নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • দ্বিতীয়নাম
    • নিঃসঙ্গী
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • মিঠুন বিশ্বাস

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    ধর্ম বিদ্বেষীদের কঠোর শাস্তি


    সহযোদ্ধা রাজীব হায়দারের মৃত্যুর পর থেকেই নাস্তিক-আস্তিক বিভক্তিকরণের চেষ্টা ছাগুসমাজের । কাঁঠাল পাতার জন্য তারা এখন মান্দার গাছের মগডালে উঠে গেছে । তবে সমস্যা এটাই যে তারা মান্দার গাছে কাঁঠাল পাতা খুঁজে পাচ্ছে না, তাই মান্দার গাছকেই কাঁঠাল গাছ বানাতে চাচ্ছে । নাস্তিকতা আমি সমর্থন করি না । তবে এর সাথে বিরোধও নেই । একজন মানুষের ব্যাক্তিগত মতামত প্রদান করার যৌক্তিগতা রয়েছে । তবে যারা ধর্মবিদ্বেষী তাদের তীব্র বিরোধী আমি । কিছু ব্লগারের জন্য সবাইকে আজ অনেক কষ্টের আর অপমানের সম্মুখীন হতে হচ্ছে । যে আমার ধর্ম নিয়ে আজে-বাজে কথা বলবে তাকে ছাড়বো না । আমাদের কিছু ব্লগার ধর্মবিদ্বেষী তাদের বিচার করতে হ

    সূচনা


    এটা আমার প্রথম ব্লগ। এমন একটা সময়ে ইস্টিশন-এ রেজিস্ট্রেশন করলাম, যখন স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের ওপরে সরকার থেকে বিরোধী দল সবাই খড়গহস্ত। সে যাই হোক, আমি আমার মতামত নিঃসংকোচে প্রকাশ করে যাবো।
    অন্য কোনও ব্লগসাইটে আর কোন “স্ফুলিঙ্গ” আছেন কিনা, জানি না। মনে হয় নেই। তবুও আমার অজান্তে যদি থেকে থাকেন, সেক্ষেত্রে বলতে চাই ইস্টিশন ছাড়া অন্য কোথাও কোনও স্ফুলিঙ্গের সাথে আমার কোন সংস্রব নেই। অন্য কোনও স্ফুলিঙ্গের লেখার দায় আমার ওপর বর্তাবে না।
    প্রথমদিন বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে মিল রেখে জীবনানন্দের একটা সুপরিচিত কবিতা দিয়ে শেষ করি।

    অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,

    বৈশাখ অথবা জ্বরের গল্প।


    দিনটা ঠিক কি ছিল মনে নাই। ধরি শনিবার। শনিবারে শনি আছে তাই। পয়লা বৈশাখ। দারুণ পরিবেশ। উপজেলা কোয়াটার এলাকাটা নিজের মাঝেই বেশ চমৎকার। পরিপাটি। রাস্তাগুলো এমনিতেই দারুণ লাগে মুহিবের। সবসময় ভাবে একটা সাইকেল হলে সে প্রতিদিন এই পিচের উপরে সাইকেল চালাবে। আজকে তো আবার পয়লা বৈশাখ। একটু অন্যরকম করেই সেজেছে সবকিছু।

    হেফাজতের কার্টুন অথবা মামাবাড়ির আবদার


    যেই দেশে পোলিও লইয়া গুঁজব আর চাঁদে সাইদির ওয়াজ চলে সেই দেশে আপ্নে দিনারাইত বাল-হালাইন্যা তত্ত্ব ছাইড়া আইছেন আস্তিক-নাস্তিক ক্যাচাল ছুটাইতে?

    বাদ দেন,লেবু কচলাইতে কচলাইতে কচলাইতে কচলাইতে কচলাইতে করল্লা হয়া যাবে কিন্তু তাহারা চেঞ্জ হবেনা ।
    সেলুকাস,বিচিত্র তারা না; বিচিত্র আমরা ।তারপরও কপালের ফেরে বলতে হয়, উপায় কি?

    শাহ আহমদ শফি সাব এই শেষ বয়সে বিক্রি হবে ; মন সায় দেয়না ।

    অযথা আস্ফালন!ভেবে করছেন তো?


    জামাত বিএনপির কিছু কিছু সমর্থক,নেতা বা সন্ত্রাসী বর্তমানে কিছুটা আত্মগোপনে রয়েছে ।বিশেষ কৌশলে তারা আবাল মোল্লাদের সামনে ঠেলে পেছনে কলকাটি নাড়তেছে ।লক্ষ্য করলে অনলাইন বা অফলাইনে তাদের মধ্যে কারো কারো মন্তব্য দেখতে বা শুনতে পাবেন যে, আগামি নির্বাচনে আমরা জয় লাভ করলে সব কিছু সুদে আসলে শোধ করে নেব ।হ্যা,আগামী নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করবে এটা শতভাগ নিশ্চিত!আমি মনে করি তারা জিতবে ।যারা রাজনীতি কিছুটা বুঝেন এবং অতীত ইতিহাস অনেকটা জানেন তারাও এটা স্বীকার করবেন যে বিএনপি আগামিতে জিতবে ।আওয়ামীলীগ এর সাম্প্রতিক দ্বিমুখীতা বিএনপির জয়লাভের দিকটি পাকাপোক্ত করতে আরো অনন্য অবদান রেখেছে ।মোদ্দা কথাঃ জামাত বি

    হেফাজতের ১৩ দফা, সাংবিধানিক নিয়ম এবং আমার সামান্য কথা


    গত ৬ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশ মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করে ঘোষণা দেয় তাদের ১৩ টি দফা। উক্ত দিনেই তারা তাদের ১৩ দফার অন্যতম নারী স্বাধীনতা খর্বের বহিঃপ্রকাশ দেখিয়ে দিয়েছে একুশে টিভির নারী সাংবাদিক নাদিয়া শারমিনের উপর হামলা করে এবং সেটি নিয়ে রীতিমতো চরম চাপে পড়ে গিয়েছে হেফাজত। রীতিমতো নারী সংগঠনগুলো এই হেফাজতীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার ঘোষণাও দিয়ে দিয়েছেন। সচেতন মহলগুলোও এই হেফাজতীদের "নো" কার্ড দেখিয়ে দিয়েছেন ইতোমধ্যেই। অল্পদিনে জন্ম নিয়ে খুউব বেশি নাচলে যা হয় আরকি।

    শুরুতেই আমরা তাদের ১৩ দফা দাবীগুলো একটু পড়ে নেই....

    অন্তরালের একাত্তর


    বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম সশস্ত্র আক্রমণের শুরুর সময় থেকেই ছিল জনগণের। ইতিহাসকে যত ভাবেই নিজের করে তোলার চেষ্টা করা হোক না কেন ইতিহাসই বারবার সাক্ষ্য দিতে মুক্তিযুদ্ধ কখনোই কোনো দলের ছিল না। রাজনৈতিক বিবেচনায় মানুষ নয় মাসের মুক্তির লড়াইয়ে প্রাণ বাজি রাখেনি, বেঁচে থাকার জন্যই তাকে অস্ত্র তুলে নিতে হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ ছিল তাদের আবেগের, বীরত্বের শুভ আকাঙাখার চেতনায় নিজেদের এক ভূখন্ডের লড়াই। মুক্তিযুদ্ধে জয়ের পিছনে এই জনগণের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি, স্বাধীনতার আকাঙ্খায় তাদের চেতনার কোন ঘাটতি কখনোই ছিল না। যুদ্ধকালীন সময়ে আক্রান্ত বাংলাদেশের একমাত্র পাহারাদার ছিলেন এই দেশপ্রেমিক জনগণ। যুদ্ধজয়ের

    নূরানী বুলবুল এবং জামায়াত-হেফাজতের গোপন ফোনালাপ


    ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল নুরুল ইসলাম বুলবুলের সাথে আমার পরিচয় শৈশবে। তিনি সেসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রশিবিরের তুখোড় নেতা! চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন! হালকা ছোট ছোট করে ছাটা চাপ দাড়ি। কথাও বলেন বেশ গুছিয়ে, সুন্দরভাবে। চেহারায় একটা নূরানী ভাব রাখার চেষ্টা করতেন। পোশাকে আতর লাগিয়ে ঘর থেকে বের হতেন। ধর্মভিরু মানুষের কাছে এই নূরানী লুকটা খুব ইফেক্টিভ ভূমিকা রাখে! সাধারণ মানুষকে আকর্ষন করে। তিনি আমাদের এলাকাতেই থাকতেন। জামায়াত-শিবিরের এলাকায় খুব দাপট ছিল!

    সুসংস্কার


    'কু' যুক্ত সংস্কার I mean কুসংস্কার নিঃসন্দেহে একটা খারাপ জিনিস। এসব কুসংস্কারকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। কিন্তু আমরা অনেক সুসংস্কারকেউ কুসংস্কার জ্ঞান করি। যেমন ধরুন 'নজর লাগা!' গ্রামের অনেক মানুষ এখনও বিশ্বাস করে যে খাওয়ার সময় যদি কেউ তার দিকে লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তবে সেই খাবার তাকে না দিয়ে খেলে পেটের অসুখ হবে। একটু ভেবে দেখুন এই সংস্কারের কারণে কত মানুষ খাদ্য পাচ্ছে! সো...

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর