নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • উর্বি
    • নুর নবী দুলাল
    • আরমান অর্ক
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • কিন্তু
    • পৃথু স্যন্যাল
    • মিশু মিলন
    • সুমিত রায়
    • মিসির আলী
    • হেজিং

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামে ধর্মান্তর :১


    বহু শতাব্দী ধরে মুসলিম শাসনের পরও ভারতবর্ষে প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ অমুসলিম রয়ে গেছে | নিষ্ঠুর মুসলিম শাসনাধীনে চরম সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মর্যাদাহানি, উৎপীড়ণ আর কঠোর করের বোঝা সহ্য করেও এরা পৈতৃক ধর্মকে আঁকড়ে পরে আছে । মুসলিমরা ১১শ বছর ভারতবর্ষ শাসন করেছে, কিন্তু বাস্তবে তারা কখনোই গোটা দেশের উপর শাসন করতে পারেনি!

    ধর্ম শিক্ষক যখন ধর্ম নিরপেক্ষ


    শাহবুদ্দিন ছিলেন আমাদের বিদ্যালয়ের ধর্ম ক্লাসের শিক্ষক এবং আমি ছিলাম ধর্ম ক্লাসের ক্যাপ্টিন। ধর্ম এমন একটি বিষয়, যে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জানার কিছুই নেই। শুধু মুখস্থ করতে হয়। আমরা সবাই মাধ্যমিক পাশ করেছি কমবেশি মুখস্থ করেই। সম্ভবত খুব কম মানুষই আছে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষায় ধর্মে এ+ বা লেটার মার্কস পায় নি।

    নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-দশ)


    মহর্ষি বিভাণ্ডক একা একা দিকভ্রান্তের ন্যায় অরণ্যে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, গত দু-দিনও তিনি এমনিভাবে হেঁটে অরণ্য চষে বেড়িয়েছেন সেই নারীর খোঁজে যে তাঁর একমাত্র পুত্রকে পথভ্রষ্ট করতে আশ্রমে এসেছিল। সেই প্রভাতে আশ্রম থেকে বেরিয়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজেছেন অরণ্য, আর একবারে ফলমুল সংগ্রহ করে আশ্রমে ফিরেছেন মধ্যা‎হ্নে। কিন্তু কোথাও তিনি কোনো নারী তো দূরের কথা কোনো মানুষের দর্শনও পান নি। তাহলে কে তাঁর পুত্রের দেহ অপবিত্র এবং চিত্ত বিভ্রান্ত করে দিয়ে গেল? এই প্রশ্ন তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছে, দুশ্চিন্তায় তিনি রাতে ঘুমুতে পারছেন না। কেবলই মনে হচ্ছে তিনি পুত্রকে হারিয়ে ফেলবেন না তো?

    ব্যাংক লুটপাট অর্থমন্ত্রী ও সিনেমা সারেন্ডার!


    রোজার ইদকে কেন্দ্র করে তখন বিটিভি'তে তিন দিনের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকতো। ইদের অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলো বিকেলবেলা বাংলা সিনেমা। ঘরভরা লোকজন। শ্বাসপ্রশ্বাস ফেলার ফুসরত নেই। ইদ উপলক্ষে মফস্বল-শহর থেকে গ্রামের বাড়ি ফেরা লোকজন মিলিয়ে সরগরম। তখন আমাদের এই ছোট্ট গাঁ'য়েও দু'চার দশজন সরকারি চাকুরে। কেউ শিক্ষক, কেউ ব্যাংকার কেউবা স্বাস্থ্যসহকারি। তো এমনি এক ইদে আমরা বাংলা সিনেমা দেখছিলাম। সারেন্ডার। নায়ক জসিম আর নায়িকা শাবানা। আরও অনেক নায়ক-প্রতিনায়ক ছিলেন। আজ আর এতোকিছু মনে নেই। কাহিনি শুরু মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অস্থিরতা, বেকারত্ব এইসবকে অবলম্বন করেই। জনা পাঁচ-সাতেক বন্ধু সেই সময় চাকুরি

    কবিতাগুচ্ছ


    মন ভেঙে প্রেমিকারা অমর হয়,
    কবিরা হয় বেশ্যা,
    খোদ্দের শেখে-
    ভালবাসা হইতেছে সাহিত্যের চক্রান্ত, বাস্তবে ইহার অস্তিত্ব নাই।

    বই: ইছামতি, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়



    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮৯৪-১৯৫০) আরেকটি অসাধারণ উপন্যাস 'ইছামতি'। যশোরের সুন্দরবনের পাশে ইছামতি নদী। উপন্যাসের পটভূমি ইংরেজদের দুঃশাসন, সেই সময়কার গ্রামীণ জীবনের চিত্র, বিভিন্ন প্রথা, কুসংস্কার ইত্যাদি।

    ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন হিন্দু হয়েও কোরআনের বাংলায় অনুবাদ করেছেন – সময়কাল যদি আজকের দিন হত – তাহলে তিনি কি বাহবা পেতেন?



    আচার্য্য কেশব চন্দ্র সেনের পরামর্শে তার শিষ্য গিরিশ চন্দ্র সেন নিজে আরবি শিখে বাংলা ভাষায় কোরআন অনুবাদ করেছেন কি শুধু নিজের বিদ্যা জাহির করার জন্য? উত্তর হবে মোটেও নয়। বরং এটা ছিল একটা বিরাট পদক্ষেপ। বাংলার ধর্মান্তরিতরা মানুষের মধ্যে নবধর্মে দীক্ষিত হয়ে উঠা মানুষগুলো ওরা যেন তাদের নিজের ধর্মের আসল মানেটা বুঝতে পারে, তাহলে হয়তো তাদের মধ্যে হিংস্রতা থাকবে না। কিন্তু বাস্তবে কি তা হয়েছে? হয়নি বরং এর উল্টোটা হয়েছে। একারনেই জোর করে বলা যায় গিরিশ চন্দ্র সেন কোরআন বাংলায় অনুবাদ করার কাজটা ১৮৮১-১৮৮৬ সালে না এক বর্তমান সময়ে করতো – তাহলে তাতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারা দাবীউঠত সারা ভারতবর্ষ জুড়ে এবং ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের এককাজের মর্যাদা হিসাবে বহু হিন্দুর নির্ধন যজ্ঞ হত সোৎসাহে।

    বুক রিভিউ - “সাক্ষী ছিলো শিরস্ত্রান”


    তাজউদ্দীন যেন সেই গ্রীক পুড়ানের একেলিস । তার পরিণতি হৃদয় বিদারক , ট্র্যাজিক । এই বঙ্গ ভূখণ্ডে তার মত কাণ্ডারির গল্প যেন রূপকথাকেও হার মানায় । প্রচণ্ড হতাশাও ভিতরেও যিনি প্রতিজ্ঞা করেন হতাশ হওয়া যবে না , সেই মানুষটির পরিণতি হয় যখন রক্তাত্ত , নিথর দেহে জেলখানায় পড়ে থাকা তখন আসলে ইতিহাস থমকে দাড়ায় , বাঙ্গালীর ভাগ্যাকাশ থেকে ঝরে পড়ে আরো একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর