নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • মাহের ইসলাম
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

অরণ্যের দিনরাত্রি # ১ম পর্ব # বর্ষীজোড়া ইকো পার্ক @ মৌলভীবাজার


পাহাড়, সমুদ্র এবং অরণ্য; এই তিনটার মাঝে কোনটা আমার বেশি পছন্দ? নিজেকে এই প্রশ্ন অসংখ্যবার করেছি। কেন জানি না, সমুদ্র আমাকে ততটা টানে না যতটা না পাহাড় এবং অরণ্য টানে। সেই টানের কারণে সুযোগ পেলেই দেশের বিভিন্ন অরণ্যে ছুটে বেড়াই। ইষ্টিশনের যাত্রীদেরকেও আমি আমরা চলার সঙ্গী হিসাবে পেতে চাই। তাই ধারাবাহিকভাবে দেশের অরণ্যগুলোর ছবিসহ বর্ণনা আপনাদের সাথে শেয়ার করব যেন আপনারা বুঝতে পারেন আমাদের দেশেই কত অসহ্য সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে।

বাংলাদেশের প্রচলিত সব অরণ্যের খবর আমরা প্রায় সকলেই জানি। জানি না সে সকল অরণ্যের কথা যেগুলো নিয়ে খুব বেশি লেখালেখি হয় না। বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক ঠিক সেইরকমই একটি অরণ্য। প্রথম পর্বে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক এর সাথে।

বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক এর অবস্থান মৌলভীবাজার শহর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার ভিতরে। ৮৮৭ একর আয়তনের এই ইকোপার্কের উত্তরে বর্ষীজোড়া, দক্ষিণে বিমান বাহিনীর রাডার স্টেশন ও প্রেমনগর চা বাগান, পূর্বে দেওরা ছড়া চা বাগান এবং পশ্চিমে জগন্নাথপুর অবস্থিত। ২০০৬ সালের জুলাই মাসে এটিকে ইকোপার্ক ঘোষণা করা হলেও ১৯১৬ সালে এটিকে রিজার্ভ ফরেস্ট ঘোষণা করা হয়েছিল। মিশ্র চিরহরিৎ প্রকৃতির এই বনে একসময় মায়াহরিণ, চিতাবাঘ ও উল্লুক দেখা গেলেও এখন তা বিলুপ্ত। তবে এখনও বানর, হনুমান, শিয়াল, মেছোবাঘ, কাঠবিড়ালি সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী; ঘুঘু, শালিক, কাঠঠোকরা, বাবুই সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এবং শাল, গর্জন, শিমুল, সেগুন সহ বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ দেখা যায়।

এই মাসের অফিসিয়াল ট্যুরে সিলেট গিয়েছিলাম। সেখান থেকেই অফিসের কাজে মৌলভীবাজার যেতে হয়। বর্ষীজোড়া ইকোপার্ক এর কথা আগেই শুনেছিলাম। তাই ইচ্ছে ছিল ঘুরে দেখার। যেদিন ঢাকা চলে আসব সেদিন খুব ভোরে পার্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। জোনাল ম্যানেজার দেলোয়ার ভাই বাইক নিয়ে সকাল সাড়ে সাতটায় এসে হাজির। অতএব আমাদের যাত্রা হল শুরু।

ইকোপার্কের অবস্থান যেহেতু শহরের ভিতরেই তাই দেখতে দেখতেই আমরা পার্কের প্রবেশপথে চলে আসলাম। গেটটা বেশ চমৎকার।

গেট দিয়ে ঢোকার পর প্রথমেই চোখে পড়ল পার্কের ম্যাপ।

ইট বিছানো রাস্তা ধরে আমাদের বাইক ছুটে চলল।

কিছুদূর যাবার পর একটা তেমাথায় এসে আমরা পৌঁছলাম। কোন দিকে যাওয়া যায়? প্রথমে বাম দিকে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম।

দুপাশের অরণ্য যেমন ঘন হয়ে আসছিল তেমনি রাস্তাও সরু হয়ে আসছিল।

একদম শেষ মাথায় গিয়ে আমাদের চোখে পড়ল বিশাল ইউক্যালিপটাসের জঙ্গল।

গাছগুলো এতই বিশাল যে সূর্যের আলো অরন্যে প্রবেশ করার অনুমতি পাচ্ছিল না।

বাইক থামিয়ে আমরা পাহাড়ের উপর উঠে গেলাম। জঙ্গলের ভিতর এক টিলা থেকে আরেক টিলায় যাবার রাস্তা দিয়ে হাঁটার মজাই ছিল অন্যরকম।

হঠাত করেই আমরা পাহাড়ের উপর একটা বিশ্রামাগার আবিষ্কার করলাম। ক্লান্ত পথিকদের বসার জন্য এই বন্দোবস্ত দেখে ভালই লাগলো। পাহাড়ে উঠতে গিয়ে কিছুটা ক্লান্ত হয়েছিলাম। এখানে বসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে নিলাম।

যেহেতু শীতের শেষভাগে এসেছি তাই পুরো অরণ্য জুড়েই ছিল ঝড়া পাতার রাজত্ব। গাছগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছিল বসন্তকে বরণ করে নেওয়ার।

আমরা ফিরে আসলাম সেই তেমাথায়। এবার ডানদিকের রাস্তা ধরে যাত্রা করলাম।

এই রাস্তাটা ছিল মাটির। চারপাশের অরণ্য বেশ ঘন হয়ে আমাদের চেপে ধরতে চাইছিল।

এই রাস্তার শেষপ্রান্তে আমরা একটা ওয়াচ টাওয়ারের সন্ধান পেলাম।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে চারপাশটা দারুণ লাগে। বন যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকে শুরু হয়েছে পাহাড়ের রাজত্ব।

আমাদের শখ হল গভীর বনে প্রবেশ করার। অতএব আবারো বাইক থামিয়ে জঙ্গলে ঢুকলাম।

গভীর অরণ্য আসলেও অসাধারণ।

কিছু কিছু জায়গায় তো সূর্যই দেখা যাচ্ছিল না।

নাম না জানা বিভিন্ন ফুল আমাদের চোখে পড়ল।

আরে, দর্শনার্থীদের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থাও আছে দেখছি। কিন্তু ভুলেও সেদিকে যাবেন না। কারণ এতটাই নোংরা যে দৌড়ে পালাবার পথ পাবেন না।

টিলার উপর ছোট ছোট ফরেস্ট ক্যাম্প আছে যেগুলো আমরা খালিই দেখলাম। খুব সকাল বলেই হয়ত কেউ আসে নি।

আমরা ফিরে চললাম। এক পাহাড়ে মাটির সিড়ি দেখে কিছুটা কৌতূহল হল। জয়তু কৌতূহল। দেখা যাক উপরে কি আছে।

ওয়াও, দারুণ একটা গেস্ট রুম। তালা দেয়া অবশ্যই। এখানে রাত কাটাতে পারলে ভালই লাগবে। মাথায় রাখলাম, বিয়ের পর হানিমুনের জন্য জায়গাটা মন্দ না।

আজকের মত আমদের যাত্রার এখানেই সমাপ্তি। সামনের পর্বে অন্য কোন অরণ্যের সন্ধান নিয়ে আবার আপনাদের সামনে হাজির হব। সে পর্যন্ত, ভাল থাকবেন সবাই।

Comments

সাগর সাগর এর ছবি
 

এমন গুছিয়ে লিখেছেন যেন মনে হল আমি নিজেই সেই ইকো পার্ক থেকে ঘুরে এলাম। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল। ঘোলের রেসিপি কিন্তু সবাই জানেনা। আপনি জানেন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

আরে ভাই, এ তো কেবল শুরু। সাথে থাকুন। একের পর এক অরণ্যের বর্ণনা দিয়ে ইষ্টিশনের ভ্রমণবিমুখ যাত্রীদের ভ্রমণপিপাসু বানিয়ে ছাড়ব। একখান কনসালটেন্সি ফার্ম দিমু নাকি? :শয়তান:

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

:থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
ছবিগুলা জোস হইছে। আর বর্ণনার কথা আতিক বলেই দিয়েছে। আমার এই মহুর্তেই যেতে ইচ্ছে করছে।

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

ঘুরে আসুন ভাই। জায়গাটা আসলেও দারুণ। না দেখলে মিস করবেন।

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
শামীমা মিতু এর ছবি
 

খালি ছবি দেহাইলে কাম হবেনানে ভাইয়েরা। যাইতে মুঞ্চায়, কি করুম :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি:

---------------------------------------------------------
মরার জন্য যারা জন্মায় আমি সেই ধর্মবংশ
বাঁচিয়ে রাখার জন্যে বারবার ঝুলি না ফাঁসিতে

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

দুইদিনের ছুটি নিয়ে একটা চক্কর দিয়ে আসুন।

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
শামীমা মিতু এর ছবি
 

ইস্টিশনের সবাইরে নিয়ে যাইতে চাই। ট্রেন লইয়া যামু

---------------------------------------------------------
মরার জন্য যারা জন্মায় আমি সেই ধর্মবংশ
বাঁচিয়ে রাখার জন্যে বারবার ঝুলি না ফাঁসিতে

 
তারিক লিংকন এর ছবি
 

এইটা চমৎকার আইডিয়া...
ইস্টিশনের সবাই মিলে একটা ট্যুর হলে জমবে চমৎকার!!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
...... সমাজের বুকে যত দুষ্ট ক্ষত,
গাঁইতি শাবল চালিয়ে উড়াব সেথায় বিজয়ের রথ...

 
আশরাফুল করিম চৌধুরী এর ছবি
 

চমত্‍কার। ঘোল আর খাইতে ভাল লাগেনা। এইবার যামুগা।

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

দেরী করছেন কেন?

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
ভবঘুরে এর ছবি
 

:থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

......................................................................
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই না,নির্বিচারে ফাসি চাই.…

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

:বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
আশরাফুল করিম চৌধুরী এর ছবি
 

মানিব্যাগ ফুটা। মায়ের এক পুত। ঘর থেকে বের হবার আগে মনখানেক বাতাস হজম করতে হয়। আর বের হবার পর ফোনের পর ফোন। আফসোস!

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

ফুটা মানিব্যাগ মেরামত কইরা নিলেই হয়। :আমারকুনোদোষনাই:

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
আশরাফুল করিম চৌধুরী এর ছবি
 

হুম।

 
তারিক লিংকন এর ছবি
 

ভাই আমার বাড়ি সন্দ্বীপ...
জীবনের শুরুর ১৬ টি উদ্যম বাউন্ডূলে জীবন পার করে আসছি সেই অনাবিল বিশালতায়,
তাই সমুদ্র আপনাকে টানে না বলাতে আমার সমুদ্রানুভুতি আঘাত প্রাপ্ত হইল!
তবে আমি নিজেও সমুদ্র-পাহাড়-অরণ্যের তালিকায় পাহাড়ের পড়ে সমুদ্রকে রাখব...
যাহোক আপনার এমন ভ্রমণকাহিনী পাঠকদের জন্যে দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে, তাই সোজা প্রিয়তে... কাজের সময় পড়ে নিতে হবে ; শঙ্খচিলের ডানা ভাই ধইন্যা :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
...... সমাজের বুকে যত দুষ্ট ক্ষত,
গাঁইতি শাবল চালিয়ে উড়াব সেথায় বিজয়ের রথ...

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

:খুশি: :খুশি: :খুশি:
আমি কিন্তু একবারও বলি নি যে আমি সমুদ্র অপছন্দ করি। আসলে সমুদ্রের সৌন্দর্য একরকম, আবার অরন্যের সৌন্দর্য অন্যরকম। আমাকে পাহাড় আর অরণ্য বেশি টানে এই যা।

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
একেলা পথের পথিক এর ছবি
 

এই রকম একটা ট্যুর আমরাও দিয়েছিলাম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার শিলক নাকের একটা জায়গাতে ।। চা বাগান থেকে শুরু করে পাহার নদী থেকে শুরু করে ফুটব্ল খেলার মাঠ সব আছে ওখানে ।। আমরা ১৬ জন মিলে গিয়েছিলাম কিন্তু আফসুস সব গুলো ছবি নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো ক্যামেরা থেকে :কানতেছি: আপনার উপস্থাপনা দেখে ভালো লাগলো............

কি দরকার ভালো মানুষ সেজে থেকে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার !! আমার মতো মনহীন দানব হয়ে যান দেখবেন জীবন কত সুন্দর.......
https://www.facebook.com/dreamboy.jewel

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

রাঙ্গুনিয়া তে চা বাগান আছে জানতাম না। নতুন তথ্য পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। নেক্সট একটা ট্যুর দিতে হবে।

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
নাভিদ কায়সার রায়ান এর ছবি
 

ভাইয়া,কিভাবে যাবো, কোথায় থাকবো সেটা জানা দরকার
কাছাকাছি কি থাকার ব্যবস্থা আছে?
পোষ্ট প্রিয়তে

 
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
 

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করেই যেতে পারবেন। ট্রেনে সরাসরি যাওয়া যায় না। প্রথমে শ্রীমঙ্গল যেতে হয়। সেখান থেকে বাসে করে মৌলভীবাজার শহর। থাকবার জন্য শহরেই বেশ কয়েকটা হোটেল আছে। আর ইকোপার্ক শহরের একদম কাছেই। ভোরে ঘুম থেকে উঠে হেঁটেই যেতে পারবেন।

******************************
যে আমি বিতর্ক করি
সে আমি জ্বলে উঠি দ্বিমুখী শক্তির ঘর্ষে
যুক্তিতে সব্যসাচী আর চেতনায় অনির্বাণ হয়ে....

 
নাভিদ কায়সার রায়ান এর ছবি
 

:ধইন্যাপাতা:

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

শঙ্খচিলের ডানা
শঙ্খচিলের ডানা এর ছবি
Offline
Last seen: 8 months 3 দিন ago
Joined: রবিবার, ফেব্রুয়ারী 3, 2013 - 11:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর