নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ইকারাস
    • আমি অথবা অন্য কেউ
    • দুরের পাখি
    • দীপঙ্কর বেরা
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • ফারুক
    • রাফিন জয়
    • রাহাত মুস্তাফিজ
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • রবিঊল
    • কৌতুহলি
    • সামীর এস
    • আতিক ইভ
    • সোহাগ
    • রাতুল শাহ
    • অর্ধ
    • বেলায়েত হোসাইন
    • অজন্তা দেব রায়
    • তানভীর রহমান

    পাকিস্তানীরা ৭১-এ কেমন লড়েছিল?


    মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ কিংবা এমন সংখ্যক বাঙ্গালী হতাহতের হিসেবের বাইরে। সম্ভবত ২২০০০ মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ২-৩ লাখ। ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং সেনা সদস্যরাও ডিসেম্বরের আগে থেকেই মুক্তিবাহিনীর অনেক অপারেশনে সাহায্য করেছে, অংশ নিয়েছে, ফায়ার সাপোর্ট এবং নির্দেশনা দিয়েছে। ডিসেম্বরে আরতীয় বাহিনীর প্রায় তিনটি কোরের ৮ ডিভিশন সেনা বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর সহায়তায় অভিযান শুরু করে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর। শক্তিশালী নৌবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ছিল নেভাল ব্লকেড। বিমান বাহিনীর একমাত্র জঙ্গী বিমানের বহর ১৪ নং স্কোয়াড্রন এফ-৮৬ স্যাবর জেট অপারেট করতো কেবলমাত্র ঢাকা থেকে। ইন্ডিয়ানদের ছিল চতুর্দিকে প্রায় ৫ টি মেইন এয়ারবেস এবং ১০ টির বেশি জঙ্গী বিমানের স্কোয়াড্রন।

    এত বিশাল ভূখন্ড দখলে রাখতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল অন্তত ১০ ডিভিশন সেনা, শক্তিশালী নো এবং বিমান বাহিনীর উপস্থিতি, সাথে প্যারামিলিটারী বাহিনীর সদস্যদের। জনগনের কমপক্ষে ৯০ শতাংশের প্রত্যক্ষ কিংবা নীরব সমর্থন ছিল স্বাধীনতার পক্ষে। এত বিশাল জনগোষ্ঠীকে অস্ত্রের মুখে দমিয়ে রাখতেও দরকার ছিল বিপুল সংখ্যক সেনার।

    অন্ধ গুরুবিশ্বাস ও জাত্যাভিমান হিন্দুদের অনৈক্যের কারণ!


    হিন্দুদের অনৈক্যের অন্যতম প্রথম কারণ হল এদেশে হিন্দুদের ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য গুরু!

    মুহাম্মদের কোন দোষ নাই, সে ডাকাতও নয়।


    কোরান হাদিস সিরাত ঘাটলে দেখা যাবে , ইসলাম অমুসলিমদেরকে প্রচন্ড ঘৃনা করতে , তাদেরকে নিকৃষ্ট জীব মনে করতে শেখায়। আর সেই কারনেই দুনিয়ার প্রতিটা মসজিদে জুম্মার নামাজের পর অমুসলিমদের ধ্বংস কামনা করে ও অভিশাপ দিয়ে খুতবা দেয়া হয়। এ ধরনের নিকৃষ্ট প্রানীদের ধন সম্পদ জোর করে কেড়ে নেয়ার জন্যে কোরান হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশ বিদ্যমান আর সেটাই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদকে বলেছে , সে নির্দেশ পালন করতে গিয়েই মুহাম্মদ হয়ে গেছে দুনিয়ার শ্রেষ্ট ডাকাত।

    দুইটি নৈতিক বানীঃ ১. অহিংসা পরম ধর্ম ও ২.জীব হত্যা মহাপাপ


    ১) অহিংসা পরম ধর্ম। ২) জীব হত্যা মহাপাপ।
    __বুদ্ধ

    ১.১ মানুষ হলো এক কোষী প্রানী/জীব এরই বিবর্তিত কিংবা ক্রমবিকশিত রুপ।

    ১.২ অতএব, এক কোষী জীবও ক্রম সংকোচিত একজন বুদ্ধ মানব।

    ১.৩ জগতের প্রতিটি সত্তা জড়-অজড় কিংবা জীব-অজীব প্রত্যকই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক আন্ত:জালিক বন্ধনে আবদ্ধ। প্রতিটি সত্তাই(জড়, জড়-কনা, জীব, অনুজীব) একে একটি পয়েন্ট।একে বলা যেতে পারে জগতের নেটওয়ার্ক যা জগৎরূপ সুবিশাল মহা কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত।

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-২


    কেউ এখন দর্শন নিয়ে পড়ালেখা করতে চায়না। সবাই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা পেশাদার বিজনেজম্যান হওয়ার শিক্ষা অর্জন করতে চায়। সমাজ সেবা নয়, সবার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য টাকা উপার্জনের জন্যে পড়া-লেখা করা। আরেক শ্রেনীর উদ্দেশ্য ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করা। মনে হয় ধর্ম নিয়ে খুব কম পড়াশোনা করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
    পড়ালেখার মধ্যে ঢুকে গেছে কমার্শিয়াল চিন্তা। জ্ঞানার্জন নয়, যে বিষয়ে পড়াশোনা করলে চাকুরির বাজার ভালো সে বিষয়ের প্রতি ঝুকে পড়ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকগন।

    অথচ জ্ঞানের প্রতি যার অনুরাগ তার দর্শন পড়ার কথা। দর্শন অন্যের মতের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।

    আর্যরা বহিরাগত নয়.... আর্য এবং দ্রাবির বরং একক জনগোষ্ঠী (দেবযানী ঘোষ)


    আর্যরা বহিরাগত আক্রমণকারী- একটি ভুল ইউরোপীয় তত্ত্ব
    ⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛⚛
    অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই তত্ত্বের উদ্ভব হয়। এই তত্ত্ব অনুযায়ী আর্য হলো ককেসিয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা গৌরবর্ণ, উন্নত নাক, নীল চোখের মানুষ যারা খ্রী:পূ: 1500 শতকে ভারত আক্রমণ করে। এরা ঘোড়ার ব্যবহার জানতো। ঘোড়ায় টানা রথ এদের প্রধান যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল। এরা লোহার ব্যবহার জানতো। এরা এদের সঙ্গে বেদ নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। সংস্কৃত এদের ভাষা ছিল।

    ইসলামের ইতিহাস বদলে যাওয়া সেই হামলাটি


    মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। এই দেশ মূলত ইহুদীদের হাতে গড়া। তাদের প্রতিবেশী আরব যারা ধর্মে পৌত্তলিক তাদের দেশ ছিল আসলে ইয়ামানে। ইয়ামানের ইতিহাসে ভয়াবহ বন্যায় যে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল তাতে তারা শরণার্থী হয়ে আশেপাশের দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। মদিনায় ইহুদিদের প্রতিবেশীরা তাদেরই বংশধর। তাদেরকেই ইসলামের ইতিহাসে ‘আনসার’ বলা হয় যার অর্থ সাহায্যকারী অর্থ্যাৎ তারা নবী মুহাম্মদকে সাহায্য করেছিল। অন্যদিকে ইহুদিরা গোটা আরব ভূখন্ডে এসে জড়ো হয়েছিল মূলত তাওরাতে ঈশ্বরকৃত তাদের দানকৃত দেশে বসবাস করতে

    সিরিয়াস ট্রিটিজ অন ফেমিনিজম-১ , আদিপর্ব


    দীর্ঘ ক্লান্তিকর কোন এক বিমানযাত্রায় সাথে নিয়েছিলাম রাহুল সাংকৃত্যায়ন এর ভোলগা থেকে গঙ্গা বইটি । পূর্ব এশিয়ার কোন এক বিমানবন্দরে লেওভারের একঘেয়ে সময়ে পড়তে শুরু করি । কিছুদূর পড়ার পর আর আগাইতে পারলাম না । গল্প শুরু কোন একটা মাতৃতান্ত্রিক গোত্রের শিকার কাহিনী দিয়ে । মাতৃতান্ত্রিক গোত্র জিনিসটা এমন উদ্ভট কিছু না । উদ্ভট ছিলো সেই গোত্রে চলমান অজাচার বর্ণনার কাহিনী । রাহুল এমনভাবে সেই গোত্রের জীবনাচরণ ও মেইটিং সিস্টেম এর বর্ণনা দিচ্ছেন যে কিছুদূর পড়ার পর ভিতর থেকে বৈজ্ঞানিক মন বলে উঠলো , ইহা একটি ধোঁয়া উঠা গোবরস্তুপ ছাড়া আর কিছুই নহে হে ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর