নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • রাফিন জয়
    • দীপ্ত সুন্দ অসুর
    • মিশু মিলন
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • মোমিনুর রহমান মিন্টু
    • জাকারিয়া হুসাইন

    নতুন যাত্রী

    • ফারজানা কাজী
    • আমি ফ্রিল্যান্স...
    • সোহেল বাপ্পি
    • হাসিন মাহতাব
    • কৃষ্ণ মহাম্মদ
    • মু.আরিফুল ইসলাম
    • রাজাবাবু
    • রক্স রাব্বি
    • আলমগীর আলম
    • সৌহার্দ্য দেওয়ান

    তোমার সৌন্দর্য


    তুমি ইদানীং শীতকালগুলোর মতই নির্লিপ্ত, শান্ত, সাদা চাদর পড়া
    কখনও কখনও তাই থুড়থুড়ে বুড়ি বলে বিভ্রম হয়।
    গ্রাম্য কিশোরীর বাল্যবিবাহে ঝরে পড়া কান্নার মত
    নিষ্পৃহ, নিঃস্পন্দ, অনেকটাই নিহত যেন
    বুকের ভেতর কোন হৃদপিন্ড নেই।
    কখনও ছিল না। একেবারে কিছুই ছিল না।
    নো, নেভার, নাথিং!
    তোমার ফাটা ঠোঁটে জোড়াতালি দেবার জন্যে পৃথিবীতে কোন সাম্যবাদী আর্দ্রতা রাজি নয় আর!
    সরকারি ডাকপিয়ন কুয়াশার ভেতর পথ ভুলে যায় আবার!
    যে চিঠি তোমাকে পাঠানো হয়েছিল
    তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রারম্ভে যে শান্তিচুক্তি গুলির বদলে ওড়াত কবুতর

    পাব্লিক স্থানে নারীর সিগারেটের ধোঁয়ায়, পুরুষের ফুসফুস কালো৷


    একটা ভিডিওতে দেখা গেলো পুরুষের পাব্লিক জায়গায় সিগারেট খাওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু নারীর হলে নষ্টামি৷
    বেশ লাগলো ভিডিওটা, হ্যাঁ তুমিতো নারী তুমি সিগারেট খাবা কেন? ভিডিওটাতে তুলে ধরেছে আমি পাব্লিক প্যালেজে গেঞ্জি শার্ট খুলে হাঁটতে পারবো, তুমি পারবা? তারপর গাড়ির সিট, কোটা এবং শক্তিতে পুরুষ এগিয়ে এরকম আরো যুক্তি ছিলো৷ বাহ বাহ, বেশ বেশ, খুব ভালো৷ এই না হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী বা শিক্ষিত সমাজ? আমরা তেমন লেখাপড়া করিনি, তাই শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা যা বলেছে তা বুঝেই বলছে, আমরা এর কি বুঝি? খারাপতো বলেনি৷৷

    'বৈষম্য' নারীকে যেভাবে আটকে রাখতে চায়!


    সমাজ যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখান থেকে ‘বৈষম্য’ নামের যে শর্ট ফিল্ম বানানো হইছে তা সমাজের অন্ধকার দিক কে উপস্থাপন করে। প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমাজ অনেক অধুনিক হইছে ঠিকই কিন্তু চিন্তার ক্ষেত্রে? আমরা স্মার্টফোন ইন্টারনেট ফেসবুক টুইটার এসব ব্যবহারে দুনিয়ার কোন দেশ থেকে কোনভাবেই পিছিয়ে নেই, পিছিয়ে আছি কোন ক্ষেত্রে? সামগ্রিক চিন্তা জগতের বিকাশের ক্ষেত্রে। নারীর প্রতি দুনিয়ার অন্যান্য দেশের দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেও আজকের বাংলাদেশের দৃশ্য কী? আজকের তরুণ পুরুষ ছেলেরা তার বোন আত্মীয়া বা প্রেমিকাকে কোন জায়গায় দেখতে চায়?

    শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামসির ধারণা


    শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, এ নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। কিন্তু এ শিক্ষা কোন ধরণের শিক্ষা এ নিয়ে একটা প্রশ্ন সবসময় রয়ে যায়। কেন এমনটা বলছি তা নিচের উক্তিটির ব্যাখ্যাতেই পরিষ্কার করে দিচ্ছি।

    “France was saved by her idlers!”

    আমাদের দেশের বিশাল একটা জনগোষ্ঠি ডিপ্রেশনে ভুগছে।


    আজ অব্দি এতবড় লিখা লিখেছি বলে আমার জানা নেই তবে আজ লিখলাম। হয়তো এটা কারও ভালোও লাগতে পারে আবার কারও বা নাও লাগতে পারে তবুও বলবো একটু পড়ার জন্য। আমি তাদের অনেকের সাথে কথা বলেছি। নিজেকে ডিপ্রেশন বিশারদ টাইপ কিছু মনে করি না, কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা যদি কারো কাছে নিজেদের কথাগুলো বলে হালকা হতে পারে, এতোটুকু তো আমি করতেই পারি। সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা নিয়ে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছে – সেটা বেকারত্ব। বিডি জবসে লক্ষ লক্ষ সিভি, চোখের সামনে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার।

    যশোর রোডের প্রাচীন বৃক্ষঃ কিছু কি করা যায়?



    আমার যুক্তিতে যতদূর বুঝি, রোড চারলেন হইতেই হবে আর তা হইতে হবে অতিদ্রুত। এখন কথা হইতেছে গাছগুলা কি বাঁচানো বা রক্ষা করবার কোনো উপায় আছে নাকি নাই। গাছগুলাকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াও অনেক ব্যয়বহুল হবে। তবে প্রতিটা জাতি নিজেদের ভাল জিনিসগুলো ধরে রাখে, ঐতিহ্য ধরে রাখতে চায়, তার জন্য ব্যয় করে। আমরাও হয়ত করতে পারি। যশোর রোডের অন্যরকম সৌন্দর্য এখনো আমার চোখে ভাসতেছে।

    আমি অল্পবুদ্ধিতে যা বুঝি, এই গাছ কিংবা আদি যশোর রোড অবিকৃত রাখবার একটাই উপায়, তা হচ্ছে যশোর রোডের পাশাপাশি প্যারালাল দুইলেনের আরেকটা ওয়ান ওয়ে রোড করা। চারলেনই তো প্রয়োজন, একমুখী দুইলেন হোক আদি যশোর রোডের আর অপর অংশ হোক অপরমুখী লুইলেনের। চারলেনের মহাসড়কে নরমালি ডিভাইডার থাকে, দুইলেন থাকে একমুখী আর অপর দুইলেন থাকে বিপরীতমুখী। যশোর রোডের একপাশের গাছগুলা হোক একসাইডের সীমানাপ্রাচীরের মতন আর অপরপাশের গাছগুলো হইতে পারে পাশাপাশি নির্মাল করা প্যারালাল রোডের ডিভাইডার, একটু বেশি প্রশস্ত ডিভাইডার হবে, এই যা। অতিরিক্ত কিছু জমি অধিগ্রহণ লাগবে, প্রকল্পখরচ আর মাস্টার[প্ল্যান বদলাইতে হবে, কিন্তু এইভাবেও তো সম্ভব। আর পুরা চারলেনের মহাসড়কেই যে গাছ বাঁচাইতে হবে এমনও হবে না। কেবল যেই যেই অংশে গাছগুলা বাঁচানোর দরকার, সেই অংশেই এমন করে মহাসড়কের নতুন পরিকল্পনা করলে কি হয় না?

    কোন আওয়াজ নাই


    কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি যেখানে সারা বিশ্ব পরিত্যাগ করছে, রাষ্ট্র তখন গো ধরে বসে আছে। থাকার কারণটাও একেবারে অমূলক নয়। রাষ্ট্র পক্ষ NTPC'র পাল্লায় পড়ে যে বসে আছে। সেই খপ্পরে পড়েই বাংলাদেশ এখন ভারতের কয়লা কন্সিউমার হতে যাচ্ছে। তারা দেখাবে বন্ধুত্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন।

    কেন্দ্রের নয়া গবাদি বিধি ও লেডি জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ প্রসঙ্গ


    *পাঠকরা আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ লেখাটি বেশ বড় হয়েছে কিন্তু এতে রাজনীতি,অর্থনীতি,ধর্ম আর ও অনেক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ,আশা করি আপনারা লেখাটি ধৈর্য ও মনযোগ সহকারে পড়বেন।ধন্যবাদ ।
    -----------------------------------
    ভারত ও বাংলাদেশ এই দুই দেশেই ধর্মান্ধ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটছে যার চরম নিদর্শন ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া গবাদি বিধি ও অন্যদিকে বাংলাদেশে ন্যায়ের মূর্তি জস্টিশিয়াকে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে অপসারণ ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর