নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • ইকারাস
    • আমি অথবা অন্য কেউ
    • দুরের পাখি
    • দীপঙ্কর বেরা
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • ফারুক
    • রাফিন জয়
    • রাহাত মুস্তাফিজ
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • রবিঊল
    • কৌতুহলি
    • সামীর এস
    • আতিক ইভ
    • সোহাগ
    • রাতুল শাহ
    • অর্ধ
    • বেলায়েত হোসাইন
    • অজন্তা দেব রায়
    • তানভীর রহমান

    সাম্প্রতিক বির্তকঃ নারীবাদী বনাম মানবতাবাদী


    বন্ধুরা ভিন্ন মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা রাখবে এই আশাতেই আমার বক্তব্য লেখা। আলোচনা – যুক্তি আসবে, কিন্তু গালি, মনোমালিণ্য, বন্ধু বিচ্ছেদ প্রার্থণীয় নয়। ব্যক্তিগত কোন আলোচনা কিংবা বিষয় ও এটি নয়, এটুকু বন্ধুরা বুঝে নেবে সেই আস্থা রাখছি

    "ও তে ওড়না"


    ইংরেজি বছরের প্রথম দিন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে সারা দেশে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হয়। এটা এখন আমাদের দেশে নববর্ষ উদযাপনের এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ শুঁকে অশেষ আনন্দে মন ভাসিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হয় নতুন ক্লাসে। বই বিতরণের এই উৎসবটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বছরজুড়ে কাজ করে যান পুস্তক লেখক, সম্পাদক এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অধিকর্তারা। কাজটির গুরুত্ব অপরিসীম এ জন্য যে এসব পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে আহরিত তথ্যসম্ভারই শিশু শিক্ষার্থীর মনোজাগতিক গঠনের ভিত রচনা করবে।

    চাপাতি পরম ধর্ম !!


    ক. মালয়শিয়াতে পাঁচ মায়ানমার নাগরিক যারা কিনা শ্রমিক হিসেবে গেছে তাদেরকে কতক শান্তির ধর্মের লোক ইসলামি তলোয়ারের খোঁচায় দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়ে ধর্মের ভাই রোহিঙ্গাদের হয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে ! নাহ্ এই খবর মুসলিম মিডিয়া প্রকাশ করেনি । পাছে , শান্তির মা রাগ করে শান্তির বাপেরে তিন তালাক দেয় !!!

    খ. নয়া ঘাস লতাপাতা গজাইছে ! বাঁশের চাইতে কঞ্চি বড় হইছে । তাই একটু বেশিই লাফালাফির খবর আসে আর আসছে ।

    এক ধর্মীয় গুরুর সাথে ধর্ম নিয়ে আমার তর্ক-বিতর্ক


    সম্ভবত ২০০৯সালের কথা। রাত ১০টার দিকে আমি, দাদাবাবু, (ভগ্নিপতি) আর দাদাবাবুর এক বন্ধু সীতাকুন্ড মেলায় (শিবরাত্রি) গেছিলাম। সারারাত মেলায় ঘুরতে ঘুরতে, চা সিগারেট-টাইগার পান করতে করতে, অস্থির সময় কাটাতে কাটাতে এক সময় ভোর হল। আমরা গেলাম শংকর মঠ আশ্রমে। সেখানে গিয়ে দেখি সজলান্দ ভক্তদের সাথে কথা বলছেন। আর আগত ভক্তরা তার পায়ে টুক টুক করে প্রণাম করছেন। ভক্তরা তার সামনে প্রভু ভক্তের মতো বসে আছে।

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-১


    ১.১ মানব ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় উৎপত্তির দিক থেকে ধর্ম আগে, দর্শন পরে, বিজ্ঞান তারও পরে।

    ১.২ ধর্মের প্রাথমিক সংজ্ঞা হলো অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস এবং তাকে ঘিরে আচার-অনুষ্ঠানই ধর্ম।

    ১.৩ সমাজ পরিবর্তন ও মানুষের জ্ঞানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধর্মেরও বিবর্তন ঘটে এবং ঘটে চলছে।

    ১.৫ ধর্মে অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাসের সঙ্গে পুজা-অর্চনা-অনুষ্ঠানও যুক্ত হয়।

    খিলাফত বা Caliphate : একটি রাজনৈতিক ইতিহাস (দ্বিতীয় অংশ)


    মহানবী (স) এর পরলোকগমনের পর শুরু হয় খিলাফত। খিলাফত বা Caliphate ( আরবি থেকে خلافة or khilāfa) ছিল, সরকারের ইসলামি রুপ যা মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক একতার প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরণের শাসন ব্যবস্থার সরকার প্রধানকে খলিফা বলা হয়। ইসলাম ধর্মমতে বলা হয় বা "খলীফাতুল রাসূলুল্লাহ বা Successor of Messenger of God বা খলীফা"।

    ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ। জেরুজালেম।
    রাশিদুন খলিফা উমর ইবনে খাত্তাব।

    তুমি কোন জীব হত্যা করবে না (গৌতম বুদ্ধ)


    গৌতম বুদ্ধ সাধারণ মানব সমাজের জন্য পাঁচটি নীতি প্রচলন করেছিলেন। যথা;
    ১. তুমি কোন জীব হত্যা করবে না
    ২. অপরের কিছু চুরি করবে না
    ৩. কোন ব্যভিচার বা অনাচার করবে না
    ৪. মিথ্যা কথা বলবে না
    এবং
    ৫. মাদক গ্রহণ করবে না।

    এখন কথা হচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা কি জীব না? তারা কি জড় পদার্থ? বিষয় টাকে আমি সাম্প্রদায়িক ভাবে দেখছি না, এখানে শুধু মুসলিম না, সারা বিশ্বের মানবতা খুন করা হচ্ছে। এই মৌলবাদীকতার শেষ কথায়? তবে মায়ানমার বার্মা নিয়ে এটা বলতেই হচ্ছে যে, যদি গৌতম বুদ্ধ আজ জীবিত থাকতো, তাহলে আজ সে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হত!

    ধার্মিকদের বিজ্ঞান চর্চা কি নিজের সাথেই প্রতারণা নয়???


    গতকাল আমার এক ডাক্তারি পড়ুয়া বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিল।যাই হউক কথা প্রসঙ্গে সে বলল, মৃতদেহ খুব আস্তে রাখা উচিত। আমি জিজ্ঞাস করলাম কেন?সে বলল তাতে মৃতের আত্না ও দেহ কম কষ্ট পায়, জীবিত অবস্থায় ব্যথা পেলে তো তাও লোকটি বলতে পারত কিন্তু মৃতের পক্ষে তো তা সম্ভব নয়, পোস্টমর্টেমে মৃতদেহ কাটাকাটিতে নাকি মৃত দেহের অনেক কষ্ট হয়, তাই পোস্টমর্টেম এড়াতে সে যথাসম্ভব আত্নাহত্যা পরিহার করতে বলল।

    আমি স্তব্ধ হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম ও ভাবলাম এই আমাদের ডাক্তারদের অবস্থা!!!!

    চোখের আঁড়াল মানেই মনের আঁড়াল নয়


    ধর্মপুর, কুমিল্লা।
    ১৭/১০/১৬ইং
    প্রিয় রাত্রি,
    আজ সন্ধ্যেবেলা যখন ঘুম থেকে উঠলাম, তখন মাথাটা কেনো যেনো ধরে ছিলো।
    পড়ার রুমে ঢুকে কিছুক্ষণ বসে রইলাম।
    সন্ধ্যের নাস্তা শেষ করে কিছুক্ষণ একটা সাহিত্য সাময়িকী ঘাটার পর যখন দেখলাম সাতটা বাজে, তখন বই নিয়ে বসলাম পড়তে। কিন্তু মনোযোগ যে আজ কিছুতেই আসছে না।
    তাই ছাদে এলাম। একবার ভাবলাম তোকে ফোন দেই। কিন্তু পরক্ষণেই মনে হলো, তুই বলেছিলি যে তোর ফোন কয়েক সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে। তাই তোকে আর ফোন দিলাম না।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর