নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • মারুফুর রহমান খান

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    আমার জীবনের ৫-টি অকথিত ঘটনা!



    নানাবিধ বিষয়ে সারাক্ষণ চিন্তা করি আমি। সম্ভবত নিজের বোধের চেয়ে বেশি চিন্তা আমায় আচ্ছন্ন রাখে। মনে হয় এতো চিন্তা না করলেও পারতাম। মাঝে মাঝে নিজেকে হাস্যকর প্যাডান গড মনে হয় আমার। আমার জীবনে ঘটে যাওয়া ৫-টি ঘটনা ভাবলে সত্যিই নিজেকে ঐসব প্যাগান গডের সমপর্যায়ে ভাবি আমি।
    :
    ঘটনা : ১
    ======

    বাঙালি মুসলমানের চাপাবাজি, উদ্বাস্তু ও বাংলা ভাগের গোঁজামিল


    দুই বাংলার বাঙালি মুসলমান বাংলাভাগের প্রধান কারন হিসাবে এপার বাংলার বর্ণহিন্দুদের সেদিনের অবিভক্ত বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের সাথে ক্ষমতা ভাগ করে নিতে অস্বীকার করাকেই দায়ী করে। দ্বিজাতিতত্ত্বের ভুয়া থিওরির উপরে ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়েছে আজকের স্বাধীন ভারতবর্ষ ভূখণ্ড । এই ভুল বিক্রিয়ার ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে উদ্বাস্তু নামে চিররুগ্ন বহু সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে !

    একজন একরামের জন্য এখন আপনাদের এতো দরদ!



    নিহত একরামের বিরুদ্ধে নাকি মাদকপাচারের গুরুতর অভিযোগ ছিল। এগুলো আমরা কখনও দেখিনি, আমরা শুধু কিছু-কিছু ব্যবসায়ী দৈনিক পত্রিকা আর প্রাইভেট টিভিচ্যানেলের সংবাদ দেখে জেনেছি। এখন দেখছি, যারা একরামকে একদিন ‘ইয়াবাসম্রাট’ বা ‘গডফাদার’ বলেছে—তারাই এখন একরামকে ভালোমানুষ বলছে! আর তারাই এখন একরামের জন্য ভিডিও-ক্লিপ প্রকাশ করেছে!

    ধর্মের দোহাই দিয়ে মানবতা কে আর কতকাল অস্বীকার করবেন?


    আমাদের দেশটি হলো বৈচিত্র্যতায় ভরা, অসম্ভব কৌতুকে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এদেশে সবাই ধর্মভীরু, ধর্মের হানি হলে ঘরে ঘরে জিহাদী তৈরি হয়, ধর্মের কোনো বিধান নিয়ে যৌক্তিক কোনো বিশ্লেষন করলে বলে তুই ব্যাটা নাস্তিক, তোর ঈমান নাই। আমার না হয় ঈমান নাই, কিন্তু যারা ধর্মের পক্ষে দাঁড়ি আমাকে নাস্তিক বলে ট্যাগ দেয় তাদের ঈমানের পরীক্ষা যদি তখন নিতে যাই, বলে তোর মত নাস্তিকের কাছে আমার ঈমানের পরীক্ষা দিবো না। হাস্যকর বিষয়টি হলো, অনলাইন ভিত্তিক ধর্মী অবমাননার যে আইনটি আছে, আরেকটু পরিষ্কার করে বলতে গেলে, ধর্মী অনুভূতিতে আঘাতের যে বিধানটি আছে, সেটিকে ব্যবহার করে যতগুলো মামলা হয়েছে, যারা ওইসব মামলার বাদী, তাদের ধর্মচর্চার ফিরিস্তি তুলে ধরতে গেলে ধর্মও লজ্জা পাবে। সত্য তো এটাই, যারা ধর্মকে লালন-পালন করে, ধর্মকে নিত্যদিন তারাই ধর্ষন করে।

    কার নির্দেশে চলছে বন্দুকযুদ্ধ, এত লাশের দায় কার?



    মানুষ খুব ভালোভাবেই জানে যে, ক্ষমতাধরদের উদ্যোগে বা তাদের কারো কারো আশ্রয় প্রশ্রয়ে মাদকের ব্যবসা হয়। আর পুলিশ নিয়মিত বখরা আদায় করে এবং এদের নিরাপত্তা দেয়। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সেই পাশা উল্টে গেল! মাদকের জগতের রাঘব বোয়ালরা যদিও ধরাছোঁয়ার বাইরে, তবে প্রতিদিনই লাশ হচ্ছেন ছোটখাটো ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী বা মাদকসেবীরা, চলছে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযান।

    একজন ইয়াবা সেবনকারী ভয়ংকর হয়ে উঠার সাতটি ধাপ



    গবেষক আর চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে একটা ইয়াবা সেবন কারীর সাতটা ধাপ আছে৷

    প্রথম ধাপ- প্রথম ধাপে সিগারেটের মতই বন্ধুর আড্ডা, পার্টি, বিভিন্ন হৈ হুল্লোরে বা মানসিক চাপ হতে ধোঁয়া টানতে ইচ্ছে করে এবং সঙ্গ দোষে তাই করে৷ সেবন করে মনে হয় বেশ প্রশান্তির অনুভূতি৷ তখন তারা যাই করে ভালো লাগে, ক্ষুধা নেই ক্লান্তি নেই৷ মনে হতে থাকে ব্রেন সার্ফ৷ আর বেড়ে যায় হৃদ কম্পন, মেটাবলিজম সহ ব্লাড প্রেসার৷

    সরকার যদি থাইল্যান্ডকে সত্যই অনুসরণ করে তবে বদির পরিবার হত ইতিহাস৷ একরামুলের জন্য মায়া কান্না নয়, করুণা হয়


    ভয়াবহ আকার ধারণ করছে ইয়াবা৷ থাইল্যান্ডে দিনে দুপুরে মানুষ হত্যা সব রকমের অপরাধ করত ইয়াবা সেবনকারীরা৷ এটা যখন মহামারি আকার ধারণ করলো তখন থাইল্যান্ড সরকার উপায় না দেখে ৩০০০ জনকে গুলি করে মেরেছে এবং পরে তা পুরোপুরি শিথিল করতে সক্ষম হয়েছে৷

    বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার নীতিমালা


    শুরু করিতেছি আমি আমাকে স্মরণ করে।

    ১.ব্যক্তি মালিকানাধীন কোন সম্পদ থাকতে পারবে না। সমস্ত সম্পত্তি হতে হবে রাষ্ট্রের। আর রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্রের সমস্ত সম্পদে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

    ২.রাষ্ট্রে মালিক শ্রমিকের ভেদাভেদ থাকতে পারবে না। এখানে সবাই মালিক আবার সবাই শ্রমিকের মর্য্যাদা পাবে, এবং রাষ্ট্রের সমস্ত স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। যিনি সব কিছু সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তিনিই আমাদের মালিক, ইহা ব্যাতীত অন্য যে কোন মালিকে বিশ্বাস কারা শেরেকি গোনাহর আওতাভুক্ত।

    রান্নায় রান্নায় ডিজিটাল বাংলাদেশ


    প্রথমে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী ঢালুন একটি পাত্রে, তারপর তাতে ভাস্কর্য আর মূর্তিতে লেজে গোবরে হয়ে যাওয়া বিশুদ্ধ অনুভূতির সস এবং রোহিঙ্গা ধোয়া জলের সাথে পদ্মা সেতুর লাকড়ি দিয়ে ভালো ভাবে নাড়তে থাকুন।

    হালকা ভাপ উঠলেই একচিমটি হেফাজতে ইসলাম, নিবন্ধন হারানো জামাত, মৌলবাদী চিন্তার সাথে এক টেবিল চামচ সংখ্যালঘুর ভূমি দখল, এক কাপ পাহাড়ি শান্তিচুক্তি, ৪/৫টা টাটকা সেনা সন্ত্রাস, আর বিচারহীন হত্যার ছোট কয়েকটুকরো দিয়ে একটু নেড়ে ঢেকে দিন।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর