নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • জংশন
    • বেহুলার ভেলা
    • রুদ্র মাহমুদ
    • রিক্ত রিপন
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • সাইয়িদ রফিকুল হক

    নতুন যাত্রী

    • মাইনুদ্দীন স্বাধীন
    • বিপু পাল
    • মৌন
    • ইকবাল কবির
    • সানসাইন ১৯৭১
    • রসরাজ
    • বসন্ত পলাশ
    • মারুফ মোহাম্মদ বদরুল
    • রাজীব গান্ধী
    • রুবেল মজুমদার

    যে কবিতা ধর্মের অনুভুতিতে আঘাত করে



    প্রায় শুনে থাকি মৌলবাদীদের নাকি কোন ধর্ম থাকে না। ব্যাপারটি আসলে ভুল। মৌলবাদীদের অবশ্যই ধর্ম থাকে। সেটা হয় মুসলমান, হিন্দু বা খ্রিষ্টান নয়তো অন্য কোন ধর্ম। বরং বলা উচিৎ ধর্ম ভেদে মৌলবাদীদের আচরণের কোন পার্থক্য নেই। আমারা সারা বিশ্বে মুসলিম মৌলবাদীদের কর্মকাণ্ড দেখতে দেখতে ক্লান্ত। সেই ক্লান্তির মাঝে প্রায় হিন্দু মৌলবাদীদের কর্মকাণ্ড আমাদের আরো ক্লান্ত করে তোলে। বর্ণবাদ, সস্তা ধর্মীয় অনুভূতি, নারী নির্যাতনের মত কর্মকাণ্ড ও আচরণগুলো এখনও হিন্দু সমাজে বেশ ভাল ভাবে চর্চা হচ্ছে।

    বাঙালির জাতীয়তাবাদী ধারার বিবর্তন (প্রথম পর্ব)


    মুক্তিযুদ্ধ আমাদেরকে কতটা মুক্তি দিয়েছে বা স্বাধীনতা আমাদেরকে কতখানি স্বাধীন করেছে - এই প্রশ্ন উত্থাপন এবং তার উত্তর অনুসন্ধান আজ খুব জরুরি হয়ে উঠেছে।সেইসাথে আরেকটা প্রাসঙ্গিক প্রশ্নও চলে আসে। মুক্তি বা স্বাধীনতা বলতে আমরা কী বুঝেছিলাম তখন?এই দুই প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করতে নেমে আরো অনেক প্রশ্নের ভিড়ে হারিয়ে গেছি বারবার যদিও একটা দিশা ঠিক করে নিয়েছিলাম শুরুতেই। ইতিহাসে একদা বাঙালির স্বদেশের নাম ডাকা হতো বাংলা দেশ। তারপর একসময় ছিল পূর্ব বঙ্গ,অতপর পূর্ব পাকিস্তান, তৎপর পূর্ব বাংলা। এই অঞ্চলের নামকরণ পূর্ব বাংলা যখন করা হয় তখনও কিন্তু রাষ্ট্রটার নাম ছিলো পাকিস্তান। সেই পাকিস্তান রাষ্ট্রটাক

    কবির কলমের খোঁচায় মড়ক লেগে ধ্বংস হোক সকল সাম্প্রদায়িক-নরপশু


    এই দেশে এখন প্রায় সবাই জ্ঞানী। এদের কথা শুনলে মনে হয়—এরা কত যেন জানে! আর এরা এমন সব আজগুবি-কথা বলে যে তা শুনলে মনে হবে—এরা কোনো বিজ্ঞানী! আসলে, এইসব অপদার্থের কথার কোনো মাথামুণ্ডু নাই। এরা এমনই গোমূর্খ! কিন্তু ভাব দেখাবে সবজান্তার। অনেকে আবার ‘ইউটিউব’ দেখে-দেখে জ্ঞানী! এখানে, সস্তা কতকগুলো বাঁদরের কথাবার্তা কিংবা সস্তা-লোকের সস্তা-ওয়াজ-নসিহত শুনে এরা এখন সবজান্তা। কিন্তু এই পাষণ্ডগুলো জীবনে একটিবারের জন্যও একটি ভালো-বই কিনবেও না, আর তা পড়বেও না। এদের প্রধান খাদ্য ও আকর্ষণের বিষয় হলো—এদেশীয় কিংবা বিদেশী সস্তা-টিভি-চ্যানেলগুলো। এরা এসবকেই তাদের জীবনের সবকিছু জানার একমাত্র হাতিয়ার, মাধ্যম বা উপকরণ মনে করে থাকে। এগুলো দেখে নানারকম মূর্খের সস্তা-কথাবার্তা শুনে এরা দিন-দিন আরও বেশি মূর্খ হচ্ছে। আরও বেশি জাহেল কিংবা অজ্ঞ হচ্ছে। আর তারা এখানকার জাহেলদের ওয়াজ-নসিহত শুনে কথায়-কথায় মানুষকে বলছে—কাফের, নাস্তিক, মুরতাদ! তবুও এরা মানুষ হওয়ার জন্য জ্ঞানের আধার বইপুস্তক পড়বে না। তবুও এরা কবিতা পড়বে না, গল্প পড়বে না, প্রবন্ধ পড়বে না, আর ভ্রমণকাহিনী পড়বে না। এরা এমনই এক অধম আর নরপশু।

    অন সেন্সরশিপ / সালমান রুশদি


    খুব কম লেখকই সেন্সরশিপ নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী। লেখকরা সৃষ্টি নিয়ে কথা বলতে চান। সেন্সরশিপ সৃষ্টি বিরোধী। নেতিবাচক শক্তি, অসৃষ্টি, অসৃষ্টকে সৃষ্টি করা । Sir Tom Stoppard এর ভাষায় মৃত্যুর উপমাকে ব্যবহার করা যায় - 'বর্তমানের অনুপস্থিতি'। সেন্সরশিপ হল যা আপনি করতে চান তা করা হতে আপনাকে বিরত রাখা । লেখকরা তারা যা করে তা নিয়ে কথা বলতে চায়, কিন্তু সে বিষয়টা নিয়ে নয় যা তাদেরকে তারা যা চায় তা করা হতে বিরত রাখে। লেখকরা নিজেরা কে কত পেল এ বিষয়ে কথা বলতে চায়, অন্য লেখকদের নিয়ে তারা গল্প করতে পছন্দ করে, তারা কত পেল, সমালোচক ও প্রকাশকদের নিয়ে অভিযোগ তুলে এবং রাজনীতিবিদদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    কেন মুহাম্মদ আব্রাহামিক ধারায় কোনভাবেই নবী হতে পারে না


    মুসা নবি যখন মিশর থেকে তার গোত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে সিনাই উপত্যকায় বেদুইনদের মত ভ্রমন করছিল , তখন তার ঈশ্বর তাকে ১০টা নির্দেশ দেয়, যা পরবর্তীতে সকল নবী অনুসরন করবে ও সেসব সমাজে বাস্তবায়ন করবে। মুহাম্মদ যদি ইব্রাহীম , মুসা , ইসা ইত্যাদির ধারায় শেষ নবী হয় , তাহলে তার ওপরেও উক্ত বিধান অনুসরন করা ও তার বাস্তবায়ন করা বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। প্রথমেই সেই বিধান গুলো জানা যাক (সূত্র- যাত্রাপুস্তক, অধ্যায় -২০, বাক্য :০১- ১৭), যা সংক্ষিপ্ত আকারে নিম্নরূপ: ---------

    বাংলাদেশে কোণঠাসা-জঙ্গিরা নিরাপদ-আশ্রয়ের সন্ধানে ভারতে পালাচ্ছে। এতে ভারতে ব্যাপক তোলপাড়!


    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের জঙ্গিদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাবাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছে। আর ভিতরে-ভিতরে চলছে সাঁড়াশি অভিযান। এতে দেশের চিহ্নিত-জঙ্গিগুলো দিশেহারা ও কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। আর এরা নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার প্রয়োজনে সাময়িকভাবে গা-ঢাকা দিচ্ছে কিংবা নিজেদের শয়তানীশক্তিবৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবেশীদেশ ভারতে আশ্রয়গ্রহণ করছে। আর এব্যাপারে তারা ব্যবহার করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ আসাম-ত্রিপুরার বিভিন্ন করিডোর।

    রম্য লেখক মার্ক টোয়েনের কয়েকটি উক্তি, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


    প্রারম্ভিকা :
    রাষ্ট্র নামক নামক সীমাবদ্ধ ধারণার বাইরে বিশ্বসাহিত্যের যে কয়জন শক্তিধর রচনাকার সারা পৃথিবী নিজের আলোয় আলোকিত করতে পেরেছিলেন মার্ক টোয়েন সেই অনেকের মধ্যে একজন। তাঁর তূলনা তিনি নিজেই।

    নিধার্মিকের কোরআন পাঠ!-৯


    সূরা আল-যুমার:71 - কাফেরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। তারা যখন সেখানে পৌছাবে, তখন তার দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বর আসেনি, যারা তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করত এবং সতর্ক করত এ দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে? তারা বলবে, হঁ্যা, কিন্তু কাফেরদের প্রতি শাস্তির হুকুমই বাস্তবায়িত হয়েছে।

    # এতো ভয়দেখানোর পরও কেন দিনদিন এক্সমুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে?

    নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিদিন


    বিন্দু থেকেই সিন্ধু। কথাটি পাঠ্যবয়ের পাতায় যখন আমরা প্রথম পড়ি, তখন ঠিক কতখানি বুঝতে পারি তা ঠাওর করতে পারি যখন বাস্তব জীবনে এমন উদাহরণের সামনে পড়েছি বুঝতে শেখার পর থেকে। এমন অনেক উদাহরণের মাঝে আমি আপনার সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করছি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে। নাটক, সিনেমা দেখে অশ্রু ঝড়াননি এমন লোক খুব কম আছে এই পৃথিবীতে। যুদ্ধবিগ্রহ, সামাজিক অসংগতি, প্রেম ঘটিত ও মনস্তাত্ত্বিক এমন সব রচনা এমন কি এর নির্দেশক এবং অভিনয় শিল্পীদের সুনিপুণ কর্ম শৈলী নাটক কিংবা সিনেমাকে যেন জীবন্ত করে তোলে।

    বাংলাদেশের বিজয় এবং বেপরোয়া হাতুরে


    ছোটবেলার কথা মনে পরলে টেস্টের প্রথম দিনে খুব মনযোগ দিয়ে দেখতাম যে আজকে কিছু একটা ভালো হবেই। মাঝে মাঝেই বাংলাদেশ অনেক সুন্দর শুরু করতো। বিশেষত শাহাদাত হোসেন আর তাপস বৈশ্যদের কথা মনে পরে। এত কষ্ট করে সুন্দর একটা শুরুর পরে সবাই আবার খেই হারিয়ে চলে যেত বাজে টেস্ট খেলার উদাহরণ সৃষ্টি করতে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর