নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • ড. লজিক্যাল বাঙালি
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • রিপন চাক
    • বোরহান মিয়া
    • গোলাম মোর্শেদ হিমু
    • নবীন পাঠক
    • রকিব রাজন
    • রুবেল হোসাইন
    • অলি জালেম
    • চিন্ময় ইবনে খালিদ
    • সুস্মিত আবদুল্লাহ
    • দীপ্ত অধিকারী

    আমার ইচ্ছা


    আমি এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ।বহু সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জীবনে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে পেরেছি। পরিবারের সদস্যদের আশা আমিই তাদের আর্থিক দুরবস্থা ঘোঁচাবো ও আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটাবো ।নিজের পড়াশোনা ও আনুষাঙ্গিক খরচ নির্বাহের জন্য শিক্ষকতা করি ।আমি অনেক বিষয়েই শিক্ষা দিতে পারি তবে ছাত্রছাত্রীরা প্রধানত আমার কাছে দর্শন ও ইতিহাস শিক্ষণের জন্য আসে । আমার শ্রেণী কক্ষে জ্ঞানের অবাধ বিচরণ- শিক্ষা ,সাহিত্য ,বিজ্ঞান ,ধর্ম ,দর্শন ,ইতিহাস প্রভৃতি বিষয়ের অবাধ বিচরণ জ্ঞান সেখানে মুক্ত ।আসলে আমি শিক্ষক হিসাবে হেনরি লুইস ভিভিয়ান ডিরোজিও কে নিজের আদর্শ বলে মনে করি ।ডিরোজিওর শিক্ষার আদর্শে অনুপ্রাণিত

    ধর্ম, রোহিঙ্গা এবং ইত্যাদি (১ম পর্ব)


    হুম, আমি জানি তারা খুব কষ্টে আছে। হ্যাঁ তাদেরকে আমি ভালোবাসি, কারন তারা মানুষ এবং আমরাও। সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে কিছু নাই-এই চিরন্তন বানীকে আমি শ্রদ্ধা করি। রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের সব নির্যাতিত সম্প্রদায়ের প্রতি রইল সমবেদনা। যেহেতু রোহিঙ্গা ইস্যুর সাথে ধর্ম জড়িত,তাই ধর্মকেই আগে বিশ্লেষণ করাই শ্রেয় বলে আমি মনে করি।

    একজন সু চি-র শান্তিকামনা


    একটি দেশ। সুন্দর এবং গোছানো ভাবধারার মানুষেরা সে দেশে বাস করেন। দেশের ছোট্ট এক কিশোরী মানুষকে ভালোবাসে। সে মানুষের উপকারের কথা ভাবে। সে এই পৃথিবী এবং তার চারপাশের সব কিছুতে মুগ্ধ। কিশোরী বড় হয় এবং যৌবন পেরিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছায়। সে গণতন্ত্র আর মানবতাবাদ নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই পৃথিবীতে শান্তি ফেরানো তার স্বপ্নে পরিণত হয়। একসময় সে নিজের দেশে গণতন্ত্রের ধ্বজা উড়িয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়াসী হয়।

    ইনোসেন্স অব মোহাম্মদ


    অামরা সকলে জানি, রাহমাতাল্লিল অালামীন ছিলেন চরম মানবতাবাদী। তার দিল ছিলো মারাত্মক কোমল ও পরিষ্কার!
    অাল্লাহর চাপে পড়ে তিনি এমন অনেক কাজ করেছেন যা তিনি কখনো করতে চাননি। অাসুন দয়ার নবীর এমন কিছু কষ্টদায়ক কাজের কষ্টের ভাগিদার অামরাও হই -

    বেলুচিস্তানের অধরা স্বাধীনতা ১:


    আজকের বেলুচিস্তান দেশ বিভাগের আগে ছিল কালাত আর সেটা কখনোই ভারতীয় উপমহাদেশের অংশ ছিল না। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তখন কালাত ছিল অন্যান্য দেশীয় রাজ্য কিংবা ভারত ও পাকিস্তান ডমিনিকান থেকে ভিন্ন। ১৮৭৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী, কালাত একধরনের ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম’ রাষ্ট্রের মর্যাদা ভোগ করত। উপমহাদেশে ব্রিটিশ সরকার থাকাকালীন কালাতের শাসকদের পক্ষে মুসলিম লীগের নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন বেতনভুক আইনি উপদেষ্টা। তিনি সে সময়ে কালাতের স্বাধীনতার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়েছেন। পাকিস্তান হওয়ার পর জিন্নাহ ১৮০ ডিগ্রী পাল্টি খেলেন আর কালাতের স্বাধীনতা খর্ব করতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিলেন

    মানবতা কি খালি অমুসলিমদের দেখাতে হবে ? মুসলিমদের কোন মানবতাবোধ নেই ?


    আই এস এর তান্ডবে যখন লক্ষ লক্ষ মুসলমান , ইয়াজিদি , খৃষ্টান বাড়ী ঘর ছেড়ে শরনার্থী হচ্ছিল , পাশের তুরস্কই প্রথমে তাদেরকে আশ্রয় দিতে চায় নি। পরে অবশ্য আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে দিয়েছে। সৌদি আরব , কুয়েত , কাতার ইত্যাদি আরব দেশের কেউই তাদেরকে আশ্রয় দেয় নি। যদিও ৯০%ই ছিল মুসলমান শরনার্থি। সেই মুসলমানদেরকে আশ্রয় দিয়েছে হাজার কিলোমিটার দুরত্বের ইহুদি নাসারা কাফেরদের দেশ জার্মানি , ফ্রান্স , ইতালি ইত্যাদি। ইহুদি নাসারা কাফেররাই তাদেরকে মানবতা দেখিয়েছে। মুসলমানরা মানবতা দেখায় নি।

    ফোর জি সেবা যেন নামেমাত্র না হয়



    আমি ফোরজি নেটওয়ার্কে ডাটা ইউজ করতে থ্রিজির থেকে দশগুণ স্পিড চাই না। লাইসেন্স দেরীতে হলেও দিচ্ছে, বা এইদেশে সব ভাল দেরিতে হয় সেটাও মানা গেল। কিন্তু ভাল হবে নাম দিয়ে আসবার পর মোবাইলে ইউটিউব ভিডিও চালাইলে আমার মোবাইল স্কিনে যেন গোল্লা চাক্কা ঘুরতে না থাকে অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী।

    বিবেকের চৌকাঠে ধর্মের তালা ঝুলছে!!


    ঈশ্বরের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা ভাঙ্গা মূর্তি গুলোর নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা দেখে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়। সত্যি বলতে দেবদেবী গুলো কোনো নির্দিষ্ট শক্তির অধিকারী নয়, তা ধার্মিকরা একটু চিন্তা করলে বুঝতে পারে। তবে সেটা তারা মানতে রাজি না, মানবে বা কেন? ধর্ম মানে তো অন্ধবিশ্বাস,মনে হাজারটা প্রশ্ন জাগলেও প্রশ্ন করা যাবে না!

    অবিশ্বাসীর মনস্তত্ত্বঃ প্রথম পরিচ্ছেদ


    Your Sensual happiness: A judgement of error, that may push you to atheism.

    স্রষ্টায় বিশ্বাস সুখের পথে বাঁধা?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর