নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • উর্বি
    • নুর নবী দুলাল
    • আরমান অর্ক
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • কিন্তু
    • পৃথু স্যন্যাল
    • মিশু মিলন
    • সুমিত রায়
    • মিসির আলী
    • হেজিং

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    ধর্মের প্রয়োজনীয়তা তৈরী করা হয়েছে সমাজের সাধারন মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য


    আমরা এমন কিছু ধর্মীয় ধর্মীয় রীতি নীতি পাই জীবন চলতে যা অবাক করে দেয় আমাদের সুস্হ চিন্তা ধারাকে।কেউ কেউ বলে ধর্ম আছে বলে পৃথিবীতে মানুষ এখনো শৃঙ্খলাবদ্ব। সত্যি আমি এই কথার মর্ম খুঁজে হয়রান, কিন্তু যতবার যুক্তি দিয়ে খুঁজি বার বার একই উত্তর মিলে, আর তা হলো ধর্ম এক সর্বনাশা পৃথিবীর রুপকার যেখানে পরিসংখ্যান বলে হাজার-শতাব্দী বছর জুড়ে যে হত্যা ক্যান্ড ঘটে আসছে তার সিংহ ভাগ এই ধর্মকে নিয়ে।

    কেঁটে ফেলুন পুরুষত্ব,কলঙ্ক মুক্ত হউক পুরুষ


    দৈনিক খবরের কাগজ খুললেই গোটা গোটা অক্ষরে চোখের সামনে ভেসে আসে পরিচিত একটা শিরোনাম। শিশু ধর্ষণ। পাঁচ, সাত, দশ, বারো,পনের বছরের শিশু ধর্ষণ। বিস্তারিত চোখ বুলাতে গেলে পুরুষত্ব নামক অন্ডকোষধারী আমরা পুরুষ জাতিকে ঘৃণা করতে ইচ্ছে করে। প্রতিটা ধর্ষণ প্রতিবেদনে দেখা যায় চল্লিশ,পঞ্চাশ বয়ষ্ক পুরুষের লালসার স্বীকার এইসব শিশু। যে শিশুটি জানে না নারী-পুরুষের ভেদাভেদ। শিশুটি জানে না সেক্স কি জিনিস। শিশুটি জানে না পুরুষের স্পর্শে নারীর কি অনুভুতি। অথচ সেই শিশুটি হয় পুরুষের অন্ডকোষের জ্বালাময়ী লালসার স্বীকার। আমার প্রশ্ন সেই সব অন্ডকোষী ধারী পুরুষদের কাছে। যারা এই সব নরপিচাশের মত আচরণ করছে এক একটা সদ্য

    শারদীয় মূর্তি ভাঙচুর উৎসব-২০১৭।


    গত কয়েক বছরে ব্যাপক আকারে মন্দিরে হামলা এবং মূর্তি ভাঙচুর বাংলাদেশে নিয়মিত ঘটনা। রাষ্ট্র তার বিচার করা তো দূরের ব্যাপার উপরন্তু সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের 'মানসিক রোগী' আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে উপহাসের পাত্রে পরিণত করেছে। রাষ্ট্র এই বার্তা দিয়ে দিয়েছে এটা অঘোষিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র, এই দেশে অন্যদের বসবাস করতে হলে নির্যাতিত হয়েই বসবাস করতে হবে। বিচার এই দেশে ডুমুরের ফুল।

    সমকামিতা: The Taboo!!! (পর্ব-২)



    এতক্ষণ ধরে যারা মফিজ মিয়ার গল্পটি পড়লেন তারা হয়ত ভাবছেন, এটা কী করে সম্ভব? শুধুমাত্র চোখের রঙ অপছন্দ হওয়ার কারণে একটা মানুষের আরেকটা মানুষের প্রতি এত বিদ্বেষ? আপনারা হয়ত মানতেই পারছেন না, একটা মানুষের পক্ষে এতটাও অমানবিক হওয়া সম্ভব! যারা মানতে পারছেন না, তাদেরকে এবারে একটু নিজের কল্পনাশক্তি (যদি থাকে) কাজে লাগাতে হবে। ধরুন, আপনি-ই মফিজ মিয়া। হ্যা, নিজেকে “চোখ সংখ্যাগরিষ্ঠ” মফিজ মিয়ার জায়গায় দাড় করান, আর “চোখ সংখ্যালঘু” নীল চোখের কিশোরদের জায়গায় দাড় করান যৌন সংখ্যালঘু সমকামীদের। জানি, এ পর্যন্ত পড়েই অনেকে তেড়ে আসবেন। কিন্তু একবার নিজের বিবেক বোধ(যদি থাকে) থেকে ভাবুন তো, ভিন্ন ভিন্ন চোখের রঙ বিশিষ্ট মানুষ যদি এ সমাজে থাকতে পারে, তবে ভিন্ন যৌন প্রবৃত্তি বিশিষ্ট মানুষেরা কেন থাকতে পারবে না?

    অন্য চোখ (উপন্যাস:পর্ব-ছয়)


    নয়টা বাজে।সকালে নাস্তা না করে অবন্তি বের হলো।১০টায় অফিস শুরু।অবন্তি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে।
    অবন্তি টিকিট কাউন্টারে দাড়িয়ে আছে।বিশাল লম্বা সিরিয়াল।ঢাকার শহরে প্রতিদিন অফিস টাইমে লোকাল বাসের অপেক্ষায় মানুষ লম্বা লাইনের পর লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে।ঘন্টার পর ঘন্টা সবাই দাড়িয়ে থেকে কর্মক্ষেত্রে যায়।তারপরে তো জ্যাম আছেই।

    ইসলাম নারীদেরকে পুরুষের অধীনস্ত করে পুরুষের ভোগ্য দাস বানিয়েছে


    ইসলামে নারীদের উপর পুরুষদেরকে কতৃত্বশীল করেছে৷ পুরুষ পরিচালক,নারী তার অধীনস্ত৷ পুরুষেরা যাতে নারীদের উপর কর্তৃত্ব খাটাতে পারে সে জন্য পুরুষদের হাতে দেয়া হয়েছে অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব৷ এ নীতি সম্পর্কে আল ক্বুরআনের বক্তব্য লক্ষ্ করুন:

    ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।


    রহমান ভাইয়ের প্রিয় নবী- পর্ব ২

    বিষয়:- ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।

    আমাদের মসজিদের ঈমাম রহমান ভাই সাথে অনেক দিন পর দেখা। রহমান ভাইকে দেখেই আমি উল্টো দিকে হাটা শুরু করে দিলাম। তবুও রহমান ভাইর চোখে পড়ে গেলাম। ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, " কিরে তুই আমাকে দেখে পালাচ্ছিস ক্যান? "
    .

    আমি বললাম," আরে নাহ..! পালাবো কেন..? আসলে হুট করে পেটে ব্যাথা শুরু করলো, তাই বাসার দিকে যাচ্ছিলাম.."
    .

    নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-নয়)


    শবরী আর দেবলকে নামিয়ে দিয়ে দাঁড়িরা নৌকা ঘুরিয়ে পুনরায় পূর্বের স্থানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো। শবরী আশ্রমের পথ ধরে হেঁটে এগিয়ে গেলে দেবলও তার পিছু পিছু কিছুটা এগোনোর পর পথ ছেড়ে ডান দিকের অরণ্যে প্রবেশ করলো। আশ্রমের পথ থেকে অন্তত পঞ্চাশ কদম দূরে একটা বড় চন্দন বৃক্ষের আড়ালে লতা-গুল্মের ঘন ঝোপঝাড়ের ভেতর ছায়াচ্ছন্ন এমন এক জায়গায় লুকিয়ে বসলো যাতে আশ্রমের পথে প্রবেশ করা মাত্র সে মহর্ষি বিভাণ্ডককে দেখতে পেলেও তিনি যেন কোনোভাবেই তাকে দেখতে না পান। ভাল মতো দৃষ্টি রাখার জন্য মুখের সামনের লতা-গুল্মের পুরু দেয়াল টেনে ছিঁড়ে সামান্য ফাঁকা করলো সে। তারপর মৃদু শব্দে কয়েকবার কাশি দিয়ে গলা পরিষ্কার করে গুপ্তচর

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর