নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • শাম্মী হক
    • সলিম সাহা

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    শাহবাগে যাবো কেন?


    পাহাড়ের নানা সমস্যার সমাধান-বিচার না পেয়ে আমরা জুম্ম আদিবাসিরা নানা ক্ষোভে দিনযাপন করি। শাহবাগ শুরু হলে এক ছোটভাই এভাবে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেঃ

    তার উদ্দেশ্যে আমার বক্তব্যঃ

    ব্লগাররা একটু ভেবে দেখবেন কী


    আগে ভাবতাম মানুষ মনে হয় ছাগুদের কথায় পাত্তা দেয় নি কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি আমরা তাদেরকে প্রতিনিয়ত খুব পাত্তা দিয়ে যাচ্ছি। জামাত-শিবির শাহবাগ আন্দোলনকে নাস্তিকদের আন্দোলন বলে প্রচার করতে থাকে কিন্তু অবাক কাণ্ড হল আমাদের ব্লগারাও তাদের তালে তালে নিজেকে আস্তিক হিসেবে উপস্থাপন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।

    জ্ঞানপাপী


    সত্যিই আজ কে মনটা অনেক খারাপ ব্লগটা লেখার মত পর্যাপ্ত শক্তি ও শরীর এ পাচ্ছি না। এত দিন আমার দেশ আর মাহমুদুর রহমান এর নাম শুধু শুনেছিই। আজ কে সেই কৌতূহলবসতই আমার দেশ পত্রিকার অনলাইনভার্সন দেখতে বসলাম আর তাতে জেধরনের খবর দেখলাম তাতে আমার হৃদয় ভেঙে পরল। প্রকৃত জ্ঞানপাপী কাকে বলে তার উতজল উদহরন মাহমুদুর রহমান। আমার আজ কে খুব ভয় হচ্ছে কনকারনে যদি আন্দোলন বের্থ হয় তাহলে ইমরান ভাইদের কি হবে?

    প্রলাপের অন্দরমহল


    পাথরে পাথরে রেখে যাচ্ছি ফসিল। বহুকাল পর
    হয়তো কেউ আমার চিহ্ন দেখে জানবে নগরীর ইতিহাস।
    এই যে নগর, এত উৎসব কোলাহল এত সমাহার
    সব হয়ে উঠবে চিহ্ন।
    হ্যাঁ। কেবল জড় সংকেত।

    বিষন্নতার পায়রা সকল, খুশি মনে উড়ে বেড়ায়
    আওড়াতে থাকে মলিন জন্মের বুলি
    মগজ থেমে যেতে চায়
    স্বাধীন বহুগামী জগতে বন্ধনের ঠাই নেই।

    মায়া কাব্যের প্যাঁচানো জালে
    জড়ানো সব মনুষ্যজন্ম
    কবে নিস্তার পাবো এই স্বপ্ন থেকে
    কবেই বা হবে অনন্ত যাত্রা?

    দামিনী ও প্রতিদিনের গল্প।


    আজকের খবরের কাগজটা উল্টে-পাল্টে দেখে মনে কয়গুচ্ছ আবছা কালো মেঘ জমে গেল শারমিন জাহানের। আজ কয়দিন হল বেশ উৎকন্ঠায় ছিলেন। বুঝতে পারছিলেন না বাঁচবে কিনা। কিন্তু আজ সব আশা শেষ করে মারা গেলে মেয়েটি। দামিনী আর পারল না। প্রথম-আলো একটা দিন শুধু এটা জানতেই দেখেছেন দামিনী বেঁচে উঠে কিনা?

    প্রসঙ্গ : প্রকৃত মুক্তমনা অবিশ্বাসী ও ধর্মবিদ্বেষী অবিশ্বাসী


    বর্তমান যুগে যেই সকল মুক্তমনা দাবীদার অবিশ্বাসীদের দেখা পাওয়া যায় তাহাদের অনেকে কেবল নামেই মুক্তমনা, আদতে তাহারা চরম সাম্প্রদায়িক মনোভাব সম্পন্ন ব্যক্তি। তাহারা তাহাদের অবিশ্বাস প্রচারের নামে ধর্মীয় পুস্তকসমূহের, ধর্মীয় রীতিনীতির বিষোদগার করিয়া বেড়ায়, ধর্মসমূহের মহাপুরুষদের ফুটো খুঁজিয়া বেড়ায়। এইসকল কাজকর্মে করিয়া ব্যপক পরিচিতি পাইয়া তাহারা আত্মতৃপ্তি লাভ করিলেও অর্জনের খাতা শূন্যই থাকে। তাহারা বলিয়া বেড়ায় বিশ্বাসী ব্যক্তিদের বিশ্বাস নামক অন্ধবিশ্বাস দূর করিতে তাহাদের মতবাদ প্রচার করিয়া বেড়ায়; অথচ ইহাতে বিশ্বাসীদের অন্ধবিশ্বাস দূর হওয়া তো দূরে থাক, অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে

    রাজীবকে যারা হত্যা করেছে তারাই কাফের! পেশাদার খুনী মুসলিম হতে পারে না!


    আমাদের স্থানীয় মসজিদে জুমা’র নামায পড়তে গিয়েছিলাম। যদিও জানতাম ঐ দিন সমস্ত মসজিদে ভাষা শহীদ আর মুক্তি শহীদদের জন্য দোয়া করা হবে, কিন্ত ইমাম সাহেব করলেন উল্টোটা। উনি ব্লগে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর সামাজিক ওয়েব সাইটে লেখার মর্মস্পর্শী বর্ণণা দিলেন আর কেঁদে ফেললেন। দুই-চারজন দেখলাম উঃ উঃ জাতীয় শব্দ করে তাল মেলালেন। সন্দেহ হল একটা প্রিপারেশন নিয়েই তারা এসেছে। তবে এই এলাকায় বেশীর ভাগ লোকই শিক্ষিত আর বিচার বুদ্ধিসম্পন্ন বলে সুর মেলালেন না আবার বাধাও দিলেন না। কেউ আজকাল ঝুঁকি নিতে চায়না, আমিও তার ব্যতিক্রম নই। এ এলাকায় কে কোথায় থাকে সবাই জানে!

    আমি বিশ্বজিত্‍


    আমি হেঁটে যেতে চাই সেই রক্তাক্ত পথ ধরে,

    যে পথে হেঁটে গেছে বিশ্বজিত্‍।

    আমি চাই আমার দেহ রক্তাক্ত হোক কুকুরের থাবায়।

    রক্ত দিয়ে আমি চিঠি লিখব,

    ৩০ লক্ষ শহীদের কাছে।

    ২ লক্ষ মা বোনের কাছে।

    রক্ত দিয়ে আমি এপিটাফ লিখব,

    রাজন্যবর্গের শাড়ির আঁচলে।

    আমাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দে,

    নইলে স্বাধীনতা খাব।

    ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১২

    (লাষ্ট লাইনটা "ভাত দে নইলে মানচিত্র খাব এর অনুরণে"।)

    সাম্রাজ্যবাদ ও জাতীয় সম্পদ লুন্ঠন : প্রেক্ষিত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাত


    ..... এ কথা নির্র্দ্ধিধায় বলা যায় যে, বিদ্যুৎ খাতে এ ধরনের ব্যত্যয়গুলো ইচ্ছে করে ঘটানো হচ্ছে। কারণ নীতির বাইরে অস্বচ্ছ পদ্ধতিতে এ ধরনের জটিল কারিগরী খাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যুৎ খাতে সংকট জিইয়ে রেখে দীর্ঘ কয়েক বছর এখাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আজ বিদ্যুৎ খাতের অবস্থা বুঝতে নীচের প্রতিবেদনটির দিকে নজর দিতে অনুরোধ করছি।

    ধর্মের অপব্যবহার ||


    ধর্মের অপব্যবহার রোধে আমাদের আসলে কি করা উচিত,এই ভাবনা টা সব সময় আমার মধ্যে কাজ করত,ইদানিং সেটা নিয়ে আরো বেশী চিন্তায় আছি,কারণ জামাত-শিবির ধর্মকে অপব্যবহার করে যে ভাবে সাধারণ ধর্মপ্রান মুসলমানদের চেতনার মধ্যে উস্কানি দিচ্ছে বা দিতে সক্ষম হচ্ছে সেটা প্রশমনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির করনীয় কি অথবা আমাদের যা করনীয় তা আমরা যথাযথ ভাবে পালন করছি কি না,সে বিষয়ে আত্মোপলদ্ধির সময় এসেছে,সর্ব প্রথম আমাদেরকে কোরআন-হাদীস সম্পর্কে ভাল ভাবে জানতে হবে কারণ জামাত-শিবির কোরআন -হাদীসের অপব্যখ্যা করে তরুনদের বিপথগামী করে মুক্তিযুদ্ধের শক্তির বিপক্ষে ব্যবহার করছে,দ্বিতীয়তঃ ফেসবুক কিংবা ব্লগে ল

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর