নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন
  • সত্যর সাথে সর্বদা
  • রাজিব আহমেদ
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • ফারুক
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • নীল কষ্ট

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

ওরিয়নের মালিক ওবায়দুল করিমের যত কুকর্ম!



ওরিয়ন গ্রুপ এদেশের শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। বিদ্যুৎকেন্দ্র, অবকাঠামো নির্মাণ, ঔষধ, জুতা, খাদ্য-পানীয়, কৃষি পণ্য, কসমেটিকস সামগ্রী, আবাসন ও টেক্সটাইল-গার্মেন্টসহ উৎপাদনের নানা খাতে তাদের বিচরণ! স্বাভাবিকভাবেই এই গ্রুপের কর্ণধার ওবায়দুল করিম দেশের শীর্ষ ধনীদের একজন। কিছুদিন আগে প্রকাশিত শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকার প্রথম দিকেই তার নাম এসেছে। কিন্তু এদেশের অধিকাংশ পুঁজিপতির মতো ওবায়দুল করিমের হাতও দুর্নীতির কালিতে কলঙ্কিত।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলের দ্বিতীয় হাওয়া ভবন বলে পরিচিত ছিল ওরিয়ন হাউজ। বর্তমান সরকারের আমলেও ওবায়দুল করিম একই ভূমিকায় আছে। তার সুবিস্তৃত অপকর্মের তালিকার কাছে কুখ্যাত অনেক অপরাধীও নেহৎই বামুন! নানা ফন্দিতে তিনি রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট করেছেন। জনগণের গচ্ছিত সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন। দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের মুনাফা বাড়িয়েছেন। আজ তার অপকর্মের একটা তালিকা এখানে উপস্থাপন করব প্রমাণসমেত!

ওবায়দুল করিম এক সময়কার ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের মালিক ছিলেন। গ্রাহকদের অর্থ লুট করে ব্যাংকটিকে বসিয়ে দেন তিনি। ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে অপসারণ ও পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রম স্থগিত করে। আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্তের পর ব্যাংক কম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যাংকের উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী ওবায়দুল করিম ও আবুল খায়ের লিটুর নামে-বেনামে থাকা সব শেয়ার বাজেয়াপ্ত করা হয়। ওবায়দুল করিমের অর্থ লুটের কারণে সমস্যাসংকুল ওরিয়েন্টাল ব্যাংক অধিগ্রহণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওবায়দুল করিম সে সময় গ্রাহকদের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা লুট করেছিলেন। তার লুটের বিপুল অঙ্কের টাকার বোঝা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে পরবর্তীতে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক নামে রূপান্তরিত ব্যাংকটি। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

বর্তমান সরকারের গেল মেয়াদে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। এর বিরাট অংশীদার ছিলেন ওবায়দুল করিম। এখনো তিনি তা চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক বাজারদরের চেয়েও বেশি দামে জ্বালানি তেল আমদানি দেখিয়ে অবৈধভাবে সরকারের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্তেও নেমেছিল দুদক। কিন্তু দ্বিতীয় হাওয়া ভবনের মালিকের কাছে এসব কোনো ব্যাপারই নয়। বহাল তবিয়তে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। জানা যায়, রাষ্ট্রীয়ভাবে জ্বালানি তেল আমদানি করে সাধারণত বিপিসি। এর বাইরে সরকারের আস্থাভাজন ও ঘনিষ্ঠ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় এসব কেন্দ্রকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেয়া হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য অনুমোদন পাওয়া এমন ছয়টি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিই ওরিয়ন গ্রুপের। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা তেলের দাম বেশি দেখিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে। তেলের টাকা চুরির মাধ্যমে প্রায় ৩৯৫ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে দুদক একটি মামলাও দায়ের করে। এজাহারে বলা হয়, আমদানিকারকদের সহায়তায় বিপিসির কিছু কর্মকর্তা ৩৯৪ কোটি ৫০ লাখ ৯৬ হাজার ৪৫৬ টাকা জালিয়াতি করে। আর এই আমদানিকারক কোম্পানিটি হচ্ছে ওরিয়ন! এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

বিদ্যুৎ খাতে বিপুল অর্থ হাতালেও ওবায়দুল করিমের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার প্রকল্প। এই ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করতে গিয়ে তারা প্রায় বিনা বিনিয়োগে শত শত কোটি টাকা লোপাট করেছে। ফ্লাইওভার নির্মাণের শুরুতে তারা এর নিচের রাস্তা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। ওরিয়নের পক্ষ থেকে তখন যুক্তি দেয়া হয়, যদি নিচে রাস্তা থাকে তাহলে টোল দিয়ে মানুষ কেন ওপর দিয়ে যাবে। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকারের প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং বুয়েটসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তাদের সেই পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য করা হয়। ওই প্রকল্পে তাদের নিজস্ব তেমন কোনো বিনিয়োগ ছিল না। প্রায় পুরোটাই ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অর্থ।

ফ্লাইওভার নির্মাণে ওরিয়ন গ্রুপ তাদের বিনিয়োগে দেখিয়েছে ১০০ কোটি টাকা। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯০ টাকা প্রকল্পের ব্যাংক হিসাবে দেখানো হয়েছে। ১০০ কোটি টাকার বাকি অর্থ বিভিন্ন খাতে খরচ দেখানো হয়েছে। যেসব খরচের প্রায় পুরোটাই বায়বীয়। বাস্তবে এসব খরচ হয়েছে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে স্বয়ং সিটি কর্পোরেশন। ওবায়দুল করিম এসব খরচের যৌক্তিক কোনো প্রমাণ কাগজপত্রে তুলে ধরতে পারেনি। যে কারণে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ওরিয়নের দৃশ্যমান বিনিয়োগ মাত্র দেড় লাখ টাকা। এই দেড় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেই নানা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ২ হাজার ১০৮ কোটি টাকা মূল্যের প্রকল্পের মালিক হয়ে গেছে নির্মাতা ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপ। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দাবি, ফ্লাইওভার নিয়ে ওরিয়নের সঙ্গে কোনো বৈধ চুক্তি নেই। ২০০৯ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মৌখিক নির্দেশে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যাংক হিসাবে জামানতের টাকা না থাকায় ২০০৭ সালে চুক্তিটি বাতিল করে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শুধু তা-ই নয়, নতুন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির জন্য তখন কমিটিও গঠন করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে ওই প্রকল্পের প্রেক্ষিতেই ওরিয়ন ঋণ পায়। ফ্লাইওভার নির্মাণে ওরিয়ন গ্রুপকে দুই হাজার ২৫০ কোটি টাকা অর্থায়ন করে ছয়টি ব্যাংক ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। এখন তারা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে ঋণখেলাপি। সম্প্রতি ওরিয়ন গ্রুপ মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্যাংকগুলোতে থাকা খেলাপি ঋণ পুনর্গঠন করেছে। যদিও ডিএসসিসি জানিয়েছে এক হাজার ৪৩৮ কোটি টাকার দাবি তারা মেনে নেয়নি। মিথ্যা তথ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি সুবিধা নিচ্ছে ব্যাংক থেকে। এমনকি চুক্তি অনুযায়ী ডিএসসিসিকে আয়ের অংশও দিচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও মানা হচ্ছে না। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

এই ফ্লাইওভার নির্মাণে ওবায়দুল করিম ঘুষ দিয়েছেন বলেও খবর প্রকাশ পেয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত হয়েছে, মামলাও হয়েছে। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে। ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনের পরদিনই টোলের হার নিয়ে আদায়কারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপের কর্মী তথা ওবায়দুল করিমের ক্যাডারদের সঙ্গে গাড়িচালকদের মারামারি বাঁধে। অতিরিক্ত টোল আদায় নিয়ে ওরিয়নের সঙ্গে এখনো ঢাকা দক্ষণ সিটি কর্পোরেশনের মামলা চলছে। অতিরিক্ত টোলের হার নিয়ে বিভিন্ন সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে। ফ্লাইওভারটি নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে ২৪১ কোটি টাকা নির্মাণ ব্যয় দেখায় ওরিয়ন। যদিও একই সময়ে মুম্বাইয়ে চালু হওয়া একটি ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারে প্রতি কিলোমিটারে নির্মাণ খরচ হয় ৮৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। কলকাতায় পরমা ফ্লাইওভারে নির্মাণ খরচ ৪৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

ফ্লাইওভার করতে গিয়ে জনসাধারণের রাস্তা বন্ধ করতে না পারলেও ওবায়দুল করিম ঠিকই বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে গিয়ে নদী দখল করেছে। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুরে বুড়িগঙ্গা নদী দখল করে ওবায়দুল করিম বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। বুড়িগঙ্গার এ অংশে নদীর সীমানা থেকে অন্তত ৬০ ফুট ভেতরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে। সরকারি কাগজপত্রেও নদীর একটি অংশ দখলের সত্যতা মিলেছে। এমনকি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (পিডিবি) জমা দেওয়া ওরিয়নের নকশায়ও এ দখলের প্রমাণ রয়েছে। ইআইএ না নিয়ে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর এরই মধ্যে ৫০ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে ওরিয়নকে। তাতেও বেপরোয়া নদী দখলপ্রক্রিয়া থামেনি। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে গিয়ে তারা স্থানীয় জনগণের জমি দখল করেছে। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

শুধু কি নদী দখল? তারা ইতোমধ্যে সুন্দরবন দখল করতে চলে গেছে। সুন্দরবনের ভেতর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ওবায়দুল করিমের এই প্রকল্পের সঙ্গী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি। ইতোমধ্যে তারা সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখল করেছে। পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই কাজ শুরু করেছে তারা। ইতোমধ্যে বালু ফেলে জমি ভরাট করা হয়েছে। খুলনা পাওয়ার প্রজেক্ট নামে এর কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। সুন্দরবন ঘেষে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে বন উজাড় হবে, তাই আন্দোলন করছে দেশবাসী। এর মধ্যে ওবায়দুল করিমের মতো সর্বভূককে সেখানে পাঠিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার বন ধ্বংসের আয়োজন চূড়ান্ত করেছে। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

বর্তমানে আইন লঙ্ঘন করে দুটি পাবলিক লিস্টেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদ দখল করে আছেন ওরিয়ন গ্রুপের মালিক ওবায়দুল করিম। একই ব্যক্তি তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানির এমডি থাকার সুযোগ না থাকলেও বহাল তবিয়তেই রয়েছেন তিনি। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে। ওবায়দুল করিমের প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মার শেয়ার কিনে নিঃস্ব হয়েছেন কয়েক লাখ সাধারণ বিনিয়োগকারী। শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীদের কাছেও ওবায়দুল করিম প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। ওরিয়ন ফার্মার প্রতিটি শেয়ারের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা করে নিয়েছেন ওবায়দুল করিম। আইপিও’র আগে নিজের প্রতিষ্ঠানকে ভাল কোম্পানি বলে অভিহিত করে এ অতিরিক্ত টাকা নেন তিনি। কিন্তু এক বছর না যেতেই এ কোম্পানির শেয়ার মূল্য কমে ৪২ টাকায় নেমে যায়। তাই মুনাফা তো দূরের কথা, নিঃস্ব হয়েছেন মার্জিন ঋণ নিয়ে এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা কয়েক লাখ বিনিয়োগকারী। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে।

ওবায়দুল করিমরা সব আমলেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন। তাদের দুর্নীতির খবর বের হয়, প্রমাণও আসে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা পার পেয়ে যান। তত্ত্বাবধায়ক আমলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড পেয়েছিলেন এই অবায়দুল করিম। কিন্তু তিনি ধরা পড়েননি। এ বিষয়ক খবর দেখুন এখানে। ওবায়দুল করিমের দুর্নীতির এ খবরগুলো আমলে নিলে যে কেউ বাংলাদেশের পুঁজিপতিদের উত্থানের গোপন রহস্য বুঝতে পারবেন।

Comments

ইকারাস এর ছবি
 

সরকারী পৃষ্টপোষকতায় এসব রাষ্ট্রীয় চোরদের লালনপালন করা হয়।

 
মধ্যরাতের ট্রেন এর ছবি
 

এই গ্রুপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণসহ এত লেখালিখি হচ্ছে, কিন্তু কিছু হচ্ছে না। এরা দিব্বি দুর্ণীতি করে যাচ্ছে। এদের পেছনের খুটির জোর মারাত্মক।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

আমারও একই প্রশ্ন। অরিয়ন গ্রুপের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। এসব নিয়ে অনেক লেখালিখি হয়েছে। কিন্তু এই গ্রুপের দাপট ও দুর্নীতি বিন্দুমাত্র কমেনি। এদের খুটির জোর আসলে কোন জায়গায়?

 
আয়নাল এর ছবি
 

দুর্ণীতি বাজদের কবে বিচার হবে বাংলাদেশের মাটিতে জানিনা

ব্লগার
আয়নাল আপনার বিবরণ আমি আয়নাল প্রিয়
পাঠক, পোস্টটি পড়ার পর আপনার
ভালো-লাগা, মন্দ-লাগা,
জিজ্ঞাসা কিংবা পরামর্শ
প্রদানের জন্য দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য
প্রদান করুন।
যা আমাকে ব্লগিং চালিয়ে যেতে
অনেক উৎসাহ-অনুপ্রেরণা জাগাবে।
আর প্রাসঙ্গিক যেকোন প্র

 
সুজন মাহমুদ এর ছবি
 

বলেন কি?!!! এগুলা এখনো বুক ফুলিয়ে ঘুরে?

" যে ব্যাক্তি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নেতৃত্ব লাভের আশা করে ,
তার অপমানিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি "

 
আকাশ এর ছবি
 

খুটির জোর না থাক্লে এত এত কাজ করে পার পায় কেমননে এই লোক

 
সাম্যবাদী এর ছবি
 

এই লোককে সরকার আশকারা দিয়ে এই পর্যন্ত এনেছে। অথচ উচিত ছিল একে ফাঁসির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। এদেরকে নানা ধরনের সুবিধা দিতে সরকারের আগ্রহের কোনো কমতি নেই, কিন্তু সাধারণ উদ্যোক্তারা, স্বাধীন ও সৎ মানুষেরা সরকারের কাছ থেকে সুবিধা তো দূরে থাক, ন্যায্য পাওনা 'নিরাপত্তা'টুকুও পান না।

============ ### =============

আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী 'পরে...

============ ### =============

 
আশিক জামান এর ছবি
 

আইনি বিধানে এদের আটকানো মুশকিল হয়ে যায়, কারণ শাসকশ্রেণীর মধ্যকার এরকম ক্ষমতাশালীদের জন্য আইনের ঊর্ধ্বে কিছু বেআইনি ফাঁক রেখেই রাষ্ট্রযন্ত্রের নকশা করা হয়েছে।

 
কমরেড মোজাম্মেল এর ছবি
 

অভিযোগ নতুন নয়, অনেক কথাই হয়েছে এনিয়ে৤ কিন্তু সরকার বাহাদুররা কিছুই করে না :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-_-
তোমার চোখ যেন মহাকালের আয়না
তোমার চোখ যেন বেথেলহেমের পূণ্য ভূমি!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

জনতা এক্সপ্রেস
জনতা এক্সপ্রেস এর ছবি
Offline
Last seen: 2 years 1 week ago
Joined: শনিবার, এপ্রিল 26, 2014 - 5:51অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর