নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • কাঙালী ফকির চাষী
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • মাহের ইসলাম
    • মৃত কালপুরুষ

    নতুন যাত্রী

    • নীল মুহাম্মদ জা...
    • ইতাম পরদেশী
    • মুহম্মদ ইকরামুল হক
    • রাজন আলী
    • প্রশান্ত ভৌমিক
    • শঙ্খচূড় ইমাম
    • ডার্ক টু লাইট
    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • হিমু মিয়া
    • এস এম শাওন

    ধ্বংসাত্মক হরতাল কখনই প্রতিবাদের ভাষা হতে পারেনা ...


    ধ্বংসাত্মক হরতাল কখনই প্রতিবাদের ভাষা হতে পারেনা । আর হরতাল তখনই সম্ভব যখন সর্ব সাধারন থেকে শুরু করে সবাই হরতালকে সমর্থন জানাবে । একটি হরতাল তখনই প্রতিবাদ হবে যখন হরতালকে সমর্থন জানয়ে কৃষক কাজে না গিয়ে ঘরে বসে থাকবে । ঘরে বসে থাকবে সকল শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে সকল শ্রেণির মানুষ । কিন্ত জামাত শিবিরের হরতাল মানেই এখন আতঙ্ক । যে আতঙ্কে বিভ্রাট ঘটে পাবলিক পরীক্ষা থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষার । শুধু তাই নায় পিছিয়ে পড়ে দেশের অর্থনীতি । থমকে যায় জীবনযাত্রা ।

    আমাদের স্বাধীনতা কোথায় ?


    ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ইংরেজরা এদেশের শাসন ক্ষমতা দখল করে । আর সেই থেকেই বাঙ্গালী জাতির মনে দানা বাঁধতে থাকে বিক্ষোভ, আন্দোলন,ও সংগ্রামের চেতনা । যার ফলে ১৯৪৭ সালে জন্ম নিয়েছে ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমে মিলে পাকিস্তান নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র । কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানিরা বরাবরই আমাদের সাথে ভিন দেশীর মত আচরণ করতে থাকে । তারা আমাদের শাসন ও শোষণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তারা আমাদের অধিকার গুলো কেড়ে নিল, যার ফলে বাঙ্গালী জাতি আবারো মুক্তির নেশায় উন্মুখ হয়ে উঠে । পাকিস্তানিরা যখন আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চাইল , ঠিক তখনই ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দলন বাঙ্গালির নিকট আজন্ম মাইল ফলক হয়ে থাকবে । যার সূ

    তোর দেশে জোছনা বিহার


    কালা পানির মাঠ পেরুলেই জোছনার বন
    যেথায় কাফিলা বৃক্ষের পাদ-দেশে বসে জোছনার হাঠ
    যুবক বেছে নেয় রুপালি ডানা

    জোছনার হাঠ থেকে কিনে পাওয়া রুপালি ডানায়
    সফেদ শুভ্র পালক গুজছে যুবক
    পাড়ি দিতে তোর দেশে জোছনা বিহার

    চুরি যাওয়া সব তাঁরা বুক পকেটে নিয়েই ফিরবে
    ইচ্ছে হলে তোর আকাশে ছড়িয়ে দিয়ে গুনে নিবি!

    ভীষন ইচ্ছের স্বপ্ন ভেবে
    বালিকা পড়ে থাকে ঘুম, ঘোরের ভেতর
    মৌনতার ডানা ঝাপটায় যুবক
    ফেলে আসে পালক, সফেদ শুভ্র; শুদ্ধতার...

    ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চারা শাহবাগের বল দিছে মহামুত্ররে


    মাঠে প্রতিপক্ষ গোল দিয়েছে, ছলচাতুরী করে দিয়েছে, আমার ডিফেন্ডারকে ল্যাং মেরে গোল দিয়েছে, ওই দলটা এমনিতেই গায়ে মাইরা খেলে। এগুলারে বলে বাঙ্গালির ৩ নাম্বার হাত, অযুহাত। সোজা কথায় আমরা গোল খাইছি। আমগো কাছে বড় বিষয় হইতে হইবো আমগো ডিফেন্ডার কেন, ল্যাং খাইয়া পউড়া গেলো? ওরা মাইরা খেললে আমরা কি বাল ফালাইছি? কারন সব কথার শেষ কথা গোল খাইছি।

    ২৭ ফেব্রুয়ারি পত্রিকার দেশের নাম্বার ওয়ান পত্রিকার খবর, “ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নয় জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ চাই: শাহবাগের ঘোষনা”। ‘ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, আইন করে নিষিদ্ধ করো” এই শ্লোগান কোথায় দেয়া হয়েছিল? শাহবাগে। লেঞ্জা টান খাইছে। মহামুত্র সাহেবের শটে পিছাইয়া গেছে। কেনরে খোকারা আগে ভাবস নাই এসব!!!

    শাহবাগ, গণজাগরণ মঞ্চ, ধর্ম, অধর্ম সব ঘটনা আর ইতিহাসের নায়ক এখন আমার কাছে একজনই, তিনি হচ্ছেন মহামুত মিয়া। দৈনিক ‘মোর দ্যাশ’ পত্রিকার সম্পাদক। ভাই এইটুকুতেই চেইত্যেন না। কইতে দেন...

    আপনাদের যার যার বাড়িতে ফোন দেন, লেবার পার্টি, কংগ্রেস আর যা যা দল আছে হেতো থেইক্যা মোট ১০ জনরে ফোন দেন। দিয়ে জিজ্ঞাসা করেন, ‘শাহবাগে কি হচ্ছে?’ পরীক্ষা করে দেখেন, উত্তর আসবে, ‘ইসলামের বিরুদ্ধে সমাবেশ চলতেছে, এখানে আসলে দৈনিক ৩০০, ৫০০, ১০০০ টাকা করে দেয়, ওখানে নাস্তিকদের আড্ডা,,ইত্যাদি ইত্যাদি।

    কি বলবেন? এসব জামাতিদের প্রচারনা। কথা সত্যি এবং এটা মিথ্যা রটনা। যা সফলভাবে রটাতে পেরেছে মহামুত মিয়া।

    তাহলে আমরাওতো প্রচারণা কম চালাইনি। কিন্তু মিথ্যাটা প্রচার হলো কিভাবে!!! অবাক হওয়ার কারন নেই। খুলে বলছি...উনারে আমরা বল আগাইয়া দিছি।

    নিষ্ফলা


    গল্পগুলি হয়তো নির্বাক ছবির মতো বিমূর্ত নয়,
    কাব্যেরা বোধহয় কথা বলেনা পিকাসোর ছবির মতো করে।
    শব্দগুলি কী অবোধ- শিশুর মতো ছলছল চোখে তাকিয়ে রয়,
    যেন অভিমানী কোন বালক- ঘুম ভেঙে খোঁজে মায়ের শাড়ির আঁচল।

    কলমটা কেবল গেঁয়ো চাষা –ভুষোর মতো
    ব্যাগার খাটুনি খেটে শব্দ বপন করে চলে হাঁটুজল বিলের মাঝে;
    বরষা, শরত কোন কিছুর বালাই বোঝেনা সে পাগল ।

    যে শ্রাবণ চোখের জল ঝরায় অঝোর ধারায়
    তার বর্ষণে কী অধিকার আছে!
    যে কাগজের ফুল প্রজাপতির পাখনা মেলতে জানেনা
    তার শোভা বর্ধনে কী অভিলাষ জাগে!
    যে চাষাড়- হাড়খাটুনি হাঁটু ভেঙ্গে পেটের ভুখ মেটেনা,
    তার কর্ষণে কী অধিকার থাকে!

    তবে মৃত্যু হোক!

    এরা ধর্মীয় সর্বহারা শ্রেণী


    ইতিহাসে হিটলারের ব্যার্থতার বড় একটি কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তার রাশিয়া আক্রমন । বলা হয়ে থাকে একই সাথে একাধিক ফ্রন্ট এ লড়াই শুরু করার কারণেই হিটলারের অভিযানের ব্যার্থ পরিণতি ।

    আমাদের গণ জাগরণ মঞ্চের ও একি অবস্থা!! ভুল ইস্যুতে কথা বলে জামাতের ফাঁদে পা দিয়ে আজকে হজবরল অবস্থার সৃষ্টি!! আপনি যখন কোন আন্দোলন করতে যাবেন আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেই দেশের মানুষের চিন্তা চেতনা সম্পর্কে!!

    শহিদুল হক মামার সাক্ষাৎকার।


    শহিদুল হক মামা। ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযুদ্ধে যিনি সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। গেরিলা বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বর্পূণ কাজে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। মিরপুরে কাদের মোল্লা ও বিহারীদের নির্মম ধ্বংসলীলা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। এছাড়াও তিনি ৬৬, ৬৯ গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি জড়িত ছিলেন। মিরপুর তিনিই বিহারীদের সামনে পাকিস্তান পতাকা নামিয়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন সাহসের সঙ্গে। শহিদুল হক মামা কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মানবতা অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন এছাড়াও যুদ্ধাপরাধী ফাঁসির দাবীতে শাহবাগ চত্ত্বরের আন্দোলনে তিনি যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও এই সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের দূর্বলতা সসর্ম্পকেও স্পষ্টভাবে কথা বলেছেন।

    উন্মাদ লেখক -প্রকাশক : ফেব্রুয়ারি -ই কি উন্মাদ নৃত্যের একমাত্র সময়?


    আমাদের কি কাউকে ধ্রুব ভাববার প্রয়োজন আছে? বোধ করি না। বিশেষ মতবাদ কিংবা প্রতিষ্ঠান তো তালিকার বাইরে। তাইতো সুবিধাবাদীদের ভীড়েও মাঝে মধ্যে দু একটি হক কথা স্পর্ধার সাথে বলার সাহস রাখি। একে ঔদ্ধত্য ভাবলে করার কিছুই নেই। কপট বিনয় অপেক্ষা সরল ঔদ্ধত্য শ্রেয়।

    কৃষ্ণ বর্ণা নারী


    কৃষ্ণ বর্ণা নারী
    কৃষ্ণ বর্ণ হেতু ,তব নয়নে কেন বারি ?
    পার্লারের ওই স্বস্তা হস্তে ছোয়াও অধর তোমার
    মুদ্রা বিনিময়ে হইবে কি কালোর সৎকার ?
    কৃষ্ণবর্ণ হোক তোমার অহংকার
    হার মনিবে তোমার কাছে ঐ নষ্ট শ্বেতাঙ্গের নোংরা আঁধার l

    বিধাতা তোমারে করিয়াছে কালো
    সেইতো তোমাকে রাখিবে ভাল
    বর্ণ ভুলিয়া অন্তরে তাই শুভ্রতা তুমি ঢাল l

    সেই হইবে আপন তোমার
    স্বস্তা রূপ যার মনে যোগায়না আহার

    পশ্চাৎদেশ !


    আনমনে একটি ধূম্র-শলাকার মুখাগ্নি করিতে গিয়া ধরাইলাম কিনা পশ্চাৎদেশে! ওষ্ঠদেশে কিঞ্চিত হাসির রেখা অঙ্কিত হইলেও বিন্দুমাত্র ক্ষোভের উদ্রেগ ঘটিলনা। নর-সুন্দরের ন্যায় ভাব লইয়া আনাড়ি আঙ্গুলে কাগজ কাটিবার কাঁচি খানা চাপাইয়া নরম তুলোর পশ্চাৎদেশের খানিকটা কচ করিয়া কাটিয়া ফেলিয়া দিলাম। ভাবলেশহীন পুনরায় অগ্নি সংযোগের চেস্টা লইয়া ফলাফল একই রুপে হাজির হইল! আবারো সেই পশ্চাৎদেশ!!

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর