নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • পৃথু স্যন্যাল
    • রুদ্র মাহমুদ
    • সুষুপ্ত পাঠক
    • বেহুলার ভেলা
    • নিটোল আরন্যক
    • মো.ইমানুর রহমান
    • সুজন আরাফাত

    নতুন যাত্রী

    • রমাকান্ত রায়
    • আবুল খায়ের
    • একজন সত্যিকার হিমু
    • চক্রবাক অভ্র
    • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
    • নওসাদ
    • ফুয়াদ হাসান
    • নাসিম হোসেন
    • নেকো
    • সোহম কর

    আমরা কি হেফাজতি পাঠ্যপুস্তক চেয়েছিলাম?


    আমাদের দেশে যেহেতু এখনো শিক্ষা উপকরণ বলতে শুধু পাঠ্যবইকেই বুঝায়, সেহেতু বলা চলে পাঠ্যবইয়ে যা আছে তা খুব গুরুত্বপুর্ণ। এই পাঠ্যবই-ই মুলত আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একমাত্র অবলম্বন। এই সবেধন নীলমনি বইখানাই যদি ভরে যায় ধর্মান্ধতায়, ধর্মই যদি এই বইয়ের সূচী তৈরী করে দেয়, তাহলে শিক্ষা যে অন্ধতার দিকে ধাবিত হচ্ছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যে কোন শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্ম পুরোপুরি ঐচ্ছিক একটা বিষয়। যদিও আজকাল উন্নত বিশ্বের স্কুলগুলোতেও ধর্ম পড়ানো হচ্ছে, সেটা সম্পুর্ন আলাদা একটা বিষয় হিসেবে। কোন গণতান্ত্রিক দেশেই ধর্ম শিক্ষা ব্যবস্থার সিলেবাস তৈরী করে দেয় না। ধর্ম আর শিক্ষা সম্পুর্ন আলাদ দুইটি বিষয়। ধর্ম বড়জোর শিক্ষার একটা অংশ হতে পারে, শিক্ষার নিয়ন্ত্রক হয়ে গেলে সে শিক্ষা আর শিক্ষা থাকে না।

    নাহ ... কল্পনার জগতে কোন "মন খারাপ" এর জায়গা নেই ...


    জীবনটা বাংলা সিনেমা না ... বাংলা সিনেমা হলে দুইজন মিলে একটা চাদর গায়ে জড়িয়ে রাখতো ... জড়সড় হয়ে বসে একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতো ... তারপর হয়তো একটা গান শুরু হয়ে যেতো !!

    মুহম্মদের ঐতিহাসিকতা ও ঐতিহাসিক মুহম্মদ, পর্ব-৯


    এই অসঙ্গতি ছাড়াও কোরানের বহু সংশ্লিষ্ট আয়াত জনের বিবরণে স্থান পায়নি বিশেষ করে মু্হম্মদের আগমনসংক্রান্ত বিষয়ে যীশুর ভবিষ্যৎবাণী – “স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু”(৬১:৬)। একজন খৃষ্টীয় ধর্মতাত্বিক হিসাবে এই আয়াতটি তার আগ্রহের বিষয় হবার কথা ছিল কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এর কোন উল্লেখ তার লেখায় নেই। তিনি কোরান নামেরও উল্লেখ করেননি। বোঝা যায় বিশপ জনের হাতে কোন লিখিত কোরান ছিল না; তিনি সম্ভবত মৌখিক ট্রাডিশনের উপর নির্ভর করেছিলেন যা কোরান হিসাবে সংকলিত হয়ে থাকবে।তবে কি ৭৩০ অব্দ পর্যন্ত্য কোরান সংকলিত হয়নি? নাকি সেই কোরান বর্তমানে প্রচলিত কোরান থেকে আলাদা। দেখা যাক-

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর সাম্প্রদায়িক হামলার মূল কুশীলবেরা-জাহাঙ্গীর


    ছবিতে যে ব্যক্তিটিকে দেখা যাচ্ছে এই ব্যক্তির চেহারাটা চিনে রাখুন। এই ব্যক্তিটি একটি বর্বর, জঘন্য এবং একইসাথে মর্মান্তিক ঘটনার মূল হোতা। ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সাম্প্রদায়িক হামলার অন্যতম প্রধান আয়োজক এবং উসকানিদাতা। এই ব্যক্তির ব্যক্তি মালিকানাধীন সাইবার ক্যাফের কম্পিউটারেই এডিট করা হয় কাবাঘরের আলোচিত সেই ছবিটি। রসরাজের আইডি থেকে পোস্ট হওয়া ছবিটা প্রিন্ট করে বিতরণ করে এই জাহাঙ্গীর। হামলার জন্য বাইরে থেকে পরিকল্পিতভাবে ট্রাক ভাড়া করে লোক আনা এবং সেই ট্রাকের ভাড়া পরিশোধ করে এই জাহাঙ্গীরই। নাসিরনগর ট্রাজেডিতে জাহাঙ্গীরের কর্মকাণ্ড নিচে সংক্ষিপ্তভাবে নোট করে রাখলাম;-

    দ্বিজাতিতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের লুকিয়ে যাওয়া গৌরবময় অধ্যায় :(শেষ পর্ব):


    ১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হিন্দুদের উপর শুরু হওয়া গণআক্রমন চলতে থাকে পুরো মাস জুড়ে। মুসলমানদের এই লুটেরা মানসিকতা দেখে এবং এই জংলীদের সাথে বসবাস করা যাবে না, এটা বুঝতে পেরে, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য হিন্দুদের দেশত্যাগের স্রোত শুরু হয়। সেই সময় পূর্ববঙ্গে-গোয়ালন্দ, পার্বতীপুর ও খুলনা, এই তিনটি জায়গা থেকে কলকাতার ট্রেন পাওয়া যেতো। এজন্য- ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর জেলাসহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের লাখ লাখ হিন্দু, বাড়িঘর, জমিজমা সর্বস্ব ত্যাগ করে একবস্ত্রে দেশত্যাগের জন্য এসে জড়ো হতে শুরু করে গোয়ালন্দে। উত্তরের হিন্দুরা পার্বতীপুরে এবং যশোর ও খুলনাসহ পশ্চিম ও দক্ষিনের হিন্দুরা খুলনা স্টেশনে। সীমান্তের আশে পাশের জেলার হিন্দুরা বাসে করে সড়ক পথে বা পায়ে হেঁটেই ঢুকে পড়ে ভারতে। বরিশাল থেকে কলকাতা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম ছিলো জলজাহাজ। তাই বরিশাল, পটুয়াখালি, ভোলা জেলার হিন্দুরা বরিশালে এত পরিমাণ এসে জড়ো হতে শুরু করে যে, জেটিতে স্থান পাওয়া দায়!
    https://encrypted-tbn2.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcRQBPGwW17JvLeHzrxf...

    অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭ তে আমার নিজের দুটো বই


    ইস্টিশনে নিজের জন্যই এইরকম বিজ্ঞাপনমূলক পোস্ট দেয়া যায় নাকি আমি জানি না। তবে এই বইমেলায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ওপার বাংলার কবিতার একটা পুরোনো প্লাটফর্মের মত ইস্টিশনের অভিজ্ঞতারও প্রভাব অনেক। অনলাইনেই পরিচয় হওয়া বিশেষ একজন আবার অতি স্তুতিতে পারদর্শী। সবার লেখা পড়ে তার উচ্ছাস অন্যমাত্রার। তবে ব্যাপারটা ভালোই লাগে। সাহিত্যের জন্য কারো কারো এমন আবেগ, প্রবল উন্মাদনা থাকুক। হাজার হাজার কবিতা গল্পের বই বের হবে প্রতিবছর, এর মধ্যে হাতে গোনা দুই-একজন উঠে আসবে। কিন্তু বাকীদেরও প্রকাশের এই ফ্লো টা ধরে রাখা উচিত। বাংলা সাহিত্যে তাদের বেশিরভাগ বইয়ের সামান্যতম অবদান রাখবার মত কিছু হয়তো থাকবে না। কিন্তু সাহিত্যের প্রতি এই আবেগ, এই ভালোবাসাটা জরুরী।

    বইমেলায় আমার দুট বই, "এন্ড দেন আই ডিসাইডেড টু..." এবং "এই অদ্ভুত নগরে আমার নিজের কোনো গল্প নেই"

    হিন্দু ধর্মের ইতি বৃত্ত, পর্ব ০৭


    যদিও বলা হয় হিন্দুদের প্রধান ধর্ম গ্রন্থ বেদ কিন্তু জীবন ধারনের সকল পদ্ধতি যেমন প্রতিমাপূজা , উপসনা, ব্রতাচারণ,বিবাহের নিয়মাবলী,শ্রাদ্ধবিধি,খাদ্য বিধি,বর্ণাশ্রম বিধি,সম্পত্তি বন্টন যাবতীয় সব কিছুই ‘মনুসংহিতা’ বা ‘মনুস্মৃতি’র নিয়ম মেনে করা হয়। একজন হিন্দু জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কী করলে ইহলোকে ও পরলোকে পুরুষ্কৃত হবেন এবং কী না করলে দুনিয়া আখেরাতে শাস্তি ভোগ করবেন তার বিষদ বর্ণনা আছে ভগবান মনুর এই মনুসংহিতায়। এটাই হিন্দুদের জীবন বিধান তথা কোড অফ লাইফ। বেদে কী আছে আর কী নাই তাতে কিছুই যায় আসেনা বাস্তবে কী আইন মানা হয় সেটাই আসল কথা। আমরা নারীদের প্রতি মনুর দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আগেই আলোচনা করেছি এবার কিছুটা ফিডব্যাক করা যাক।

    ২০১৭সালের জানুয়ারি মাসে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হামলার রিপোর্ট


    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকার দলের মন্ত্রী নেতা একেরপর এক আস্থার বস্তা দিয়ে যাচ্ছে সংখ্যালঘু কে। দেশ আমাদের সবার, দেশ অসাম্প্রদায়িক, দেশ ভ্যানগাড়ির উপরে হাসছে। অথচ ফলাফল শূন্য।
    আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন- "আপনারা কেউ নিজেদের সংখ্যালঘু ভাববেন না, আঘাত এলে পাল্টা আঘাত দেওয়ার মানসিকতা রাখবেন। সরকার এবং সংবিধান আপনাদের পাশে থাকবে।" তো আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত যদি সংখ্যালঘু নিজেদের করতে হয় সরকার আর কলা পাতার মত সংবিধান পাছায়[বানান ভুল] থেকে কী লাভ!

    সুদীর্ঘ ৪৮ বছর ধরে প্রতিদিন একটি করে গাছ লাগিয়ে যাচ্ছেন জনাব আব্দুস সামাদ


    →২০১০ সালে রাস্তার পাশে একটা গাছ লাগালাম, দুদিন পর গাছটি উধাও।
    →২০১১ সালে রাস্তার পাশে দুটো গাছ লাগাম, একটিকে খেয়েছে গরু আর আরেকটিকে ছাগল।


    →২০১২ সালে রাস্তার পাশে তিনটি গাছ লাগালাম,অতিবৃষ্টির কারণে গাছত্রয় মরে গেছে।
    →২০১৩ সালে আবার কয়েকটি গাছ লাগালাম, পানির অভাবে মরে গেছে।

    ফিরে দেখা বাংলাদেশে ব্লগারদের রক্তাক্ত লাশ আর সারা পৃথিবী জুড়ে ইসলামিস্টদের গনহত্যার সাল, ২০১৫ সাল!


    ১৫ সাল আমাদের যা দেয়নি, তারচেয়ে কেড়ে নিয়েছে অনেকগুন বেশি। ২৬ই ফেব্রুআরি আমরা হারিয়েছি একজন বিজ্ঞাণমনষ্ক ও অত্যন্ত প্রগতিশীল লেখক, ধর্মান্ধদের "বিশ্বাসের ভাইরাস"-এর প্রতিরোধক, ড: অভিজিৎ রায়কে। বন্যাদি হারিয়েছে তাঁর একটি আঙ্গুল। হারিয়েছি ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত বিজয় দাশ ও নীল নীলয়ের মতো ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের তুখোড় সমালোচক একেকজন মুক্তচিন্তক আলোর দিশারীকে। হারিয়েছি আমরা একজন মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশক (জাগৃতি প্রকাশন) দীপনকে। এঁরা ঘোর অমানিশায় নিজ দায়িত্বে আলোর মশালটা সবসময় ঠিকভাবে জ্বালিয়ে রাখতো, যাতে ধর্মান্ধ মানুষগুলো মধ্য যুগীয় বর্বর অন্ধকারের দিকে ধাবিত না হয়। তারা ধর্মের রুঢ়তা, সহিংসতা

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর