নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • বিকাশ দাস বাপ্পী
    • রসিক বাঙাল
    • এলিজা আকবর

    নতুন যাত্রী

    • সাতাল
    • যাযাবর বুর্জোয়া
    • মিঠুন সিকদার শুভম
    • এম এম এইচ ভূঁইয়া
    • খাঁচা বন্দি পাখি
    • প্রসেনজিৎ কোনার
    • পৃথিবীর নাগরিক
    • এস এম এইচ রহমান
    • শুভম সরকার
    • আব্রাহাম তামিম

    হটকারী বিএনপি,আগ্রাসী আওয়ামীগ এবং আমাদের আন্দোলন।


    গতকাল দেখলাম প্রগতিশীলদের নিয়ে আওয়ামীলীগের একটা দল কুমিল্লায় ক্যাবল নেটওয়ার্কে গিয়ে দিগন্ত টিভি বন্ধ করে দিয়েছে। এই আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত অতএব কাউকে প্রেসার করে আওয়ামী পদ্ধতিতে এটা বন্ধ করাটা মোটেও ভাল লাগে নাই। টাঙ্গাইলে দিগন্ত টিভি ১৫ ঘন্টা বন্ধ রাখার পর আবার খুলে দেয়া হলো। এই খবরটা দেখেই মেজাজটা আবার খারাপ হলো।

    দীপ্তিমান একুশ


    একুশ, একুশ, একুশ--
    একুশ আমার তাজা রক্ত খেয়াল-স্বপ্ন হুঁশ
    একুশ আমার ভাবনাহীন চপলা তরুন খুশ ।
    একুশ আমার ঊষার আলো ঐশ্বর্য-আভিজাত্য
    একুশ আমার বন্ধনহীন উপচে পরা দ্বীপ্ত ।
    একুশ আমার প্রানের ভাষা হৃদয়ের স্পন্দন
    একুশ আমার ভালবাসা হাজারো মায়ের ক্রন্দন ।
    একুশ মানে পিচ ঢালা পথে ঝরে পরা লাল কুঁড়ি
    একুশ মানেই শত শহীদের সুখের সুর পরী ।
    একুশ মানে রক্তে রাঙানো টুকটুকে লাল তপন
    একুশ মানেই শত কোটি মায়ের হারানো বুকের রতন ।
    একুশ মানে কিশলয় হারা হৃদয়ের শোক ব্যথা
    একুশ মানেই চিৎকার করে মন খুলে বলা কথা ।
    একুশ আমাদের ভোরের পাখির আনন্দে গাওয়া গান
    একুশ আমাদের বাউল ভাটিয়ালি সকল সুরের টান।

    খুব খিয়ালে!!!


    শাহবাগ আন্দোলনের সপ্তম দিনে সারাদেশ যখন রাজাকারদের ফাঁসীর দাবীতে দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তরুণ অনলাইন একটিভিস্টদের ডাকে জেগে উঠেছে, তখন কিছু ঘৃণ্য বামচিকারা টিভি টকশো, ব্লগ-ফেইসবুক এই আন্দোলনের গ্রান্ড ন্যারেটিভ,কাউন্টার ন্যারেটিভ একাডেমিক ডিসকোর্সের নতুন নতুন কন্সপিরেসি থিওরি খুঁজতে ব্যস্ত। যতদূর জানি এরা অধিকাংশ মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করেনা, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফসল ছিনতাই করতে তারা প্রস্তুত।এ সময় সাবধান থাকা আন্দোলনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আন্ সুশৃঙ্খলভাবে এক সপ্তাহ পার করতে যাচ্ছে, যেটা স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গণ অন্দোলনে রুপ নিচ্ছে ধীরে ধীরে।সারা পৃথিবীতে ত

    সাগর রুনি ও লাভজনক আন্দোলন।


    কাছের কিছু মানুষ, তারা কেউ বন্ধু, কেউ সহকর্মী , এদের কিছু কাজ, আচরণ ও কথা মনের গভীরে নিদারুণ আঘাত হানে। এই আঘাতের কারনে বন্ধ করে দেয় সাগর রুনি কে নিয়ে লেখা, ওদের নিয়ে শুরু হওয়া খেলাটা আঘাত তাকে আর দগদগে করে তুলেছে। আঘাতের ক্ষত আজো শুকাইনি। এই ক্ষতের কারনে লিখে উঠতে পারছিলাম না। কিন্ত কয়েকদিন ধরে মনে হচ্ছিল আমার সেই বন্ধু আর সহকর্মীরা দৃশ্যত রুনি আর সাগরের আরো অনেক কাছের ছিল। ওরা যদি হেসে খেলে সাগর আর রুনির মৃত্যুকে ভুলে যায়, তাহলে আমি কেন হেসে খেলে ওই ক্ষত কে ভুলব না। অকৃতজ্ঞ বন্ধু ও সহক্রমিদের দেয়া কষ্ট কেন ভুলব না। তাই বেদনা ভুলে আবার কলম তুলে নিলাম।

    স্লোগানকন্যাদের কণ্ঠের কাছে হার মানছে আগ্নেয়গিরি


    ওদের কণ্ঠে ঝরছে দ্রোহ আর প্রতিবাদের স্ফুলিঙ্গ। জাদুকরি স্লোগানে উজ্জীবিত লাখো জনতা। শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই তাদের কণ্ঠের জাদুতে বিমোহিত। ক্লান্তিহীন ঝাঁঝালো কণ্ঠের তেজোদীপ্ত হুঙ্কার ছড়িয়ে পড়ছে পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া। রূপসা থেকে পাটুরিয়া। শাহবাগের স্লোগানকন্যাদের কণ্ঠের উত্তাপে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরিও যেন হার মানছে। গতকাল সন্ধ্যার স্লোগান দিতে গিয়ে দুইবার অসুস্থ হয়ে পার্শ্ববর্তী বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসা নেন অগ্নিকণ্ঠি লাকী আক্তার। তবে অসুস্থতা তাকে আটকাতে পারেনি। রাতেই গণজাগরণ মঞ্চে ফিরে এসে স্লোগান ধরে লাকী বলেন, 'আন্দোলন চলবে। আমি সুস্থ আছি।'

    একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়?


    প্রথমে আসা যাক কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটিদের সদস্যদের নামের তালিকায়। এখানে ১০৪ জন সদস্যের সবার নাম পাওয়া যায়নি। যাদের নাম আছে তা মুদ্রিত দলিলের ভিত্তিতে প্রণিত। বাকিরা সবাই ছিলেন স্বাধীনতা বিরোধী উগ্রপন্থী দলগুলোর সদস্য।

    কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির সদস্যবৃন্দ :
    ১. খাজা খয়েরউদ্দিন : পাকিস্তানে মুসলিম লিগ নেতা
    ২. একিউএম শফিকুল ইসলাম : অ্যাডভোকেট লাহোর হাইকোর্ট, বাংলাদেশে ব্যবসা আছে
    ৩. গোলাম আজম : জামাতে ইসলামীর বিগবস
    ৪. মওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মাসুম : কেন্দ্রীয় মজলিশে সাদারাত সদস্য, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল উম্মাহ
    ৫. আব্দুল জব্বার খদ্দর : স্বাধীনতার পর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়

    লাকী আক্তারের ঘটনা, ইটিভি, ছাগুপেজ সমুহ ও আমার প্রেস বিজ্ঞপ্তি-আরিফ জেবতিক


    লাকী আক্তারের ঘটনা, ইটিভি, ছাগুপেজ
    সমুহ ও আমার প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    -------------------
    ঘটনা হইল আমার ৪ বছরের মেয়েটা অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমি শাহবাগ ছেড়ে বের হই ৭টার দিকে। আমার মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাত ৯টার দিকে বাসায় ফিরে মোবাইল চার্জে লাগিয়ে মেয়েকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। মেয়েকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আমি আর শাহবাগে ফিরে যাইনি। মোবাইল বন্ধ থাকায় আমি শাহবাগের

    মোল্লার মৃত্যুদন্ড জটিলতাঃ সমাধানের যৌক্তিক উপায় - ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ


    কাদের মোল্লার মৃত্যুদন্ড হলো এই মূহুর্তে বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের দাবি। আপীল আইনের সীমাবদ্ধতার কারনে বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের পক্ষে কাদের মোল্লার মৃত্যুদন্ডের শাস্তি নিশ্চিত করা খুবই দূরুহ হয়ে পড়েছে। তাই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের পক্ষে আপিল করবার বিধানটি সংশোধন করবার। বর্তমান মামলাটির আপীলে সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সম্পূর্ন ন্যায় বিচারের দাবি করবেন বলেও বিজ্ঞ প্রসিকিউশন ইচ্ছা পোষন করেছেন। ন্যায় বিচারের দাবি অথবা আপীলের বিধানের সংশোধনী যা-ই এই মূহুর্তে বিজ্ঞ প্রসিকিউশন এবং সরকার চিন্তা-ভাবনা করছেন, তার উদ্দেশ্য হলো কাদের মোল্লার মৃত্যুদন্ডের সাজা নিশ্

    নেই কিন্তু আছে!


    প্রতিদিন যাচ্ছি গণজাগরণ আন্দোলনে, ভাবছি গণজাগরণ নিয়ে; ভাল লাগছে দুটোই। যুদ্ধ অপরাধীদের ফাঁসির দাবীতে গণজাগরন এক অপার বিস্ময় কিন্তু এক দারুন বাস্তবতা। কাজের। অকাজের আন্দোলন-সমাবেশ এদেশে অনেক হয়েছে,হচ্ছে ও হবে। ঐতিহাসিক বলে বিশেষণ আরোপ করে তাতে রঙ চড়ানো হলেও সেসব কখনোই জন-স্মৃতিতে কালোত্তীর্ণ হয়নি। কেননা সেসব আন্দোলন-সমাবেশে তেমন উপাদানই খুঁজে পাওয়া যায়নি। দলের ধ্বব্জাধারী নেতা, তাদের চেলা, অন্ধ সমর্থক আর ভাড়া করা সমাবেশকারীদের নিয়েই হয়েছে নব্বই’য়ের গনআন্দোলন পরবর্তী সকল সমাবেশ।

    pic-1

    কাদের মোল্লার রায়, তা নিয়ে আন্দোলন এবং আমার প্রতিক্রিয়া


    বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অন্যতম নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছিলো চিহ্নিত যুধাপরাধীদের বিচার করা এবং এটির উপরে ভিত্তি করে চল্লিশ বছর ধরে অপেক্ষমান বাঙালি জাতি এবং এই প্রজন্মের তরুন সমাজ ভোটের মাধ্যমে তাদের রায় দেয়।

    মহাজোট ক্ষমতায় এসে প্রথম সংসদ অধিবেশনে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিল প্রস্তাব করে এবং সেটি পাশ হয়।এরপর শুরু হয় ট্রাইব্যুনাল গঠন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য কাজ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর