নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • নগরবালক
    • কাঙালী ফকির চাষী
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী

    নতুন যাত্রী

    • নীল মুহাম্মদ জা...
    • ইতাম পরদেশী
    • মুহম্মদ ইকরামুল হক
    • রাজন আলী
    • প্রশান্ত ভৌমিক
    • শঙ্খচূড় ইমাম
    • ডার্ক টু লাইট
    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • হিমু মিয়া
    • এস এম শাওন

    ছাত্রলীগের ২৯ তম জাতীয় সম্মেলন সফল হোক


    এবারের ছাত্রলীগের সম্মেলনে নেতৃত্ব বাছাই প্রক্রিয়াকে একটা আপদকালীন ব্যবস্থা বলা যেতে পারে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া চলমান রাখা মোটেই সুখকর বা কল্যাণকর কোন বিষয় নয়। এই আপদকালীন ব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেয়ে আগের মতো ব্যালটে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হলে ছাত্রলীগে ফিল্টারিং জরুরি। যেই আসবে সেই ছাত্রলীগ হয়ে যাবে, এই ধারনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। গাছে বা পিলারে ঝুলে থাকা নেতা আর চামচাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে। বিতর্কিত নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেটা সংগঠনের গায়ে না জড়িয়ে সেই ঘটনা এড়িয়ে না গিয়ে অভিযুক্তকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হবে। যদি তদন্তে তাঁর দোষ পাওয়া যায় তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে গিয়ে নয়, তাদের যৌক্তিক দাবির পক্ষে থাকতে হবে। সরকার বা আওয়ামীলীগকে রক্ষা নয়, নিজ সংগঠন রক্ষায় মনোনিবেশ করতে হবে। তা না হলে ছাত্রলীগ আরও খারাপ পরিণতি বরণ করবে। এক সময়ের পরাক্রমশালী ছাত্রদল – শিবিরের বর্তমান অবস্থা দেখেও যদি ছাত্রলীগ কোন শিক্ষা না নেয়, সেটা হবে তাদের রাজনৈতিক মৃত্যু।
    ছাত্রলীগের হারানো গৌরব আবার ফিরে আসুক, ছাত্রলীগ আতংক নয় আস্থার নাম হয়ে উঠুক।

    অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলা হবে না সাকিব-তামিম-মুশফিকদের?


    আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দুই টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলার সূচি নির্ধারিত হয়েছিল আইসিসির পক্ষ থেকেই। কিন্তু আর্থিকভাবে লাভজনক না হওয়ার কারণে সিরিজটি বাতিল করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এতে স্বাভাবিকভাবেই বিসিবির ক্ষোভের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আক্ষেপ বোধ হয় ওপেনার তামিম ইকবাল, উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসানেরই। বাংলাদেশের এই তিন নির্ভরশীল তারকা অস্ট্রেলিয়ায় এখনো কোনো টেস্ট সিরিজ খেলতে পারেননি। এই সিরিজ বাতিলের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ না খেলার আক্ষেপ নিয়েই হয়তো ক্যারিয়ার শেষ করতে হবে প্রথম সারির এই তিনজনকে।

    হুজুর একটা প্রশ্ন ছিল (০১)


    - হুজুর, একটা সিরিয়াস প্রশ্ন আছে। জবাবটা দিলে আমার বহুত ফায়দা হইত।

    - মাশা’আল্লাহ! বলো বলো। আমি জবাব দিচ্ছি।

    - হুজুর, আমরা মুসলমানরা আল্লাহর সবচাইতে প্রিয় বান্দা- কথাটা কি ঠিক?

    - ঠিক মানে? মহাঠিক।

    - কিন্তু আমার তা বিশ্বাস হয় না। মনে হয় কথাটা মিথ্যা।

    - নাউজুবিল্লাহ। শোনো বাবা, এর চাইতে বড় সত্য আসমান-জমিনে নাই। অন্য সমস্ত জাতি নরকে যাবে, আমরাই আল্লাহর খাস বান্দা, মরণের সাথে সাথে জান্নাতে দাখিল। জান্নাতের অগণিত রহমত-নেয়ামত সব আল্লাহ কাদের জন্য সাজায়ে রাখছেন? আমাদেরই জন্য। সবাই বলো সুবহানাল্লাহ।

    এই মীরজাফরের দেশে কেউ মুক্তিযোদ্ধা হয়ো না


    আলোচনার শুরুতেই একটি কথা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই: এই দেশের রাজাকার ও তাদের বংশধররা সবসময় কৌশলী, অপকৌশলী ও শিয়ালের মতো শঠতার আশ্রয়গ্রহণকারী। এই দেশের রাজাকারদের মতো এমন জঘন্য প্রাণি ও ধূর্তশয়তান পৃথিবীর আর কোথাও নাই।

    উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে উঠুক বাংলাদেশ...


    দেশ জলাবদ্ধতায় ভরে গেছে। আপনি সরকারকে একটা গালি দিয়ে "উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে বাংলাদেশ" এই বলে একটা উপহাসমূলক স্ট্যাটাস দিয়ে দিলেন।বেস,এখন আপনার কাজ শেষ।

    মাতৃত্ব বিবাহিত নারীর গৌরব হলে অবিবাহিত নারীর কলঙ্ক কেন?


    অবিবাহিত নারীর যৌনতা পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে নিষিদ্ধ। পশ্চিমা সমাজে এটি সম্ভব হলেও পূর্বাঞ্চলে অবিবাহিত নারীর যৌনতা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। এখানে কেনো বিবাহিত নারীর বিয়েবহির্ভূত যৌনতা আইনত অপরাধ হলেও সমাজ তা সহ্য করে নেয়, কিন্তু অবিবাহিত নারীর যৌনতা আরো ভয়ানক অপরাধ বলে গণ্য হয়। যৌনতা চাইলে নারীকে বিয়ে করতেই হবে। বিয়েতে নারী পায় যৌনতার বৈধতা। কিন্তু যৌনতার ক্ষেত্রে কেন বৈধ-অবৈধের প্রশ্ন আসবে? যৌনতা একটি জৈবিক চাহিদা। সমস্ত প্রাণীর যেমন ক্ষুধা পায়, তেমনি যৌনতাও পায়।

    নজরুলের গ্রন্থ চুরি....


    ছোট বেলায় যখন স্কুলে পড়তাম তখন আমার অনেক বন্ধুকে প্রায়শই বলতে শুনতাম রবীন্দ্রনাথ নাকি নজরুলের গ্রন্থ চুরি করে নোবেল পেয়েছিল,তখন বিষয়টাকে নিয়ে এত ভাবতাম না।কিন্তু আজকালও যখন এ নিয়ে বিষবাক্য শুনি তখন না ভেবে আর উপায় কি।তাই আজকের এই ছোট প্রয়াশ-
    বিষয়টা খুবই হাস্যকর মনে হবে যখন আপনি নীচের বিষয়গুলো জানতে পারবেন-

    রবীন্দ্রনাথ -(জন্মসাল-১৮৬১/মৃত্যুসাল-১৯৪১)
    কাজী নজরুল-(জন্মসাল-১৮৯৯/মৃত্যুসাল-১৯৭৬)
    গীতাঞ্জলী রচনাকাল-১৯১০ সাল
    ★(সূত্র-উইকিডিপিয়া)

    কোরআন জানুন (পর্ব-৭)


    ওমোরের লাথির আঘাতে দরজা ভেঙ্গে ফাতেমা পেটে আঘাত পেয়ে পড়ে যায়। এতে করে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ফাতিমা পেটের যন্ত্রনায় অস্থির হয়ে যায়। শুরু হয়ে যায় রক্তপাত। তিনদিন পরে ফাতিমার গর্ভপাত হয়ে যায়। সেখানে অপরিণত অবস্থায় এক মৃত পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। দাফনের পূর্বে সে সন্তানের নাম রাখা হয় মহসিন। ওমোরের লাথির আঘাতে সেই যে রক্তপাত শুরু হল, এই রক্তপাত শেষ পর্যন্ত ফাতিমাকে মৃত্যু পর্যন্ত পৌঁছে দিল। মোহাম্মদ মারা যাওয়ার ৭৬ দিন
    (কুড়ি)
    পরে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে, সকলের বড় ৮ বছরের সন্তান হাসানসহ, হোসেন, যয়নব ও রোকেয়াকে শিশু অবস্থায় চির এতিম করে দিয়ে, ফাতিমা মৃত্যুবরণ করেন।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর