকাশ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সমগ্র বাংলাময়।
১৯৫. ফুরফুরে প্রেম এ পাশ ও পাশ করে পার করছে বিদ্রুপময় রাত, প্রণয়ের ঢেউয়ে নামলে অভ্যুত্থান নেমে আসবে যুগল প্রভাত।
১৯৬. জাগতিক বলয়ে বিশুদ্ধতা বলে কিছু নেই, এটি কেবল সাপেক্ষকের সৌজন্যে আপেক্ষিকতার অনুসিদ্ধান্ত।
১৯৭. তোমার নিরন্তর ছুটে চলা নৈমিত্তিক নাম-যশে, আমার গন্তব্য মুক্ত দিগন্তের সবুজ ঘাসে!
১৯৮. সাদাকে- সাদা,কালোকে-কালো, ভালকে-ভাল, মন্দকে-মন্দ বলতে পারা মহৎ গুণ, সাহস নয়।
১৯৯. এক গ্লাস আশা নিয়ে এক যুগ আগে ঘুমিয়ে পড়ার পর সেদিন জেগে উঠে দেখি সব বাস্প হয়ে হাওয়ায় মিশে গেছে এবং গ্লাসটি উপুড় হয়ে আছে। ভবিষ্যত বর্গা চাষ হয় বর্তমানের কাছে।
২০০. আজকাল এমবিএ ডিগ্রি বিকোয় কেজির দরে, কিছুদিন পরে ইএলটিও বিকোবে একই হারে।
২০১. প্রেমের মরা জলেই ডোবে, যদি ভুল করে শুরু হয় ভুল অনুভবে!
২০২. কাকেরা যে সমাজে ময়ূর সাজে সে সমাজের দ্রুতই বারোটা বাজে।
২০৩. আমাদের সমাজে দুজন ভালো বন্ধু সময়ের পথপরিক্রমায় একে অপরের প্রেমিক/প্রেমিকা হতে পারলেও কোন প্রেমিক জুটি সময়ের পথপরিক্রমায় পরস্পরের ভালো বন্ধু হতে পারে না।
২০৪. আমাদের সমাজে দুজন বন্ধু পরস্পরের ভাল ব্যাচমেট হতে পারে কিন্তু দুজন ব্যাচমেট পরস্পরের ভাল বন্ধু হতে পারে না।
২০৫. যে জন দিবসে মনের হরষে করে প্রেম-পীরিতি, ঘরে ফিরে তার থাকে না মন আর পড়াশোনার প্রতি!
২০৬. সব লেখক অনুবাদক হলেও সব অনুবাদক লেখক নন।
২০৭. দূরে যেতে যেতে তুমি এতোটাই ঘনিষ্ঠ হলে, সান্ধ্যকালীন বাতাসও মৌমাছি হয়ে যায় তোমাকে কাছে পেলে!

মোঃ মুজিব উল্লাহ : [email protected]
আমাকে ফলো করতে পারবেন ফেসবুকে

Comments

মুকুল এর ছবি
 

ধৈর্য নিয়ে আপনার লেখা পড়লাম । অনেক মেধা ও শ্রম দিয়ে যথার্থই লিখেছেন, ভাল লাগলো.আমার কাছে মনে হয়েছে আপনার অনেক গবেষণার ফসল ......এ লেখা.......ধন্যবাদ জানাই এরূপ একটি লেখা উপহার দেয়ার জন্য ...

 
মোঃ মুজিব উল্লাহ এর ছবি
 

আপনার মন্তব্য আমায় দিয়েছে অনুপ্রেরণা ...
অনেক ধন্যবাদ।

 
নাসির মোরশেদ এর ছবি
 

অধিকাংশই জ্ঞানগর্ভ সত্যকথা।শিক্ষা সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি ভাল লেগেছে।তবে ডোজটা একটু বেশি হয়ে গেছে।ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করলে ভাল হত।

----------------------------
অন্যায়কে যাহার চক্ষু রাঙ্গাইবার সাহস নাই তাহার আবার ধর্ম কি? ধর্মের কথা বলিবার অধিকার কি?

 
মোঃ মুজিব উল্লাহ এর ছবি
 

আপনার পরামর্শ ভবিষ্যতের জন্য মনে রাখবো। শুভেচ্ছা নিন।

 
রাজীব নূর খান এর ছবি
 

খুব মন দিয়ে পড়লাম। ভালো লাগল।

রাজিব নূর খান

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মোঃ মুজিব উল্লাহ
মোঃ মুজিব উল্লাহ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 years 3 months ago
Joined: বুধবার, মার্চ 13, 2013 - 11:18অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর