নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • পৃথু স্যন্যাল
    • রুদ্র মাহমুদ
    • সুষুপ্ত পাঠক
    • বেহুলার ভেলা
    • নিটোল আরন্যক
    • মো.ইমানুর রহমান
    • সুজন আরাফাত

    নতুন যাত্রী

    • রমাকান্ত রায়
    • আবুল খায়ের
    • একজন সত্যিকার হিমু
    • চক্রবাক অভ্র
    • মিস্টার ইনকমপ্লেইট
    • নওসাদ
    • ফুয়াদ হাসান
    • নাসিম হোসেন
    • নেকো
    • সোহম কর

    বেগম রোকেয়া আমার বিস্ময়


    যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন আমাদের পাঠ্য বইয়ে মহীয়ষী নারী বেগম রোকেয়ার দু’একটি প্রবন্ধ ছিল। তাঁর জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর, মৃত্যু ১৯৩২সালের ৯ই ডিসেম্বর। এবার ছিল তাঁর ১৩৪ তম জন্ম ও ৮২তম মৃত্যু দিবস। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি। আমি হাইস্কুলে থাকাকালীন সময়ে জেনেছি শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করার জন্য তাঁর অসাধারণ প্রচেষ্টার কথা এবং পরে অন্যদেরকে তাঁর জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার অতুলনীয় সংগ্রামের কথা। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ পর্যন্ত তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়েই ছিল। সেসময় কেউ নারীদের হেয় করে কথা বললে আমি মনে মনে বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করতাম আর ভাবতাম- আমরা কেউ

    একুশ হয়ে উঠুক মুক্তির মন্ত্র


    আমরা বর্তমানে একুশকে বানিয়ে ফেলেছি একটা উৎসব মার্কা দিনের মত। আমাদের কাছে একুশ হয়ে গেছে ভ্যালেন্টাইন কিংবা বসন্তবরনের মত। আর আমার মত কিছু আতেলেকচুয়ালদের কাছে একুশ হলো, কে কোথায় জুতা পায়ে শহীদের বেদিতে উঠে গেল, কে কোথায় ভুল বানানে বাঙলা লিখল, কে কোথায় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশিয়ে ককটেল ভাষায় কথা বলে ফেলল সেসবের অনুসন্ধান করা। আবার কেউ কেউ গলা উঁচিয়ে বলতে থাকেন যে একুশের প্রেম মাত্র একদিন কেন? সারা বছর বাঙলা ভাষা নিয়ে কই থাকেন? ইত্যকার বাণী ছুড়ে দিয়ে লোকেদের হেনস্থা করায় ব্যস্ত থাকেন। অথচ, একুশ তো গলাবাজির জন্য হয়নি, বাঙলা বানানের শুদ্ধতা নিরূপণ করতেই হবে এই ধরণের কোন শ্লোগান নিয়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারীতে সালাম বরকতেরা মিছিল নিয়ে বের হয়নি। একুশের পেছনে ছিল আপন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃ ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য। এটি ছিলো বাঙালি জাতিস্বত্ত্বার রাজনৈতিক আন্দোলনের ভ্রুণ। এই একুশ আমাদেরকে চিনিয়েছিল নিজেদের জাতি স্বত্বাকে, চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে বাঙালি একটা জাতি, তাদেরও রয়েছে নিজেদের রাজনৈতিক অধিকার, তাদেরও মুক্তির দরকার।

    ২১শে ফ্রেব্রিয়ারী নাকি ২৫শে জমাদিউল আউয়াল ?


    আসুন সবাই একসাথে আওয়াজ তুলি - ২১শে ফ্রেব্রিয়ারী নয় , ২৫ জমাদিউল আউয়ালই হোক ভাষা দিবস । বন্ধ হোক ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত । জব্বার, রফিক, বরকত, সালামরা কি হেন্দু ছিল যে হিন্দুয়ানীদের মত তাদের বেদী করে ফুল দিতে হবে ? তার চেয়ে আসুন বেদীতে ফুল না দিয়ে গোমড়াকারী পাকিদের ঘৃনার মিনার বানিয়ে তাতে পাথর মারার প্রথা চালু করি এবং শহীদদের জন্য মসজিদে মসজিদে বিশেষ মুনাজাত ও দোয়া মাহফিলের ব্যবস্থা করে সহি ইসলামী পদ্ধতিতে শহীদ দিবস পালন করে কাফেরদের সকল চক্রান্ত ভেংগে ফেলি । হে আল্লাহ, কাফেরদের এইসব চক্রান্ত থেকে বের হয়ে আমাদেরকে ও সকল শহীদেরকে একজন সাচ্চা মুসলমানের মর্যাদা প্রাপ্ত হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন ।

    চক্ষু-কর্নিয়া সম্পর্কে কিছু কথা,গঠন,পর্ব-২৩(৩)


    চক্ষু-কর্নিয়া সম্পর্কে কিছু কথা,গঠন,পর্ব-২৩(৩)

    আপনারা ইতিপূর্বে জানতে পেরেছেন, আলোক রশ্মী চক্ষু অভ্যন্তরে ভ্রমন করতে যে অর্গানকে সর্বপ্রথম অতিক্রম করতে হয়, সেইটাই “কর্ণিয়া”, এটা যেন একটি গৃহের একটা গ্লাস লাগানো জানালা। শরীরের অন্যান্য অর্গানের তুলনায় এর যথেষ্ঠ বৈশিষ্ট রয়েছে।

    চোখের দুইটি পাতা এর Shutter হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে একে নিরাপত্তা ও বিশ্রাম দেয়। আবার পাতা দুইটি প্রয়োজন মত সরে গিয়ে বহির্জগতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, আর তখন বহির্জগত হতে আলোক রশ্মী এর অভ্যন্তরে পবেশ করে।

    আজ একুশের চেতনা সুবিধাবাদী, ধর্মজীবি নষ্টদের কাছে বন্দি!


    ১৯৫২সাল। পাকিস্তানী শাসকরা পুর্ব বাংলায় যখন তাদের ভাষা উর্দুকে বাঙালীর উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা করছিল। সেই বছর তখন ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে পাকিস্তান সরকারের ১৪৪ ধারা জারি ভঙ্গ করে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার... রা ''রাষ্ট ভাষা বাংলা চাই" এই দাবীতে মিছিল বের করে। তখন সেই মিছিলে শফিক রেহমান আর আবদুল গাফফার চৌধূরী ও ছিল। মিছিলের মাঝখানে। সামনে ছিল সালাম রফিক বরকতরা....এরপর পাকিস্তানী পুলিশরা গুলি করে সালাম রফিকদের..... বুক ঝাঝড়া করে দেয়, মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়! সবাই দিকব্ধিদিক ছুটতে থাকে। ছত্রভঙ্গ মিছিল থেকে আব্দুল গাফফার চৌধূরী প্রাচীর টপকাতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে জ্ঞাণ হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞাণ ফিরে দেখেন তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিদ ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লার বাড়িতে। ভাষাবিদ তখন তাঁর পায়ে বরফ লাগাছিলেন। পরদিন ২২ই ফেব্রুয়ারি আব্দুল গাফফার চৌধূরী তাঁর ব্যাচালার বাসায় বসে বসে লেখেন--

    ৫২, ৭১ এবং নয়া পাকিস্তানের জন্ম


    নামটা মনে নেই। কোথাও এক জায়গায় পড়েছিলাম, 'একুশ কোন মাস নয়, কোন দিন নয়, কোন বছর নয় - একটি চেতনার নাম'। আদতেও তাই। মাসটা মার্চ থেকে জানুয়ারি, দিনটা ৩১টা সংখ্যার মধ্যে যে কোন একটা আর বছরটা সামনে পেছনে দুই-এক ঘর হেরফের হলেও কোন সমস্যা ছিলো না। কারণ, এখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবের মধ্যবিন্দু হলো অনুভূতি। আর স্বপ্নটা হলো নিজের মতো চলার বা এক্ষেত্রে বলার স্বাধীনতা।

    অর্জন


    বলবনা কথা
    বলিনিতো।
    বাংগাল আমরা
    শত বছর ধরে
    বার বার শোষিত হয়েছি,
    তবু আপন করেছি ভিনদেশীদের,
    হয়েছি শংকর জাতি।

    ধর্ম, বর্ণ সব কিছুতে মিশতে দিয়েছি,
    এতটাই সহিষ্ঞু আমাদের রক্তধারা।
    কিন্তু কত
    কাহাতক আর সহ্য হয়?
    দেশ বিভাগে
    ধর্মকে বর্ম করে বনে গেলাম,
    বাঙগালী থেকে পূর্ব পাকিস্তানী।
    মানলাম সেও।

    পাত্রী দেখার একদিন


    ভাবী আমার রুমে এসে বলল কালকে রেডি থেক এক জায়গায় যেতে হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম। ভাবী উত্তর না দিয়ে হাসি মিশ্রিত ভাব নিয়ে বলল সেটা গেলেই দেখতে পারবে। এটা বলেই সে চলে গেল আর আমাকে রেখে কৌতুহলের ভিতর।

    আম্মু তোমার কোলে তোমার বোলে


    আজকাল অনেকেই স্মার্ট সাজতে কথা বলার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করি। এরই প্রতিবাদে বায়ান্ন নিয়ে একটি গান শুনছিলাম। শিল্পীর নাম নাজির মাহামুদ। না, শিল্পীর নামে বাংলার চিহ্ন নেই। এতে অবশ্য শিল্পীর কোনো দোষ নেই। বাঙালি মুসলমানের নাম মানেই যেন অদ্ভুত অর্থের আরবি শব্দ। বেশিরভাগ আবার আরবি শব্দগুলোর অর্থ না বুঝেই আরবির প্রতি গভীর প্রেম থেকে নামগুলো রাখে। আরবি শব্দ এত্তেলা থেকে ইত্তিলা শব্দটি এসেছে যার অর্থ সংবাদ। স্কুল কলেজে অনেকেই আমার নামের অর্থ জানতে চেয়েছে। কারণ এ শব্দ তারা আগে শোনে নি। বাংলা ডিকশনারিতে আছে নাকি? -প্রশ্ন অনেকের। নামটা অপরিচিত বলেই বাংলা ডিকশেনারিতে আছে কিনা জানার ইচ্ছে। যদিও বিভিন্ন অদ্ভুত অর্থের আরবি নাম অহরহ শুনে এতটাই পরিচিত হয়ে গেছে, সেগুলোর সাথে যে বাংলা ডিকশনারির কোনো সম্পর্ক নেই সেদিকে নজর নেই। নজর নেই বলাটা বোধহয় ভুল হবে। আরবি নাম মানে ইসলামিক নাম, এ ধারণা থেকেই তো সবাই আরবিতে নাম রাখে। এখন আরবিতে সেই শব্দের অর্থ ছাগল হোক বা ভেড়া, তাতে কী যায় আসে? আরবি তো আরবিই। আর তাছাড়া বাংলা নামগুলো অনেকটা ‘হিন্দু হিন্দু’ শোনায়। মুসলমানের নামে ‘হিন্দু হিন্দু’ গন্ধ, একজন মুসলমানের জন্য এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কিছু হয় না।

    নেদারল্যান্ডে মুক্তমনার আয়োজনে চারদিনের বইমেলা


    ইসলামী জঙ্গিদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক, ব্লগার অভিজিৎ রায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্লগ মাধ্যম মুক্তমনা এবং নেদারল্যান্ড ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন দ্য হেগ পিস প্রজেক্টসের যৌথ উদ্যোগে এই বইমেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সহযোগী (পার্টনার) সংগঠন হিসেবে থাকছে- ফ্রি প্রেস আনলিমিটেড, এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিস্ট এন্ড ইথিকাল ইউনিয়ন, ডাচ হিউম্যানিস্ট এসোসিয়েশন, ফ্রন্ট লাইন ডিফেণ্ডারস, জাস্টিস এন্ড পিস, এবং ইভা তাজ ফাউন্ডেশন।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর