নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • পৃথু স্যন্যাল
    • সুজন আরাফাত
    • অর্বাচীন উজবুক
    • নুরুন নেসা
    • সংবাদ পর্যবেক্ষক
    • নাস্তিকের আত্মকথা
    • আবীর সমুদ্র
    • মূর্খ চাষা
    • নরসুন্দর মানুষ
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • সোহম কর
    • অজিতেশ মণ্ডল
    • আতিকুর রহমান স্বপ্ন
    • অ্যালেক্স
    • মিশু মিলন
    • আগন্তুক মিত্র
    • গাজী নিষাদ
    • বেকার
    • আসিফ মহিউদ্দীন
    • সাধনা নস্কর

    "কথা" নামে একটা ছুরি আছে ...


    মেয়েটা কাঁদছিল ... তার টলমলে চোখে এক ধরণের অবিশ্বাসের ছাপ ছিল ... তার পৃথিবীটা মূহুর্তের জন্য অন্ধকার হয়ে আসছিল ... এইমাত্র ছেলেটার শেষ কথাটা একটা ভয়াবহ ধারালো ছুরি হয়ে তার ভেতরটাকে কুচি কুচি করে কেটে ফেললো ... মেয়েটা জানে না সে কেন এখনো বেঁচে আছে ... তার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে ... এই বেঁচে থাকাটা মৃত্যুর চেয়েও খারাপ !!

    উন্নতির মানসিকতা (Growth Mindset) কি, শিশুদের এই মানসিকতা গড়ে তোলা কেন জরুরী এবং কি করে আমরা সেটা করতে পারি?


    আমাদের সমাজে বাচ্চারা যে পরিবেশে বড় হয়, তাতে তাদের উন্নতির মানসিকতার বদলে স্থির মানসিকতা গড়ে ওঠার প্রবণতা থাকে বেশি। ব্যর্থতা বিষয়টাকে আমাদের সমাজে খুব নিচুচোখে দেখা হয়। আমরা ক্লাসের ফেল্টু ছেলেটাকে নিয়ে হাসাহাসি করি। আবার যে ছেলে দিনরাত পড়ে ভালো ফল করে তাকে নিয়েও হাসাহাসি করি। বলি, ব্যাটা ছাগল দিনরাত খালি পড়াশুনা করে। যেন বেশি চেষ্টা করে কিছু করাটা একটা বোকামি। আবার যে ভান করে পড়াশুনা না করেই ক্লাসে প্রথম হচ্ছে, তার দিকে মুগ্ধচোখে তাকিয়ে থাকি।

    শুধু বর্বর আইন কেন, মিসাইল বোমা মেরেও কখনো মানুষের মুখ বন্ধ রাখা যায়নি


    যুক্তি, তর্ক, ভিন্নমত, সমালোচনা, মুক্তালোচনা, এগুলো থাকা খুবই জুরুরী। রাষ্ট্রের দায়িত্ব মানুষের এই অধিকারগুলোকে যথাযথ সুরক্ষা করা। এই মুক্তচিন্তা যদি নাই থাকে, ভুলের, অপরাধের সমালোচনা যদি নাই থাকে, তাহলে রাষ্ট্র, সমাজ, মানুষ শিক্ষা নিবে কিভাবে? কিভাবে শোধরাবে রাষ্ট্র, সমাজ আর মানুষ?

    অনুকাব্য


    ধর্মরাজের বর্ম চুরি
    আচ্ছা বড় কাণ্ড!
    দুধের বদল ব্যস্ত সবাই
    নিয়ে ঘোলের ভান্ড।
    সাধুর বেশে বাড়ছে এখন
    চারিদিকে ভণ্ড!
    ভক্তরা তাই খাচ্ছে এখন
    প্রসাদ ছেড়ে কাগজ কলের মণ্ড।

    সত্য চাপা থাকেনা, বেরিয়ে আসবেই


    সৎ মানুষ যেমন শেষ অবধি বিজয়ী হন, সৎ রাজনীতি যেমন শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়, মিডিয়ার সঠিক অংশকেই শেষ অবধি মনে রাখে মানুষ। যেমন আজ আমেরিকায় মিডিয়ার যে অংশ রেসিইজমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তারাই কিন্তু ইতিহাসে টিকে থাকবে। ইতিহাসের যে কোন ওলট পালট সাময়িক, সত্যই শেষ ঠিকানা। যেমন পাঁচ বছর না যেতেই কানাডার আদালত বাংলাদেশের এক শ্রেণীর মুখে চুনকালি দিয়ে উন্মোচন করল সত্য। কানাডার আদালতে পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতি মামলা খারিজ হওয়ার ভেতর দিয়ে অনেক দিক সামনে এলো। বাংলাদেশ ও বর্তমান সরকার একটি মিথ্যা দুর্নীতির অপবাদ থেকে মুক্তি পেল। জাতি হিসেবে বাঙালী সম্মানিত হলো, অন্তত বিশ্বের কাছে প্রথমবারের মতো প্রমাণিত হলো

    দ্বিজাতিতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের লুকিয়ে যাওয়া গৌরবময় অধ্যায় :(পর্ব ২):


    সত্য ইতিহাস সকলের জানা দরকার। তাই অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করে তুলে আনার প্রচেষ্টা নিলাম। জানলে গা শিউরে উঠবে!!

    ১.১৯৪৯ সাল ২০ ডিসেম্বর, খুলনা জেলার বাগেরহাটের কালশিরা গ্রাম:

    একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীগোষ্ঠী-চরমোনাইপীরগং মক্কার জাহেলদের প্রতিমূর্তি


    আরব তথা মক্কার জাহেলরা সেই সময় কোনো যুক্তিতর্ককে গ্রাহ্য করতো না। এরা নিজেদের ইচ্ছেমতো যার যা খুশি তা-ই করে বেড়াতো। আমাদের দেশের একশ্রেণীর স্বঘোষিত-পীর তথা ভণ্ডপীরগুলোও সেই একইপথ অনুসরণ ও অনুকরণ করছে। আর এই ধারার জাহেল ও শয়তানদের মধ্যে অন্যতম হলো চরমোনাইয়ের পীর। বর্তমান-ভণ্ডপীর থেকে শুরু করে এদের পূর্বপুরুষ পর্যন্ত সবাই পাকিস্তানের গোলামি করেছে, আর এখনও করছে। এটি এখন সর্বজন বিদিত যে, চরমোনাইয়ের পীররা একাত্তরে রাজাকার ছিল। এরা ১৯৭১ সালে, সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে এই বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্র ও জঘন্য চক্রান্ত করেছিলো। কিন্তু এই শয়তানগুলো সেই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে সফল হয়নি। তারা আগের মতো এখনও বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অথচ, এই বাংলাদেশে তাদের বসবাসের কোনো অধিকার নাই। কারণ, তাদের পিতৃভূমি হচ্ছে পাকিস্তান আর পাকিস্তান।

    আমার স্বাধীনতা


    আমি জানিনা আমাকে যারা চেনেন তাদের কেউ আমাকে অপরাধি বলে চিন্হিত করবেন কিনা, যেমনটি আমি কিছু নোবেল শান্তিপুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তির ক্ষেত্রে করবো, যানিনা এমন কেউ আছে কিনা যে আমার চোখে চোখ রেখে বলবে, তোমার মতো অপরাধির ব্যাক্তির স্থান জেলখানায় হওয়া উচিৎ, ,, কিন্তু আপনাকে কি জেলে থাকতে হলে অপরাধি হতে হবে ? মানুষ হিসেবে জন্মানোই যখন অপরাধ তখন জেলখানায় থাকবার জন্য অন্য অপরাধ খোজা বোকামো,
    মনুষ্যত্বই আমাকে কয়েদি করেছে,
    আমি জানিনা আপনি সচেতন মনে মনুষ্যত্বকে অপরাধ মনে করেন কিনা,, তবে অবচেতন মনে আপনি করেন বৌকি,

    পাকিস্তানী প্রেতাত্মা হেফাজত ও ওলামালীগের দাবি মানার জন্যই কি এদেশ স্বাধীন হয়েছিল?


    লেডি অব জাস্টিসের প্রতীক গ্রীক দেবী থেমিস। আমার জানামতে কালো চক্ষু আবৃত থেমিসের এক হাতে দাঁড়িপাল্লা, আরেক হাতে তলোয়ার শোভিত মুর্তি প্রতিটি গনতান্ত্রিক দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ে সামনে আছে। কারণ থেমিসের চোখ বাঁধা এক হাতে দাঁড়িপাল্লা শোভিত ছোট মুর্তি বিচারালয়ে ন্যায় বিচারের প্রতীয়মান প্রতীক হিসেবে মানা হয়। আমি আইনের ছাত্র নই। তবে থেমিসের চোখে কালো কাপড় থাকার অর্থ আমার স্বাভাবিক জ্ঞাণ থেকে বুঝতে পারি। যাতে আইনের দৃষ্টি পক্ষপাত দুষ্টু না হয়, সেদিক থেকে থেমিসের চক্ষু কালো কাপড়ে ঢাকা। আরেকদিকে দাঁড়িপাল্লা থাকার অর্থ কি হতে পারে এটা যেকোনো সাধারন জ্ঞানের অধিকারী মানুষ বুঝতে পারে। দাঁড়িপাল্লা হল ন্য

    কুমিল্লা কেন ময়নামতি হবে? আসল রহস্য ফাঁস!


    গোপালগঞ্জের কোন এক ছোট্ট গ্রামে বেড়ে উঠেছিলো মনা। মনার আসল ছিলো ময়না,মূলত ময়না থেকে মনার নামের সৃষ্টি। গ্রামে খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছিলো মনা।

    সে গ্রামে মনার সাথে খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছিলো মতি নামে একটা ছেলে। ধীরে ধীরে মনা আর মতি বড় হতে লাগল। বয়সের সাথে তাদের সম্পর্ক গভীর থেকে গভীর হতে লাগলো। একটা সময়ে এসে দুজন দুজনের প্রেমে পড়ে যায়। যে প্রেম ছিলো ষোল বছরে স্বপ্ন দেখার ব্যারামের মধ্যে দিয়ে। দুজনের দীর্ঘ বেশ ক"টি বছর প্রেমের সম্পর্কের ইতি ঘটে। মনা ধনি পরিবারের হওয়ার কারণে তার বাবা তাকে নিয় শহরে চলে যায়। এরপর মতি আর মনার মাঝে কোন যোগাযোগ হয়নি।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর