নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • এলিজা আকবর
    • পৃথ্বীরাজ চৌহান
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • সুমন মুরমু
    • জোসেফ হ্যারিসন
    • সাতাল
    • যাযাবর বুর্জোয়া
    • মিঠুন সিকদার শুভম
    • এম এম এইচ ভূঁইয়া
    • খাঁচা বন্দি পাখি
    • প্রসেনজিৎ কোনার
    • পৃথিবীর নাগরিক
    • এস এম এইচ রহমান

    মুমিনরা চেষ্টা করেও আর তাদের আসল চেহারা লুকাতে পারছে না


    অবশেষে জানা গেছে , কথিত টিটু রায় ইসলামের অবমাননা করে নাই , করেছে খুলনা থেকে মাওলানা হামিদি নামের এক মুমিন। মাওলানা মানে সে ইসলামে পন্ডিত ও মাদ্রাসার ডিগ্রীধারী। কিন্তু মুমিনরা কি এখন এই হামিদির বিরুদ্ধে আল্লাহু আকবর বলে ধ্বনি দিয়ে তার বাড়ী ঘর পোড়াতে গেছে? কোন প্রতিবাদ করেছে ? বিচার চেয়েছে ? যেমনটা তারা করেছিল টিটু রায়ের ক্ষেত্রে ? করে নি। কারন কি ? কারন ইহাই মুমিনের আসল চেহারা , ইহাই ইসলামের আসল শিক্ষা।

    প্রাগৈতিহাসিক সাম্প্রদায়িক মনোভাব, ধর্মঘেষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মধ্যপন্থি মেজরিটি সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রধান কারণ।


    যে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক উস্কানিমুলক প্রশ্ন করা হয়, সেই দেশে একটা হিন্দুপল্লিতে মুসলমান কর্তৃক আগুন দেয়াকে বড় কোন অঘটন হিসেবে না ভাবলেও চলবে! অন্তত আমি ভাবি না। রংপুরের সংখ্যালঘু নির্যাতনের মানসিকতা এ দেশের মুসলমানদর মধ্যে একদিনে তৈরী হয়নি। বহুকাল আগেই এই ধর্মীয় সন্ত্রাসের বীজ রোপিত হয়েছিলো এ দেশে।

    কেন শরিয়া বা ইসলামী আইন সমস্ত সমাজের জন্য খারাপ?


    বাংলাদেশর সাধারণ মুসলিমরা কেন ইসলামিক আইনকে প্রত্যাখ্যান করে।যেখানে বাংলাদেশ ৯৫% মুসলিম ধর্মাবলীদের দেশ।তার পরেও কেন শরিয়া আইন অকার্যকর?এইটা কি ইসলাম ধর্মের দূর্বলতাকে প্রমান করে না?

    ফুটবলে ইতালি ২০১৮ বিশ্বকাপে দর্শক


    ফুটবল প্রেমীদের আশা ভঙ্গ

    ইতালী ফুটবলে ইতিহাসে একটি সফলতম দল দ্বিতীয় সর্বোচ্ছ চার,টি বিশ্বকাপ জয়ী দল ১৯৩৮, ১৯৮২, ২০০৬ সালে।তাদের উপরে মাত্র একটি দল ফাইভ ষ্টার বহন করে তারা ফুটবল ইতিহাসে সফলতম দল ব্রাজিল ১৯৯৪ এর বিশ্বকাপে ট্রাইব্রেকারে যদি ব্রাজিলের কাছে না হারতো তাহলে ইতালি থাকতো পাঁচ,টি ব্রাজিলের চার,টি বিশ্বকাপ ট্রফি।

    ‘ধর্মের মার-পেঁচে মানব ধ্বংসের রুপরেখা এবং অশান্তির অন্যতম বীজ বুনে রাখা হয়েছে,।


    জীবন শুধু একটাই আর সুযোগ আসবেনা দ্বীতৃয় কোনো। এটা স্বাভাবিক, মানুষ পৃথিবীতে এইভাবে জীবন ধারন করে এসেছে।তাই জীবনকে এমন রং দিয়ে রাঙ্গাবে যেন কোনো অতৃপ্তি তোমার মনকে গ্রাস না করে।পৃথিবী খুবই সুন্দর, তার চেয়ে সুন্দর বেঁচে থাকার অপুরান চেষ্টা। মানুষ সাধ্যেকে ছাড়িয়ে জয় করতে চাই আসাধ্যকে, আর তাতে কোন অন্যায় নেই।কিন্তু বিপত্তি তখনিই যখন সে নিজেকে স্বাধীনভাবে মেলে ধরার পয়াস চলাই,তখন তাকে আষ্টেপৃষঠ বেঁধে ফলার এক অফার চেষ্টা করে ধর্মীয় হীন মন-মানুষিকতার লোকেরা।

    বাংলাদেশের মালাউনদের হয়ে কিছু মূল্যহীন কথা।


    আমার বাংলাদেশের কিছু কিছু মুসলিম ভাইদের ধর্মানুভুতি দেখে আমার একটা কথা বার বার জানতে ইচ্ছে করছে। তা হলো, আপনাদের ধর্মানুভুতি কি নুনুর মাথায় থাকে? যে একটু নারাচারা পরলেই ওটা মাথায় চাড়া দিয়ে জেগে উঠবে! অবশ্য তা হতেও পারে, কেননা নুনুর মাথাটা তো জন্মের পর কেটে ফেলা হয়। যার কারনে চরম স্পর্স কাতর যায়গাটা ঢাকনা ছাড়া হয়ে পরে। কিন্তু সব মুসলিমের কেন হয় না? নাকি তাদের নুনুতে কোন অনুভুতিই নাই।
    আসল কথা হচ্ছে যারা ইসলামিক অনুভুতি নিয়ে এতটা মাতামাতি করছে, তারা তাদের এই ইসলামিক অনুভুতিটা মনেহয় সর্বদা নুনুর মাথাতেই বহন করে থাকে।

    মুসলিমের হিন্দুয়ানী নাম ব্যবহারঃ নাসিরনগরের ধারাবাহিকতায় ঠাকুরপাড়ায় সাম্প্রদায়িক হামলা


    রংপুরের টিটু রায় যে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে কোন পোস্ট দেয়নি, সেটা আপাতত নিশ্চিত হওয়া গেছে। ১২ নভেম্বর ২০১৭, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী মাওলানা হামিদী নামক একজন মুসলিম ঐ পোস্ট করেছিলেন!
    আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মুসলমানকে কোন নও মুসলিমের নাম ব্যবহার করার অনুমতি ইসলাম দেয় কিনা? সেটা যদি হয় অপরাধমূলক কাজ, ইসলাম অবমাননার কাজ? মানে মাওলানা হামিদী কিংবা নাসিরনগরের জাহাঙ্গীর আলম, টিটু রায় কিংবা রসরাজ দাসের নাম ব্যবহার করে যে আকাম করেছে, ইসলাম কি সেটাকে অনুমোদন দেয়? আমার জানা মতে দেয় না!

    বিশ্বাসের ভাইরাস - পর্ব তিন! নারী বলেই কি মেয়েরা অবহেলিত?


    ফুটন্ত গোলাপের মত একটি শিশুর আগমন ঘটে এই পৃথিবীতে। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে শিশুটির শারীরিক গঠন। পৃথিবীর সব ধরনের জীব জন্তু পশুপাখি একই নিয়মে বেড়ে ওঠে। মানুষও এটার বিপরীত নয়। বিবর্তনের কারণে আজকে মানুষের এই জায়গায় উপস্থিতি। মানুষের বিবর্তন হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে, আর এখনও হচ্ছে।

    যয়নব, মুহাম্মদ ও আল্লাহর নৈতিকতা ২:


    উপসাগর অঞ্চলে অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে নারী ও পুরুষের মধ্যে স্বাভাবিক মেলামেশা একরকম নিয়ম করে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে কিছু সংখ্যক মুসলমান পুরুষ বন্য পশুর মত আচরণ করে। যেমন ধরুন সৌদী আরবে একজন পুরুষ নারীর পা দেখে যৌন উত্তেজনা বোধ করতে পারে। অস্ট্রেলীয় ইমাম তাজ আল-হিলালী সারা শরীর কাপড় দিয়ে না ঢাকা নারীদেরকে আবরণহীন মাংস বলেছে ! তবে এটা কল্পনা করা কষ্টকর যে পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন পুরুষ যার বহুসংখ্যক স্ত্রী এবং যৌনদাসী, সে স্বল্প-বসনা পুত্রবধূকে দেখে যৌন দানব হয়ে যাবে !

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর