নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • কাঙালী ফকির চাষী
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • মাহের ইসলাম
    • মৃত কালপুরুষ

    নতুন যাত্রী

    • নীল মুহাম্মদ জা...
    • ইতাম পরদেশী
    • মুহম্মদ ইকরামুল হক
    • রাজন আলী
    • প্রশান্ত ভৌমিক
    • শঙ্খচূড় ইমাম
    • ডার্ক টু লাইট
    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • হিমু মিয়া
    • এস এম শাওন

    অসভ্যতার ক্রমবিকাশ...পর্ব ১


    হুমায়ুন আজাদের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের শেষ প্রান্তে রাশেদ দেখতে পায় তার বইয়ের পাতা পুড়ছে। বইয়ের পাতা পুড়ছে, ছাই হচ্ছে। ছাই হচ্ছে একটা জাতি। পুড়ছে, ছাই হচ্ছে তার বর্তমান, তার ভবিষ্যৎ
    এখনো পুড়ছে, ছাই হচ্ছে। পুড়ছে গাড়ি, বাড়ি, রাস্তাঘাট। পুড়ছে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো শহীদ মিনার, আমার লাল সবুজের পতাকা, আমার মানচিত্র। আগুনের তাপে ধড় থেকে আলাদা হচ্ছে মুন্ডু। দেহ থেকে আলাদা হচ্ছে শিরা উপশিরা। গলে গলে পড়ছে মাংস। লাল নীল রক্ত যাচ্ছে ছাপাখানায়।
    এতো লাশ, এতো রক্ত দেখে আপ্লুত হয়ে পড়ছে আমাদের রাষ্ট্রীয় কর্তা ব্যাক্তিরা। শান্তনা আর আশ্বাসে তারা জর্জরিত করে ফেলছে আমাদের মধ্যবিত্ত জীবন। পুরো জাতিকে।

    শুধুমাত্র বাংলাদেশেই ২৯টি কিংবা তারও বেশি জঙ্গী সংগঠনের অস্তিত্ব রয়েছে!


    শুধুমাত্র বাংলাদেশেই ২৯টি কিংবা তারও বেশি জঙ্গী সংগঠনের অস্তিত্ব রয়েছে!

    উল্লেখযোগ্য সংগঠন:
    জমিয়াতুল মুজাহিদিন,
    জাগ্রত মুসলিম জনতা,
    শাহাদাত-ই আল হিকমা,
    হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামি,
    শহীদ নসুরুল্লাহ আল আরাফাত ব্রিগেড,
    হিজবুত তাওহিদ,
    জামায়াত-ই ইয়াহিয়া,
    আল তুরাত,
    আল হারাত আল ইসলামিয়া,
    জামাতুল ফালাইয়া তাওহিদি জনতা,
    বিশ্ব ইসলামী ফ্রন্ট,
    জুম্মাতুল আল সাদাত,
    শাহাদাত-ই-নবুওয়ত,
    আল্লাহর দল,
    জইশে মোস্তফা বাংলাদেশ,
    আল জিহাদ বাংলাদেশ,
    ওয়ারত ইসলামিক ফ্রন্ট,
    জামায়াত-আস-সাদাত,
    আল খিদমত,
    হরকত-এ ইসলাম আল জিহাদ,
    হিজবুল্লাহ ইসলামী সমাজ,
    মুসলিম মিল্লাত শরীয়া কাউন্সিল,

    ধান গাছ আর কীটনাশকের গল্প ...... আমার ছত্রাক।


    অনেক দিন আগের পরিচয় ওর সাথে। যখন বীজ ছিল, তখনই চিনতো।

    কে চিনতো?

    ধান গাছ। মানে ধান গাছটা।

    এখন বয়স হয়েছে ওর। তরতাজা সবুজ। কিন্তু আগের পরিচয়টা এখন গলায় কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। আগে কতো সুন্দর কথা হতো ওর সাথে । হয়তো একটু বেশিই ভাব দেয়া হয়ে গেছে ওটাকে। এখন পিছাই ছাড়েনা। "ছত্রাক"টা। খুবিই বেয়াদব।

    সেই ভ্রুনাবস্থা থেকে পরিচয়। এই কটা মাস একটু ভাল করে কথা কি বলা হল, তাতেই একদম মাথায় উঠে জেতে হবে নাকি? আজিব!

    শালার এতো সুন্দর করে লাগানো গাছটাতে "ছত্রাক" ধরল। দারা তোর ব্যাবস্থা কেমনে করতে হয় জানা আছে।(জমির মালিক)

    সাকা'র বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দেওয়ায় খুন হলেন এক মুক্তিযোদ্ধা সাক্ষী !


    যুদ্ধাপরাধীদের বিচার থেকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে জামাত-শিবির। গতকাল শুক্রবার সারাদেশে জামাত-শিবিরের তাণ্ডব সম্পর্কে আপনারা সবাই এতক্ষণে জেনে গেছেন সবকিছু। ওরা সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় শহীদ মিনার ভেঙেছে, ভেঙেছে গণজাগরণ মঞ্চ। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রতিকৃতি ছিঁড়ে ফেলেছে। এর চেয়েও ভয়াবহ ব্যাপার এরা ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের গৌরবের লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলে আমাদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে- দ্যাখ আমরা কি না করতে পারি?

    অরণ্যের দিনরাত্রি # ১ম পর্ব # বর্ষীজোড়া ইকো পার্ক @ মৌলভীবাজার


    পাহাড়, সমুদ্র এবং অরণ্য; এই তিনটার মাঝে কোনটা আমার বেশি পছন্দ? নিজেকে এই প্রশ্ন অসংখ্যবার করেছি। কেন জানি না, সমুদ্র আমাকে ততটা টানে না যতটা না পাহাড় এবং অরণ্য টানে। সেই টানের কারণে সুযোগ পেলেই দেশের বিভিন্ন অরণ্যে ছুটে বেড়াই। ইষ্টিশনের যাত্রীদেরকেও আমি আমরা চলার সঙ্গী হিসাবে পেতে চাই। তাই ধারাবাহিকভাবে দেশের অরণ্যগুলোর ছবিসহ বর্ণনা আপনাদের সাথে শেয়ার করব যেন আপনারা বুঝতে পারেন আমাদের দেশেই কত অসহ্য সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে।

    নিজেরাই সাংবাদিক মারল, ভাষা সৈনিকদের গলা চেপে ধরলো আবার নিজেরাই হরতাল দিল


    বাঙালি চায় ৭১-এর ঘাতক, দালাল ও রাজাকারদের বিচার । যার রায় শুধুই ফাঁসি । কিন্তু ইসলামী সমমনা দলগুলো কি চায় ? তাদের দাবি কি ? তাদের সহিংসতা কি নাস্তিকদের বিরুদ্ধে ? নাকি সাংবাদিক অথবা ১৯৫২ এর ভাষা সৈনিক দের বিরুদ্ধে ?

    *** [[আস্তিকতা-নাস্তিকতা, সাথে কিছু ঝালমরিচের বাস্তবতা]] ***


    পাঠ্য বইয়ের সংজ্ঞা অনুধাবন করিলাম। হা মনে পড়িয়াছে ।
    "আল্লাহ্/ঈশ্বরকে বিশ্বাস না করলে তাহাকে নাস্তিকতা বলা হইয়া থাকে'' । একটু এই মসলাটা তৈরি করা যাক । আলোচনার মাঝে ঝালমুড়ি বানামু।
    ইসলাম সাপেক্ষেই আলোচনা করুম ।

    আচ্ছা তাহলে পাঠ্যবইয়ের সংজ্ঞানুসারে আমরা সার্ফেক্সেল দ্বারা ধৌতকৃত সাদা পান্জাবির মত পরিস্কার ভাবে বুঝিতে পারিলাম ''আল্লাহকে যিনি বিশ্বাস করে সে আস্তিক''
    আর যিনি বিপরিত তিনি নাস্তিক । প্রশ্ন জাইগা গেল । সামনে ডায়ারি ছাড়া জিগানোর মত প্রানী পাইতাছি না । যাই হোক সাদা দেয়াল ভাই রে জিগাইয়া ফেলি ।

    রাজাকার হটাও


    জামাত শিবির রাজাকার সহ এদের সাপোর্টারদের মাথায় যদি গোবরও থাকতো, তাও তাদের মাথা কিছুটা উর্বর হইতো। এইগুলা যে আসলে কি চিড়িয়া, বুঝা মুশকিল! ৭১ থেকে এই পর্যন্ত আকাম তো করছেই, আজকের কাহিনী করে নিজেদের মারা খাওয়ার পরিমাণ বাড়াইয়া নিলো। সবগুলা “ে-কার” ওয়ালা চাদ।

    ২৬শে মার্চ পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে নেওয়া হোক আর দরকার হলে বিজয় দিবস পর্যন্ত চলবে ।


    অন্যায় করে যে ,আর অন্যায় সহে যে দুজনেই সমান অপরাধী !
    আমি অপরাধী হতে চাই না ।শুধু একটা কথাই বলব ২৬শে মার্চ পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে নেওয়া হোক । ২৬শে মার্চে জামাত-শিবির ও ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি আইন করে নিষিদ্ধ করার আল্টিমেটাম দেওয়া আছে । দরকার হলে আইন মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্ম সুচী করা হোক আর কঠিন ,কঠিন কর্মসুচি ঘোষণা করা হোক । জামাত-শিবিরের হরতালের দিন সমাবেশ ডাকা হোক । আমরা সাথে ছিলাম ,থাকব ।

    সেনা উভ্যুত্থানের চেষ্টায় উস্কানি ছড়াচ্ছে জামাত।


    সেনা অভ্যুত্থানের নীল নকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে জামাত। জানা যায় দেশের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পে জামাত উস্কানিমূলক লিফলেট বিতরণ করেছে, যেখানে ধর্মভীরু সেনা সদস্যদের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ফেসবুক এবং ব্লগের নাস্তিকতা নিয়ে লেখালেখিকে ইস্যু করে এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে জামাত-শিবির।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর