নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ক্যাম পাশা
    • সলিম সাহা
    • নুর নবী দুলাল
    • মারুফুর রহমান খান
    • লুসিফেরাস কাফের

    নতুন যাত্রী

    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ
    • শহিদুল নাঈম

    সন্ত্রাসীদের ক্ষমার প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি দায়মুক্ত, আদালত অসহায়, ন্যায় বিচার চাইবো কোথায়?


    ভেসে বেড়ানো খবর হলো, সেনাবাহিনী পরবর্তী সম্ভাব্য সেনাপ্রধান হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে, তার আপন ভাই হলো এই সন্ত্রাসী জোসেফ। শুধু মাত্র এই লোককে সেনা প্রধান হওয়া থেকে বিরত রাখতে, তার সাথে রফা করে গোপনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা জোগাড় করে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে! এসবের ফলাফল হচ্ছে ওই সেনা কর্মকর্তার আর সেনা প্রধান হওয়া হবেনা। তবে আমার এই খবরটি শতভাগ সত্য দাবি করছিনা। নিশ্চিত সত্য যা তা হলো সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোনো একজনের আপন ভাই এই জোসেফ।

    এখানেও তাহলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমটা রাজনৈতিক বিবেচনায়ই গেলো। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ভাবে, সংবিধানের দোহাই দিয়ে এই অনাচারের বিচার আমরা সাধারণ নাগরিকরা কার কাছে চাইবো? এই সন্ত্রাসী যাদের হত্যা করেছে তাদের ন্যায় বিচার কে দিবে? এতো কিছুর পরে যখন বিচার কোর্ট করে, তখন এই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা নামক অনুচ্ছেদটি, বিধানটি ন্যায় বিচারকে গলাটিপে ধরে।

    ঈশ্বর বন্দনা এক ঘুম পাড়ানি গান (০২)


    [ সর্ব নিয়ন্ত্রক ঈশ্বর ]

    ১. ভাগ্য ও সৃজনশীলতা :

    ঈশ্বর যে 'ভাগ্য' নির্ধারণ করেন - এটা ঈশ্বর বিশ্বাসীরা মনে করে থাকেন ।
    আবার , এমনটা ও বিশ্বাস করেন যে - 'প্রতিভা' বা 'সৃজনীশক্তি ' ঈশ্বরেরই দান । তাই যদি না হয় তাহলে আর একটা আইনস্টাইন বা নিউটন জন্ম নেয় না কেন ?

    আদিবাসী সম্বন্ধে বাঙালির ভ্রান্ত ধারণা


    আদিবাসী'দের সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষের ধারণা তারা বন জঙ্গলেই থাকে, পাহাড় পর্বতে ঘুরে ঘুরে সাপ ব্যাঙ সংগ্রহ করে খানাপিনা করে থাকে, তাদের জীবন'টা ঝর্ণার নিচে স্নান করে কাটে, তারা অন্য সকলের মতো আম-জাম-ভাত-মাছ-মাংস খায় না বরং সারাদিন পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকে। অধিকাংশ বাঙালি'রা আদিবাসী'দের চেহারা, আকৃতি, গঠন নিয়ে হাসিতামাশা করে থাকে। অনেকে তো চাইনিজ, জাপানিজ কতো কী বলে নিজে'দের বর্ণবাদী পরিচয় দিতেও লজ্জা'বোধ করে না।

    বনসাই হৃদয়ের মানুষের শহর


    গলিটার দু-পাশ মিলিয়ে অন্তত বিশটা বাড়ি, অধিকাংশই চার থেকে সাত তলা, অন্তত দুইশো ফ্ল্যাট, ফ্ল্যাটগুলোতে বারোশ থেকে পনেরশো মানুষ বাস; অথচ গলিতে গাছ মোটে একটা, তারও নারকেল গাছ!

    ধর্ষণ তোমার লজ্জা নয়, ধর্ষণ ধর্ষকের লজ্জা।


    "যদি তুমি ভাবো, তুমি ধর্ষণের শিকার, তুমি দুর্বল, তবে দুর্বল হয়ে যাবে তোমারই মতো সহস্র লীলা, গীতা, মহিমা। যদি তুমি মনে করো তুমি ধর্ষণের শিকার, কিন্তু তুমি ন্যায়ের পথে হাঁটবে, তখনই তুমি ন্যায় করতে পারবে সেই লীলা, গীতা, মহিমাদের সাথে।"

    ৩৬০ আউলিয়ার দেশে ৯৫০ মাজার। ব্যাবসা রমরমা।


    ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলে বাংলাদেশের মানুষ কোন না কোন মাজারের অনুগত্য।আসলে আমরা কি ৩৬০ আউলিয়ার নাম জানি? ৩৬০ জন আউলিয়া মাজার সংখ্যা প্রায় ৯৫০টি।তাহলে বাকি মাজার গুলো কোন আউলিয়াদের? আসুন ৩৬০ আউলিয়ার নাম গুলো জেনে নেই। তাহলেই বুঝবেন বাকি মাজার গুলো কোন আউলিয়ার। যারা মাজার ব্যাবসা করে প্রায়ই তারা সর্বদা বলে ইনি ৩৬০ জন আউলিয়ার একজন।
    .
    ০১। হযরত শাহ জালাল ইয়ামনী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

    ০২। হযরত শাহ্ পরান রহমতুল্লাহি আলাইহি।

    ০৩। হযরত শাহ্ জাদ আলী ইয়ামনী (১ম)রহমতুল্লাহি আলাইহি।

    ০৪। হযরত আলী ইয়ামনী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

    ০৫। হযরত আরিফ ইয়ামানী রহমতুল্লাহি আলাইহি।

    মুমিনদের বিবাহ বনাম ধর্ম বর্জনকারীদের বিবাহ


    মুমিনদের দৃষ্টিতে বিবাহ মানে সেক্স। বিবাহবদ্ধ নারী স্বামীর সেক্স যন্ত্র। যখনই স্বামী চাইবে তখনই স্বামীকে পরিতৃপ্ত করতে হবে. স্ত্রীর মনের অবস্থা যখন যেমনি থাকুক না কেন। আর সারাজীবন গৃহিণী হয়ে চার দেয়ালের মধ্যে কাটিয়ে দেয়ায় খাটি মুমিনা স্ত্রীর কাজ। খাটি মুমিনা স্ত্রী ব্যস্ত থাকবে স্বামীকে তৃপ্ত করতে। ’স্বামী’ অর্থ তো প্রভু। স্ত্রী হল এক প্রকার যৌণ দাসি।

    কফিনভর্তি বারুদের নির্যাস


    আমার জন্যে কয়েক বিলিয়ন কফিন জমা রেখো,প্রিয়তমা।
    গোলাপের চাষ অলাভজনক হতে পারে-
    পৃথিবীতে যুদ্ধ কখনো থেমে যাবে না।
    বাতাসে বারুদ আর সীসা-রক্তের কালো দাগ দেখে যারা, তারাও একসময় পাহাড়ের স্বপ্ন দেখেন,
    ফিরে যেতে চান ঘরে,
    দ্যাখেন কমলা রোদে জমাট হয়ে আছে গরম পাথর-ফুলের ঘ্রাণ-
    প্রেমিকার চুলের মতো আঁধার নেমে আসে যখন যুদ্ধের ডামাডোলে-
    যখন রক্তে ভিজে আসে হাসপাতাল আর সাদা বেডসিট।

    মহাকালের নগ্ন পাঠক


    আমি পড়তে বসি ঊর্ধ্বাঙ্গ উদাম করে,
    নীচে কেবল একটা সাদা-লাল গামছা…
    আমি পড়তে বসে শুই
    পড়তে বসে দাঁড়াই,
    গামছার ইচ্ছাকৃত হালকা বাঁধন খুলে যায়
    সব টের পাই, কিন্তু টের পাওয়াইনা ।
    আমার চর্বিময় থল থলে পাঁকের মতন দেহ
    ক্লান্ত হতে হতে ছাদে তাকায়
    ল্যাপটপের অদৃশ্য বিকিরণে বুঁদ হয়ে থাকে সমগ্র চেতনা,
    বামে কি-বোর্ড, ডাইনে খাতা ও কলম ।
    সেলফি উঠেছি আজ, রক্তপানে ঢোল হওয়া জোঁকের মত
    দেহ, এ দেহে কামনা জাগেনি কখনো কোন মানবের
    এল, ই, ডি, আলোয় এই সেই দেহ, ঘামের নীলাভ গন্ধে
    আমার সমস্ত জীবন ডুবে আছে,

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর