নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • আরিফ হাসান
    • সত্যন্মোচক
    • আহসান হাবীব তছলিম
    • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
    • অনিরুদ্ধ আলম
    • মন্জুরুল
    • ইমরানkhan
    • মোঃ মনিরুজ্জামান
    • আশরাফ আল মিনার
    • সাইয়েদ৯৫১

    দামিনী ও প্রতিদিনের গল্প।


    আজকের খবরের কাগজটা উল্টে-পাল্টে দেখে মনে কয়গুচ্ছ আবছা কালো মেঘ জমে গেল শারমিন জাহানের। আজ কয়দিন হল বেশ উৎকন্ঠায় ছিলেন। বুঝতে পারছিলেন না বাঁচবে কিনা। কিন্তু আজ সব আশা শেষ করে মারা গেলে মেয়েটি। দামিনী আর পারল না। প্রথম-আলো একটা দিন শুধু এটা জানতেই দেখেছেন দামিনী বেঁচে উঠে কিনা?

    প্রসঙ্গ : প্রকৃত মুক্তমনা অবিশ্বাসী ও ধর্মবিদ্বেষী অবিশ্বাসী


    বর্তমান যুগে যেই সকল মুক্তমনা দাবীদার অবিশ্বাসীদের দেখা পাওয়া যায় তাহাদের অনেকে কেবল নামেই মুক্তমনা, আদতে তাহারা চরম সাম্প্রদায়িক মনোভাব সম্পন্ন ব্যক্তি। তাহারা তাহাদের অবিশ্বাস প্রচারের নামে ধর্মীয় পুস্তকসমূহের, ধর্মীয় রীতিনীতির বিষোদগার করিয়া বেড়ায়, ধর্মসমূহের মহাপুরুষদের ফুটো খুঁজিয়া বেড়ায়। এইসকল কাজকর্মে করিয়া ব্যপক পরিচিতি পাইয়া তাহারা আত্মতৃপ্তি লাভ করিলেও অর্জনের খাতা শূন্যই থাকে। তাহারা বলিয়া বেড়ায় বিশ্বাসী ব্যক্তিদের বিশ্বাস নামক অন্ধবিশ্বাস দূর করিতে তাহাদের মতবাদ প্রচার করিয়া বেড়ায়; অথচ ইহাতে বিশ্বাসীদের অন্ধবিশ্বাস দূর হওয়া তো দূরে থাক, অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে

    রাজীবকে যারা হত্যা করেছে তারাই কাফের! পেশাদার খুনী মুসলিম হতে পারে না!


    আমাদের স্থানীয় মসজিদে জুমা’র নামায পড়তে গিয়েছিলাম। যদিও জানতাম ঐ দিন সমস্ত মসজিদে ভাষা শহীদ আর মুক্তি শহীদদের জন্য দোয়া করা হবে, কিন্ত ইমাম সাহেব করলেন উল্টোটা। উনি ব্লগে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর সামাজিক ওয়েব সাইটে লেখার মর্মস্পর্শী বর্ণণা দিলেন আর কেঁদে ফেললেন। দুই-চারজন দেখলাম উঃ উঃ জাতীয় শব্দ করে তাল মেলালেন। সন্দেহ হল একটা প্রিপারেশন নিয়েই তারা এসেছে। তবে এই এলাকায় বেশীর ভাগ লোকই শিক্ষিত আর বিচার বুদ্ধিসম্পন্ন বলে সুর মেলালেন না আবার বাধাও দিলেন না। কেউ আজকাল ঝুঁকি নিতে চায়না, আমিও তার ব্যতিক্রম নই। এ এলাকায় কে কোথায় থাকে সবাই জানে!

    আমি বিশ্বজিত্‍


    আমি হেঁটে যেতে চাই সেই রক্তাক্ত পথ ধরে,

    যে পথে হেঁটে গেছে বিশ্বজিত্‍।

    আমি চাই আমার দেহ রক্তাক্ত হোক কুকুরের থাবায়।

    রক্ত দিয়ে আমি চিঠি লিখব,

    ৩০ লক্ষ শহীদের কাছে।

    ২ লক্ষ মা বোনের কাছে।

    রক্ত দিয়ে আমি এপিটাফ লিখব,

    রাজন্যবর্গের শাড়ির আঁচলে।

    আমাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দে,

    নইলে স্বাধীনতা খাব।

    ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১২

    (লাষ্ট লাইনটা "ভাত দে নইলে মানচিত্র খাব এর অনুরণে"।)

    সাম্রাজ্যবাদ ও জাতীয় সম্পদ লুন্ঠন : প্রেক্ষিত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাত


    ..... এ কথা নির্র্দ্ধিধায় বলা যায় যে, বিদ্যুৎ খাতে এ ধরনের ব্যত্যয়গুলো ইচ্ছে করে ঘটানো হচ্ছে। কারণ নীতির বাইরে অস্বচ্ছ পদ্ধতিতে এ ধরনের জটিল কারিগরী খাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যুৎ খাতে সংকট জিইয়ে রেখে দীর্ঘ কয়েক বছর এখাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আজ বিদ্যুৎ খাতের অবস্থা বুঝতে নীচের প্রতিবেদনটির দিকে নজর দিতে অনুরোধ করছি।

    ধর্মের অপব্যবহার ||


    ধর্মের অপব্যবহার রোধে আমাদের আসলে কি করা উচিত,এই ভাবনা টা সব সময় আমার মধ্যে কাজ করত,ইদানিং সেটা নিয়ে আরো বেশী চিন্তায় আছি,কারণ জামাত-শিবির ধর্মকে অপব্যবহার করে যে ভাবে সাধারণ ধর্মপ্রান মুসলমানদের চেতনার মধ্যে উস্কানি দিচ্ছে বা দিতে সক্ষম হচ্ছে সেটা প্রশমনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির করনীয় কি অথবা আমাদের যা করনীয় তা আমরা যথাযথ ভাবে পালন করছি কি না,সে বিষয়ে আত্মোপলদ্ধির সময় এসেছে,সর্ব প্রথম আমাদেরকে কোরআন-হাদীস সম্পর্কে ভাল ভাবে জানতে হবে কারণ জামাত-শিবির কোরআন -হাদীসের অপব্যখ্যা করে তরুনদের বিপথগামী করে মুক্তিযুদ্ধের শক্তির বিপক্ষে ব্যবহার করছে,দ্বিতীয়তঃ ফেসবুক কিংবা ব্লগে ল

    হিজিবিজি


    শাহবাগ প্রজন্ম জাগরনের ২০ দিন চলছে। প্রাপ্তি বা ব্যার্থতা খোজার সময় থেকে আন্দোলন অনেক দূরে আছে। জাতিগত ভাবেই আমরা অস্থির, ডিজিটাল আশির্বাদে এই অস্থিরতা আরো বড় আকার ধারন করেছে। আমরা খুব দ্রুত 3G স্পিডে সব পেতে চাই। গত ৪২ বছরে যে ক্যান্সার পালছে এই দেশ তা এতো দ্রুত নিরাময় হয়ে যাবে সেটা ভাবাও বোকামি। কিন্তু প্রশ্ন কিছু মানুষের মনে জেগেছে। আন্দোলন সমর্থনকারী এবং মাঠে থাকা অনেক সমর্থকদের সাথে কথা বলে জানা গেলো কিছু সংশয় ও প্রশ্ন।
    প্রশ্ন ১: সব ব্লগার ও এক্টিভিস্টরা কোথায়?
    প্রশ্ন ২: শুক্রবারের তান্ডবের পর মাহমুদুর রহমানকে দেয়া আল্টিমেটামের কি হলো? সংবাদ সম্মেলনে সেতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো।

    "ব্লগার হইতে সাবধান"


    ছোট বেলায় এই কাজ করতাম। বিরাট কোন রচনা লিখার সময় পয়েন্ট বাড়িয়ে মার্ক পাওয়ার জন্য মূল বিষয় থেকে সরে যেতাম, ছাত্র জীবন রচনায় ছাত্রী জীবন শিক্ষক জীবন, জাতীয় জীবন থেকে ধর্মীয় জীবন সব কিছু নিয়া গেজাইতাম, বেচারা টিচার কনফিউসড হয়ে ভাল নাম্বার দিয়ে দিতেন। এই টেকনিক এখন ব্লগারদের মধ্যে জনপ্রিয়। ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে তারা এমন রচনা লিখে দেন আমরা বলদ হয়ে যাই, রচনা শুরু হয় গরু দিয়ে শেষ হয় টিকটিকি দিয়ে এবং পরিশেষে আমরা বলতে পারি দুধ একটি আদর্শ খাদ্য। জনপ্রিয়তা দুর্লভ জিনিষ, এটা পেতে ভাগ্যতা যোগ্যতা দুটাই লাগে, আর অনলাইন জনপ্রিয়তা এমন এটা এক বার পেলে তা আর কমে না বরং বাড়তেই থাকে। জনপ্রিয়তার অপব্যবহার কমবে

    হীন-জিনিয়ার


    বাপে বেচল ধানী জমি মায়ে বেচল গয়না,
    ইঞ্জিনিয়ার হইয়া ফেরত আইস জাদু, সোনা, ময়না।
    পাবলিকে চান্স হয় নাই আমার, ছিল প্রতিভাতে ঘাটতি
    রেসে টিকতে পারি নাই তাই দুই ঘণ্টা ব্যাপ্তি।
    দুই ঘণ্টার পরীক্ষায় আমায় মেধাহীন বানাইল
    তারপরেও মায়ে ক্যান জানি ইঞ্জিনিয়ার বানাইতে চাইল।
    এরপর আমি রওনা দিলাম পোটলা নিয়া ঢাকায়
    যেই শহর চলে শুধুই মামা চাচা টাকায়।
    প্রাইভেটে হইলাম ভর্তি- অ্যাট দ্যা অরিয়েন্টেশন
    কত টাকা দিতে হবে শুনলাম তার ডেসক্রিপশন।
    কেউ কইল না “বাবা কিছু শিখো পরান ভরে”
    সবাই জিগায় অই ব্যাটা তোর জিপিএ কত রে?
    জিপিএ তো ভালো না তোর দুইটা এ+ নাই
    তোর বাপের কি টাকা বেশি খরচ করে হুদাই???

    বন্ধুরুপী শত্রু অপেক্ষা প্রকাশ্য শত্রু অনেক ভালো


    প্রজন্মের এই আন্দোলন নিয়ে কুত্তা কামড়াকামড়ি শুরু করেছে বন্ধুরুপী শত্রু বিশেষ। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো সামু ব্লগের গুলশান জানা।

    একটি অনলাইন পত্রিকায় তিনি দাবী করেছেন এই আন্দোলনের কৃতিত্ব তার ব্লগেরই,অথচ যেই ব্লগে বাকস্বাধীনতার কথা বলে এই আন্দোলন নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়,যেই ব্লগে ছাগুতোষিত হয় তারা এই আন্দোলনের জন্য কতটা আন্তরিক সন্দিহান থাকি।

    আন্দোলন শুরুর প্রথমদিন সবার আগেই বিকাল চারটায় ঐ ব্লগের কয়েকজন ব্লগার উপস্থিত হয় অথচ জানা ম্যাডাম দাবী করেন অথচ তিনি ভুলে গেছেন এই নিয়ে ফেসবুকে বিকাল চারটার আগে ইভেন্ট তৈরী করেন বাধন স্বপ্নকথক এবং সেখানে আমন্ত্রন পান জানা ম্যাডামের বাহিনী।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর