নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • মলি
    • পৃথ্বীরাজ চৌহান
    • দ্বিতীয়নাম
    • নীল কষ্ট
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • কুমার শাহিন মন্ডল
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • অনন্ত দেব দত্ত

    নতুন যাত্রী

    • মাষ্টার মশাই
    • লিটন
    • অনন্ত দেব দত্ত
    • ইকরামুল হক
    • আবিদা সুলতানা
    • ইবনে মুর্তাজা
    • কুমার শাহিন মন্ডল
    • ঝিলাম নদী
    • কিশোর ফয়সাল
    • উসাইন অং

    নানিয়াচরে পিসিপি নেতা রমেল চাকমার লাশ ছিনতাই করেছে সেনাবাহিনী


    নান্যাচর: সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে
    চট্টগ্রাম মেডিকেলে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন
    অবস্থায় মারা যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও পিসিপি
    নেতা রমেল চাকমার লাশটিকে বাড়িতে নিতে দেয়নি
    সেনা সদস্যরা। তারা লাশটি ‍নিজেদের হেফাজতে
    নিয়ে রেখেছে বলে জানা গেছে।
    আজ বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বিকালে রমেল চাকমার
    লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে নিয়ে আসা হয়।
    রাত ৮টার দিকে লাশটি বুড়িঘাট বাজারে পৌঁছানোর পর
    তার আত্মীয়রা লাশটি গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে
    যেতে ট্রলারে (ইঞ্জিনচালিত নৌকা) উঠলে একদল
    সেনা সদস্য লাশ বহনকারী ট্রলারটি আটকায় এবং

    আঘাত


    তুমি এ পাথরে লালিত্য মাখাও প্রিয়---
    দেখবো তাতে কী হয়!

    তবে, আমি চললাম
    আঘাতেই ভাঙবো স্থবিরতা।
    পাথর চূর্ণ না হলে
    সময়ের চঞ্চল বায়ুও
    পারে না গড়াতে তারে।

    এ সমাজ পাথর যখন
    তখন আমাতে লাবণ্য খুঁজো না।
    আর আমি
    নেই সে কোমল প্রেমিক
    আজ আমি উদ্ধত অকপট
    বাণীর আঘাতেই ভালোবেসে যাবো।

    কোমল স্পর্শে পাথর হয় না সুন্দর
    ওখানে ছেনির আঘাত চাই।

    এমপিও ভুক্তির জন্য শিক্ষকদের আন্দোলন ও জাতির লজ্জা


    বারট্রাণ্ড রাসেল বলেছিলেন, "মানুষের সুখী হওয়ার জন্যে সবচেয়ে বেশি দরকার বুদ্ধির – এবং শিক্ষার মাধ্যমে এর বৃদ্ধি ঘটানো সম্ভব।"শিক্ষা হলো সভ্যতার রূপায়ন, জাতির মেরুদণ্ড। আর সেই জাতি গড়ার সুনিপুন কারিগর যেমন শিক্ষক তেমনি জাতির সুনাগরিক তৈরি করার মহান ব্যক্তিত্বও তাঁরাই। শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ও নিবেদিত এই ব্যক্তিবর্গের নিরলস পরিশ্রম ও কর্মকাণ্ডে এই শিক্ষক শব্দটা শ্রুতিমধুর ও মর্যাদার আসন পেয়েছে।

    কিন্তু আজ জাতি গড়ার এই মহান স্থপতিরাই সবচেয়ে নিপীড়িত, অবহেলিত লাঞ্চিত।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড



    গত ৫ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে সকাল ১০টার দিকে রাঙ্গামাটি জেলার নান্যাচার উপজেলায় এই বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী রমেল চাকমাকে আটক করে নান্যাচর জোনের মেজর তানভির ও একদল সেনাসদস্য। এরপর রমেল চাকমাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় জোন ক্যাম্পে এবং সারাদিন ধরে তার উপর নির্যাতন চালানো হয়। এতে রমেল চাকমা গুরুতর আহত হন এবং সন্ধ্যার দিকে তাকে নান্যাচর থানায় হস্তান্তরের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আহত রমেল চাকমার শারীরিক অবস্থা দেখে পুলিশ গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে সেনাসদস্যরা তাকে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করাতে চাইতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করে। এরপর থেকেই চমেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং গতকাল ১৯ এপ্রিল তারিখে তিনি মারা যান।

    প্রসঙ্গ: পাহাড়-প্রকৃতি কাঁদছে রমেল চাকমার মৃত্যুর শোকে।


    রমেল চাকমা(২০) নিতান্তই এক সহজ সরল আদিবাসী যুবকের নাম। রমেল প্রকৃতির সন্তান বটে। তার চোখে-মুখে ছিল সবুজ পাহাড় গড়ার স্বপ্ন। সে চলতি শিক্ষাবর্ষের এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থী। তার পরীক্ষার রোল নং-৩২৬১৭৯। সে নানিয়াচর কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। কোন কারনবিহীন অহেতুক বিনাবিচারে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেছে, যার কারনে তার মৃত্যু হয়। তাই নিঃসন্দেহে এটি একটি হত্যাকান্ড। এই ধরনের হত্যাকান্ড আজকের নয় যুগ যুগ ধরে গতানুগতিক চলছে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে তাও রাষ্ট্রীয় সোনার বাহিনী দ্বারা। এই হত্যাকান্ড চরম এবং সুষ্পষ্ট মানবাধিকার লংঘন। তাই বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে

    আওয়ামী লীগ- হেফাজত কোলাকুলি শুধুই ভোটের খেলা নয়, এর পেছনে চেতনাগত নৈকট্যও আছে!


    ২০০১ এ পরাজয়ের পর ২০০৮এ ক্ষমতায় এসেই আওয়ামী লীগ একের পর এক প্রতিষ্ঠান এবং স্থাপনার ইসলামী নামকরণ করতে থাকে। এতে করে দুদিক থেকে ফায়দা। এক. বিএনপি-জামাতের চেয়েও তারা বেশি ধর্মপ্রাণ সেটা প্রমাণ করা। দুই. প্রতিষ্ঠান আর স্থাপনাগুলোর নাম দেশের বিশিষ্ট ইসলামী পীর-বুজর্গদের নামে নামকরণ হওয়ায় আপামর ধর্মপ্রাণ মানুষও তাদেরকে ধর্মনিরপেক্ষ না ভেবে ধর্মপ্রাণ মুসলিমই ভাবেন। আর এটাই আওয়ামী লীগের কাঙ্খিত ছিল। আওয়ামী লীগ যে ঘোষিত ইসলামী দল জামাতে ইসলামী আর নিজেদের ‘ইসলামের ঠিকাদার’ ভাবা বিএনপি’র চেয়েও বেশি ইসলামপ্রিয় এবং ধর্মপ্রাণ সেটা প্রমাণিত! এতে তাদের ঐতিহ্যের কোনো বত্যয় তো নয়ই বরং তারা এ নিয়ে গর্বিত!

    বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ ১০০ কোটি ডলার


    দেশের উন্নয়নে বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। বিদ্যুৎ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিদ্যুতের উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় ওই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ আগামীতে ভুটান থেকে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার আশা করছে। ২০২১ সালের মধ্যে সারা দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। সরকার ২৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন টার্গেট নিয়ে কাজ করছে। দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে য

    হেফাজতের ১৩ দফা এবং মুহাম্মদ ও তার উম্মতদের সৃষ্টিকর্তা শানে বেয়াদবি


    ২০১৩ সালে সারাদেশ যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে উত্তাল ঠিক তখনই যুদ্ধপরাধিদের বাঁচাতে কৌশল পরিবর্তন করে হেফাজতে ইসলামের উত্থান।কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক এই সংগঠনটি শাহবাগ আন্দোলনকে বানচাল করার অপচেষ্টা থেকে ব্লগারদের নাস্তিক ঘোষণা করে তাদের ফাঁসির দাবিতে পাল্টা শাপলা চত্বর,মতিঝিলে অবস্থান নেয় । এরপর ইসলাম ও রাসুলকে কটূক্তিকারী নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসি দাবী করে হেফাজতে ইসলাম ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করে।

    আমি বাঁচবো তো?


    পঞ্চম শ্রেণীতে উঠেছি আমরা। আমরা বৌচি,লুক,হা-ডু-ডু খেলায় উদগ্রীব ছিলাম। বিকালে স্কুল ছুটির পর বাড়িতে এসে ব্য্গ,স্কুল ড্রেস পরিবর্তন করে সবাই আসতাম জয়দের উঠানে। কিন্তু, খেলাধুলায় সবাই আমার চাইতে জোহরাকে দলে ভিড়ানোর জন্য আগ্রহ করত। জোহরা ছিল খুবই বুদ্ধিমতি , তীক্ষ্ণ মেধাবী এবং ডানপিটে। স্কুলের শিক্ষক, পাড়ার প্রতিবেশী হতে শুরু করে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় স্বজনের প্রিয়মুখ জোহরা।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর