নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • আবু মমিন
    • মাহিন রহমান সাকিফ
    • রবিঊল
    • পৃথু স্যন্যাল
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • রবিঊল
    • কৌতুহলি
    • সামীর এস
    • আতিক ইভ
    • সোহাগ
    • রাতুল শাহ
    • অর্ধ
    • বেলায়েত হোসাইন
    • অজন্তা দেব রায়
    • তানভীর রহমান

    ও মেয়ে, এটা তোমার মানবাধিকার!


    ও মেয়ে এদিকে এসো,
    শুনো আমার অপ্রিয় কিছু কথা,
    তুমি কি স্বাধীন হতে চাও?
    তোমার ও কি ইচ্ছে করে অবাধ্য ছেলের মতো চারিদিকে ঘুরতে ফিরতে?
    তোমারও কি ইচ্ছে করে ছেলের মতো আড্ডা দিয়ে রাত বিরাতে ঘরে ফিরতে?
    তোমার ও কি ইচ্ছে করে মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যোগ দিতে?
    তোমার ও কি ইচ্ছে করে জিন্স টিশার্ট পড়ে ছেলের মতো ধাপিয়ে বেড়াতে?

    তো চুপ কেন?
    শুরু করে দাও!

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৭ঃ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়, মানব মস্তিষ্ক, ধ্যান ও জ্ঞান


    আমরা সাধারনত ইন্দ্রিয় বলতে পাঁচটি ইন্দ্রিয়কে বুঝি, যথা_চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বক_এগুলো যথাক্রমে দর্শন, শ্রবন, ঘ্রান, স্বাধ ও স্পর্শ ইন্দ্রিয়। এগুলোর মাধ্যমে আমরা জগতকে বুঝে থাকি।
    আমরা যখন ঘুমাই তখন প্রায় সকল ইন্দ্রিয়ই সাধারনত নিষ্ক্রিয় থাকে। কিন্তু তখনও আমাদের দেহ কাজ করে, মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে যে তথ্য বা তথ্যসমূহ মস্তিষ্করূপ জৈবিক কম্পিউটারে ইনপুট হয় তা মস্তিষ্ক প্রক্রিয়াজাতকরন করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। মানব শরীরে যেহেতু জড়ীয় সত্তাও বিদ্যমান সেহেতু শরীর কিংবা মস্তিষ্কের অচেতন ক্রিয়া সম্পর্কে আমরা সচেতন নই। মস্তিষ্কের অবচেতন ক্রিয়া সম্পর্কেও আমরা সরাসরি সচেতন নই।

    পাঠ্যপুস্তকে শিশুদের কৌশলে সহীহ মগজধোলাই


    ছোটবেলায় যখন পাঠ্যবই পড়েছিলাম, তখনও কিছু ধর্মীয় গল্প ছিলো, ধর্মীয় বলতে ইসলামীক গল্প। আমরা সবই পড়েছি, কিন্তু কিছুকেই ধর্মীয় দৃষ্টিকোন দিয়ে পড়িনি, পড়াকে ধর্মদিয়ে বিচার করিনি।পড়েছি জ্ঞান হিসেবে।

    টঙ্গির তুরাগ-নদীর তীরে শুরু হয়েছে তাবলীগজামাতের বেহেশতো কেনাবেচা


    আজ রবিবার। আজ সরকারি অফিস-আদালতসহ প্রাইভেট সকল অফিস খোলা রয়েছে। প্রাইভেট অফিসের লোকগুলো আজ তেমন একটি সুযোগ পায়নি সেখানে যাওয়ার। কিন্তু তাবলীগজামাতের ইজতেমাপাগললোকগুলো সরকারি-অফিস ফাঁকি দিয়ে যে যেমন পারছে টঙ্গির দিকে ছুটছে। আজ নাকি অফিস করা যাবে না। এটি একটি পবিত্র দিন। কয়েকজন বললো, “তাবলীগজামাতের (দ্বীনের) কাজে যেকোনো অফিস ফাঁকি দেওয়া জায়েজ! কারণ, এটি হলো দ্বীনের কাজ। অর্থাৎ, এটি ধর্মীয় কাজ। তাই, সবার আগে এ-কে প্রাধান্য দিতে হবে। অনেক সরকারি-অফিস আজ প্রায় ফাঁকা ছিল। কেউ ছুটি চেয়ে না পেলেও সে চুরিচামারি করে বিশ্বইজতেমায় যোগ দিয়েছে। যারা ইজতেমায় যায়নি তাদের সঙ্গে ইজতেমাপাগলদের কোথাও-কোথাও বচসাও হয়েছে। আর যারা ইজতেমার নামে অফিস ফাঁকি দিয়ে টঙ্গির বাতাস খেতে গেছে—তারা আজ আর অফিসে ফিরবে না। কিন্তু সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত ও প্রাইভেট—কোনোপ্রকার অফিসেই আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়নি। তাই, যারা আজ অফিস করেছে—তাদের কাজের চাপ ছিল প্রচণ্ড। এদের একসঙ্গে কয়েকজনের কাজ করতে হয়েছে।

    হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে আনবিক বোমার ব্যবহার কেন যৌক্তিক ছিল


    জাপানের মূল ভু-খন্ড দখলের পরিকল্পনা করছিল মিত্রবাহিনী। তবে এইজন্য তাদের হিসেবে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ লাখ সেনার মৃত্যু হতো। জাপানীদের পক্ষে এই ক্ষতির পরিমান হতো আরও অনেক বেশি। পারমানবিক বোমা ফেলবার পর আত্মসমর্পন দ্রুত হয়। এর বাইরে আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নেবার আরেকটা বড় কারণ ছিল রাশিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধের সম্মানজনক সমাপ্তি ঘটবে সেই আশাও শেষ হয়ে যায়। প্রায় পছিশ লক্ষ জাপানী সেনা ৪০-৫০ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী কিংবা লোকাল মিলিশিয়ার সাহায্য নিয়ে মূল ভূ-খন্ডের প্রতিরক্ষার জন্য শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কনভেনশনাল যুদ্ধ হলেও এই যুদ্ধে নিহতের পরিমাণ হতো অকল্পনীয়।

    কেন হতো তার একটা আভাস ওকিনাওয়া দ্বীপ দখলের লড়াই থেকেও পাওয়া যায়। সেখানে মওজুদ ১ লাখ ১৭ হাজার জাপানী সেনার ৯০% এর বেশি লড়াইয়ে মারা যায়। বেসামরিক জাপানীদেরও বেশিরিভাগ লড়াইয়ে মারা যায় অথবা ধরা পড়বার আগেই আত্মহত্যা করে। ২০ হাজারের বেশি আমেরিকান সেনা নিহত হয়, আহত হয় এর কয়েকগুণ বেশি।

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৬


    জগতে যেমন পর্যবেক্ষণযোগ্য,ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য এবং অথবা পরিমাপ্য ও নির্নয়যোগ্য বস্তু/সত্তা/বিষয়ের অস্তিত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি অপর্যবেক্ষণযোগ্য অইন্দ্রিয়গ্রাহ্য,অপরিমাপ্য ও অনির্নেয় সত্তা কিংবা বিষয়ের অস্তিত্বও সমভাবে স্বীকার্য্য। উচ্চতর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের গানিতিক সমীকরন গুলো শেষোক্ত সত্তার অস্তিত্বের অনুমোদন দেয়।

    আদালতের হুকুমে হত্যা করা হয়েছিল যে নির্দোষ প্রাণগুলো


    মানুষ আইন তৈরি করেছে সমাজের ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে সীমারেখা টানতে। কোনো মানুষের ক্ষতি করে এমন কোনো কাজ যাতে কেউ না করে তার জন্য তৈরি হয়েছে বিচার ব্যবস্থা। কিন্তু ইতিহাসের এমন অসংখ্য ঘটনা আছে যেখানে বিচার ব্যবস্থা পুতুলের ন্যয় অত্যাচারী শাসকের আঙুলের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। আবার কখনও আদালত বিচার করবার সময় পালন করেছে দুর্বল ভূমিকা, আশ্রয় নিয়ে দুর্বল যুক্তির। যত যুক্তিই থাকুক না কেন, আদালতের বিচারের মাধ্যমে যদি একজন নিরপরাধ মানুষও সাজা পায় তবে সেটা আইনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়।

    আমি ফিরে চলে আসি


    আমি ফিরে চলে আসি সমুদ্র সমাহারে রেখে
    একটি বিকেল-মাছ, কয়েকটি যৌথ-সাঁতার
    আর কিছু পদছাপ শামুকের ঝিনুকের গায়ে !
    রেখে যাওয়া নিয়মের স্বপক্ষে হয়ে সোচ্চার !

    আমি রেখে চলে আসি, বা এগোই, এই এগোনোটা
    সবার’ই লক্ষ্য, তাই ঝরাইনা অশ্রু-কুসুম
    অথচ এগোনো মানে, ধীরে ধীরে ঢুকে পড়া শীতে
    পাতাহীন একা গাছ মানুষের ভরা মৌসুম !

    হিন্দু ধর্মের ইতিবৃত্ত, পর্ব ০১


    হিন্দু ধর্ম মূলত আর্যদের বৈদিক ধর্ম। এ ধর্মের আদি ধর্মগ্রন্থের নাম ঋক বেদ। এ বেদের সূচনাতে একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম ছিল। এটা অবতারবাদের প্রবক্তা। অতঃপর যুগে যুগে ব্রহ্মের অবতারগণ আগমন করতঃ ঋক বেদের অনুশীলন করতে গিয়ে এর সাথে স্থান-কাল উপযোগী সংযোজন-সংবর্ধন করে আরো ৪টি সংস্করণ তৈরি করে। এগুলোই হিন্দু ধর্মের অনুসরণীয় পঞ্চবেদ। এ পঞ্চবেদে বিশ্বাস করাকেই হিন্দু ধর্ম বলে; যাকে পূর্বকালে আর্য ধর্ম বলা হত। শুধু বিশ্বাস করলে হবে, মানতে হবেনা? বেদে বিশ্বাস না রেখে হিন্দু থাকা যায়? বেদ কি ঈশ্বরের দেয়া অবশ্য পালনীয় বাণী? আধুনিক যুগের কিছু হিন্দু দাবী করছেন, হিন্দু ধর্ম আসলেই মানা মানির কোনো ধর্ম নয়, শাস্ত্রীয় কোনো বিধি বিধান নেই, কিছু মানা বাধ্যতামূলক নয়, মানা না মানা ঐচ্ছিক ব্যাপার, এটি একটি লোকায়ত দর্শন, একটি জাতি একটি দেশের লোকাচার, যাপিত জীবন ও সংস্কৃতির ইতিহাস মাত্র। শুনতে বেশ ভালই লাগলো। কিন্তু আসলেই কি তা’ই?

    ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞান-৫


    বিশ্বাসের ভৌত প্রভাবঃ

    ১.১ মানুষের মস্তিষ্ক দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী নিয়মে চলেনা। মানুষ চালিত হয় মস্তিষ্করূপ জৈবিক কম্পিউটারে প্রোগ্রামিত কতগুলো বিশ্বাস দ্বারা।

    ১.২ মধ্যযুগে ইউরোপে ডাইনিতে বিশ্বাস ছিল বলেই সেখানে হাজারহাজার নারী অপমৃত্যুর শিকার হয় যদিও উইচ কিংবা ডাইনির কোন অস্তিত্ব নেই। "অস্তিত্বহীন ডাইনি বিশ্বাস"ই হাজার হাজার নির্দোষী নারীর মৃত্যুর কারন ছিল। এটা অপবিশ্বাস,এটা বিশ্বাসের ভাইরাস!

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর