নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • শাম্মী হক
    • মারুফুর রহমান খান
    • মিশু মিলন
    • মাহের ইসলাম

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    সংজ্ঞা চাই


    বেশ কয়েকদিন ধরেই ভাবছিলাম ঢাকায় সাংবাদিকতার যারা ‘নক্ষত্র’ আছেন তাদের কাছে জিগামু। পরে ভাবলাম দরকার কি ব্যস্ত মানুষদের ডিস্টার্ব করার। তাই আম জনতারেই জিগাই।

    আপনারাই কন-সাভার ট্রাজেডিতে বাংলাদেশের টেলিভিশন সাংবাদিকতার যে নমুনা দেখা গেলো এইডারে কোন ধরনের সাংবাদিকতা বলা যায়?

    সংজ্ঞা দেন প্লিজ :-B

    পুনশ্চ: সাভার ইস্যুতে সাংবাদিকতার (!) যে নমুনা দেখছি তাতে আমি শঙ্কিত। এই শঙ্কার জায়গা থেকেই ভাবলাম ইতিহাসে নাম লেখাই। পরে বলতে পারবো ওই বিষয়টা নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলেছিলাম কিংবা সজ্ঞায়িত করেছিলাম(অন্যের কাছ থেকে ধার করা এইডা কিন্তু স্বীকার করমু না।)

    আমুর সামু হয়ে ওঠার গল্প!!


    যারা নিয়মিত আমারব্লগে যান তারা গত দুদিনে একটা অভূতপূর্ব জিনিস হয়তো খেয়াল করে থাকবেন।ওখানে ডাক্তার আইজুকে নিয়ে লেখা সকল পোস্ট রিমুভ করা হয়েছে শুধু তাই নয় লেখক ব্লগারকেও ব্যান করা হয়েছে।

    বিষয়টা আমার প্রথমে নজরে আসেনি।তাই নজরে আসামাত্র মডারেশন প্যানেলের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে পোস্ট দেই।এবং সকালে উঠেই দেখি আমি নিজেই ব্যান হয়ে বসে আছি।

    কথিত আছে,মডারেশন বিহীন মুক্তিযুদ্ধ চেতনার চর্চার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সামুব্লগের ছাগীয় আচরণের বিপরীতে এই ব্লগকে দাঁড় করানো হয়।কিন্তু এখন দেখছি নিজেই সে একই আচরণ করছে।অথবা ভাবছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাদের বাবার সম্পত্তি।

    ওকে,আমারব্লগ গো ফাক ইউরসেলফ।

    যতটুকু চাই



    মেকি গল্পের ঠিকানায় নয়
    তুমি রয়ে যেও চিরঞ্জীব সত্য হয়ে
    অনাহুত আবেগে নয়
    ভেসে থেকো বাস্তবতার প্রকোষ্ঠে,
    রয়ে যেও চিন্তায়, ততোধিক কঠিন করে আধেক সাধনায়।

    সুর্যাস্তের আবীর ছুয়ে তোমাকে দেবো না আমি
    মনের রক্তাভ ভালোবাসাটুকুই নিও
    তপ্ত লাভায় কতটুকু উষ্ণতা
    বুকের জমিনেই খুঁজে নিও আজন্ম স্বাদ
    দিনান্তের ফাঁকে তুলে দিও এক টুকরো হাসি, অপার কৃতজ্ঞতায়।

    জানালার ফাঁক গলে এসো প্রভাতী সূর্যের মতো
    মোলায়েম উষ্ণতা না হোক
    খরতাপই নেবো সাগ্রহে

    আসছে হেফাজতি ছাগুর পাল,লুঙ্গি উঠায়ে কাটবে বাল!!


    অবশেষে সেই ঐতিহাসিক ৫মে আসন্ন।জাতি আজ কঠিন সময়ের মুখোমুখি।জাতির এই কঠিন দূর্যোগে ৫মে মহা বালফালানি দিবস নিয়ে আসছে হেফাজতি ছাগুর পাল।আসুন আমরা দলে দলে যোগ দিয়ে তাদের এই বালফালানি দিবসকে সফল করি।চলুন সবাই একসাথে গর্জে উঠি...
    "আসছে হেফাজতি ছাগুর পাল
    লুঙ্গি উঠায়ে কাটবে বাল...."
    চলুন আমাদের যার যা আছে অর্থাৎ কাচি,ব্লেড,রেজার সব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি।আমাদের বালের তাড়নায় ভেসে যাক শাহবাগী নাস্তিকরা,ভেসে যাক নাস্তিক মুরতাদ সরকার!!
    কৃতঞ্জতায়:হেলিকপ্টার শফি ও জুনায়েদ বাবু নগরী হুজুর

    রিক্স থেকে লাফ দিয়ে পরে হল না মেয়ের আত্বহত্যা…।।


    বাসা থেকে বের হইছি চা খাউয়ার জন্য,ফুটফাত দিয়ে হাটতেছি আমি আর আমার বন্ধু। হঠাত দেখি এক মেয়ে রিক্সা থেকে লাফ দিয়ে রাস্তায় পরল।আরেকটু হলে একটা কার দিত ঘ্যাচাং।ভাগ্য ভাল গাড়ি থামাইতে পারচিলাম।তারপর এগিয়ে গিয়ে দেখি মেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে।কেউ এগিয়ে ও আসে না। আমি আর আমার বন্ধু পরলাম বেকায়দায় তারপর এক মুরুব্বি টাইপের লোক কে ডেকে নিয়ে মুরুব্বির সাহায্যে কোনরকমে রিক্সায় বসালাম।তার পর মোখে পানি দিয়ে জ্ঞ্যান ফিরে পাওয়ায় সস্তি বোধ করলাম।কাহিনী এখানেই শেষ হতে পারত…।।

    ন্যাতা ও চিড়িয়াখানা!!


    বাংলাদেশ মগা থুক্কু মখা এবং আবাল থুক্কু আবুল এবং গুলাবিদের দেশ। এইদেশে এমন এমন সব চিড়িয়া [মানুষ কইতে পারলাম না!!! এদের মানুষ বইলা মনে হয় না!!] আছে যাদের চিড়িয়াখানায় রাখলে দেশ চিড়িয়াখানার টিকেট বেচা আয় দিয়া ৪টা পদ্মা সেতু খাড়া কইরা ফালাইতে পারত!!! আমরা সাধারন জনগন এইসব চিরিয়াকে চিরিয়াখানায় দেখতে চাই। নিচে এমনই কিছু চিড়িয়া এবং তাদের কথাবার্তা কর্মকাণ্ড উল্লেখ করা হইল সাথে তাদের খাচার সামনে কি লেখা থাকবে তাও ফাও ফাও কইয়া দিলাম । যেমনঃ

    ১। দি গ্রেট স্বরাষ্ট্র মনস্টার মগা !!

    আরো কি করা যায় দুর্গতদের জন্য।


    প্রতি শুক্রবার সন্ধায় মুক্তমনা বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেই, গত শুক্রবার এমনি এক আড্ডায় সাভারের দুর্গতদের সাহায্যের জন্য কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এরপর আমরা কতটুকু কি করতে পেরেছি তা ফেবুতে শেয়ার করেছি। আজ আমার কাজ ছিল তাদেরকে সাভার সম্পর্কে অবহিত করা।

    অবহিত করার পর সবার কাছে জানতে চেয়েছি কেন আমরা তাদের পাশে দাড়িয়েছিলাম। সবার মতামতে যা জানা গেল তার সারমর্ম এই যে মানবতার জন্যই মূলত আমাদের ততপরতা। পরে সবাইকে আমার চারটি প্রস্তাবের কথা বলি।

    ১। আমাদের জেলায় যারা সাভার বিপর্যয়ের শিকার তাদের তালিকা তৈরি করা।

    সেবামূলক পেশা বলতে এই দেশের মানুষেরা কেবল মোবাইল অপারেটর বুঝে আর ডাক্তার বলতে বুঝে ঘর ত্যাগী সন্ন্যাসী !


    সেবামূলক পেশা বলতে এই দেশের মানুষেরা কেবল মোবাইল অপারেটর বুঝে আর ডাক্তার বলতে বুঝে ঘর ত্যাগী সন্ন্যাসী !

    অন্তর থেকে নিঃস্বার্থ ভাবে সেবা দেবে এই আশা শুধু ডাক্তারদের প্রতি কেন থাকবে, বাকিদের প্রতি কেন থাকবে না? আমরা ডাক্তাররা তো নিঃস্বার্থ ভাবে সেবা দিতেই চাই তারপরও একটা কথা আমার মাথায় আসে না- আচ্ছা, বলেন তো মানুষের মৌলিক চাহিদা কি ?
    ক্লাস ৫ এর বাচ্ছাও জানে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা এই কয়েকটি মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রথম চারটার কথাই ধরি এগুলোর একটাও কি আপনারা ফ্রি পান কোথাও?
    পান না।
    বাসায় আইসা কেউ চাল, কাপড়, শিক্ষা বিনামূল্যে দিয়ে যায়?
    দেয় না তো !

    একটি আইজুদ্দীন বালছাল


    অনেকক্ষন ধরে ভাবছি কিভাবে শুরু করব কিন্তু কোন কিছুই মাথায় আসছে না দেখে এমনিতেই শুরু করে দিলাম। শিরোনামটা খুবই পরিচিত তাই নয় কি! যতদুর জেনেছি এরকম শিরোনামের যিনি লেখক তিনি দীর্ঘ ছয়টি বছর ধরে আত্মগোপন থাকার পর "চৌকশ" একটি সাইবার দল(!) কর্তৃক মূল পরিচয়ে ধরা পড়েছেন।

    গত কয়েকদিন থেকে আইজুদ্দীন সম্পর্কে অনলাইন মহল কতটা সক্রিয় তা ইস্টিশন ব্লগের বিভিন্ন ব্লগারের পোস্ট দেখেই বুঝতে পারছি। যেখানে অনলাইন মহল সাভার, গণজাগরন কিনবা যুদ্ধাপরাধ ইস্যু নিয়ে মাতোয়ারা থাকে সেখানে সব ছাপিয়ে স্থান নিয়েছে আইজু। এসব থেকেই কিন্তু বোঝা যায় আইজুর প্রভাবটা ঠিক কতবড়।

    প্রসঙ্গ: অর্থনীতিতে বাংলাদেশের নারীদের অবদান ও হেফাজত এ জামাত।


    লেখটা লেখার ইচ্ছে ছিল হেফাজতের ১৩ দফা ঘোষণার পরপর, কিন্তু সময়ের অভাবে লিখতে পারিনি। এর মধ্যেই তৈরী পোষাকশিল্প তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহতম বিপর্যয় ঘটে গেল। কয়েকজনের লোভ আর ঔদাসীন্যের কারণেই বলী হল পাঁচ শতাধিক তাজা প্রান, আহত প্রায় আড়াই হাজার এবং এখনো নিখোজ প্রায় চারশতাধিক (১)! হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকল শ্রমিকের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা, এবং নিহতদের স্বজনদের প্রতি শোক জানিয়ে লেখা শুরু করছি। এই লেখাকে বাংলাদেশের তৈরী পোষাক শিল্পের মালিকদের অনুকূলে ভাবার কোন কারণ নেই, বরঞ্চ সেই লোভীদের প্রতি আমার ঘৃণা সবসময়ই ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও অক্ষুন্ন থাকবে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর