নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ওয়াহিদা সুলতানা
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • দীপ্ত সুন্দ অসুর
  • নগরবালক
  • উদয় খান
  • আশিকুর রহমান আসিফ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

মুহাম্মদের ছবি


ইসলামের নবী মুহাম্মদ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের একজন। স্বাভাবিকভাবেই মুহাম্মদের পক্ষে ও বিপক্ষে তার বহু রকম চিত্রায়ন হাজার বছর ধরে হয়ে আসছে। ইউরোপিয়দের মধ্যে ইতালির কবি দান্তে তার ডিভাইন কমেডিতে (১৩০৮-১৩২১) মুহাম্মদকে একজন পাপী হিসাবে চিত্রাইয়ত করেছেন যাকে আল্লাহ নরকে শাস্তি দিচ্ছেন।

ছবিঃ দান্তের ডিভাইন কমেডির দৃশ্য, মুহাম্মদ ও আলী নরকে নির্যাতিত হচ্ছেন।

মধ্যযুগীয় ইউরোপে মুহাম্মদ ও খ্রিষ্ঠান সন্যাসী বহিরা (সারগিয়াস) সম্বন্ধে একটি গল্প প্রচলিত ছিল। মুসলমানদের ইতিহাস অনুযায়ী মুহাম্মদের বাল্য বয়সে বহিরা তার নবুয়াত সম্বন্ধে ভবিষ্যতবানী করেছিলেন। ইউরোপে মধ্যযুগে যে গল্পটি প্রচলিত হয়েছিল সেই গল্প অনুযায়ি একদিন সারগিয়াসের সাথে আড্ডা দেয়ার সময় মুহাম্মদ অতিরিক্ত মদ্যপান করে মাতাল হয়ে ঘুমিয়ে পরেছিলেন। এই সুযোগে একজন সৈনিক সারগিয়াস’কে হত্যা করে রক্তমাখা তলোয়ারটি মুহাম্মদের হতে ধরিয়ে দেয়। মুহাম্মদের ঘুম ভাঙার পর ঐ সৈন্য দাবি করে যে মুহাম্মদ মাতাল হয়ে সারগিয়াস (বহিরা)কে হত্যা করেছে। এরপর না কি মুহাম্মদ মদ নিষিদ্ধ করেছিলেন।


ছবিঃ মুহাম্মদ ও বহিরা(সারগিয়াস), ১৫০৮ শতকে একজন ইউরোপিয় শিল্পীর আঁকা ছবি

ইসলামের নবী মুহাম্মদ একজন আইকোনক্লাস্ট এবং একত্ববাদী আইডিয়ালিস্ট ছিলেন। এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত তিনি সঠিক মনে করতেন না এবং মানুষের হতে তৈড়ি কোন ছবি বা মুর্তির পুজা করাকে কুসংস্কার গন্য করতেন। মুহাম্মদের ছবি আঁকলে অথবা মুর্তি বানালে মানুষ সেই ছবি বা মুর্তির পূজা করতে পারে এই আশংকায় তার ছবি অথবা মুর্তি তৈড়ি করার ক্ষেত্রে মধ্যযুগের মুসলমানদের মধ্যে অনাগ্রহ ছিল। কিন্তু মধ্যযুগের মুসলিম দুনিয়ায় মুহাম্মদের ছবি আঁকা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়েছে এই ধরণেরর ইতিহাস খুঁজে পাওয়া কঠিন। বরং মধ্যযুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত মুসলমানদের হাতে মুহাম্মদের জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ছবি আঁকার প্রচলন ছিল। মুহাম্মদের ছবি আঁকা এই একবিংশ শতকে এসে মুসলমানদের মধ্যে যেধরণের ট্যাবুতে পরিণত হয়েছে অতীতে আর কখনোই তেমনটা ছিল না।


ছবি -আরারাত পর্বতে নিজের শুরুর দিকের অনুসারীদের শিক্ষা দিচ্ছেন মুহাম্মদ। আল-বিরুনির একটি মধ্যযুগিয় ম্যানুস্ক্রিক্ট থেকে।


ছবিঃ ফেরেশতা জিব্রাইলের সাথে নবী মুহাম্মদ। রাশিদ আল দিন'এর বই জামি আল তারিখ থেকে (১৩০৮ খ্রিষ্ঠাব্দ)


ছবিঃ সিরিয়ায় বালক মুহাম্মদকে দেখে ভবিষ্যতবানী করছেন বহিরা। রাশিদ আল দিন'এর বই জামি আল তারিখ থেকে (১৩০৮ খ্রিষ্ঠাব্দ)


ছবিঃ হেরা গুহায় জিব্রাইলের মাধ্যমে মুহাম্মদের প্রথম ওহী প্রাপ্তি। আফগানিস্তানে প্রকাশিত মাজমাক আল তারিখ কিতাব থেকে (১৪২৫ খ্রিষ্ঠাব্দ)


ছবিঃ বেহেশতে মুহাম্মদ, ১৮ শতকের অটোমান তুর্কিশ একটি ছবি, যা আট শতকের একটি ছবির কপি হিসাবে আঁকা হয়েছিল।


ছবিঃ আবু বকরকে সঙ্গে নিয়ে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। গত শতকের ত্রিশের দশকের একটি আলজেরিয়ান পোস্ট কার্ড থেকে।


ছবিঃ বালক মুহাম্মদ, আধুনিক ইরানে প্রচলিত ও জনপ্রিয় একটি ছবি।

কমেডি সেন্ট্রালের কার্টুন সাউথ পার্কের বহু পর্বে পৃথিবীর বিখ্যাত সব ধর্মগুরুদেরকে বিশেষ করে ঈসা নবীকে কার্টুনটির চরিত্র হিসাবে চিত্রায়ন করা হয়েছে। ২০০১ সালের জুলাই মাসে সাউথ পার্কের একটি পর্ব প্রচারিত হয়েছিল। পর্বটির নাম ছিল ‘সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস’। সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্মগুরুদের একটি সুপার হিরো সংগঠন। সুপার হিরো সংগঠনটির সুপার হিরো সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ঈসা, লাও জু, মুসা, কৃষ্ণ, বুদ্ধ এবং মুহাম্মদ। মুহাম্মদের সুপার পাওয়ার ছিল আগুন। তখনো পৃথিবীটা অন্যরকম ছিল।সাউথ পার্কের মতো একটি বিখ্যাত টিভি কার্টুনের একটি চরিত্র হিসাবে মুহাম্মদকে দেখানো হলেও তা নিয়ে দুনিয়ায় কোথাও কোন গোলযোগ দেখা যায় নাই। বলে নেয়া দরকার, সাউথ পার্ক ভক্ত হিসাবে সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস পর্বটি যথেষ্ঠ উপভোগ করেছিলাম। এই কার্টুনে মুহাম্মদকে কোন নেতীবাচক চরিত্র হিসাবে চিত্রায়ন করা হয়েছে অথবা কোন ধর্মীয় উস্কানি দেয়া হয়েছে বলে কখনোই মনে হয় নাই। কিন্তু ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর পৃথিবীটা পালটে গেছে অনেক। আফগানিস্তান, ইরাকে মার্কিন হামলার মধ্য দিয়ে এরপর জল অনেকদুর গড়িয়েছে। সাউথ পার্কে এরপর একাধিক পর্বে মুহাম্মদকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও কমেডি সেন্ট্রাল কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে তা করা যায় নাই। সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডসদের নিয়ে যেসব পর্ব করা হয়েছে তাতে কালো বক্সের মধ্যে মুহাম্মদ চরিত্রটি সেন্সর করে দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালে ইসলামিস্টদের হুমকির ফলে সাউথ পার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইট থেকে সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস পর্বটিও সরিয়ে ফেলে।


ছবিঃ সুপার বেস্ট ফ্রেন্ড - নাইন ইলেভেনের আগে


ছবিঃ সুপার বেস্ট ফ্রেন্ড - নাইন ইলেভেনের পরে

কয়েক বছর আগে ফেসবুকে ‘ড্র মুহাম্মদ ডে’ পালনের মাধ্যমে মুহাম্মদের ছবি আঁকতে উৎসাহিত করা হয়েছিল। মুসলমানরা যেহেতু এখন আর মুহাম্মদের কোন ছবি আঁকেন না, বরং তা ট্যাবু মনে করেন, তাই প্রায় সব ছবিই একেছিলেন মূলত অমুসলিম এবং মুহাম্মদ বিরোধীরা। ফলে প্রায় সব ছবিই ছিল ব্যাঙ্গাত্বক ও মুহাম্মদের নেতীবাচক চিত্রায়ন। মুসলমানরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ, দাঙ্গা, হাঙ্গামা এবং হুমকির মাধ্যমে এর জবাব দিয়েছিল। কিন্তু খোদ ‘ড্র মুহাম্মদ ডে’ ফেসবুক গ্রুপেই একজন মুসলিম একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন যেটা মনে দাগ কেটেছিল। কে এই ছবিটি একেছিলেন আমার আর খেয়াল নাই, কিন্তু ছবিটি সংগ্রহ করে রেখেছিলাম।


ছবিঃ ড্র মুহাম্মদ ডে তে ফেসবুকে অচেনা একজন শিল্পির আঁকা।

হাজার বছর ধরেই মানুষ মুহাম্মদের ইতিবাচক এবং নেতীবাচক দুই ধরণের ছবিই একেছে। নেতীবাচক ছবিতে মুহাম্মদ অথবা তার প্রচারিত ধর্মের কোন ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হয় না। কোন ছবি অথবা মুর্তিকে ইশ্বর জ্ঞানে পুঁজা করা যেমন একধরণের কুসংস্কার, তেমনি কারো ছবি অথবা মুর্তি বানানো ট্যাবু মনে করাও একটি কুসংস্কার। মুসলমানদের মধ্যে এই ধরণের কুসংস্কার এই একবিংশ শতকে এতোটাই প্রবল আকার ধারণ করেছে যে তারা এই ভিজুয়াল মিডিয়ার যুগে মুহাম্মদের ইতিবাচক চিত্রায়নে ব্যর্থতার মাসুল দিচ্ছে কড়ায় গন্ডায়। যেহেতু মুহাম্মদের নেতীবাচক ছবিই আঁকা হচ্ছে, কোন ইতিবাচক ছবি নয়, তাই একবংশ শতকিয় মুহাম্মদের চিত্র মাত্রই ব্যাঙ্গাত্বক এবং নেতীবাচক। আর যারা মুহাম্মদের নেতীবাচক চিত্র আঁকেন, তাদের উপর হামলা করে অথবা তাদেরকে খুন করে যারা মুহাম্মদের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে যান তাদের হাতেই মুহাম্মদ আরো বেশি নেতীবাচক চরিত্র হিসাবে চিত্রায়িত হচ্ছেন। মুহাম্মদের ছবি এবং ভাবমূর্তি বিষয়ে মুসলিম সমাজে প্রচলিত ট্যাবু, কুসংস্কার এবং অসহনশিলতা যতোদিন টিকে থাকবে এই দুষ্ট চক্র থেকে তারা বের হতে পারবে না। মুহাম্মদের নেতীবাচক ছবি আঁকাও বন্ধ হবে না। যতো কার্টুনিস্ট খুন হবেন, ততো বেশি নেতীবাচক ছবি আঁকা হবে। পাশাপাশি আলু পোড়া খাওয়া সালাফি সেকুলাররাও ‘সহি ইসলাম’ ও ‘সাচ্চা মুসলমানে’র নেতীবাচক চিত্রায়ন বন্ধ করবে না।

ফ্রান্সের শার্লি হেবদো পত্রিকায় হামলার বিরুদ্ধে ঘৃনা জানাই। সকল প্রকার সাম্প্রদায়িক গোড়ামি, কুসংস্কার এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এই পোস্টটি করলাম। মুহাম্মদের ছবি আঁকা যাবে না এটি একটি কুসংস্কার। দুনিয়ায় কেউ মুহাম্মদের কোন বদনামও করতে পারবে না এটি একটি মামার বাড়ির আবদার। আর কেউ বদনাম করলে তাকে মরতে হবে এটি একটি শশুর বাড়ির আবদার। ইউরোপ যেহেতু মুসলমানদের মামা অথবা শশুরবাড়ি নয় তাই কিছু অসভ্য ও অসহিষ্ণু সন্ত্রাসীর সন্ত্রাসের ফলে সকল ইউরোপবাসী মুসলমানদের ভুগতে হলে তা একটি দুঃখজনক ব্যাপার হবে।

Comments

শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

পৃথিবীতে এতো ধর্ম থাকতে এই লেখক কেন শুধু ইসলামের পিছনে লেগেছে আল্লা মালুম! যেখানে ইসলাম ধর্মে সবধরণের ছবি আঁকার বিষয়ে নিষেধ করা হয়েছে। সেখানে নবীর ছবি আঁকার মতো গর্হিত কাজ মুসলমানরা কেন করবে?

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
উদয় খান এর ছবি
 

কি জানি ভাই। থাবা বাবা মরে ভুত হয়ে আবার এই লোকের ঘাড়ে... কে জানে

 
 

পৃথিবীতে এতো ধর্ম থাকতে এই লেখক কেন শুধু
ইসলামের পিছনে লেগেছে আল্লা মালুম!

সহমত প্রকাশক করছি।
এগুলা হচ্ছে এয়াজীদ দের বংশধর।

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
পারভেজ আলম এর ছবি
 

আপনি কি নিজের ছবি তোলেন? @শাহরীয়ার সুজন

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

জ্বি ভাই,আমি নিজের ছবি তোলি বিভিন্ন প্রয়োজনে। এবং এটা যে শরীয়ত বিরোধী কাজ সেটাও মানি। কিন্তু নবীর ছবি আঁকার পেছনে কী প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে এবং কেন নবীর ছবি আঁকতে হবে? একটু বোঝিয়ে বলবেন।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

যে কারণে হুজুররা অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে গালিগালাজ করে সেই কারণে মনে হয় ওরা ছবি আঁকে। যারা ছবি আঁকে তারা সবাই শয়তান। ঠিক বলেছি না ভাই?

 
 

যারা ছবি আঁকে তারা সবাই শয়তান।
ঠিক বলেছি না ভাই?

হঠাৎত এই মতামত প্রকাশ?

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

"যে কারণে হুজুররা অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে গালিগালাজ করে সেই কারণে মনে হয় ওরা ছবি আঁকে।" কবে কোথায় কোন হুজুর অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলেছে? একটা প্রমাণ দেখানতো দেখি। ইসলামে অন্য ধর্মকে হেয় করে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আর যারা ছবি আঁকে তারা পাপী।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
শওকত খান এর ছবি
 

কবে কোথায় কোন হুজুর অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলেছে? একটা প্রমাণ দেখানতো দেখি।

দেখাতে পারলে কি করবেন? ইসলাম ছেড়ে দিবেন? নাকি নাড়ায়ে টাকবির... এটা পুটুশপ বলে কোপাকুপি উৎসব শুরু করবেন?

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

কোনো হুজুর যদি অন্য ধর্ম নিয়ে আজেবাজে কথা বলে থাকে,তবে সে অপরাধ করেছে। ইসলামেতো গালিগালাজ করাও পাপ। সেখানে অন্য ধর্মকে গালি দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
শওকত খান এর ছবি
 

পিছলাইসেন মনে হয়? মুমিন্সদের গায়ে লুব্রিকেন্ট লাগানো থাকে। ছাইয়ের গন্ধ পাইলেই পিছলায় যায়।

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

হুম শয়তানের যুক্তি থাকে ১০১টা। শয়তান থেকে দূরে থাকাই উত্তম।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
শওকত খান এর ছবি
 

নিজের পরিচয় জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

ওয়াজ লিখে ইউটিউবে সার্চ দেন। প্রমাণ দেখে এক মাসেও শেষ করতে পারবেন না।

 
 

যাদের প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে ধারনা নাই।তারাই ওয়াজ মাহাফিল এই ধরনের ব্যবহার করেন।

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
শওকত খান এর ছবি
 

এ কথা বলেই তো খালাস। প্রকৃত ধারনা তাহলে কার আছে? কাউরেই তো দেখি না প্রকৃত ধারনা ধারন করতে। যে ধারনা কেউ ধারনই করতে পারলো না, সেটা তো বাতিল জিনিস।

 
 

কাউরেই
তো দেখি না প্রকৃত ধারনা ধারন
করতে।

আপনি কার কার দেখেন নাই ভাই?

শওকত খান ভাই আপনি কী বলছে চাচ্ছেন ইসলাম একটি বাতিল জিনিস?

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
শওকত খান এর ছবি
 

শুধু ইসলাম? সব ক'টা ধর্মই বাতিল মাল। তবে ইসলামের অনুসারীদের সাথে অন্যদের পার্থক্য হলো, অন্যরা বাতিল জিনিসটাকে উৎসব পালনের বিষয় হিসেবে দেখে, আর মহম্মদের অনুসারীরা এটাকে অক্সিজেনের বিকল্প হিসেবে দেখে। অক্সিজেনে শর্ট পড়ার সম্ভাবনা দেখলে অন্যের সিলিন্ডার কেড়ে নেয়।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

ইসলামের সঠিক ধারনা আছে এমন ২/১জন ওলামা-আলেম-পীরের নাম বলেন। কেউনা কেউতো সঠিক ধারনা অবশ্যই দেয়। নাকি আপনি ছাড়া সেইরকম বিশ্বাসযোগ্য কেউ নাই।

 
 

ইসলামের সঠিক
ধারনা আছে এমন ২/১জন ওলামা-
আলেম-পীরের নাম বলেন।

এর মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন যে পৃথিবী তে ২/১জন আলেম নাই?

সবাই আপনার মতো?

হাসি পাইছে আমার SmileSmileSmile

আচ্ছা আপনি কি শুক্র বার নামাজ পড়তে যান?যদি যান আপনি কি দেখেছেন বা শুনেছেন আপনার হুজুর খুদবার সময়ে গালা গালি করেন.........তার মানে কি.........?

আর যদি আপনি শুনেন আপনার হুজুর গালা গালি করেন,আপনি যদি তার পিছনে দাড়িয়ে নামাজ পড়েন তাহলে আপনি....... মুসলিম।

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
শওকত খান এর ছবি
 

আমার বাসার চারদিকেই কয়েকটি মসজিদ আছে। যেগুলো থেকে শব্দ দূষণীয় মাত্রায় আমার কানে আসে। হুজুরদের অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আর বেহুদা প্যাঁচাল যথেষ্টই শুনতে পাই।

 
রাহাত মুস্তাফিজ এর ছবি
 

হা হা হা ...মাঝে মাঝে বিনোদন হিসেবে ওয়াজ শুনা মন্দ নয়।

 
রাহাত মুস্তাফিজ এর ছবি
 

চমৎকার সময়োপযোগী পোস্ট। ধন্যবাদ পারভেজ আলমকে।

 
মূর্খ চাষা এর ছবি
 

আল্লাহ নিজেই তো অন্য ধর্মের লোক দের গালাগালি দিছে জানেন না ? না জানলে সুরা লাহাব পড়েন

.....................................................................................................................................
হিন্দু , মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃস্টান, আলীগ, বিনপি হওয়ার আগে মানুষ হতে হয় ।

 
শওকত খান এর ছবি
 

@ সুজন:
প্রোফাইলে আবার মানুষের ছবি সম্বলিত কার্টুন ব্যবহার করি- এটা বাদ দিলেন কেন?
ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এখানে কোটি কোটি ছবি আসে চোখের সামনে, সেটা জানেন না? ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন?

ছবি আঁকার অধিকার রক্ষা করার ঠিকাদারি মুসলিমদেরকে দিয়েছে কে? এটার যৌক্তিক জবাব আছে আপনার কাছে? পোষ্ট না পড়ে ছবি দেখে মন্তব্য করাটা বন্ধ করেন। মুসলিম দেশগুলোতে মহম্মদের ছবি আঁকা হয়েছে শত শত বছর ধরে। তখন আইএস বা বাল কায়দা ছিলো না বলে কারো ধর্মানুুনুভূতিতে আঘাত লাগেনি। এখন সবার ধর্মানুনুভূতিতে আঘাত লাগা শুরু হয়েছে।

ইসলামের পিছে লাগাটাকে এত ভয় কেন আপনাদের? জারিজুরি ফাঁস হওয়ার ভয় থাকলে না হয় চিন্তিত হওয়াটা মানায়।
কুসংস্কার আর ধর্মীয় চুলকানি বাদ দেন। ভালো কিছু জানুন, শিখুন। ধর্ম নিয়ে গবেষণা কমিয়ে অন্তত বাঙলা বানানটাও ভালো করে শিখতে পারেন, যেটা দৈনন্দিন কাজে লাগবে।

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

যারা প্রোফাইলে মানুষের ছবি সম্বলিত কার্টুন ব্যবহার করে তারা কেউ এটাকে ছোয়াবের কাজ মনে করে ব্যবহার করেনা। ইসলামে শুধু প্রানির ছবি আঁকার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে। অন্য যে কোন কিছুর ছবি আঁকতে কোনো সমস্যা নাই। আর বানানের কতা কিছু কইলাম না ভাই,আমি আপনের মতো এতো শিক্ষীত মানুষ নাতো তাই এরমি অইবো।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
শওকত খান এর ছবি
 

ইসলামে শুধু প্রানির ছবি আঁকার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে।

জীব আর জড় পদার্থের ছবির মধ্যে পার্থক্য কি? এটাকে আবালীয় কর্মকান্ড মনে হয় না? হাস্যকর যুক্তি সব।

ব্লগের বাচাল লিস্টের শীর্ষস্থান দখলকারী এতোটা '(অ)শিক্ষীত' এটা ভাবতে পারিনি!

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

জীবের প্রাণ আছে আর জড়ের প্রাণ নাই এটা বোঝার ক্ষমতা কী আপনার মতো "(কু)শিক্ষীতের" নাই। আল্লাহ ছাড়া যেহেতু কেও প্রাণীর জীবন দিতে পারেনা তাই প্রাণীর ছবি আঁকা হারাম। ইসলাম নিয়ে আপনাদের এতো চুলকানি কেন ভাই? কারো যদি ইসলাম ভালো না লাগে তবে সে ইসলাম ত্যাগ করুক কেউতো বাঁধা দিচ্ছেনা। আর সে তার ইসলামী নাম টাও চেঞ্জ করে যদু-মধু-কদু হয়ে যাক। ইসলাম ভালো লাগেনা তবে ইসলামের সুন্দর অর্থবোধক নামগুলা খুব ভালো লাগে তাইনা ভাই?

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
শওকত খান এর ছবি
 

যে জিনিসের জীবন দেয়া সম্ভব না, সেটার ছবি আঁকা যাবে না- এটা কি একটা হাস্যকর যুক্তি নয়? জড় বস্তুর ছবি আঁকার ক্ষেত্রে এই নিয়ম নয় কেন? জড় বস্তু কি ছবি আঁকার মাধ্যমে সৃষ্টি করা যায়?
কার নাম কি হবে, কেমন হবে, সেসব কি আপনার অনুমতি নিয়ে করতে হবে? আরবি থেকে নাম নিলেই কি ইসলামের ধ্বজাধারী হয়ে যায়? ১৪০০ বছর আগে কি আরবী ভাষা ছিলো না? তখন মানুষ কি চাইনিজ ভাষায় নাম রাখতো? ইহুদিদের নামের সাথেও মুসলিমদের নামের মিল আছে অনেক অঞ্চলে। ফাউল কথা বলার আগে তিনবার ভাইবা নিয়েন।

 
 

কেন আপনাদের? জারিজুরি ফাঁস
হওয়ার ভয় থাকলে না হয় চিন্তিত
হওয়াটা মানায়।

লুল.... ভয়ে কি আছে? এতে করে মূর্খ দের ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধরনা হবে।আজে থেকে ১৪০০ বছর আগের কুরআনকে কি আজকের বিশ্ব কি ভূল প্রমাণ করতে পারেছে? আর পাড়বেও না।

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

আর পাড়বেও না।

এই পাড়বে'টা কি ভাই?

 
শওকত খান এর ছবি
 

অনেকেই 'পেড়ে' দিয়েছেন, সেসব নিয়ে পড়ুন। মওদুদীর বইয়ের বাইরেও প্রচুর বই আছে পৃথিবীতে।

 
পারভেজ আলম এর ছবি
 

কে কোন প্রয়োজনে আঁকবে সেটা তার ব্যাপার। জগতে প্রয়োজনের তো অভাব নাই। আঁকলে তাতে সমস্যা কোন জায়গায়? সেটাই হলো প্রশ্ন। ট্যাবুটা কোথায়?

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

সাঈদ ইবনে আবুল হাসান (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রা) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমন সময়ে তাঁর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আবু আব্বাস! আমি এমন ব্যক্তি যে, আমার জীবিকা হস্তশিল্পে। আমি এসব ছবি তৈরি করি। ইবনে আব্বাস (রা) তাঁকে বলেন, (এ বিষয়ে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি যা বলতে শুনেছি, তাই তোমাকে শোনাব।

তাঁকে আমি বলতে শুনেছি,
‘‘যে ব্যক্তি কোন ছবি তৈরি করে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে শাস্তি দিবেন, যতক্ষণ না সে তাতে প্রাণ সঞ্চার করে। আর তাতে সে কখনো প্রাণ সঞ্চার করতে পারবে না।”
(এ কথা শুনে) লোকটি ভীষণভাবে ভয় পেয়ে গেল এবং তার চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। এরপর ইবনে আব্বাস (রা) বললেন, আক্ষেপ তোমার জন্য, তুমি যদি এ কাজ না-ই ছাড়তে পার, তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।" [সহীহ বুখারী, চতুর্থ খণ্ড, হাদিস নং ২০৮৪ – ইফা]

আশা করি এই হাদিসটা পড়ে আপনি বোঝতে পারবেন সমস্যাটা কোথায়।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
পারভেজ আলম এর ছবি
 

কেউ যদি এই হাদিস বিশ্বাস করে তবে সে ছবি না আঁকুক। আরেকজনে আঁকলে বাধা দিতে বলছে কে? ট্যাবু কেনো হবে? অপরাধই কেনো হবে? বিচার টা কি?

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

জ্বী যারা বিশ্বাসী তাদের জন্যই এই হাদিস। যারা অবিশ্বাসী তারা ছবি আঁকুক কোনো সমস্যা নাই। আপনি নিশ্চই আপনার মা-বাবাকে ভালোবাসেন তাদের নিয়ে কেউ যদি আপত্তিকর ছবি আঁকে সেটা কী আপনার ভালো লাগবে? মুসলিমরা তাদের নবীকে আপন মা-বাবার চেয়ে বেশী ভালোবাসে। তাই তাঁকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি আঁকা হলে মুসলমানদের গায়ে লাগাটাই স্বাভাবিক।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
 

ঠিক আছে আঁকবে।কিন্তুু
কি দেখে আঁকবে।তার
কি কোন প্রতিমা আছে?আর যার
আঁকতে চাচ্ছে ন তারা কী নিজ
চোখে দেখেছেন?যদিও
বা আঁকে তা তাদের মন গড়া........

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
শেহজাদ আমান এর ছবি
 

তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।"

গাছের কি ভাই প্রাণ নাই ??? BiggrinBiggrin

============================================
মানবতাহীন, অসামাজিক, নীতি-নৈতিকতাহীন, উগ্র ও অশ্লীল যুক্তিবাদী নাস্তিকদের চেয়ে অন্ধবিশ্বাসী কিন্তু মানবিক, নীতিবান ও নৈতিকতাসম্পন্ন, মধ্যপন্থী মুসলমানরাই আমার কাছে বেশী প্রীতিকর।
============================

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

আছে কিন্তু গাছপালাকে কী কেউ প্রাণী বলে? গাছপালাই তো বলে।

Love all, trust a few, do wrong to none...

 
শওকত খান এর ছবি
 

ওয়াও !!! চমৎকার যুক্তি !!!

 
শওকত খান এর ছবি
 

বাহ !!! কি চমৎকার যুক্তি !!!

 
শওকত খান এর ছবি
 

@ সুজন:

তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।

এ থেকেই কি প্রমাণ হয় না- ১৪০০+ বছর ধরে আবালীয় তথ্যের অনুসরণ করছে আবালরা? গাছপালার প্রাণ আছে এটা কি প্রমাণ হয়নি?

 
অতিথি এর ছবি
 

"তুমি যদি এ কাজ না-ই ছাড়তে পার, তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।" [সহীহ বুখারী, চতুর্থ খণ্ড, হাদিস নং ২০৮৪ – ইফা]"

শাহরীয়ার সুজন সাহেব, গাছপালার প্রাণ নাই? ১৪০০ বছর আগে মুহাম্মদ যদি না জেনে থাকে গাছপালার প্রাণ আছে সেটা তার অপরাধ না। কিন্তু ২০১৫ সালের বাস্তবতায় খাড়ায়ে আপনিও কি তাই মনে করেন যে গাছপালার প্রাণ নাই?

 
রাজিব এর ছবি
 

আপনি তাস খেলা আর জুয়া খেলার পার্থক্য বোঝেন না। ইসলামে জুয়া খেলা নিষেধ করলে আপনি ভাবছেন তাস খেলা নিষেধ করছে।
আপনি এখনো বুঝেছেন বলে মনে হচ্ছে না।লেখক স্পস্ট করেই বলেছেন নবীজী চান নি তার ছবি বা মুর্তির পুজা করে শিরক করুক। যারা ইসলাম বুঝে মানেন তারা নবীজীর মূর্তি বা ছবি দেখলে পুজা করবেন না, স্বাভাবিকভাবেই নিবেন, আর যারা না বুঝে ইসলাম মানেন তারাই নবীজীর মূর্তি বা ছবি দেখলে আতকে উঠবেন, ইহাকে পূজার বস্তু বলে মনে করবেন এবং শুধু ছবি তোলাকেই শিরক বলে মনে করবেন।

 
জনতা এক্সপ্রেস এর ছবি
 

খাইছে! এবার বাংলাদেশে আইএস এর এজেন্টরা এই কার্টুন দেখে বোমা হামলা করবে। আগুন লাগাইছেন পারভেজ ভাই। :চিন্তায়আছি:

ফ্রান্সের সাপ্তাহিকে আইএস এর হামলায় ১২জন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ফ্রান্সের সকল মিডিয়া এখন থেকে মুহাম্মদের বিভিন্ন ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন কি মুসলমানরা সমগ্র ফ্রান্সে আক্রমণ চালাবে? মুসলমানদের মত বোকা জাতির ভুলের খেসারত সমগ্র মুসলিম জাতির দিতে হবে।

*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*~*‍~*~*~
জনতার কথা বলব, যত বাঁধাই আসুক।

 
ইকারাস এর ছবি
 

এই ছবিগুলো দেখে মুমিনদের ইমানদন্ড খাড়ায়া গেছে। যুক্তিহীন রামছাগলের দল।

 
মনির হোসাইন এর ছবি
 

মোমিনগণ, না পড়েই হাউকাউ লাগিয়ে দিছে! ছবি দেখেই মাথামুতা খ্রাপ! যা হোক পোস্টে ধইন্যাপাতা

 
 

ঠিক আছে আঁকবে।কিন্তুু কি দেখে আঁকবে।তার কি কোন প্রতিমা আছে?আর যার আঁকতে চাচ্ছে ন তারা কী নিজ চোখে দেখেছেন?যদিও বা আঁকে তা তাদের মন গড়া........

============♥================
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: আমার প্রকাশিত সকল লেখালেখি নিছক কল্পনা মাত্র।কোনো জীবিত বা মৃত অথবা ভবিষ্যতে জন্মগ্রহণ করবে এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। http://riazkhanbd.wordpress.com

 
ইকারাস এর ছবি
 

মুমিনদের দেখি ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা। এত ঠুনকো ঈমানী শক্তি নিয়ে এরা ধর্ম বাঁচাবে কেমনে? যদি শিল্পীর একটি কার্টুনের কাছে এদের ধর্ম হুমকিতে পড়ে যায়, সে ধর্ম টিকবে কেমনে। মুমিনদের অবস্থা দেখে হাসি পাচ্ছে খুব।

 
শাহরীয়ার সুজন এর ছবি
 

১৪০০ বছর ধরেই ইসলামকে নিয়ে উজবুকরা নানা ধরণের আজেবাজে কথা বলে আসছে। এইসব বলে তারা ইসলামের একটা হিন্দী চুলও ছিড়তে পারে নাই। ভবিষ্যতেও পারবেনা ইসলাম থাকবে ততোদিন,যতোদিন এই দুনীয়া থাকবে। তোমাদের যা ইচ্ছে হয় করতে পারো। "লাফাচ্ছো লাফাও তোমাদের আগে আরও অনেকেই লাফিয়েছে।" তোমাদের নাস্টিকি ঈমানে তোমরা আরও কামেল হও। আমিন!

Love all, trust a few, do wrong to none...

 

পৃষ্ঠাসমূহ

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

পারভেজ আলম
পারভেজ আলম এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 4 months ago
Joined: রবিবার, মার্চ 24, 2013 - 12:42পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর