নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • ইকারাস
    • আমি অথবা অন্য কেউ
    • দুরের পাখি
    • দীপঙ্কর বেরা
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • ফারুক
    • রাফিন জয়
    • রাহাত মুস্তাফিজ
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • রবিঊল
    • কৌতুহলি
    • সামীর এস
    • আতিক ইভ
    • সোহাগ
    • রাতুল শাহ
    • অর্ধ
    • বেলায়েত হোসাইন
    • অজন্তা দেব রায়
    • তানভীর রহমান

    তবে কি আমরা আরেকটি স্নায়ু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে?


    ১৯৮৭ সালে Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty (INF) সাক্ষর করেন গর্বাচেভ এবং রোনাল্ড রিগ্যান। এই চুক্তিই ছিল স্নায়ু যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত। ৩ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে গর্বাচেভ এবং রিগ্যানের উত্তরসূরি জর্জ হোয়াইট ডাব্লিউ বুশ, 'মাল্টা সামিটে' "স্নায়ু যুদ্ধ"র সমাপ্তি ঘোষণা করেন। একবছর পর গাল্ফ যুদ্ধে ইরাকের বিপক্ষে দুই শত্রু একসাথে যুদ্ধ করে। কিন্তু ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়। আদতে বিশ্বে মাত্র একটু শক্তিধর রাষ্ট্র থেকে যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশাল রাশান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে।

    রাজনীতির জাঁতাকলে সংখ্যালঘু- 'ভোলা'-নির্বাচন পরবর্তী ২০০১


    বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ, পূর্ব নাম শাহবাজপুর- এখনের নাম ভোলা। ভোলার উত্তরে বরিশাল জেলা ও মেঘনা নদী, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে নোয়াখালী, লক্ষীপুর জেলা ও মেঘনা নদী এবং পশ্চিমে বরিশাল, পটুয়াখালী জেলা ও তেঁতুলিয়া নদী অবস্থিত।

    ভোলা জেলায় ২০০১ সালে হিন্দু ছিল ৭২ হাজার ২৭৫ জন। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় হিন্দু জনসংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ১৬২ জনে।

    ট্রাম্প এবং পুতিন বিশ্বকে কোন দিকে নেবে?


    অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, এমনকি আমাদের মত সাধারণ মানুষও ধারণা পোষন করেন যে আমেরিকা মিখাইল গর্বাচেভ কে নোবেল শান্তি পুরস্কারের টোপ গিলিয়ে দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন কে ভেঙে টুকরা টুকরা করে দিয়েছিল। যা ছিল সোভিয়েত রাশিয়া এবং তার তৎকালীন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির জন্য বিশাল ধাক্কা বা এক ধাক্কায় ধরণী প্রপাত অবস্থা। ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিকে জনাব পুতিন অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তাকে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে তা তাদের বর্তমান সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডে স্পষ্টভাবেই পরিলক্ষিত।

    লজ্জা এবং শান্তির প্যাকেটে বোমা !


    পারী নগরীতে হামলাকারি বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ এবং উলামায়ে কেরাম বোর্ড জনাব সালেহ আব্দেস সালাম এর বয়ান-- " আমি যা করেছি তার জন্য অনুতপ্ত নই, আমি যা করেছি তার জন্য লজ্জিত নই , কারন আমি যা ভাল মনে করেছি তা ই করেছি , (পরিনতি)যা ইচ্ছা হবে এইসব নিয়ে আমি ভাবি না " এই ভাবেই নিজের ধর্মিয় অনুভুতি প্রকাশ করেছেন এই ইসলামি চিন্তাবিদ । যিনি নভেম্বর ২০১৫ এর ১৩ তারিখে পারী তে ১৩০ জন কাফের বিধর্মী হত্যা করে পরকালের বিশেষ " ইসলামি বিকৃত সুখ " লাভের আশায় দিন গুনছেন । নিশ্চয় আল্লাহ এইসব সাহসী বান্দাদের ইসলাম এর পক্ষে জিহাদ করার পুরষ্কার হিসেবে জান্নাতবাসি করে ৭২*২=১৪৪ হুর এর সহিত সহিহ যৌনলীলা করার অধিকার দিবেন । সব মুসলমানগন বলুন , আমিন !!

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৪


    প্রাাকৃতিক আইন বনাম পদার্থবিজ্ঞানের আইনঃ
    .......................................................................
    আমদের মহাবিশ্বের প্রাকৃতিক আইন আর পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র/নিয়ম/আইন কি একই আইন?

    মুসলমান ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


    প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা, আজ আপনাদের উদ্দেশে কিছু বলার তাগিদ অনুভব করছি। আশা করি আমার লেখাগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। বর্ত্তমান বিশ্বে মুসলিমদের খুব করুণ পরিনতি দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। দুনিয়ার তাবদ মুসলিমদের এখন ইউরোপের যেকোনো রাষ্ট সন্দেহের চোখে দেখে। মুসলিমদের নিয়ে গোটা বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আপনাদের ঠুনকো অনুভূতি দেখে এখন অন্যধর্মীরা হাসাহাসি করে। পাগরী পড়া দাঁড়িওয়ালা মুসলিম দেখলে তাদের মনে প্রশ্ন জাগে, এর শরীরে বোমা নেই তো! বোরকা পরা মুমিনা দেখলে ভাবে, এর বোরকার ভিতর কোনো বিষ্ফোরক দ্রব্য নেই তো? এ জোব্বা পড়া মানুষটি আত্নঘাতী হামলা করবে না তো?

    আমি নিজেকে কখনো কমিউনিস্ট বলে দাবি রাখি না......


    আমি কখনো নিজেকে কমিউনিস্ট দাবি করিনি কারন আমি জন্মগত ভাবেই কমিউনিস্ট, জন্মের পর থেকেই সর্বহারা। আমার জন্মের কিছু বছর পর যখন আমি বুঝতে শুরু করি সমাজে তিন শ্রেণীর মানুষ বসবাস করে- উচ্চবিত্ত শ্রেণী, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণীর। আমি জানতে শুরু করি কেউ বড় লোক আর কেউ ছোট লোক। আমার চারপাশে কেউ পেট ভরে খায় আর কেউ না খেয়ে মরে। আমি আমার পরিবার থেকেই জানতে শুরু করি, উপোস থাকা আমাদের ফ্যাশন আর রোজা রাখা ধর্মের কাজ! কত ভঙ্গির বড়লোকই না দেখলাম, তবে কেউই মনের দিক থেকে নয়! সেই উচ্চবিত্ত জ্ঞানপাপীরা যদি বড় মনের হতো আজ রাস্তায় মানুষ ঘুমোতো না আজ কেউ না খেয়ে মরতো না।

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৩


    শূন্য থেকে মহাবিশ্ব

    ০.০ শূন্য কি আমরা জানিনা! অসীম কি তাও আমরা জানিনা! ঈশ্বর কিংবা ব্রহ্ম কি তাও জানিনা! প্রথমোক্ত দুটি চিন্তা গানিতিক চিন্তন থেকে উদ্ভূত যা গনিত কিংবা পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত যদিও শূন্য ও অসীম চিন্তন দর্শনেরও বিষয়। আর ঈশ্বর কিংবা ব্রহ্ম চিন্তা ধর্ম ও দর্শনের প্রত্যয়।

    মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে শুনলাম এক কাটমোল্লার গালি


    মানুষ বড় আশা নিয়ে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে যায়। আর বড় আশা থাকে মানুষের মনে। আজ হয়তো নতুন কিংবা ভালো কোনো কথা সে শুনবে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি।

    আজ আমিও মসজিদে গিয়ে বড় আশাহত আর মর্মাহত হয়েছি। আর মনে মনে ভীষণভাবে লজ্জিত হয়েছি। আমাদের দেশের আজকালকার এইসব মসজিদের ইমাম কি পাগল? এদের কথাবার্তার কোনো লাগাম নাই। এরা দিন-রাত পাগলের মতো প্রলাপ বকে যাচ্ছে। আর নিজের মনগড়া কথাকে আজ নিজের স্বার্থে ধর্ম বলে প্রচার করছে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর