নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • কিন্তু
    • নুর নবী দুলাল
    • মিশু মিলন

    নতুন যাত্রী

    • ফারজানা কাজী
    • আমি ফ্রিল্যান্স...
    • সোহেল বাপ্পি
    • হাসিন মাহতাব
    • কৃষ্ণ মহাম্মদ
    • মু.আরিফুল ইসলাম
    • রাজাবাবু
    • রক্স রাব্বি
    • আলমগীর আলম
    • সৌহার্দ্য দেওয়ান

    ব্যাংক, কোচিং সেন্টার, চিকিৎসকদের টাকায় চলছে শিবিরের কর্মকাণ্ড


    ছাত্রশিবিরের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অর্থের যোগান দিচ্ছে নামে-বেনামে তাদের পরিচালিত বিভিন্ন কোচিং সেন্টার, জামায়াত নেতাদের মালিকানাধীন ইসলামি ব্যাংক এবং দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা। অনুদান হিসেবে দেয়া এসব টাকা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন শাখা-সংগঠনের নামে ব্যাংকে জমা হওয়ার পর তা চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    শিবিরীয় অপপ্রচার, আস্তিক-নাস্তিক প্রশ্ন এবং সাধারণ মানুষ


    সাধারণ মানুষ অন্যকে খুব সহজেই বিশ্বাস করতে পছন্দ করে। আর এই বিশ্বাসকে টার্গেট করেই অনলাইন মাঠে নেমেছে জামায়াত শিবির। জামাত শিবির পরিচালিত ফেসবুকভিত্তিক কিছু পেজের অপপ্রচারকে আমলে নিয়ে রাজীব হায়দারের বিচার প্রশ্নে আজ বিভক্ত একদল মানুষ। কিছু পেজ আছে যেগুলো এতদিন অর্ধনগ্ন নারীর ছবি ও সেক্সুয়াল জোকস শেয়ার করত তারা আজ ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার খবর প্রচার করছে। সেইসব পেজের সুক্ষ অপপ্রচারনার পেছনের কারন ধরতে না পেরে শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভুতির কথা ভেবে ধুমাইয়া শেয়ার করছে। বুঝতেও পারছে না, আড়ালে মুখ লুকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসছে শিবিরের কুপমুন্ডুকরা।

    খুঁজে পাওয়া প্রাণের স্পন্দন ও একটি প্রতিজ্ঞা


    বইয়ের সাথে পরিচয় ও সখ্যতা সেই ছোটবেলা থেকে(পাঠ্য বই ভেবে ভুল করবেন
    না কিন্তু)। বইয়ের প্রতি ভালবাসাটা অনেকটা উত্তরাধিকার সূত্রেই পেয়েছি।
    বুঝতে শেখার পর থেকেই বইয়ের অরণ্য দেখে আসছি। আব্বা বাড়িতে যেখানেই
    ফাঁকফোকর পেতেন সেখানেই আলমারি বসিয়ে তাঁর বইয়ের সংগ্রহ বাড়াতেন। আমার
    এক দাদি আছে প্রায় ৭০ বছর বয়সী, কিন্তু এখনো উনি চশমা চোখে বই পড়েন।
    পরিবারের আবহাওয়াই যদি এমন বইময় হয় আমি কি এর বাইরে যেতে পারি? যখন
    থেকে অ, আ পড়তে শিখেছি তখন থেকেই বড়দের বই হাতে নিয়ে পড়তে চেষ্টা
    করতাম, কিন্তু বেশিরভাগই বুঝতাম না। না বুঝলে কী হবে, আমার উৎসাহ কিন্তু

    শাহবাগ চত্বরে আমরা


    বাছাধন! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছ!
    চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
    সবাই গেছে ভুলে!
    চল্লিশ বছরে গাড়ি-বাড়ি মন্ত্রীত্ব সব-ই পেয়েছো!
    তাও এই বাংলাদেশেই, যাকে ধর্ষন করেছো বারবার-
    তোমার গাড়ির কোনে ঝুলানো বন্দী জাতীয় পতাকা
    গুমড়ে কেঁদেছে প্রতিনিয়ত-
    আর তুমিতো ক্ষণে ক্ষণে অট্টহাসিতে বিদ্রুপ করেছো
    আমার লাল সবুজের জাতীয় পতাকাকে!

    বাছাধণ! ভেবেছিলে পার পেয়ে গেছো!
    চল্লিশটা বছর তো অতিক্রান্ত হল ইতিমধ্যেই!
    সবাই গেছে ভুলে!
    তোমার আস্ফালনে প্রকম্পিত হয়েছে আমার জাতীয় সংসদ
    তোমার বীর্য ছড়িয়ে দিয়েছো কত নির্বোধের জঠরে

    কেন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসীর দাবীতে আন্দোলন করছি?


    আজ প্রশ্ন করা হচ্ছে, কাদের মোল্লা, সাঈদী, নিজামী আর সাকাদের ফাঁসী চেয়ে আমরা কি ট্রাইবুনালের উপর চাপ সৃষ্টি করছি কিনা। তৃতীয় মাত্রার একটা অনুষ্ঠানে কয়েকজন আন্দোলনরত ব্লগারকে এ প্রশ্ন করা হয়েছিলো। তারা যে উত্তর দিয়েছিলেন, প্রশ্নকর্তা মনে হয় সে উত্তরে সন্তষ্ট হতে পারেননি, কিংবা তিনি ভাবছেন এ প্রশ্নে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী দাবীকারীদের বেশ বেকায়দায় ফেলা গেছে, তাই তিনি বারবার এই প্রশ্ন প্রতিদিন তার টক শো’তে আগত অতিথিদের করে যাচ্ছেন আর তার নিজের বক্তব্যকে অধিক যুক্তিপুর্ণ বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন । আমাদের সবাই প্রশ্ন করতে পারে, কারণ আমরা কারো রগ কাটি না, আমাদের সবাই প্রশ্ন করতে পারে, কারণ

    ধর্মব্যাবসায়ীদের বলছিঃথাবার প্রতিটি রক্তকণার শোধ নেব।


    ব্লগার রাজিব হায়দার(থাবা বাবা) খুন হয়েছে নৃশংসভাবে। আর তার খুন নিয়ে রাজনীতি শুরু করছে পিশাচরা। কিছু লোক বলছে রাজিব ছিল নাস্তিক, সেই সাথে ইসলামবিদ্বেষী। সাথে কেউ কেউ তার ব্লগের লিংক দিয়ে তাকে ইসলামবিদ্বেষী প্রমাণ করার মহান দায়িত্বটাও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছে। আর আমরা অনেকে সেই ব্লগ পড়ে রাজিব যে ইসলামবিদ্বেষী তা মেনে নেওয়ার মহান দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু কি কেউ কি ভেবে দেখেছেন এসব করে আমরা আমাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছি?

    নোংরা ভালোবাসা


    হে আমি নোংরা, আমি নিচু জাতের
    কক্ষনো জানতে চেয়েছো-
    আমি কেন নোংরা?
    আর যদি জানতাম জন্মের আগে আমি নিচু,
    তবে না জন্মানোর চেষ্টা করতাম।

    আমি আধুনিক কোন মানুষ নই-
    তবে সেকেলেও নই।
    তোমাদের আলট্রা মডার্ণ বাস্তবতার বলি আমি।
    যেখানে শুধু অ্যাডজাস্ট এর দোহাই
    আর অবহেলার স্বর্গ।

    আমি নোংরা হয়েছি ভালোবাসা জন্য,
    পাশে থেকে সব ভুল শুধরানোর জন্য।
    হইত আমার নোংরা একটা ভালোবাসা ছিল-
    তোমার ছেড়ে যাওয়াই কি ছিল?
    সেটা নোংরা ছাড়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ হোক
    নিশ্চয়ই তার আগে পরে 'ভালোবাসা' শব্দটা যুক্ত ছিলনা।।

    " শাহবাগ চত্বর আন্দোলন ও কিছু নির্মম বস্তবতা "


    শাহবাগ চত্বর আন্দোলন নিয়ে অসংখ্য তর্ক বিতর্ক রয়েছে । যৌক্তিক অযৌক্তিক কথার ভীরে এমন কিছু বিষয় উঠে এসেছে যা বোধের গতি কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ করে দেবার জন্য যথেষ্ট ।

    গণ মানুষের এই আন্দোলনের ডাক, কে বা কারা দিয়েছিল তাই নিয়ে চরম নোংরামি হয়েছে । এক এক পোষ্ট এবং সংবাদ পত্রগুল তে এক এক রকম তথ্য দেয়া হয়েছে । ব্যানার ধরা ছবি সর্বস্ব নেংটি ইঁদুরের দল, হলদে নীতি তে বিশ্বাসী সতীর্থদের ব্যাবহার করে গণমাধ্যমে নিজেদের প্রচারণা চালিয়েছে । তবে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেছে কারা এই আন্দোলনে প্রথম দিন যোগ দিয়েছিল।

    দাবি এখন এগুলাই


    সকালবেলা ৫টা থেকেই মাথা আলুথালু করতাছে। কি হইতেছে চারিদিকে এসব? আমারব্লগ.কম এ সুশান্ত ভাইয়ের পোষ্ট দেখার পর থেকেই এই অবস্তা। মাথা যখন ধরে রাখতে পারলাম না, ঠিক তখনি দিলাম একটা ঘুম। ঘুম থেকে উইঠাই সিদ্ধান্ত নিলাম, অতশত বুঝিনা, এই দাবীগুলা পূরণ করলেই হয়।
    ১। কাদেরমোল্লা সহ প্রত্যেক যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি তথা মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করতে হবে।
    ২। রাজীব ভাইয়ের খুনীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর