নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • মারুফুর রহমান খান
    • নরসুন্দর মানুষ
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ
    • শহিদুল নাঈম

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ কুখ্যাত ঘাতক কাদের মোল্লার রায়-এ ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিক্রিয়া


    ৫ ফেব্রুয়ারী (২০১৩) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক গণহত্যাকারী, ,মানবতাবিরোধী আপরাধী ও যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রায়ের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’। আজ সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়-

    ঢাকা ও চট্টগ্রাম আন্দোলনের ঘোষণাপত্র এবং শপথ বাক্য।


    ঢাকার ঘোষণাপত্র এবং শপথবাক্য,পাঠ করান ইমরান এইচ সরকার

    সংগ্রামী ভাই ও বোনেরা,
    আজ আমরা ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি।আপনাদের এই শ্রম এই ঘাম আজ সারা বাংলার দৃপ্ত শপথ।
    আজ এখানে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যারা বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির পক্ষে এসে দাঁড়িয়েছেন,তাদের সবাইকে জানাই সংগ্রামী শুভেচ্ছা।

    ৩৪৫ খুনের যাবজ্জীবন ‘পুরস্কার’ এবং গো. আজম ‘একুশে পদক’


    সম্ভবত ৯১/৯২ সালে রামপুরা থেকে বের হতো সাপ্তাহিক আকর্ষণ। মালিক ছড়ালেখক সৈয়দ আল ফারুক। আমি নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বে। আমার সহকর্মী ছিলেন- শিল্পী সৈয়দ ইকবাল, কামাল মাহমুদ, পীর হাবীবুর রহমান প্রমুখ। তখন আকর্ষণের প্রচ্ছদ কাহিনী করা হয়েছিলো- কুখ্যাত গো. আজমকে নিয়ে। তখন গো. আজমের একটা ছবির জন্য মগবাজারে গেলে কাদের মোল্লা ড্রয়ার থেকে গো. আজমের এক গাদা রঙ্গিন ছবি রেব করে দেয়। আমি বললাম, এতো ছবি কেনো? কুখ্যাত কাদের মোল্লা বলেছিলোঃ লেখার ভেতরে বাঁশ দিলেও হুজুরকে তো আপনারা ফোর কালারে ছেপে ঘরে ঘরে ড্রয়িং রুমে স্থান করে দিচ্ছেন!

    পল্টনের আত্মকথা…


    গত ক'দিন ধরেই প্রচন্ড মন খারাপ করে আছে 'পল্টন ময়দান'।আজকে তা বেড়ে গেছে শত গুনে।নিজের ফেসবুক আইডি 'ঐতিহাসিক পল্টন' এ লগইন করে প্রচন্ড হতাশ হয় সে।কোন ম্যাসেজ নেই,নোটিফিকেশন নেই,নেই ওয়াল পোষ্টও।বাস্তব জীবনেও সে ইদানীং প্রন্ড শান্ত।কোন চিল্লাচিল্লি নেই,হই হুল্লোর নেই,নেই ভাগ বাটয়ারার হাতাহাতি,গালাগালি।আয়নার সামনে গিয়ে নিজের চেহারাটা দেখে মনে হয় যেন প্রানহীন ধূধূ মরূভুমি।শেষ কাকটাও এইমাত্র উড়ে গেলো শাহবাগের দিকে,প্রজন্ম চত্ত্বরে একটু ঠাই খুজে নেবার আশায়।

    ছাড়া হবে না এ রাজপথ


    যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের দাবিত যখন সারা দেশের সাধারন মানুষ হতে শুরু করে দেশের আপামর সর্বস্তরের জনগণ এক কাতারে মিলিত হয়েছে, তখনও রাজনৈতিক নেতারা একজন আরেকজনের ওপর ক্ষমতার লড়াইয়ের জন্য দোষ চাপাচ্ছে। গতকাল প্রেসক্লাব থেকে রাতে বাসায় ফিরে মধ্য রাতের সংবাদে দেখলাম দেশের চলমান এ আন্দোলনকে বি.এন.পি-র এক প্রবীণ নেতা নামটা এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না টেলিভিশনের পর্দায় বলছেন, গুটি কয়েক এরকম সমাবেশ করে বি.এন.পি সহ ১৮ দলীয় জোটকে তাদের রাজনৈতিক আন্দোলন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারবে না বা তাদেরকে দমাতে পারবে না আ'লীগ। বিরোধীদলের এই নেতা মনে হয় ভূলে যাচ্ছেন চলমান এই আন্দোলন রাজনীতিকে ঘিরে নয়, নয় কোন ক্ষমতার লড়াই।

    আমাদের জয় হবেই


    প্যান্ট খুলে যাবার দশা হায়েনা রাজাকার ও তাদের দোসর জামাত শিবিরের। প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন ওদের এত দিনের স্বস্তির ঘরে আগুন জ্বেলে দিয়েছে। কাঁপিয়ে দিয়েছে ওদের ভীত, জঙ্গিবাদে দাবিয়ে রাখতে চেয়েছে দেশের মানুষ কে। খুন, রগ কাটা ধর্মের নামে নোংরামি করে বিভ্রান্ত করে রাখতে চেয়েছে সব সময়, শান্তি প্রিয় মানুষরা এতো দিন চুপ চাপ সহ্য করেছে। ওরা মনে করেছিল আমরা মেরুদণ্ডহীন জাতি। ধর্মের নামে গোঁড়ামি, কু সংস্কার,বানোয়াট হাদিস আর ফতোয়া দিয়ে দেশের মানুষ কে জিম্মি করতে চেয়েছিল। নিজেদের পাপ আর কু-কর্ম ঢাকার জন্য চালিয়েছে ধর্মের নামে অত্যতাচা, যার সাথে ইসলাম ধর্মের নেই এতো টুকু সম্পৃক্তা। স্বা

    তাৎক্ষণিক ছোট্ট এক প্রতিক্রিয়া


    ভাইয়েরা আমরা বাঙালিরা কতটা নিচে নেমে গেছি....
    ছিঃ ছিঃ

    এই photo টা দেখেন..কমেন্ট গুলা পড়েন..
    এত নিচ কেমনে হয় মানুষ..

    https://www.facebook.com/photo.php?fbid=141986629298215&set=a.1107363890...

    নারীদের নিয়ে কি মন মানসিকতা এদের ‼‼
    গানবাজনা নিয়ে প্রশ্ন তোলে?/
    ওরে বেজন্মার দল তোরা যখন হাদীস পইড়া গোপন ফোল্ডার থেইকা পর্ণ চোদাও তখন তোর ধর্ম প্রীতি কই থাকে??
    আর যেখনে প্রজন্মর গান পরিবেশন করা হচ্ছে - সেখানে তোরা কটাক্ষ করিস ‼‼
    জিহবা টেনে ছিড়ে নিব নেড়ি কুত্তার দল , শুনেছিস? জাস্ট ছিড়ে শকুন দিয়া খাওয়ামু ‼‼

    ►▓▓ ভাইয়া-তুমি তো শিবির-তাই না????▓▓▓◄


    এই যে ভাইয়া শুনছেন???? হ্যা আপনাকেই বলছি??
    আপনি তো শিবির করেন...
    তা ভাইয়া শিবির মানে কি?? এহেন অবান্তর প্রশ্নে যে কেউ উচ্চবাচ্চে হাসিবে...
    ''নিদারুন ইসলামভীতি/খুবই শক্ত আল্লাহ ভীতি-/পরিপূর্ণ ইসলামী জীবনাদর্শ /শান্তি প্রিয় রাজনীতির --এর অপর নামই তো জামায়াতে ইসলামী তথা ইসলামি ছাত্রশিবির..'' তাই না ভাইয়া????

    শুয়ারের বাচ্চা -আর একবার এই কথা কইলে তোর মুখের চিপকানিতে আলকাতরা ঢালুম...

    তা ভাইয়া আপনারা ফেইসবুকে দেখি খুবই active..
    আবার আপনারা নিজেদের page/wall এ ইসলামী পোষ্ট মারেন/আবার দেখি sunny leon এর photo তে লাইক মারেন..‼‼‼

    তোমরা যারা শিবির করো - মুহাম্মদ জাফর ইকবাল


    বেশ কিছুদিন আগের কথা। আমি আমার অফিসে যাচ্ছি, তখন আমার দুজন ছাত্রের সঙ্গে দেখা হলো, তারা আমাকে কিছু বলল না কিন্তু তাদের দেখে আমার মনে হলো, তারা আমাকে কিছু বলতে চায়। আমি জিঞ্জেস করলাম, তোমরা আমাকে কিছু বলতে চাও ? তারা মাথা নাড়ল, একজন কুন্ঠিতভাবে আমার হাতে দুটি বই তুলে দিয়ে বলল, স্যার, আপনাকে এই বই দুটি দিতে এসেছি। আমি বই দুটি নিলাম। বিজ্ঞাপনের ওপর চমতকার দুটি বই, হাতে নিয়ে বললাম, থ্যাংকু। সুন্দর পাবলিকেশন্স। তারপর বই দুটি খুললাম, ভেতরে লেখা ইসলামী ছাত্রশিবির।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর