নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • সুব্রত শুভ

    নতুন যাত্রী

    • মহক ঠাকুর
    • সুপ্ত শুভ
    • সাধু পুরুষ
    • মোনাজ হক
    • অচিন্তা দত্ত
    • নীল পদ্ম
    • ব্লগ সার্চম্যান
    • আদি মানব
    • নগরবালক
    • মানিকুজ্জামান

    অতঃপর অপেক্ষার অবসান...ফুটবলও পেল তার সর্বকালের সর্বসেরাকে................


    বক্সিং তো সর্বকালের সর্বসেরা অনেক আগেই পেয়েছিল, মহাম্মাদ আলিকে। ঠিক তেমনি বিশ্বের অধিকাংশ জনপ্রিয় খেলারই আছে সর্বজনশ্বীকৃত সেরা। যেমন,সাতারের মাইকেল ফেলপস, ক্রিকেটের ডন ব্রাডম্যান,স্প্রিন্টের উসাইন বোল্ট,ফরমুলা ১ এর মাইকেল জর্ডান,গলফের টাইগার উডস ইত্যাদি ইত্যাদি। একমাত্র এ পৃথিবীর সবচেয়ে চর্চিত,আলোচিত খেলা ফুটবলেরই যেন ছিল সর্বকালের সেরার জন্য এক অনিঃশেষ হাহাকার,যার নিয়ন্তক সংস্তা ফিফার সদস্যসংখ্যা যেখানে জাতিসংগের চেয়ে বেশি ।অবশেষে এ ধরাধামে ২৫ বছর আগে পা পড়লো এক দেবশিশুর, যে কিনা এ ছোট্ট সময়েই 'এলাম,দেখলাম,জয় করলাম' এর প্রকৃত অর্থ বুজালো পৃথিবী নামক গ্রহের সকল ফুটবলমোদী মানুষকে। অবশেষে য

    মাতৃ ভাষা বাংলা চাই!


    মাতৃভাষা বাংলা চেয়েছিলাম বায়ান্নতে। আসলেই কি তা চেয়েছিলাম আমি? মনে হয় না। তাহলে কি আমি পাকিস্তানি হয়ে গেলাম? মোটেই না, এটুকু হলাম- যে রাষ্ট্র পাকিস্তান মুক্ত হলেও পুনরায় পাকিস্তান হয়ে উঠে, তার ভেতরে থেকে নতুন করে বিদ্রোহী হলাম। ভাষা আন্দোলনকারী হলাম। নতুন করে হাতে রফিকের মত প্ল্যাকার্ড নিলাম। উর্দুর কাছ থেকে নিজের মায়ের কাছ থেকে শেখা ভাষার অধিকার চেয়েছিলাম সেদিন। আজো তাই চাচ্ছি। সকল ভাষার, সকল ভিন্ন ভাষার যেই মায়েরা তাদের সন্তানদের এখনও তার মায়ের কাছ থেকে শেখা মুখের বুলিটি শেখান সেই শেখানো ভাষার অধিকার চাইছি। এই ২০১৩ তে, এই ফেব্রুয়ারীতে। এই একুশে।

    বাঊন্ডুলের দেশপ্রেম


    হ্যাঁ একটি চায়ের কাপে চুমুকে
    তৃপ্ত হত তোমার মন।
    হাতে থাকত নিকোটিনের ক্রমাগত জ্বালা
    যা তোমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খেত।

    সময়ের কঠোর কুঠারাঘাত তোমায়
    টুকরো করত সারাক্ষন।
    কখনো প্রেমিকা হারানোর যন্ত্রনায়
    সারাক্ষন বিদ্ধ হত তোমার মন।

    হটাৎ দেশ ভাবনায় অবক্ষয়ের চিন্তায়
    দ্বিগভ্রান্ত তুমি ছুটে গেলে মিছিলে।
    সারাদিন শ্লোগান দিয়ে দেশকে ভালবেসে
    দৃপ্ত শপথ বুকে নিয়ে ফিরে আশা।

    দিন শেষে এটাই আমার গল্প ছিল

    কাদের সিদ্দিকি সাহেব!!


    মিস্টার কাদের সিদ্দিকি,

    আপনাকে আগেই বলে নিচ্ছি আমি আমার মায়ের কসম খেয়েছি, আপনার নামের সাথে আপনার বীরত্ব খেতাবটি আমি আর কোনদিন লাগাব না। লাগাব না বঙ্গবীর খেতাবটিও। আমি মনে করি এতে করে এই দুইটি খেতাবের অমর্যাদা হবে।

    বেশ কিছুদিন আগে আমি আমার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে। যেই সকল মুক্তিযোদ্ধা যারা রাস্তায় দাড়িয়ে ভিক্ষা করে বা রিক্সা চালায়। সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যাদের সারা দিনে এক মুঠ খাবার কপালে জুটে না। আমি আজ তাদের কাছে ক্ষমা চাই। জানি আমার ক্ষমা চাওয়ার মুখ নাই তবুও চাই। হয়তো একদিন মহান আল্লাহ আমাকে সুজুগ দিবেন তাদের জন্য কিছু করার।

    আর নয় প্রতিরোধ চাই এবার প্রতিশোধ


    জামায়াত শিবির তাদের এক সাথী মারা গেলে গোটাদেশে হরতাল ডাকে,আর আমাদের ব্লগার থাবা বাবা জবাই হলে কালো ব্যাজ ধারণ করে অসহযোগ চোদাই।আজ থাবা,কাল আমি,পরশু আপনি এইভাবে আমরা মরতে থাকব।আর শাহবাগে স্লোগান চলতেই থাকবে অমুকে রক্ত,বৃথা যেতে দিবনা,তমুকের রক্তের বণ্যায় ভেসে যাবে অন্যায়।এই যাত্রায় যদি জামাত শিবির বেঁচে যায়,তাহলে কারো পুটকি অক্ষত থাকবেনা।আর সারাদেশে জেলায় জেলায়,থানায় থানায়,বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজে যারা এই গণজাগরণ আন্দোলন সংগঠিত করছে তাদের হিটলিস্ট তৈরি শেষ।এখন সুযোগ বুঝে কোপায়ে কল্লা নামাই ফালাব।বিনা যুদ্ধে মরতে রাজি নই।বেলুনে গ্যাস মারা আন্দোলন করে জামায়াত শিবিরের বালটাও ফালান যাবনা।গত পনের দি

    আলমাস একটি সিনেমা হলের নাম


    ২৫শে জানুয়ারী, ২০১৩ তে বহুল প্রতীক্ষিত মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর টেলিভিশন মুক্তি পেল, দিন গুনছিলাম চট্টগ্রামে কবে আসবে। আরো কিছুকাল অপেক্ষার পর যখন শুনলাম চট্টগ্রামে এসেছে টেলিভিশন, তখন আর দেরী করতে চাইলাম না। আন্দোলনে আন্দোলনে চট্টগ্রামের রাজপথ যখন উত্তপ্ত, এমন একটা সময় বউয়ের পীড়াপীড়িতে শেষমেশ গতকাল সন্ধ্যায় গিয়ে টেলিভিশন দেখে এলাম। ছবি নিয়ে কিছুই বলার নাই। এককথায় চমৎকার গল্প। ফারুকীর চলচ্চিত্র ভাষার স্বাতন্ত্র বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসে একটা আলাদা স্থান তৈরী করে দিয়েছে বাঙলা সিনেমাকে। আজ বাঘা বাঘা চলচ্চিত্র বোদ্ধারা বাঙলাদেশে যে সিনেমা তৈরী হয়-

    একুশের কথা।


    প্রথমেই বাঙলা ভাষার একটু সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যান দেওয়া উচিত বলে বোধ করছি।

    প্রায় ৬০০০ ভাষার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রথম দশটি ভাষার একটি হচ্ছে বাঙলা ভাষা। সারা বিশ্বের প্রায় ২৩০ মিনিয়ন মানুষ বাঙলা ভাষায় কথা বলে। বর্তমানে জনসংখ্যার দিক থেকে বাঙলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।

    নিঃশঙ্ক চিত্ত


    আমি প্রত্যাখ্যান করি কারো ফলানো অতি অধিকার
    আমি প্রত্যাখ্যান করি কারো দাবীকৃত আন্দোলনের মালিকানা
    তোমাকে সন্তষ্ট করতে মাথায় বাঁধিনি জাতীয় পতাকা
    তোমার বাহবা পেতে কন্ঠে ধরিনি শ্লোগান
    ‘কাদের মোল্লার ফাঁসী চাই!’ কিংবা ধর-
    ‘জামাত শিবির রাজাকার
    এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়’।
    তুমি এতোটা ভালবেসনা, যাতে আত্মশ্লাগায় আমাকে কর অবদমিত
    তুমি এতোটা আত্মবিশ্বাসী হয়োনা, যাতে নিজেই স্বয়ং বস অদ্রি শেখরে
    জেনে রেখ-
    আমি ভালবেসে একাই এসেছি শাহবাগ চত্বরে,
    রাতের শেষে একাই ফিরি, মাথায় বেঁধে-
    ‘রাজাকারের ফাঁসী চাই’।
    জানি তুমি ভালবাসো মুক্তিযুদ্ধ আর-
    সবুজের বুকে ঐ লাল সুরয
    আমিও তা-ই ভালবাসি;

    নো ল্যান্ডস ফর দ্য ব্লগারস...


    সাম্প্রতিক সময়ে ব্লগার শব্দটি মনে হয় আমাদের দেশে সবচেয়ে আলোচিত। ব্লগারদের ডাকা কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবির আন্দোলন গণজাগরণে পরিণত হয়েছে। একজন ব্লগারের জীবন কেড়ে নিয়েছে খুনী জামাত শিবির চক্র। এরই প্রেক্ষিতে উঠে এসেছে ব্লগারদের নিরাপত্তার প্রশ্নটি। সরকার বিষয়টি একেবারে এড়িয়ে যায়নি। তবে যে ধরনের লোকজনকে নিরাপত্তা দেয়ার কথা হচ্ছে তারা কেউ আদতে ব্লগারই না। একজন প্রকৃত ব্লগারকে কি আসলে কেউ নিরাপত্তা দিতে পারে?

    রাজিবের পর শান্তঃআর কত লাশ চাই?


    রাজিবের পর চলে গেলেন শান্ত। প্রজন্ম চত্বরে গণজাগরণের আন্দোলন চলছে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে। অভূতপূর্ব এই আন্দোলন

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর