নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নরসুন্দর মানুষ
    • রাহুল মল্ল
    • দ্বিতীয়নাম
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী

    নতুন যাত্রী

    • নীল মুহাম্মদ জা...
    • ইতাম পরদেশী
    • মুহম্মদ ইকরামুল হক
    • রাজন আলী
    • প্রশান্ত ভৌমিক
    • শঙ্খচূড় ইমাম
    • ডার্ক টু লাইট
    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • হিমু মিয়া
    • এস এম শাওন

    আমার আকাশে ফানুস আমিই উড়াই


    আকাশ টা আমার আমি উড়ে বেড়াই । দেখা হয় কিছু স্বজাতি পাখিদের সাথে বা কখনো আরও অনেক দের সাথে ।আমি কখনো মাটিতে পা রাখিনি ছুইনি ভেজা ঘাশের আস্তরণ । বাড়ি ঘর নেই থাকি অন্যের বাসায়। মাঝে মাঝে বিরক্ত হই ধুলা বালি আর বিশেষ করে যখন ডাউশ আকারের কালো নীল হরেক রকমের পলিথিন আমার আকাশে উড়ে । শহরের কালো ধুয়া আমি সহ্য করতে পারি না তাই তো অনেক দিন হল শস্য ভরা শবুজ মাঠ পানি পূর্ণ দীঘির ঘাঁট ক্ষণে ক্ষণে লোকের হাঠ এদের মাঝে যে বিশাল তাল গাছ টি শুকিয়ে কাঠ আমি ঠিক সেখানে উরউর পুরপুর করি । দিনের বেলা আমি গান গাইনা ।তখন গান গাইলেই দুষ্টু ছেলের দল খুব বাজে ভাবে নকল করে। আমি তাদের প্রায় শেখাতে চাই কিন্তু কে শুনে কার কথ

    হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তির ৭-টি অভিযোগ এবং!


    প্রশ্ন)1, হেফাজতের সাথে জামাতি সমঝোতা কি এখনো কেবল অভিযোগ? দয়া করিয়া কথোপকথনের রেকর্ড শুনুন। বিশ্বাস করবেন না? আচ্ছা নাই করুন কিন্তু একটু শুনে টুনে করলে ভালো হয়। মোবাইল কথোপকথনটা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন। Www.......com

    নবকালের নবদায়ঃ হরেক নব সম্প্রদায়... (পর্ব-৩)


    কি হইল দেশখানার বুঝিয়া পাইনা। বেয়াল্লিশ বছর কাটিয়া গেল, কোন শালা জাগিল না। শাহবাগ স্বপ্ন দেখাইয়াছিল, কিন্তু ওস্তাদ কুঁতাইয়া কুঁতাইয়া স্বপ্নখানা ভাঙ্গিলেন। মধ্যিখান হইতে উলটা পথে হাঁটিয়া দেশখানাকে আরো বহু বছর পিছাইয়া দিবার নিমিত্তে কতগুলা হেফাজতি চেগাইয়া উঠিল। গণপশ্চাদ্দেশ এখন সত্যিকার অর্থেই গণ হইয়া উঠিয়াছে। যে যাহার মত আসিয়া মারিয়া যাইতেছে। কতিপয় ব্যাক্তিকে আনন্দে আটখানা হইয়া উঠিতে দেখিয়া হাত দুইখানা নিশপিশ করিতে থাকে। বিষয়খানা কিছুই নহে, ‘রাজায় কইছে চুদির ভাই, আনন্দের আর সীমা নাই’। সেক্যুলার নহে তাহারা মডারেট হইয়াই মার্কিনি সার্টিফিকেট বাগাইবার আনন্দে আত্মহত্যা করিয়া চলে দিবারাত্র। মডারে

    বাঁশখালীর পাশে আমরাঃ জয়ী হবে মানবতাই



    এই চুলাতে প্রতিদিন তিনবেলা হাঁড়ি উঠত না। যেদিন চালের যোগান থাকত সেদিন বড়জোর দুইবেলা রান্না হতো। মালিকপক্ষ বাড়িতে থাকেন না অনেকদিন। সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার বাড়িটিতে শুধুই কয়লা আর আতংকের সহাবস্থান। আগুনের আঁচের তীব্রতা টের পাওয়া যায় ভিটের পাশের দুই ফুট প্রস্থের গাছটি দেখলে। নীচের দিকের একটি ডালও অক্ষত নেই, গোড়াটুকুন জমাট কয়লা হয়ে কোনমতে টিকে আছে ভিটের মালিকের মতই। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, খড় আর টিনের বাড়িটা পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে গানপাউডার দিয়ে, তাই আগুনের এই প্রচন্ডতা।

    ঝলমল দোল


    নীলাকাশে সাদা মেঘের ভেলা
    উঠানে ঝলমলে রদ্দুর;
    বাবুই পাখি দোল খেয়ে যায়,
    হৃদয় দোলে সবুজে বহুদূর ।

    বোধোদয়


    আলমারি থেকে সবচেয়ে নতুন আর পরিষ্কার পাঞ্জাবীটা বের করে গায়ে চড়ালেন মোঃ সামসুল ইসলাম। নিজের দশ বছরের ছেলে রোহানকেও সুন্দর করে সাজিয়ে দিলেন। আজ অনেক পুণ্যের কাজ করতে যাচ্ছেন দুজন। ছোটো বয়স থেকেই ছেলেকে ধর্মীয় শিক্ষা না দিলে আধুনিক জমানায় চরিত্র ভাল রাখা কঠিন হবে - ভাবতে ভাবতে নিজের ও ছেলের গায়ে ইরানী আতর মেখে নিলেন সামসুল। তারপর বউ আর পনেরো বছরের মেয়ে সামিহার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হলেন।

    আমাদের গণজাগরণ মঞ্চ


    আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সারা বাংলার সচেতন মানুষরা যখন রাজাকারের ফাসির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে গণজাগরন মঞ্চ স্থাপন করে আন্দোলন করা সুরু করলাম। তখন রাজাকার ও তাদের উত্তরসুরী গুষ্টি আমাদের আন্দোলন কারি অনেক যুদ্ধাদের নানা ধরনের হুমকি দে। আমার ক্ষেত্রেও সেই একই সমস্যা হয়েছে। আমরা হাতে গুনা কয়েক জন কুলাউরা উপজেলার রবিরবাজার শহীদ সৃতি স্থম্ব চত্বরে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করে আন্দোলন সুরু করি। আমাদের আন্দোলনে সকল শ্রেণীর মানুষ অংশ গ্রহন করে। আমাদের আন্দোলনের জনপ্রিয়তা দেখে এক শ্রেণীর কুলাংগাররা আমাদের হুমকি দিতে থাকে। আমাকে অনেক হুমকি দিয়ে যখন থামাতে পারেনি, তখন আমার বাড়িতে হুমকি দ

    একজন নিষ্পাপ পূর্ণিমার কান্নার দায়


    গত ২০০১ সালের অক্টোবরে পূর্ণিমার মা একদল পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী মানুষকে বলেছিলেন “বাবারা, আমার মেয়েটা ছোট,
    তোমরা একজন একজন করে এসো; মরে যাবে”

    তারা পূর্ণিমার মায়ের আকুতি শোনেনি বরং পূর্ণিমার চিৎকার উপভোগ করেছে।এবং পত্রিকায় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে আমরাও চরমভাবে উপভোগ করেছি।তারপর অনেকদিন কেটে গেছে,মাঝখানে ফরহাদ মজহারের ভাষায় বোমা ফাটিয়ে বিপ্লব হয়েছে,হুমায়ূন আজাদরা রাস্তায় কোপ খেয়ে মরেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
    ইতিমধ্যে আমরা আবার পালাবদল এনেছি এবং একদল বুড়ো হয়ে যাওয়া পুরনো পাপীকে অযথা বিচারের চেষ্টা করেছি এবং কতটা সফল হয়েছি বুঝতে পারছি না।যাইহোক অযথা সময় নষ্ট করেছি বলেই এটা ধরে নেয়া যায়।

    ৭১-এর নারী নির্যাতন সম্পর্কিত মওদুদিও ফতোয়া


    ১৯৭১, যুদ্ধের দামামা বাজছে চারিদিকে।
    একদিকে আকুত ভয় বাংলার দামাল সন্তানরা ঝাপিয়ে পরছে দেশ মাতা কে শকুনের হাত থেকে রক্ষা করতে। অন্যদিকে কিছু কুলাঙ্গার দেশকে শ্মশান করতে সাহায্য করছে পাকিদের।
    গনিমতের মাল নাম দিয়ে দেশের মা বোনদের তুলে দিচ্ছে হায়নাদের হাতে।

    গনিমত কি জিনিষ?
    গনিমত হচ্ছে (ইসলাম ধর্ম মতে) যুদ্ধে লব্ধ মাল। অর্থাৎ মুসলমান গন যদি কোন যুদ্ধে জয় লাভ করে তবে উক্ত যুদ্ধে পরাজিত দলের হতে প্রাপ্ত মালামাল কে গনিমত হিসাবে গ্রহন করবে। (আমার জানা মতে এইটাই গনিমতের সংজ্ঞা। নিশ্চয়তা দিতে পারলাম না)

    ফরিদা আকতার—তথাকথিত নারী আন্দোলনের কর্মী নাকি হেফাজতকে হেফাজতকারি?


    দুটি সকাল খুব যন্ত্রণাদায়ক ছিল। এবং আর অসংখ্য সকাল আমার জন্য অপেক্ষা করছে যন্ত্রণা নিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে হঠাৎ এমন ঝড় আসল যে এর সমাপ্তি কখন হবে জানি না,বা আদৌ হবে কিনা অনিশ্চিত।
    যা হোক, যত যন্ত্রণায় থাকি না কেন, যতই নিজের হাহাকারের জন্য অন্য হাহাকার শুনতে অনাগ্রহী হই না কেন, তবু কানে কিছু চলে আসে, চোখে কিছু পড়ে যায়, যা এড়িয়ে যেতে পারি না, বিবেক কিছুটা নড়ে উঠে। লিখব না লিখব না করেও হাত চলে যায় কীবোর্ডে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর